Friday, August 28, 2015

Memorandum To The Hon'ble President of Democratic Republic of Bangladesh Regarding Mass destruction of Minority Properties.

Memorandum to call persistent Religious Persecutions,Forcible Expulsion  from Motherland [Bangladesh] and rabid Human Rights Violations on Religious Minorities in the land of Bangladesh.
Udated:29.08.2015
[July-Aug 2015 Letter]

NBNS
NBNS

NBNS
NBNS
NBNS

NBNS

NBNS




নবীগঞ্জে মুক্তিযোদ্ধার সন্তানকে আগুনে পুড়িয়ে হত্যার চেষ্টা

নবীগঞ্জে মুক্তিযোদ্ধার সন্তানকে আগুনে পুড়িয়ে হত্যার চেষ্টা


নবীগঞ্জ উপজেলার করগাঁও ইউনিয়নের জন্তরী গ্রামে একটি শ্বশানের জায়গা দখলে ব্যর্থ হয়ে দিন মজুর গোপাল সরকার নামের এক মুক্তিযোদ্ধার সন্তানকে কেরোসিন দিয়ে আগুন লাগিয়ে পুড়িয়ে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে বলে অভিযোগ-


প্রকাশিত হয়েছে : আগষ্ট ২৪, ২০১৫ 

http://dailysylhet.com/

নবীগঞ্জ প্রতিনিধি::
নবীগঞ্জ উপজেলার করগাঁও ইউনিয়নের জন্তরী গ্রামে একটি শ্বশানের জায়গা দখলে ব্যর্থ হয়ে দিন মজুর গোপাল সরকার নামের এক মুক্তিযোদ্ধার সন্তানকে কেরোসিন দিয়ে আগুন লাগিয়ে পুড়িয়ে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। গোপাল সরকারকে মূমুর্ষ অবস্থায় নবীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরন করেন। এ ব্যাপারে গতকাল রবিবারে নবীগঞ্জ থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
অভিযোগ সূত্রে জানাযায়, উপজেলার করগাঁও ইউনিয়নের জন্তরী গ্রামের মুক্তিযোদ্ধা গৌরাঙ্গ সরকারের বাড়ির পেছনে থাকা একটি শ্বশান রয়েছে যা জন্তরী গ্রামের হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজন ব্যবহার করে আসছেন। কিন্তু এই শ্বশানের জায়গা দখল করতে মরিয়া হয়ে উঠেন একই গ্রামের কথিপয় প্রভাবশালী মৃত আরিফ উল্লাহর ছেলে নজাপত মিয়া। সে এই শ্বশান ব্যবহার না করার জন্য অনেক দিন বাধা, আপত্তি করে নিরিহ হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকদের।
এক পর্যায়ে দাফট দেখিয়ে শ্বশানের জায়গা জবর দখল করে ফেলে নজাপত মিয়া। কিন্তু তার ভয়ে এতে কেউ কথা বলতে সাহস পায়নি। পরে নজাপতের নিকট থেকে শ্বশানের জায়গা উদ্ধারের জন্য গোপাল সরকার জেলা প্রশাসক ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) বরাবর আবেদন করেন।
আবেদনের প্রেক্ষিতে সহকারী কমিশনার (ভূমি) স্থানীয় তহশীলদারের স্বারক নং- ৫৮ ধারায় ১১/০৬/১৫ই প্রতিবেদনের প্রেক্ষিতে গোপালের পরিবারসহ স্থানীয় হিন্দু সম্পদায়ের মানুষদের এই জায়গাটি শ্বশান হিসেবে ব্যবহার করার অনুমতি দেন। এই প্রতিবেদনের পর নজাপত মিয়া ও তার বাহিনী ক্ষুব্দ হয়ে উটে গোপালের উপর।
গত শুত্রবার রাত প্রায় ৮টার দিকে নজাপত ও তার লোকজন নবীগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের নিকস্থ রাহুল মিয়ার দোকানের সামনে গোপাল সরকার কে ডেকে নিয়ে আসে এবং নজাপত গোপালকে হুমকি দামকি দিয়ে বলে এই শ্বাশানটি তোমরা আর ব্যবহার করবেনা এবং শ্বশানের এই জায়গাটি তোমাদের প্রয়োজন নেই মর্মে একটি লিখিত দিতে হবে।
এতে গোপাল রাজি না হওয়ায় তাকে লাথি, কিল, ঘুষিসহ হাতুরে মারপিট করে এবং গোপালকে ওই শ্বশানেই হত্যা করিবে বলেও হুমকি দিয়ে তাকে রাস্তায় ফেলে চলে যায়। ওই দিনই রাত অনুমান ১২টার দিকে গোপালের বাড়িতে গিয়ে দেশীয় প্রাণ নাশক অস্ত্র শস্ত্র নিয়ে গোপালের রুমে ডুকে প্রাণে হত্যার উদ্যোশ্যে মারপিট করে।
এসময় গোপাল “বাচাও বাচাও” বলে চিৎকার করলে ঘরের থাকা তার ভাইসহ অন্য সদস্যরা গোপালের রুমে গেলে অস্ত্রের মুখে তাদেরকে জিম্মিকরে করে হত্যার হুমকি প্রর্দশন করে নজাপত ও তার লোকজন। তখনই নজাপতের ছেলে খালেদ মিয়া তার হাতে থাকা কেরোসিনের ড্রাম থেকে কেরোসিন গোপালের শরীরে ডেলে দেয়।
এসময় নজাপত মিয়া তার হাতে থাকা একটি দিয়াশলাই এর কাটিতে আগুন ধরিয়ে গোপালের শরীরে আগুন লাগিয়ে চলে যায় বলে অভিযোগে প্রকাশ। যাওয়ার সময় হুমকি দিয়ে যায় এ বিষয়ে কাউকে বললে বা মামলা মোকদ্দমা করার চেষ্টা করলে সবাইকে হত্যা করা হবে। আগুনে গোপালের দুই হাতসহ শরীরের বিভিন্নস্থানে জলসে যায়।
এমনতঅবস্থায় নজাপত ও তার লোকজন পাহারা দিতে থাকে, ফলে তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ারও সুযোগ দেয়নি। পরের দিন স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে নবীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তার অবস্থা আশংকাজনক দেখে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেন।
এ ব্যাপারে গতকাল রবিবার বিকালে নবীগঞ্জ থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

প্রেমিক অন্য ধর্মের, তাই হাত-পা কেটে হত্যা!

প্রেমিক অন্য ধর্মের, তাই হাত-পা কেটে হত্যা!

http://thebdtimes24.com/
Dated-
Thursday, August 27, 2015

বগুড়া: মেয়ের প্রেমিক অন্য ধর্মের হওয়ায় তাদের প্রেম মেনে নিতে পারেনি বাবা। তাই হাত পা কেটে প্রেমিক কলেজছাত্রকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে। প্রেমিকা ও তার বাবাকে গ্রেপ্তারের পর প্রাথমিকভাবে এমন ধারনা করছে পুলিশ।
রোববার গভীর রাতে বগুড়ার শেরপুর উপজেলা থেকে মেয়ে মারুফা আকতার (২০) ও তার বাবা আবু বক্কর সিদ্দিককে (৪৮) গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
মারুফা বগুড়া সরকারি আজিজুল হক বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের সমাজ বিজ্ঞান বিভাগের প্রথম বর্ষের ছাত্রী ও ও তার বাবা আবু বক্কর সিদ্দিক শেরপুর উপজেলার কাশিপাড়া গ্রামের বাসিন্দা।
মারুফার প্রেমিকের নাম সঞ্জিত কুমার (২৪)। তিনি নাটোরের সিংড়া উপজেলার নিশ্চিন্তপুর গ্রামের সুভাষ চন্দ্রের ছেলে ও বগুড়া সরকারি আজিজুল হক বিশ্ববিদ্যালয়ে কলেজে মনোবিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র। বগুড়া শহরের কামারগাড়ি এলাকার একটি ছাত্রাবাসে থেকে তিনি পড়ালেখা করতেন।
গত ৯ আগস্ট সকালে বগুড়া রেল স্টেশনের অদূরে পালশা এলাকায় রেল লাইনের পাশে হাত-পা কাটা এবং মাথা থেতলানো অবস্থায় পুলিশ সঞ্জিতের লাশ উদ্ধার করে।
পুলিশ জানায়, রেল লাইনে ট্রেনে কেটে মারা যাওয়ার মতো কোনো আলামত না থাকায় সঞ্জিতের মৃত্যু নিয়ে পুলিশের সন্দেহ হয়। এ কারণে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য মর্গে পাঠায়।
প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ জানতে পারে একই কলেজের মারুফা নামের এক ছাত্রীর সঙ্গে সঞ্জিতের প্রেমের সর্ম্পক ছিল।
সঞ্জিতের সহপাঠিরা পুলিশকে জানায়, ৮ আগস্ট বিকেল পর্যন্ত সঞ্জিত এবং মারুফা কলেজ ক্যাম্পাসে ঘোরাফেরা করেছে। এরপর রাতে সঞ্জিত ছাত্রাবাসে ফিরে আসেনি।
লাশ উদ্ধারের পরই নিহতের বাবা সুভাষ চন্দ্র বাদী হয়ে মারুফা এবং তার বাবা আবু বক্কর সিদ্দিককে আসামি করে রেলওয়ে বোনারপাড়া থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।
মামলার পর রোববার রাতে শেরপুর শহরের কলেজ রোডে এক আত্মীয়ের বাড়িতে আত্মগোপন করে থাকা নিহতের প্রেমিকা মারুফা আকতার ও কাশিপাড়া গ্রাম থেকে তার বাবা আবু বক্কর সিদ্দিককে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা বগুড়া রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ উপ-পরিদর্শক (এসআই) হারুনার রশিদ জানান, গ্রেপ্তারকৃত বাবা ও মেয়েকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যাচ্ছে। ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাদের রিমান্ডে নেয়া হবে।
এসআই হারুন আরো জানান, প্রাথমিক ভাবে জানা গেছে মুসলামান ও হিন্দু হওয়ায় মারুফা ও সঞ্জিতের প্রেমের সম্পর্ক মেনে নিতে পারেনি মারুফার বাবা।

পুঠিয়ায় সাঁওতাল গৃহবধূকে ধর্ষণের অভিযোগ

পুঠিয়ায় সাঁওতাল গৃহবধূকে ধর্ষণের অভিযোগ

http://thebdtimes24.com/
Dated-Wednesday, August 26, 2015
রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলায় সাঁওতাল (নৃ-গোষ্ঠী) গৃহবধূ (২৮) ধর্ষণের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযুক্ত মুকুল হোসেন (৩৫) একই গ্রামের বাসিন্দা।   রবিবার বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে উপজেলার জিউপাড়া-বিলমাড়িয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।   জানা গেছে, ওই গৃহবধূ বিলমাড়িয়ার বিলে ধানের জমিতে অন্যান্য দিন মুজুরদের সঙ্গে কাজ করছিলেন। এক পর্যায়ে বিকেল প্রায় সাড়ে তিনটার দিকে ওই গৃহবধূ ক্লান্ত হয়ে আখ ক্ষেতের পাশে বিশ্রাম নিতে যায়। সেখানে আগে থেকে ওঁৎপেতে থাকা মুকুল হোসেন ওই গৃহবধূকে আখ ক্ষেতে নিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। এ সময় তার চিৎকারে সহকর্মীরা ছুটে গেলে মুকুল পালিয়ে যায়।   পুঠিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহরিয়ার খান জানান, ওই গৃহবধূ মুকুলের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন।

Saturday, August 22, 2015

"Minority Attack-2 ".

"Minority Attack-2 "
Religious Minority Community in Bangladesh.
Massive Attacks upon Hindu-Buddhists-Christians-Advasis in last 2-3 year in Bangladesh.



















to be continue....



Wednesday, August 12, 2015

"Minority Attack-1 "

"Minority Attack-1 "
Religious Minority Community in Bangladesh.
Massive Attacks upon Hindu-Buddhists-Christians-Advasis in last 2-3 year in Bangladesh.



































End of Minority Attack Part 1