- 9 March 2013
HUMAN RIGHTS ORGANIZATION MOVES FOR RELIGIOUS MINORITY COMMUNITIES OF BANGLADESH.ESTD :23 NOV 1977
Wednesday, February 25, 2015
Tuesday, February 17, 2015
Religious Minority Community in Bangladesh;FEBRUARY 2015
1.
ঝিনাইদহে হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের মানববন্ধন
ঝিনাইদহ প্রতিনিধি | আপডেট ২০১৫ ফেব্রুয়ারি ১৩ ১৬:৩৬:৫৫
ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের উপর নির্যাতন, হামলা, বাড়ি ভাংচুর ও হত্যার প্রতিবাদে শুক্রবার ঝিনাইদহ শহরের পোষ্ট অফিস মোড়ে এক মানববন্ধন কর্মসুচি পালিত হয়। কেন্দ্রীয় কর্মসুচির অংশ হিসেবে ঝিনাইদহ হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদ ও পূজা উদযাপন পরিষদ যৌথভাবে এ কমসূচির আয়োজন করে। ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধন কর্মসুচিতে হিন্দু-বৌদ্ধ, খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের মানুষ ছাড়াও রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংগঠনের কর্মীরা অংশ নেন। শুক্রবার বেলা ১১টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত এই মানববন্ধন কর্মসুচিতে ব্যানার ও প্লাকার্ড হাতে নিয়ে হিন্দু সম্প্রদায়সহ বিভিন্ন শ্রেনীপেশার মানুষ হত্যাকারীদের গ্রেফতার ও বিচারের দাবি জানান। এসময় ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার কোলা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আনন্দ মোহন ঘোষের স্ত্রী রিংকু ঘোষ কান্নায় ভেঙে পড়েন । মানববন্ধন চলাকালে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন পূজা উদযাপন পরিষদের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি কনক কান্তি দাস, জেলা হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি নারায়ন চন্দ্র বিশ্বাস, সাধারণ সম্পাদক এ্যাডভোকেট সুবির সমাদ্দার, জেলা পূজা পরিষদের সভাপতি তপন শিকদার, জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আক্কাস আলী, সাবেক উপ সচিব অশোক দাস, এড সুভাষ বিশ্বাস মিলন, সমির কুন্ডু, পলাশ বিশ্বাস ও শিপন প্রমুখ। সমাবেশে বক্তারা কালীগঞ্জের আনন্দ মোহন ঘোষ ও পরেশ দাস এবং ঝিনাইদহের কৃষ্ণপাড়ার প্রদিপ কুমারের হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। উল্লেখ্য গত ৭ জানুয়ারী কালীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগের বর্ধিত সভায় আওয়ামী লীগের আভ্যন্তরীন কোন্দলে নিহত হন কালীগঞ্জের কোলা ইউনিয়ন হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি ও আওয়ামী লীগ নেতা আনন্দ মোহন ঘোষ। এঘটনায় নিহতের ভাই তপন কুমার ঘোষ বাদী হয়ে ৪৯ জনকে আসামী করে হত্যা মামলা দায়ের করেন। তবে এই মামলায় এখনও পর্যন্ত পুলিশ কোন আসামীকে গ্রেফতার করতে পারেনি। আসামীরা সরকারী দলের নেতাকর্মী হওয়ায় তারা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে। এদিকে গত ৩ ফেব্রয়ারী ঝিনাইদহ শহরের কৃষ্ণপাড়ায় খুন হয় প্রদিপ কুমার দাস ও ৪ ফেব্রয়ারী কালীগঞ্জের দুলালমুন্দিয়ায় নিজ পান বরজে দুর্বৃত্তরা পরেশ দাসকে শ্বাস রোধ করে হত্যা করে।
2.
রামগঞ্জে সংখ্যালঘুর সম্পত্তি দখল করে ঘর নির্মান
জেলার রামগঞ্জ উপজেলার ৫নম্বর চন্ডিপুর ইউনিয়নের কামারহাঁট বাজার সংলগ্ন মাছিমপুর কামারবাড়ীর সংখ্যালঘু ভূবন কর্মকারের পরিবারের ক্রয়কৃত সম্পত্তিতে কামারহাঁট বাজারের সার ব্যবসায়ী জয়নাল আবেদীন হেঞ্জু ঘর নির্মান করে দখলের পায়তারা করছে। এব্যপারে ভূবন কর্মকার গতকাল বুধবার ল²ীপুর আদালতে একটি মামলা দায়ের করেছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, হেঞ্জু, বসু ও দয়ালসহ ৭/৮জন সন্ত্রাসী মঙ্গলবার ভোরে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে ভূবন কর্মকারের সম্পত্তির কয়েকটি আম গাছ ও সুপারী গাছ কেটে টিন দিয়ে একটি চারপা ঘর নির্মান করে। এসময় ভূবন কর্মকার বাঁধা প্রদান করলে তাকে মারধর করার জন্য তেড়ে আসে জয়নাল আবেদীন হেঞ্জুর লোকজন। এব্যপারে ভূবন কর্মকার জানান, বিগত ত্রিশ বছর পূর্বে একই বাড়ীর মৃত রসরাজ কর্মকার থেকে তিনি ও তার ছোট বোন জয়ন্তী রানী কর্মকার সাড়ে ৬ শতাংশ জমি ক্রয় করে বাড়ী ঘর নির্মান করে বসবাস করে আসছেন। কিন্তু মঙ্গলবার ভোরে হটাৎ জয়নাল আবেদীন হেঞ্জু ও তার লোকজন ভূবন কর্মকারের ঘরের সামনে কয়েকটি আম গাছ ও সুপারী গাছ কেটে টিন দিয়ে একটি চারপা ঘর নির্মান করে। এসময় ভূবন কর্মকারের লোকজন বাঁধা প্রদান করে কোন ক্ষমতায় তিনি তার সম্পত্তিতে ঘর করছেন জিজ্ঞাসা করলে জয়নাল আবেদীন হেঞ্জু জানান, আমি রসরাজ কর্মকারের ছেলে বলরাম কর্মকারের কাছ থেকে ১ শতাংশ জমি ক্রয় করেছি।
এব্যপারে জয়নাল আবেদীন হেঞ্জু জানান, আমি ৫/৬ বছর পূর্বে বলরাম ও হারাধন কর্মকারের কাছ থেকে জমিটি ক্রয় করেছি। তারা আমাকে জমি বুঝিয়ে না দেয়ায় আমি স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের ধারস্থ হলে ইউপি চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম আমাকে আমার সম্পত্তি বুঝিয়ে দেয়ার জন্য একটি লিখিত অনুমতিপত্র প্রদান করলে আমি আমার সম্পত্তি দখলে নিতে দোকান নির্মান করি। সম্পত্তি ক্রয়ের কোন কাগজপত্র আপনার কাছে আছে কি-না, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, আমি টাকা দিয়েছি এখনো রেজিস্ট্রি করি নাই। বিক্রেতারা আমাকে আজ দিচ্ছি কাল দিচ্ছি বলে কালক্ষেপন করায় আমি আমার সম্পত্তিটি দখল করেছি। এব্যপারে ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম জানান, আমি ঢাকায় আছি, ঠিক মনের করতে পারছিনা বিষয়টি। ঢাকা থেকে আসলে এ ব্যপারে আপনাদেরকে বলতে পারবো।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, হেঞ্জু, বসু ও দয়ালসহ ৭/৮জন সন্ত্রাসী মঙ্গলবার ভোরে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে ভূবন কর্মকারের সম্পত্তির কয়েকটি আম গাছ ও সুপারী গাছ কেটে টিন দিয়ে একটি চারপা ঘর নির্মান করে। এসময় ভূবন কর্মকার বাঁধা প্রদান করলে তাকে মারধর করার জন্য তেড়ে আসে জয়নাল আবেদীন হেঞ্জুর লোকজন। এব্যপারে ভূবন কর্মকার জানান, বিগত ত্রিশ বছর পূর্বে একই বাড়ীর মৃত রসরাজ কর্মকার থেকে তিনি ও তার ছোট বোন জয়ন্তী রানী কর্মকার সাড়ে ৬ শতাংশ জমি ক্রয় করে বাড়ী ঘর নির্মান করে বসবাস করে আসছেন। কিন্তু মঙ্গলবার ভোরে হটাৎ জয়নাল আবেদীন হেঞ্জু ও তার লোকজন ভূবন কর্মকারের ঘরের সামনে কয়েকটি আম গাছ ও সুপারী গাছ কেটে টিন দিয়ে একটি চারপা ঘর নির্মান করে। এসময় ভূবন কর্মকারের লোকজন বাঁধা প্রদান করে কোন ক্ষমতায় তিনি তার সম্পত্তিতে ঘর করছেন জিজ্ঞাসা করলে জয়নাল আবেদীন হেঞ্জু জানান, আমি রসরাজ কর্মকারের ছেলে বলরাম কর্মকারের কাছ থেকে ১ শতাংশ জমি ক্রয় করেছি।
এব্যপারে জয়নাল আবেদীন হেঞ্জু জানান, আমি ৫/৬ বছর পূর্বে বলরাম ও হারাধন কর্মকারের কাছ থেকে জমিটি ক্রয় করেছি। তারা আমাকে জমি বুঝিয়ে না দেয়ায় আমি স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের ধারস্থ হলে ইউপি চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম আমাকে আমার সম্পত্তি বুঝিয়ে দেয়ার জন্য একটি লিখিত অনুমতিপত্র প্রদান করলে আমি আমার সম্পত্তি দখলে নিতে দোকান নির্মান করি। সম্পত্তি ক্রয়ের কোন কাগজপত্র আপনার কাছে আছে কি-না, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, আমি টাকা দিয়েছি এখনো রেজিস্ট্রি করি নাই। বিক্রেতারা আমাকে আজ দিচ্ছি কাল দিচ্ছি বলে কালক্ষেপন করায় আমি আমার সম্পত্তিটি দখল করেছি। এব্যপারে ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম জানান, আমি ঢাকায় আছি, ঠিক মনের করতে পারছিনা বিষয়টি। ঢাকা থেকে আসলে এ ব্যপারে আপনাদেরকে বলতে পারবো।
3.
পিরোজপুরে হিন্দু নির্যাতন বেড়েছে: শারি
প্রেস বিজ্ঞপ্তি
প্রকাশ : ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৫
পিরোজপুরে হিন্দু নির্যাতন বেড়েছে: শারি
পিরোজপুর জেলার বিভিন্ন এলাকায় জাতিগত সংখ্যালঘুদের উপর নির্যাতন বেড়েছে। অসংখ্য হিন্দু পরিবার তাদের বাড়িঘর ছেড়ে ভারতে পাড়ি জমিয়েছে। এখনও যারা আছে, তাদের উপর নিত্য নেমে আসছে অত্যাচার আর নির্যাতনের খড়গ।
প্রেস বিজ্ঞপ্তি
প্রকাশ : ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৫
পিরোজপুরে হিন্দু নির্যাতন বেড়েছে: শারি
পিরোজপুর জেলার বিভিন্ন এলাকায় জাতিগত সংখ্যালঘুদের উপর নির্যাতন বেড়েছে। অসংখ্য হিন্দু পরিবার তাদের বাড়িঘর ছেড়ে ভারতে পাড়ি জমিয়েছে। এখনও যারা আছে, তাদের উপর নিত্য নেমে আসছে অত্যাচার আর নির্যাতনের খড়গ।
মানবাধিকার সংস্থা শারি এবং দলিত ও মাইনরিটি হিউম্যান রাইটস ডিফেন্ডার ফোরাম নামের সংগঠনের প্রতিনিধিরা মঙ্গলবার সকালে পিরোজপুর প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেছেন।
ওই সংগঠনের কর্মকর্তা ও স্থানীয় বেশ কয়েকজন সাংবাদিকদের জেলার প্রত্যন্ত এলাকা ঘুরে সংগৃহীত তথ্য ও অতি সম্প্রতি বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় প্রকাশিত খবরের উপর ভিত্তি করে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন শারি’র ডেপুটি কো-অর্ডিনেটর রঞ্জন বকসী নুপু।
সংবাদ সম্মেলনে উত্থাপিত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয় যে, জেলার নাজিরপুর উপজেলার মাটিভাঙ্গা ইউনিয়নের বানিয়ারী গ্রামে মাত্র ৯ বছরের ব্যবধানে ৩২টি হিন্দু পরিবার তাদের বাড়ি ঘর ছেড়ে ভারতে পাড়ি জমিয়েছে। এখনও যারা আছে, তাদের উপর নিত্য নেমে আসছে অত্যাচার আর নির্যাতনের খড়গ।
সোমবার সকালে সরেজমিনে পিরোজপুরের বেশ কয়েকজন সংবাদকর্মীসহ ওই এলাকায় গেলে বর্তমানে সেখানে থাকা নারী-পুরুষদের আর্তনাদ আর আহাজারী আকাশ-বাতাসকে ভারী করে তুলেছে। এই গ্রামের বিশ্বাস বাড়ি বলে খ্যাত এই গোষ্ঠীর উপর রাতের আঁধারেই নয়, দিনের আলোতেও নির্যাতন করে এলাকার শওকত, সিরাজ, মোবারেক, এবং পার্শ্ববর্তী এলাকা থেকে আসা মুজিবুর রহমানের লোকেরা।
২০০৪ সালে জামায়াত-বিএনপি জোট সরকার ক্ষমতায় থাকাকালীন সময় থেকেই এই জনগোষ্ঠীর উপর নির্যাতন শুরু হয়, আর তখন থেকেই আস্তে আস্তে এক এক করে ওই পরিবারগুলো দেশ ছেড়ে চলে যায়। যা বর্তমানে ভয়ংকর রূপ লাভ করেছে। ওই গ্রামের খগেন, রসিক, ক্ষিতীশ, মৃণাল ও সঞ্জিবের পরিবার এখন কোথায় আছে তার তারা কেউ বলতে পারেনি। উপরন্তু তাদের এবং নগেন্দ্র নাথ বিশ্বাসের জায়গা দখল করে সেখানে তৈরি করা হয়েছে একটি ইট ভাটা। ফসল উৎপাদনের জায়গায় ইট ভাটা হওয়ায় ফসলী জমিও প্রায় নিঃশ্বেষ হয়ে যাচ্ছে। ওই এলাকায় এখনও যারা আছেন তারা রাতের বেলায় অনেকটা পাহাড় দিয়ে ঘুমোয়। পাশাপাশি যে সম্পত্তিটুকু তাদের আছে সেখানেও চাষাবাদ করলে ফসল পাকার পরে ওই চক্র ফসল কেটে নিয়ে যায়। বললেন ওই গ্রামেরই এক হোমিও চিকিৎসক মোদাচ্ছের আলী মোল্লা।
তিনি জানালেন, এই অশুভ চক্রের কারণে এলাকার সংখ্যালঘুরা প্রায় নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে। এলাকার নারীরা কেঁদে কেঁদে বললেন, নিজেদের জমি থাকা সত্ত্বেও এখন পরের জায়গায় দিনমজুরী করে খাবার জোগাড় করতে হচ্ছে।
সংবাদ সম্মেলনে আভিযোগ করা হয়, নাজিরপুরে স্থানীয় বিএনপি’র তিন নেতা ৩নং দেউলবাড়ি দোবড়া ইউনিয়নের গাও খালী গ্রামের প্রয়াত কালিচরণ বৈরাগীর ছেলে শ্যামল বৈরাগী ও বিধান বৈরাগীর বাগান-বাড়ীর গাছ কেটে নেয়াসহ অবৈধভাবে ঘর তুলে বাড়ি দখল করেছে। হিন্দু পরিবারটিকে দেশ ছাড়ার হুমকি দেয়া হচ্ছে। স্থানীয় মাতুব্বরসহ থানা পুলিশের কাছে অভিযোগ করেও কোন প্রতিকার পায়নি হিন্দু পরিবারটি। গত ১২ জানুয়ারী পার্শ্ববর্তী কলারদোয়ানিয়া ইউনিয়ন বিএনপি’র নেতা উপজেলার মুনিরাবাদ গ্রামের প্রয়াত সোবাহান সরদারের ছেলে কালাম সরদার, ইয়াকুব আলীর ছেলে হাসকিন ও আব্দুল মজিদের ছেলে নজরুল তাদের সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে হিন্দু পরিবারটির ভোগদখলীয় বাগানবাড়ীর প্রায় ২লাখ টাকার গাছপালা কেটে নিয়ে যায় এবং ওই বাগানবাড়িতে ৫টি ঘর করে অবৈধভাবে বাগান বাড়ী দখল করে নেয়। ওই সময় হিন্দু পরিবারটি প্রতিবাদ করলে তাদের খুন-জখমসহ দেশ ছাড়ার হুমকি দেয় তারা। বিষয়টি স্থানীয় চেয়ারম্যান মেম্বারসহ গণ্যমান্যদের জানালেও কোন প্রতিকার না পেয়ে গত ১৪ জানুয়ারী নাজিরপুর থানায় লিখিত অভিযোগ করেন।
মঠবাড়িয়া উপজেলার নাপিতখালী গ্রামে ৬ফেব্রুয়ারী ভোরে সার্বজনীন দূর্গা মন্দিরে দুর্বৃত্তদের দেয়া আগুনে ৩টি প্রতিমার ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। ওই মন্দির কমিটির সভাপতি সঞ্জিত সমদ্দার জানান, নাশকতাকারীদের দেয়া আগুনে মন্দিরের পূর্ব পাশের বেড়া পুড়ে গেছে এবং কার্তিক, দূর্গা ও স্বরস্বতীর প্রতিমা ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। নাজিরপুর উপজেলার সদর ইউনিয়নের কুমারখালী গ্রামে গত ৩০ জানুয়ারী রাতে ২টি মন্দির পুড়িয়ে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। ওই গ্রামের চিন্ময় মজুমদারের বাড়ির কালী মন্দির ও পার্শ্ববর্তী একটি গঙ্গা মন্দির দুর্বৃত্তরা পুড়িয়ে দেয়।
সংবাদ সম্মেলনে মানবাধিকার সংস্থা শারি এবং দলিত ও মাইনরিটি হিউম্যান রাইটস ডিফেন্ডার ফোরামের প্রতিনিধিরা বলেন, যখন দেশের বিভিন্ন স্থানে এক দলের ভোটাধিকার রক্ষার অভিপ্রায় আর আরেক দলের জনগণের ভোটাধিকার প্রাপ্তির দাবিতে প্রতিনিয়িত পেট্রোল বোমা মেরে মানুষ হত্যার প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। গত এক মাস যাবত চলমান এই ঘটনায় দেশের ক্ষতিগ্রস্থ সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠী বিশেষ করে হিন্দুরা নিজেদের বাড়িঘর ছেড়ে পরবাসীর মত অন্যত্র গিয়ে আশ্রয় নিয়েছে। গত ৫ জানুয়ারী দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের বর্ষপূর্তিতে কেন্দ্র করেই শুরু হয় দেশের বিভিন্ন স্থানে সংখ্যালঘু নির্যাতন। দেশের এহেন পরিস্থিতিতে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দল-মত, জাতি-ধর্ম নির্বিশেষে সকলকেই এগিয়ে আসার আহবান জানান।
4.
মঠবাড়িয়ায় মন্দিরে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা
TEMPLE DESTROYED IN MOTHBARIA ,BANGLADESH
Saturday, February 7, 2015থানা ও স্থানীয়দের সূত্রে জানা গেছে, আজ শুক্রবার ভোররাতে উপজেলার মিরুখালী ইউনিয়নের নাপিতখালী গ্রামের কালু সমদ্দার বাড়ির সামনের সড়কের পাশে মন্দিরটিতে আগুন লাগায় দুর্বৃত্তরা। ভোর ৫টার দিকে স্থানীয় কৃষক শৈলেন হালদার মন্দিরটি আগুনে পুড়ে যেতে দেখে প্রতিবেশীদের ডেকে তোলেন। পরে গ্রামবাসী মিলে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। আগুনে মন্দিরটির টিন ও কাঠের অবকাঠামো পুড়ে গেছে। এ ছাড়া মন্দিরের দুর্গা ও কার্তিক প্রতিমা পুড়ে যায়।
নাপিতখালী সার্বজনীন দুর্গা মন্দির কমিটির সভাপতি সঞ্জিব চন্দ্র ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, গত ছয় বছর ধরে গ্রামবাসী এ সার্বজনীন মন্দিরে প্রতিবছর দুর্গাপূজার আয়োজন করে আসছেন। মন্দিরের ভেতরে এ বছরের দুর্গা প্রতিমা ও পূজার অন্যান্য মালামাল রক্ষিত ছিল। মন্দিরটি সড়কের পাশে হওয়ায় দুর্বৃত্তরা নির্বিঘ্নে আজ শুক্রবার ভোররাতে আগুন লাগিয়ে দেয়। আগুনে মন্দিরটির স্থাপনা ও দুর্গা প্রতিমা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। খবর পেয়ে মঠবাড়িয়া থানা পুলিশ ও উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের নেতারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি পরিতোষ চন্দ্র বেপারী ও মিরুখালী পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি পংকজ রায় মন্দিরে দুর্বৃত্তদের আগুন দেওয়ার তীব্র নিন্দা জানিয়ে এ ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন। মঠবাড়িয়া থানার ওসি মো. নাসির উদ্দিন মল্লিক খবরের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। এ ব্যাপারে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে বলে জানান তিনি।সূত্র-কালের কণ্ঠ
5.
স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে দেবিদ্বারে ইউপি চেয়ারম্যান খোরশেদ আলম গ্রেফতার
| Tuesday, February 3, 2015
দেবিদ্বারে নবম শ্রেণীর এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে উপজেলার গুনাইঘর উত্তর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. খোরশেদ আলমকে গ্রেফতার করা হয়েছে। রোববার রাত ৮টায় গুনাইঘরে তার প্রতিষ্ঠিত স্কুল রোজ গার্ডেন থেকে কুমিল্লা কোতোয়ালি থানা পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২৪ ডিসেম্বর নবম শ্রেণীর এক ছাত্রীকে (১৪) ধর্ষণের অভিযোগে তার বাবা বাদী হয়ে খোরশেদ চেয়ারম্যান ও কুমিল্লা জজ কোর্টের আইনজীবী হারুন-অর-রশীদ সবুজের বিরুদ্ধে কোতোয়ালি থানায় মামলা করেন। মামলার পর থেকে বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন ধর্ষককে গ্রেফতারের দাবিতে মানববন্ধন করে আসছে। রোববার রাত ৮টার দিকে গুনাইঘরে খোরশেদ আলমের অস্থায়ী কার্যালয়ের পাশে অবস্থিত রোজ গার্ডেন স্কুল থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও কোতোয়ালি থানার এসআই মো. সালাউদ্দিন এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
6.
হিন্দু শিক্ষার্থীদের মধ্যে গরুর মাংস খাওয়ানোর অপরাধে চৌগাছা উত্তাল, স্কুল পরিদর্শন করলেন বাংলাদেশ মাইনরিটি ওয়াচ
MINORITY CHILD STUDENTS WERE FORCED TO EAT MEAT OF COW.
Saturday, February 7, 2015
যশোরের চৌগাছা উপজেলায় সবুজ কুড়ি কিন্ডার গার্ডেন স্কুলের প্রধান শিক্ষক আবুল কালাম আজাদ বাত্সরিক পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ উপলক্ষ্যে গত ৩০/১২/২০১৪ইং তারিখে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে কিন্ডার গার্ডেনের হিন্দু শিক্ষার্থীদের গরুর মাংস খাওয়ানোর অপরাধবোধ স্বীকার করেছেন। সবুজ কুড়ি কিন্ডার গার্ডেনে ৩০(ত্রিশ)জন হিন্দু শিক্ষার্থীদের অনুষ্ঠানে খাদ্য হিসাবে গরুর মাংসের প্যাকেট বিতরণ করা হয় এবং কিছু ছাত্র গরুর মাংস খাওয়ার পর বমি করলে ছাত্রছাত্রীদের অভিভাবকরা জেলা প্রশাসক ও চৌগাছা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ঠ থানা কর্মকর্তার নিকট অভিযোগ করে। কিন্তু স্থানীয় প্রশাসন কর্তৃক অপরাধী অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি। হিন্দু অভিভাব গন তাদের সন্তানের নিরাপত্তা নিয়ে শংকিত।

বাংলাদেশ মাইনরিটি ওয়াচের সভাপতি এড.রবীন্দ্র ঘোষ, গত ০৫/০২/২০১৫ইং তারিখে স্কুল পরিদর্শন করেন এবং স্কুল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে দেখা করে উক্ত ঘটনার জন্য ক্ষোভ প্রকাশ
করেন এবং অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক আবুল কালাম আজাদকর্তৃক হিন্দু শিক্ষার্থীদের গরুর মাংস খাওয়ানোর অপরাধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন তিনি।
7.
বন্দরে সংখ্যালঘুর খামারে আগুন : ৬ গরু দগ্ধ
নিউজ নারায়নগন্ঞ্জ | ২৮ পৌষ ১৪২১ | Sunday, January 11, 2015
বন্দরে নাশকতাকারীরা সংখ্যালঘুর গরুর খামারে অগ্নিসংযোগ করায় ৬ টি গরু দগ্ধ হয়েছে। আজ রবিবার ভোরে মাহমুদ নগর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এতে ৪ লাখ টাকার ক্ষতি সাধন হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় খামার মালিক সুভাষ দাস বাদী হয়ে থানায় অভিযোগ দায়ের করে। সংবাদ পেয়ে বন্দর থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। খামার মালিক জানান, তিনি বন্দর থানার মাহমুদ নগর এলাকার মৃত সূর্য মোহন দাসের ছেলে সুভাষ দাস। সে দীর্ঘ দিন যাবত দুধেলা গরুর খামার করে দুধ বিক্রির করে জীবিকা নির্বাহ করে আসছিল। গতকাল রোববার ভোরে কে বা কারা তার খামারে আগুন লাগিয়ে পালিয়ে যায়। এতে তার ৬টি গরু দগ্ধ হয়। এটি গরু ঘটনাস্থলেই মারা যায়। ২টি গরুর অবস্থা আশংকা জনক। ৩টি গরু আংশিক দগ্ধ হয়। স্থানীয় লোকজন এসে আগুন নেভায়। পুলিশের ধারনা জামাত শিবির এ ঘটনা ঘটাতে পারে। তবে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
8.
সরিষাবাড়িতে মন্দিরে আগুন
Wednesday, February 4, 2015
মন্দিরের সাধারণ সম্পাদক সুশান্ত ভৌমিকের অভিযোগ, দুর্বৃত্তরা মন্দিরে আগুন দিয়েছে। এতে কালী ঠাকুর, মহাদেব ও অন্য তিনটি প্রতিমার চুল, গায়ের আবরণ পুড়ে যায়। মন্দির রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে থাকা নিবারণ চন্দ্র সাহা সকালে মন্দিরে গিয়ে আগুন দেখে সবাইকে খবর দেন।
সকাল নয়টায় জামালপুরের পুলিশ সুপার নজরুল ইসলাম ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফ্লোরা বিলকিস জাহান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
পরে পুলিশের উপস্থিতিতে পোড়া প্রতিমাগুলো পাশের পুকুরে বিসর্জন দেওয়া হয়।
সরিষাবাড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বিল্লাল হোসেন বলেন, এ আগুন দুর্বৃত্তরা দেয়নি।
জামালপুর পুলিশ সুপার নজরুল ইসলাম বলেন, মন্দিরের মূর্তি পোড়া গেছে, তবে এ আগুন দুর্বৃত্তরা দেয়নি।
9.
26 ফেব্রুয়ারি 2015
আ.লীগ নেতার কাছে জিম্মি ১১৬ হিন্দু পরিবার
জেলা প্রতিনিধি, বাংলামেইল২৪ডটকম
যশোর: যশোরে আওয়ামী লীগ নেতা ইউপি সদস্যের নেতৃত্বে চালানো অত্যাচার ও চাঁদাবাজিতে জিম্মি হয়ে পড়েছে ১১৬টি হিন্দু পরিবার। তাদের আটকে রেখে নির্যাতন, চাঁদাবাজি, মারপিট ও বাওড়ের মাছ লুট করছে স্থানীয় চুড়ামনকাটি ইউনিয়নের মেম্বর গোলাম মোস্তফা ওরফে মোস্ত ও তার বাহিনী।
মঙ্গলবার সকালে প্রেসক্লাব যশোরের সামনে নির্যাতনের শিকার সদর উপজেলার চান্দুটিয়া গ্রামের চার শতাধিক নারী পুরুষ ও হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে। পরে জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।
চান্দুটিয়া মালোপাড়ার বাসিন্দা নারায়ণ চন্দ্র বিশ্বাস জানান, স্থানীয় ঝাউদিয়া গ্রামের বাসিন্দা চুড়ামনকাটি ইউনিয়নের মেম্বর আওয়ামী লীগ নেতা গোলাম মোস্তফা ওরফে মোস্ত ও সবুজের নেতৃত্বে চান্দুটিয়া গ্রামের মালোদের ওপর অত্যাচার চলছে। তাদের অত্যাচারে জিম্মি হয়ে পড়েছে ওই গ্রামের ১১৬টি হিন্দু পরিবার।
সর্বশেষ গত ১৯ ফেব্রুয়ারি রাত ৮টার দিকে মাছ নিয়ে ঝাউদিয়া পৌঁছালে রবিন বিশ্বাস ও সঞ্জয় বিশ্বাসকে ধরে নিয়ে গিয়ে পার্শ্ববর্তী বাগানে আটকে মারপিট করে মেম্বর মোস্ত ও তার বাহিনী। এছাড়াও স্থানীয় বুকভরা বাওড় চান্দুটিয়া গ্রামের মালো সম্প্রদায়ের মানুষ ইজারা নিয়ে চাষ করছে। ওই বাওড়ের মাছ জোর করে ধরে নিয়ে যাচ্ছে মোস্ত বাহিনী। তাদের বাধা দিতে গেলে হত্যার হুমকি দেয়া হয়। একইসঙ্গে পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়েছে। এমনকি মালো সম্প্রদায়ের মানুষকে ওই এলাকার রাস্তায় পেলে মারপিট ও হত্যার হুমকি দেয়া হচ্ছে। এ বিষয়ে গত ২১ ফেব্রুয়ারি কোতয়ালি থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে। যার নং ১০১৭।
মানববন্ধনে চান্দুটিয়া গ্রামের চার শতাধিক নারী পুরুষ অংশগ্রহণ করেন। তারা জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত ও সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।
মানববন্ধনে সংহতি প্রকাশ করে বক্তব্য দেন- জেলা শিল্পকলা একাডেমির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মাহমুদ হাসান বুলু, জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট সুকুমার রায় ও যোগেশ চন্দ্র দত্ত, জেলা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক সন্তোষ দত্ত, সনাতন বিদ্যার্থী সংসদের সভাপতি প্রসেনজিৎ ঠাকুর প্রমুখ। মানববন্ধন শেষে জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।
অভিযোগ প্রসঙ্গে অভিযুক্ত ইউপি মেম্বর আওয়ামী লীগ নেতা গোলাম মোস্তফা ওরফে মোস্তর মোবাইল ফোনে একাধিক বার যোগাযোগ করা হয়। তবে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
বাংলামেইল২৪ডটকম/এমএন
Sunday, February 1, 2015
INDIA UNDER ATTACK BY ISLAMIC TERRORIST GROUPS.UPDATED
1.Serious Communal Clash in Nadia Dist, West Bengal – 4 Killed, Many Injured
West Bengal: 4 Killed, Over 8 Injured in Communal Clashes in Nadia District West
Bengal.
May 06;2015
At least four people have been killed and eight sustained injuries in a communal clash that broke out between two communities in two villages of West Bengal's Nadia district on Monday afternoon.
The dead includes Maru Hajra, Rasomoy Hajra, Moyna Hajra and Shanti Hajra from Juranpur village. The injured have been admitted to Katwa hospital, while some are reportedly still in the village due to roadblocks by Muslims, World Hindu News reported.
While four Hindus died in the communal clash, several houses belonging to Muslims were also gutted in fire. The situation in Naoda village is said to be tense as villagers fear another attack in absence of police in the area.
However, Kaliganj police in Debagram are trying send troops to the affected area as soon as possible.
The Hindu procession was returning from Dharmaraj Mela at Jamalpur in Purbasthali to their village when the incident occurred. They were attacked at around 3 pm when they passed by a mosque in Juranpur village on their way back. The clash turned violent when both sides reportedly resorted to firing and bombing.
pic: Anti-Hindu muslims are showing their power by blocking roads and destroying public properties in the presence of local Police.
Under Kaliganj police station in Juranpur & Naoda villages, serious communal clash reportedly occurred today at about 3 pm. A Hindu religious procession has been allegedly attacked in front of a mosque in Juranpur village. Heavy bombing & firing from both sides. Nearby Naoda village has been attacked.
Reportedly 4 Hindus in that village have been killed. Their names are – Maru Hajra, Rasomoy Hajra, Moyna Hajra and Shanti Hajra.
A few more (7-8) injured persons are now being treated in Katwa hospital. Villagers cannot move some other injured persons to any hospital as all the roads are reportedly blocked by Muslims.
This Naoda village is totally insecured as no police force is posted there at this moment. The villagers apprehend a second attack anytime. Our HS volunteers are in communication with the Kaliganj police in Debagram and trying their best to send force to Naoda asap.
Reportedly a number of Muslim houses have also been gutted.
This Naoda village is totally insecured as no police force is posted there at this moment. The villagers apprehend a second attack anytime. Our HS volunteers are in communication with the Kaliganj police in Debagram and trying their best to send force to Naoda asap.
Reportedly a number of Muslim houses have also been gutted.
Since last Bakrid, tension between two communities were prevailing in the area. Yesterday the procession of Hindus passed before the mosque on their way to the Dharmaraj Mela at Jamalpur in Purbasthali. Today when that procession was returning thru the same path, the incident happened. by-WHN NETWORK.
PIC: Muslims destroyed Hindu properties and dead bodies of Hindu Man who were killed brutally by local Anti-Hindu Muslims.
Peoples have already left their houses in fear, as local govt. is not able to protect them.
In that case if musilms were killed and destroyed by Hindus then all media would publish properly that news and also political leaders were ready to show their power across the West bengal.But no political parties and medias are ready to admit that Hindus are in dangerous position in West Bengal due to Muslim Vote Banks.
Muslims are fastest growing in not only West Bengal but also all over the country by Islamic Separate "Saria Law " and "Infiltrators from Bangladesh and Pakistan".
As an impact very often we faces the violence of Muslims in this state."Infiltrators" are supporting local Muslims with foreign money and by increasing Muslim population in Tripura ,Assam and West Bengal. We the people of India must cut the supply of Infiltrators by pushing back them to their country for local muslims and We must moves for the Demand of same and one and only constitution for Indians. Because we Indians can not see the conversion of India to Islamic "Mughalistan". Too many Muslims in India don't think that India is their Homeland and Home country .So they try destroy always India by their criminal activities and also help "infitrators " to get Indian documents like id card ,passsport etc.
"BANDE MATARAM JAI HIND"
2.TWO INNOCENT LITTLE GIRLS RAPED;
STATESMAN 02.01.15
3.FALSE MAP OF KASHMIR SHOWN IN BOOKFAIR
BANGLADESHI BOOK STALL CLOSED
4."INDIAN MUJAHIDIN" ACTIVITIES IN WB
5.MASSIVE ATTACK IN USTI ,WB 01.02.15
6.
Hindu girl forced to convert to Islam, lodges FIR in Ranchi
June 25,2015
RANCHI:
A 25-year-old Hindu girl on Thursday lodged an FIR against husband Waqar Danish Anwar claiming that he was torturing her for the last one year to convert to Islam, two months after her marriage was solemnized at a Ranchi temple in October 2013. The girl also accused Anwar of forcing her to accept nikah.
A hotel management graduate, Jaya Bhandari, who went to Ranchi's Women's Police station on Thursday, claimed in the FIR that Danish had married her on the promise that his is a secular-minded family who would never force her to convert to Islam and that she would be free to pursue Hinduism after marriage.
"Initially after marriage he tried to convince me to convert to Islam. But when I did not agree, he brought several maulvis in December 2013 (two months after marriage) at home and organized nikah and forced me to accept it. He subsequently changed my name to Zoya Anwar. He beat me up when I strongly objected to conversion," the girl said adding that she was threatened with dire consequences if she opens her mouth.
http://timesofindia.indiatimes.com/
03.01.16
বাংলাদেশে গরু জবাই বন্ধের দাবি হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের
28 Feb, 2016
বাংলাদেশে অবিলম্বে আইন করে গরু জবাই বন্ধের দাবি জানিয়েছে হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদ যুক্তরাষ্ট্র শাখা। শুক্রবার সংগঠনটির পক্ষ থেকে নিউ ইয়র্কে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই দাবি জানানো হয়। এছাড়া দাবি করা হয় যে, বাংলাদেশে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর নজিরবিহীন নিপীড়ন চলছে এবং তাদের বেদখল হয়ে যাওয়া সম্পত্তির মধ্যে চার ভাগের তিন ভাগ দখল করে নিয়েছে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা।
জ্যাকসনহাইটসের একটি রেস্তোরাঁয় আয়োজিত এই সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয় যে, বাংলাদেশে সংখ্যালঘু ও আদিবাসীদের অস্তিত্ব এখন সংকটাপন্ন। সংখ্যালঘুদের জোরপূর্বক ধর্মান্তরিতকরণ করা হচ্ছে বলেও তারা অভিযোগ করেন।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন এবং সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন ঐক্য পরিষদ যুক্তরাষ্ট্র শাখার সভাপতি টমাস দুলু রায়, সাধারণ সম্পাদক প্রদ্বীপ দাস, সদস্য সচিব প্রদ্বীপ মালাকার, পরিষদের ডিরেক্টর ও আমেরিকান হিন্দু ফাউন্ডেশনের প্রেসিডেন্ট শ্যামল চক্রবর্তী, ঐক্য পরিষদের নেতা ড. দ্বিজেন ভট্টাচার্য, গৌরাঙ্গ কুণ্ডু, রূপকুমার ভৌমিক, প্রবীর রায়, রণবীর বড়ুয়া, প্রণবেন্দু চক্রবর্তী, অমিত চৌধুরী প্রমুখ। লিখিত বক্তব্য পেশ করেন ঐক্য পরিষদের প্রেসিডেন্ট বিদ্যুৎ দাস।
বক্তারা বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের উপর নির্যাতন অতীতের সকল রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে। এমনকি ২০০১ সালের চেয়েও অবস্থা অনেক খারাপ। সে সময় অন্তত মিডিয়ার কল্যাণে বিশ্ববাসী সংখ্যালঘুদের উপর নির্যাতনের খবর জানতে পেরেছিল। কিন্তু বর্তমানে ভয়ে সম্পাদক ও সংবাদকর্মীরা স্বাধীনভাবে সংবাদ পরিবেশন করতে পারছেন না। ফলে দেশের সর্বত্র সংখ্যালঘুদের উপর পরিচালিত নির্যাতন-নিপীড়নের খবরগুলো চাপা পড়ে যাচ্ছে।
শ্যামল চক্রবর্তী বলেন, অনেকে বলে থাকেন যে, বাংলাদেশি হিন্দুদের উপর নির্যাতন শুরু হয়েছে ১৯৭৫ সালের পর। কিন্তু কথাটা ঠিক নয়। বাস্তবে বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িকতা তথা হিন্দুদের উপর নির্যাতন-নিপীড়ন ও তাদের সম্পত্তি দখলের প্রবণতা শুরু হয় ১৯৭২ সাল থেকেই। সে সময় রমনা কালী মন্দির দখল করে পার্ক বানানো হয়েছিল। সেই মন্দির উদ্ধার করতে ৩০ বছরেরও বেশি সময় লেগেছে। তিনি বলেন, বাংলাদেশে যেভাবে গো-হত্যা চলছে এটা মেনে নেয়া যায় না। অবিলম্বে আইন করে বাংলাদেশে গরু জবাই বন্ধের দাবি জানান তিনি। শ্যামল চক্রবর্তী বলেন, বিএনপি’র লোকেরা জিয়াউর রহমানকে শহীদ বলে থাকেন। কিন্তু জিয়া তো কোনো যুদ্ধে শহীদ হননি। তিনি পার্বত্য চট্টগ্রামে আদিবাসীদের অধিকার হরণ করেছেন। সুতরাং তাকে কিছুতেই শহীদ বলা যায় না।
অন্য বক্তারা বলেন, বাংলাদেশে বিএনপি-জামায়াতের ভিতর যেমন মৌলবাদীরা আছে তেমনি আওয়ামী লীগের ভিতরেও মৌলবাদী আছে। আওয়ামী লীগের হাতেই সংখ্যালঘুদের তিন-চতুর্থাংশ জমিজমা ও ঘরবাড়ি বেদখল হয়ে আছে।
সংবাদ সম্মেলনে অবিলম্বে পৃথক সংখ্যালঘু মন্ত্রণালয় গঠন, হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রীষ্টানদের জন্য পৃথক পৃথক বিশ্বাবিদ্যালয় চালু এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম থেকে সকল বাঙালিকে প্রত্যাহারের দাবি জানানো হয়।
উৎসঃ মানব জমিন
ফেসবুক প্রেম এর মাধ্যমে হিন্দু মেয়ে মুসলিম হয়ে বিয়ে করল মুসলিম ছেলেকে।

মেয়েটি হিন্দু, আর ছেলেটি মুসলিম! ফেসবুকে দুজনের পরিচয়!
রাতজেগে চ্যাটিং করা, আর সারাদিন, একজন আরেক জনের গায়ে পরে ঝগড়া করা! মাঝে,মধ্যে একটু একটু অভিমানের মধ্যদিয়ে গড়ে ওঠা বন্ধুত্ব! বেশিরভাগ সময় অভিমান গুলো ভেজ্ঞে যেত,ছোট্ট করে সরি লিখা একটা এস’এম’এস এর মাধ্যমে! অভিমানের পরিমানটা একটু বেশী হলে, অভিমান ভাজ্ঞানোর প্রাধান হাতিয়ার ছিলন একটাকানে ধরা পিকচার পাঠানো! . কোন এক সন্ধায়!
–আজান হইছে নামাজে যা!
(সুপ্তি)
–না আজকে জাবনা!(আকাশ)
–নামাজ না পরলে তুই আমার সাথে একদম কথা
বলবিনা!
–ইদানীং নামাজ পরা হয়না
কাধে সয়তান
উঠছে!
–কিতুই পাচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করিস না?
আগে জানলে হয়তো তোর সাথে
কথাই বলা
হতনা!
–আগে পরতাম ইদানীং হয়না!
(আকাশ কিছুটা অবাক হয়ে গেল, কি করে হিন্দু একটি মেয়ে নামাজের জন্য এতটা তাগিদ দিতে পারে)
–প্লিজ এখন থেকে ৫ ওয়াক্ত নামাজ পরবি, আমায় কথা দে! -ওকে কথা দিলাম এখন থেকে ৫ ওয়াক্ত নামাজ পড়ব!–এভাবে না আমার কছম খেয়ে বল এখন থেকে ৫ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করবি!–ওকে বান্দন্নি ৫ ওয়াক্ত নামাজ পরব! কিন্তু একটা ব্যাপার মাথায় আসছেনা!
–কি ব্যাপার? –তুই হিন্দু হয়ে নামাজের অন্য এতটা তাগিদ দিচ্ছিস ক্যান?
(সুপ্তি)
–না আজকে জাবনা!(আকাশ)
–নামাজ না পরলে তুই আমার সাথে একদম কথা
বলবিনা!
–ইদানীং নামাজ পরা হয়না
কাধে সয়তান
উঠছে!
–কিতুই পাচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করিস না?
আগে জানলে হয়তো তোর সাথে
কথাই বলা
হতনা!
–আগে পরতাম ইদানীং হয়না!
(আকাশ কিছুটা অবাক হয়ে গেল, কি করে হিন্দু একটি মেয়ে নামাজের জন্য এতটা তাগিদ দিতে পারে)
–প্লিজ এখন থেকে ৫ ওয়াক্ত নামাজ পরবি, আমায় কথা দে! -ওকে কথা দিলাম এখন থেকে ৫ ওয়াক্ত নামাজ পড়ব!–এভাবে না আমার কছম খেয়ে বল এখন থেকে ৫ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করবি!–ওকে বান্দন্নি ৫ ওয়াক্ত নামাজ পরব! কিন্তু একটা ব্যাপার মাথায় আসছেনা!
–কি ব্যাপার? –তুই হিন্দু হয়ে নামাজের অন্য এতটা তাগিদ দিচ্ছিস ক্যান?
–ভাল কাজের জন্য সবাই তাগিদ দিতে পারে!
তাছাড়া আমি হিন্দু পরিবারে জন্মেছি এটাকি আমার অপরাধ বল?
–একদম না!
(মেসেজের রিপ্লাই কি দিবে বুঝতে পারছিলনা ছেলেটা)
মেয়েটি প্রতিদিন ছেলেটা খোঁজখবর রাখে! সাথে নামাজ পরেছে কনা সেই ব্যাপারেও খোঁজখবর রাখতো! কখনো নামাজ মিস হলে অজানা এক অভিমানে হিন্দু মেয়েটি ছেলেটির সাথে
কথা বলতানা!
প্রথম রমজানে! .
–ওই বান্দর(সুপ্তি) –কি ঢংগি ঘুম থেকে উঠছিস কখন?(আকাশ) -অনেক আগে তুই?
–মাত্র উঠলাম! সকালে খাইছিস কিছু?–এক গ্লাস জল প্রযন্ত না,তোর সাথে খাব! -গতকাল তোকে বলছি না,আজকে আমি রোজা থাকব, আচ্ছা তর কি ভাব আর নেওয়া
ছাড়বিনা??!
–ওই বান্দর আমিও রোজা রাখছি! –একদম পাগলামো করবিনা কিছু খেয়ে নে! –তুই কষ্ট করবি আর আমি খাব একদম না! –দেখ ভাল হচ্ছেনা কিন্তু! -না খাবনা,তোকে রেখে কোনদিন খাইছি?
–আরে পাগলি আমার খেতে লেট হবে! -জানি সন্ধায় খাবি! –হুম! আমিও সন্ধায় খাব! -থাকতে পারবি সারাদিন না খেয়ে? –হাজার বার পারব!
–তোর বাসায় জানে এইসব! -তুই পাগল নাকি? জানবে কি করে? তাছাড়া বাসায় জানতেপারলে অনেক প্রবলেম হবে!
–একদম না!
(মেসেজের রিপ্লাই কি দিবে বুঝতে পারছিলনা ছেলেটা)
মেয়েটি প্রতিদিন ছেলেটা খোঁজখবর রাখে! সাথে নামাজ পরেছে কনা সেই ব্যাপারেও খোঁজখবর রাখতো! কখনো নামাজ মিস হলে অজানা এক অভিমানে হিন্দু মেয়েটি ছেলেটির সাথে
কথা বলতানা!
প্রথম রমজানে! .
–ওই বান্দর(সুপ্তি) –কি ঢংগি ঘুম থেকে উঠছিস কখন?(আকাশ) -অনেক আগে তুই?
–মাত্র উঠলাম! সকালে খাইছিস কিছু?–এক গ্লাস জল প্রযন্ত না,তোর সাথে খাব! -গতকাল তোকে বলছি না,আজকে আমি রোজা থাকব, আচ্ছা তর কি ভাব আর নেওয়া
ছাড়বিনা??!
–ওই বান্দর আমিও রোজা রাখছি! –একদম পাগলামো করবিনা কিছু খেয়ে নে! –তুই কষ্ট করবি আর আমি খাব একদম না! –দেখ ভাল হচ্ছেনা কিন্তু! -না খাবনা,তোকে রেখে কোনদিন খাইছি?
–আরে পাগলি আমার খেতে লেট হবে! -জানি সন্ধায় খাবি! –হুম! আমিও সন্ধায় খাব! -থাকতে পারবি সারাদিন না খেয়ে? –হাজার বার পারব!
–তোর বাসায় জানে এইসব! -তুই পাগল নাকি? জানবে কি করে? তাছাড়া বাসায় জানতেপারলে অনেক প্রবলেম হবে!
পঞ্চগড়ে ধর্মগুরু হত্যার বিচারের দাবি জানিয়েছে ইসকন
চট্টগ্রাম ব্যুরো, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
Published: 2016-02-25 21:09:24.0 BdST Updated: 2016-02-25 21:09:24.0 BdST
যজ্ঞেশ্বর রায়
পঞ্চগড়ে পুরোহিত হত্যাসহ সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর বিভিন্ন হামলার বিচার দাবি করেছে আন্তর্জাতিক কৃষ্ণভাবনামৃত সংঘ (ইসকন)।
বৃহস্পতি বার চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে এই দাবি জানান প্রতিষ্ঠানটির নেতারা।
দেশ থেকে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে ‘বিতারিত’ করতে এই ধরনের হামলা ঘটছে বলে দাবি করে বিষয়টি সরকার ‘গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা’ করছেনা বলে সম্মেলনে অভিযোগ করেন ইসকনের চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাধারণ সম্পাদক চিম্ময় কৃষ্ণ দাস।
গত ২১ ফেব্রুয়ারি পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জে সোনাপোতা গ্রামের সন্তগৌড়ীয় মঠের অধ্যক্ষ যজ্ঞেশ্বর রায়কে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। হত্যাকাণ্ডের চারদিন পর এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে ইসকন।
লিখিত বক্তব্যে চিম্ময় কৃষ্ণ দাস বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন মন্দির ও গীর্জায় হামলা সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে দেশ থেকে বিতাড়িত করার ইঙ্গিত বহন করে।
১৯৬০ সালে বাংলাদেশে হিন্দু সম্প্রদায়ের লোক ২৩ শতাংশ হলে বর্তমানে এই সংখ্যা ৭ দশমিক ৫ শতাংশে এসে দাঁড়িয়েছে দাবি করে তিনি বলেন, সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর হামলার পরপর ‘ঢাকঢোল পিটিয়ে’ তদন্ত কমিটি করা হলেও তা কিছুদিন পর হারিয়ে যায়।
“হত্যাকারী ও হামলাকারীদের বিচার না হওয়ায় এই ধরনের ঘটনা প্রতিনিয়ত বৃদ্ধি পাচ্ছে।”
হামলায় জড়িতদের বিচারে সরকারের নিষ্ক্রিয়তা রয়েছে অভিযোগ করে চিন্ময় বলেন, “জঙ্গীগোষ্ঠী ইসলামিক স্টেট (আইএস) বাংলাদেশে এ ধরনের কার্যক্রম চালাচ্ছে দাবি করলেও সরকার বিষয়টি উপেক্ষা করছে।”
সুমন চৌধুরীর সঞ্চালনায় সম্মেলনে কেন্দ্রীয় জন্মাষ্ঠমী উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক তপন কান্তি দাশ, সাবেক সাধারণ সম্পাদক চন্দন তালুকদার চট্টগ্রাম হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রীষ্ঠান ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক নিতাই প্রসাদ ঘোষ, মহানগর পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি বিদ্যালাল শীল উপস্থিত ছিলেন।
Bangladesh minorities 'terrorised' after mob violence
BBC News, Noakhali district, southern Bangladesh

Saraswati Rani Das ran for her life with her two young children when a Muslim mob rampaged through her village in the southern Noakhali district of Bangladesh.
Mrs Das broke down repeatedly as she tried to explain how their tiny tin-roof house was destroyed and set on fire.
The attack started hours after a senior hardline Islamist leader was sentenced to death by a special tribunal in late February.
Jamaat-e-Islami party Vice President Delwar Hossain Sayedee was given a death sentence for crimes committed during the war of independence from Pakistan in 1971.
The sentencing triggered a wave of angry protests from the Islamist party's supporters. In many districts, buildings and vehicles were damaged. More than 60 people were killed in clashes with the security forces.
Living in fear
Minority Hindu and Buddhist communities bore the brunt of the attacks as their houses and temples were vandalised and burnt down.
"We heard the mob was coming towards our house. So, we just ran away. Our house was completely burnt. They looted all our belongings, including our savings. We have lost everything," Mrs Das says.
The village of Aladin Nagar, about 120km (75 miles) south of the capital Dhaka, was strewn with torn tin sheets, broken glass, food grain, damaged books and burnt bicycles.
Its residents have been living in fear since the attack and are afraid that they may be targeted again.
Hindu community leaders allege that the attacks were co-ordinated and widespread. So far, they say, more than 50 temples have been damaged and more than 1,500 houses destroyed in the attacks, which took place in nearly 20 districts over the last few weeks.
In some villages near the southern city of Chittagong, statues of Buddha were damaged and Buddhist temples were vandalised.
But the authorities say that such crimes will not go unpunished.
"We are fully committed to protecting the minorities. We have taken enough measures so that these people are not attacked in the future. We have also provided sufficient relief," Home Minister Mohiuddin Khan Alamgir told the BBC.
'Targeted again'
Hindus make up nearly 10% of the population of about 153 million in this Muslim-majority nation. The two communities live side by side in villages across Bangladesh.

Muslim community leaders have condemned the attacks.
"This should not have happened. We feel sorry about it. It is not in the Holy Koran," Noakhali district cleric Mohammad Nurul Alam Bhuiyan said.
While people like Mrs Das witnessed communal violence for the first time, Hindu businessmen like Subash Chandra Ghosh in southern Satkhira district say it was similar to what happened to them in 1971, when Bangladesh fought a bloody nine-month war against Pakistan to gain independence.
"In 1971, our house was damaged and our neighbour's house was set on fire by anti-liberation forces. We are being targeted again. What should we do?" laments Mr Ghosh, who fought for independence.
Some say the minorities are attacked because they mostly support the governing Awami League party and are a soft target.
Bangladesh has long prided itself on its secular values - but that image has taken a knock following the recent violence.
Buddhist villages in Cox's Bazar district also came under attack by Muslim mobs last year, when an image allegedly insulting the Koran was posted on Facebook by a Buddhist youth. Many Buddhist temples were vandalised in the subsequent violence.
War crimes
Investigations by the local media later revealed the youth had nothing to do with the incident.

The independence war came to an end after India sent in troops on behalf of the Bengalis. More than 90,000 Pakistani soldiers and officers surrendered to the Indian army and were taken as prisoners of war.
Official estimates say more than three million were killed and tens of thousands of women raped during the war. The minority Hindu community suffered disproportionately because some Pakistanis blamed them for Bangladesh's secession.
A special tribunal in Bangladesh is prosecuting those accused of collaborating with Pakistani forces and carrying out atrocities more than 40 years ago.
The recent violence is mainly blamed on the opposition Jamaat-e-Islami party, whose leaders are facing war crimes at the tribunal. But the party - which opposed Bangladesh's independence from Pakistan - denies the charges.
"The Jamaat-e-Islami is a peaceful political party and they do not encourage any violent activities. People who took part in the attack on minorities belong to other political parties," asserts Mohammad Tajul Islam, a Jamaat leader in Noakhali district.
Hindu community leaders say the attacks are systematic and have been going on for years. They say they are not only carried out by hardline Islamists but also by supporters of other mainstream political parties, including the Awami League and the main opposition Bangladesh Nationalist Party.
The aim of the violence, Hindu leaders allege, is to grab land and other property. As a result, they say, many Hindus are fleeing to India to escape harassment, intimidation and violence.
"In 1947, Hindus constituted around 30% of the population," says Subroto Chowdhury, a Hindu community leader in Dhaka.
"Now it is less than 10%. Hindus are being warned to leave so that locals can take over their land and houses.
"Our community is being persecuted."
But Mr Alamgir, the home minister, says historically there have been movement of Hindus to India and Muslims to Bangladesh - because of various incidents.
"These are aberrations. The governments of the two countries are determined to make sure that they stay in full peace and security."
And people like Mr Ghosh say they will resist attempts to drive them away from Bangladesh.
"This is our motherland and we have been living here for 25 generations. We cannot imagine of leaving this land. This is our country."
Bangladesh minorities 'terrorised' after mob violence
By Anbarasan EthirajanBBC News, Noakhali district, southern Bangladesh
- 9 March 2013

Saraswati Rani Das ran for her life with her two young children when a Muslim mob rampaged through her village in the southern Noakhali district of Bangladesh.
Mrs Das broke down repeatedly as she tried to explain how their tiny tin-roof house was destroyed and set on fire.
The attack started hours after a senior hardline Islamist leader was sentenced to death by a special tribunal in late February.
Jamaat-e-Islami party Vice President Delwar Hossain Sayedee was given a death sentence for crimes committed during the war of independence from Pakistan in 1971.
The sentencing triggered a wave of angry protests from the Islamist party's supporters. In many districts, buildings and vehicles were damaged. More than 60 people were killed in clashes with the security forces.
Living in fear
Minority Hindu and Buddhist communities bore the brunt of the attacks as their houses and temples were vandalised and burnt down.
"We heard the mob was coming towards our house. So, we just ran away. Our house was completely burnt. They looted all our belongings, including our savings. We have lost everything," Mrs Das says.
The village of Aladin Nagar, about 120km (75 miles) south of the capital Dhaka, was strewn with torn tin sheets, broken glass, food grain, damaged books and burnt bicycles.
Its residents have been living in fear since the attack and are afraid that they may be targeted again.
Hindu community leaders allege that the attacks were co-ordinated and widespread. So far, they say, more than 50 temples have been damaged and more than 1,500 houses destroyed in the attacks, which took place in nearly 20 districts over the last few weeks.
In some villages near the southern city of Chittagong, statues of Buddha were damaged and Buddhist temples were vandalised.
But the authorities say that such crimes will not go unpunished.
"We are fully committed to protecting the minorities. We have taken enough measures so that these people are not attacked in the future. We have also provided sufficient relief," Home Minister Mohiuddin Khan Alamgir told the BBC.
'Targeted again'
Hindus make up nearly 10% of the population of about 153 million in this Muslim-majority nation. The two communities live side by side in villages across Bangladesh.

Muslim community leaders have condemned the attacks.
"This should not have happened. We feel sorry about it. It is not in the Holy Koran," Noakhali district cleric Mohammad Nurul Alam Bhuiyan said.
While people like Mrs Das witnessed communal violence for the first time, Hindu businessmen like Subash Chandra Ghosh in southern Satkhira district say it was similar to what happened to them in 1971, when Bangladesh fought a bloody nine-month war against Pakistan to gain independence.
"In 1971, our house was damaged and our neighbour's house was set on fire by anti-liberation forces. We are being targeted again. What should we do?" laments Mr Ghosh, who fought for independence.
Some say the minorities are attacked because they mostly support the governing Awami League party and are a soft target.
Bangladesh has long prided itself on its secular values - but that image has taken a knock following the recent violence.
Buddhist villages in Cox's Bazar district also came under attack by Muslim mobs last year, when an image allegedly insulting the Koran was posted on Facebook by a Buddhist youth. Many Buddhist temples were vandalised in the subsequent violence.
War crimes
Investigations by the local media later revealed the youth had nothing to do with the incident.

The independence war came to an end after India sent in troops on behalf of the Bengalis. More than 90,000 Pakistani soldiers and officers surrendered to the Indian army and were taken as prisoners of war.
Official estimates say more than three million were killed and tens of thousands of women raped during the war. The minority Hindu community suffered disproportionately because some Pakistanis blamed them for Bangladesh's secession.
A special tribunal in Bangladesh is prosecuting those accused of collaborating with Pakistani forces and carrying out atrocities more than 40 years ago.
The recent violence is mainly blamed on the opposition Jamaat-e-Islami party, whose leaders are facing war crimes at the tribunal. But the party - which opposed Bangladesh's independence from Pakistan - denies the charges.
"The Jamaat-e-Islami is a peaceful political party and they do not encourage any violent activities. People who took part in the attack on minorities belong to other political parties," asserts Mohammad Tajul Islam, a Jamaat leader in Noakhali district.
Hindu community leaders say the attacks are systematic and have been going on for years. They say they are not only carried out by hardline Islamists but also by supporters of other mainstream political parties, including the Awami League and the main opposition Bangladesh Nationalist Party.
The aim of the violence, Hindu leaders allege, is to grab land and other property. As a result, they say, many Hindus are fleeing to India to escape harassment, intimidation and violence.
"In 1947, Hindus constituted around 30% of the population," says Subroto Chowdhury, a Hindu community leader in Dhaka.
"Now it is less than 10%. Hindus are being warned to leave so that locals can take over their land and houses.
"Our community is being persecuted."
But Mr Alamgir, the home minister, says historically there have been movement of Hindus to India and Muslims to Bangladesh - because of various incidents.
"These are aberrations. The governments of the two countries are determined to make sure that they stay in full peace and security."
And people like Mr Ghosh say they will resist attempts to drive them away from Bangladesh.
"This is our motherland and we have been living here for 25 generations. We cannot imagine of leaving this land. This is our country."
মাগুরায় মন্দিরে দর্শনার্থীর উপর হামলা, আহত ৪
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
Published: 2016-02-23
পঞ্চগড়ে পুরোহিত হত্যার একদিন পর মাগুরায় একটি কালী মন্দিরে পূজা চলাকালে দুর্বৃত্তের হামলায় চার দর্শনার্থী আহত হয়েছেন।
সোমবার রাতে শ্রীপুর উপজেলার বারইপাড়া গ্রামের ফাঁসতলা মহাশ্মশানে কালী মন্দিরে এ হামলা হয় বলে পুলিশ ও স্থানীয়রা জানিয়েছে।
দুর্বৃত্তের মারধর ও চাপাতির আঘাতে আহতরা হলেন খামারপাড়া গ্রামের সর্দার পাড়ার তাপস সরকার, অমিত সরকার, সুব্রত সরকার ও বিপ্লব সরকার।
এদের মধ্যে তাপস সরকারকে (২২) মাগুরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।
পুলিশ রাতেই ইকবাল নামে এক যুবককে আটক করেছে।
ফাঁসতলা মহাশশ্মান কমিটির সভাপতি শচীন্দ্রনাথ বিশ্বাস বলেন, রাত সাড়ে ১০টার দিকে ঘটনার সময় পুরোহিত পূজা করছিলেন।
“ওই সময় একদল যুবক হঠাৎ পূজা দেখতে আসা কয়েকজন দর্শনার্থীকে লাঠিপেটা করে ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে
পালিয়ে যায়।
“এ ঘটনায় দর্শনার্থীদের মাঝে আতংক ছড়িয়ে পড়লে আমরা থানা পুলিশকে জানাই।”
আহত তাপস সরকারের বাবা বিনোদ সরকার বলেন, আটক ইকবালসহ কয়েকজন বখাটে যুবক তাদের দুর্গা মন্দিরে পূজার সময় মহিলাদের উত্ত্যক্ত করলে তাপসসহ কয়েকজন স্বেচ্ছাসেবক তাদের প্রতিবাদ করেছিল।
“এ কারণে তারা সংঘবদ্ধ হয়ে সোমবার রাতে এ ঘটনা ঘটিয়েছে।”
আহত তাপস সরকার বলেন, “হামলাকারীরা সংখ্যায় ৮/১০ জন ছিল। কিন্তু ইকবাল ছাড়া আমরা আর কাউকে চিনতে পারিনি।”
আহত আরেক যুবকের বাবা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, এ ঘটনায় সমাজপতিরা থানায় মামলা না করার জন্য বিভিন্নভাবে তাদের চাপ দিচ্ছে।
শ্রীপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) এম. এ. মাজেদ বলেন, মন্দিরে হামলার খবর পেয়েই পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহতদের স্বীকারোক্তি মোতাবেক ইকবাল নামে এক দুর্বৃত্তকে আটক করেছে।
“আটক ইকবাল বারইপাড়া গ্রামের সাহেব আলীর ছেলে। সে এলাকায় বখাটে হিসেবে পরিচিত।”
এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কেউ থানায় লিখিত অভিযোগ দেয়নি বলে জানান পরিদর্শক মাজেদ।
রোববার সকালে দেবীগঞ্জের সোনাপোতা গ্রামের সন্তগৌড়ীয় মঠের অধ্যক্ষ যজ্ঞেশ্বর রায়কে গলা কেটে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। পালানোর আগে তাদের গুলি ও বোমায় আহত হন আরও দুজন।
ধারালো অস্ত্র ও আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে তিন মোটরসাইকেল আরোহী ওই হামলায় অংশ নেয় বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান।
সন্ত্রাসী ও খুনিদের গ্রেফতারে সরকারের সদিচ্ছার অভাব রয়েছে : জাতীয় হিন্দু মহাজোট
নিজস্ব প্রতিবেদক
২৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৬,মঙ্গলবার, ০০:১৭
জাতীয় হিন্দু মহাজোট নেতারা বলেছেন, সন্ত্রাসী ও খুনিদের গ্রেফতারে সরকারের সদিচ্ছার অভাব রয়েছে। তারা বলেন, পুলিশ চাইলে যেকোনো মুহূর্তে এই সন্ত্রাসী গ্রুপকে চিহ্নিত ও গ্রেফতার করতে পারে; কিন্তু সরকারের সদিচ্ছা না থাকায় আজ পর্যন্ত কোনো খুনির গ্রেফতার বা শাস্তির বিধান হয়নি। যার কারণেই একের পর এক নৃশংস হত্যাকাণ্ড ঘটে চলছে।
পঞ্চগড় জেলার সন্তগৌড়ীয় মঠের অধ্যক্ষ যজ্ঞেশ^র দাসাধিকারীর নৃশংস হত্যকারীদের দ্রুত গ্রেফতার ও ফাঁসির দাবিতে সংগঠনের উদ্যোগে সমাবেশে নেতারা এ কথা বলেন।
নেতারা বলেন, দেশে দীর্ঘ দিন ধরে একটি চিহ্নিত সন্ত্রাসী গ্রুপ একের পর এক গলা কেটে হত্যাকাণ্ড ঘটিয়ে চলেছে। পুলিশ আজ পর্যন্ত এই সন্ত্রাসী গ্রুপকে গ্রেফতার করতে পারেনি; এমনকি চিহ্নিত করতে পারেনি।
নেতারা আগামী ২৫ জানুয়ারির মধ্যে সন্ত্রাসী-খুনিদের গ্রেফতারে সরকারকে আলটিমেটাম বেঁধে দেন। ২৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে খুনিদের গ্রেফতার করতে ব্যর্থ হলে আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি সারা দেশের প্রতিটি জেলা, উপজেলা ও থানা সদরে একযোগে হিন্দু মহাজোট মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করবে বলে তারা জানান।
জাতীয় হিন্দু মহাজোট গতকাল বেলা ৩টায় জাতীয় প্রেস কাবের সামনে বিক্ষোভ মিছিল শেষে সাধন লাল দেবনাথের সভাপতিত্বে এক পথসভায় বক্তৃতা করেন : হিন্দু মহাজোটের মহাসচিব অ্যাডভোকেট গোবিন্দ চন্দ্র প্রামাণিক, প্রধান সমন্বয়কারী বিজয় কৃষ্ণ ভট্টাচার্য, সহসভাপতি কার্তিক চক্রবর্তী, মহিলা মহাজোটের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট প্রতিভা বাকচী, ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক সুমন কুমার সরকার, হিন্দু ছাত্র মহাজোটের সাধারণ সম্পাদক নিহার প্রামাণিক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাজেন কৃষ্ণ বল, রাজেস নাহা, সজিব বৈদ্য, প্রশান্ত, জীবন, বাগেরহাট হিন্দু মহাজোটের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডা: মনোরঞ্জন হালদার প্রমুখ।
নেতারা বলেন, দেশে দীর্ঘ দিন ধরে একটি চিহ্নিত সন্ত্রাসী গ্রুপ একের পর এক গলা কেটে হত্যাকাণ্ড ঘটিয়ে চলেছে। পুলিশ আজ পর্যন্ত এই সন্ত্রাসী গ্রুপকে গ্রেফতার করতে পারেনি; এমনকি চিহ্নিত করতে পারেনি।
নেতারা আগামী ২৫ জানুয়ারির মধ্যে সন্ত্রাসী-খুনিদের গ্রেফতারে সরকারকে আলটিমেটাম বেঁধে দেন। ২৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে খুনিদের গ্রেফতার করতে ব্যর্থ হলে আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি সারা দেশের প্রতিটি জেলা, উপজেলা ও থানা সদরে একযোগে হিন্দু মহাজোট মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করবে বলে তারা জানান।
জাতীয় হিন্দু মহাজোট গতকাল বেলা ৩টায় জাতীয় প্রেস কাবের সামনে বিক্ষোভ মিছিল শেষে সাধন লাল দেবনাথের সভাপতিত্বে এক পথসভায় বক্তৃতা করেন : হিন্দু মহাজোটের মহাসচিব অ্যাডভোকেট গোবিন্দ চন্দ্র প্রামাণিক, প্রধান সমন্বয়কারী বিজয় কৃষ্ণ ভট্টাচার্য, সহসভাপতি কার্তিক চক্রবর্তী, মহিলা মহাজোটের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট প্রতিভা বাকচী, ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক সুমন কুমার সরকার, হিন্দু ছাত্র মহাজোটের সাধারণ সম্পাদক নিহার প্রামাণিক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাজেন কৃষ্ণ বল, রাজেস নাহা, সজিব বৈদ্য, প্রশান্ত, জীবন, বাগেরহাট হিন্দু মহাজোটের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডা: মনোরঞ্জন হালদার প্রমুখ।
সালথায় দুর্বৃত্তদের হামলায় বৃদ্ধ নিহত
সালথা (ফরিদপুর) সংবাদদাতা২১ ফেব্রুয়ারী, ২০১৬
ফরিদপুরের সালথায় দুর্বৃত্তদের হামলায় নিরোধ চন্দ্র শিকদার (৬০) নামের এক বৃদ্ধ নিহত হয়েছেন। তিনি উপজেলার আটঘর ইউনিয়নের চাউলিয়া গ্রামের মৃত মোকন্দ শিকদারের ছেলে। শনিবার দিবাগত রাতে এ ঘটনা ঘটে।
নিহতের স্ত্রী সুবা রানী বলেন, 'শনিবার দিবাগত রাত ৩ টার দিকে প্রকৃতির ডাকে সারা দেয়ার জন্য ঘর থেকে বের হন আমার স্বামী। এ সময় ওৎ পেতে থাকা দুর্বৃত্তরা তাকে এলোপাথারি আঘাত করে পালিয়ে যায়। এতে সে ঘটনাস্থলেই মারা যান। তবে স্থানীয়দের ধারণা, এসব দুর্বৃত্তরা ওই বাড়িতে চুরি বা ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছিলো। এমন সময় হয়তো নিরোধ ঘর থেকে বের হওয়ায় তার ওপর হামলা করে পালিয়ে যায় তারা।
সালথা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ডি এম বেলায়েত হোসেন বলেন, 'নিহতের শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখমের দাগ রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, অজ্ঞাত দুর্বৃত্তরা তাকে খুন করেছে। তার লাশ উদ্ধার ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনা একটি মামলার প্রস্তুতি চলছে।'

ফরিদপুরের সালথায় দুর্বৃত্তদের হামলায় নিরোধ চন্দ্র শিকদার (৬০) নামের এক বৃদ্ধ নিহত হয়েছেন। তিনি উপজেলার আটঘর ইউনিয়নের চাউলিয়া গ্রামের মৃত মোকন্দ শিকদারের ছেলে। শনিবার দিবাগত রাতে এ ঘটনা ঘটে।
নিহতের স্ত্রী সুবা রানী বলেন, 'শনিবার দিবাগত রাত ৩ টার দিকে প্রকৃতির ডাকে সারা দেয়ার জন্য ঘর থেকে বের হন আমার স্বামী। এ সময় ওৎ পেতে থাকা দুর্বৃত্তরা তাকে এলোপাথারি আঘাত করে পালিয়ে যায়। এতে সে ঘটনাস্থলেই মারা যান। তবে স্থানীয়দের ধারণা, এসব দুর্বৃত্তরা ওই বাড়িতে চুরি বা ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছিলো। এমন সময় হয়তো নিরোধ ঘর থেকে বের হওয়ায় তার ওপর হামলা করে পালিয়ে যায় তারা।
সালথা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ডি এম বেলায়েত হোসেন বলেন, 'নিহতের শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখমের দাগ রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, অজ্ঞাত দুর্বৃত্তরা তাকে খুন করেছে। তার লাশ উদ্ধার ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনা একটি মামলার প্রস্তুতি চলছে।'
PANCHAGARH TEMPLE ATTACK
Priest killed, devotee shot
Another hurt in blast
People gather at the temple in Shonapota of Debiganj in Panchagarh where Jogeswar Dasadhikari, a Hindu priest, was killed yesterday. Photo: Star
Star Report

People gather at the temple in Shonapota of Debiganj in Panchagarh where Jogeswar Dasadhikari, a Hindu priest, was killed yesterday. Photo: Star
Star Report
Subscribe to:
Posts (Atom)












.jpg)




.jpg)
.jpg)




