Religious Minority Community in Bangladesh;DECEMBER 2014
1.
1.
পাথরঘাটায় মধ্যরাতে ডাকাতিখোকন কর্মকার, বাংলার চোখ পাথরঘাটা (বরগুনা) প্রতিনিধি, ২৪ ডিসেম্বর বুধবারবাংলারচোখ.কম |
পাথরঘাটায় সাংবাদিকের বোনের বাড়িতে মধ্যরাতে হানা দিয়ে নগদ টাকা ও মালামাল লুটে নিয়ে গেছে
দুর্বৃত্তরা। সোমবার রাত
১টার দিকে উপজেলার চরদুয়ানী বাজার সংলগ্ন টাকার খাল গ্রামে ডাকাতির উদ্দেশ্যে এ হামলার ঘটনা
ঘটে।
ভোরের কাগজের পাথরঘাটা প্রতিনিধি অমল তালুকদার বলেন, তাঁর বোন সংখ্যালঘু বিধায়
ওই গ্রামের একটি
কুচক্রিমহল দীর্ঘ দিন ধরে তাঁর বোন কাকতি রানী সহ তাঁর পরিবারকে উচ্ছেদের পায়তার চালাচ্ছে।
গতকাল তাঁর বড়বোন মিনতি রানী একাই ওই বাড়িতে ছিলেন।
সোমবার গভীর রাতে ৭/৮ জনের দেশীয় অস্ত্রসস্ত্রে সজ্জিত একটি অস্ত্রধারী দল ঘরে ঢুকে
প্রথমে কাপড় দিয়ে বোনের মুখ বেঁধে হামলা ওমারধর চালিয়ে নগদ টাকা সহ লক্ষাধীক টাকার মালামাল লুটে নেয়। মঙ্গলবার বেলা ১০ টারদিকে রাতের ঘটনা থানা পুলিশকে জানালে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা
ও এএসপি সার্কেল সহ পুলিশের একটি দল ও গন্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ সহ ঘটনা স্থল পরিদর্শন কালে খোয়া যাওয়া মালামালের লিষ্ট
করেন এবং তাঁদের খোঁজ খবর নেন।
এব্যাপারে থানায় মামলা হয়েছে।
http://www.banglarchokh.net/printNews.php?nssl=23672
2.
সোনাবাড়িয়া মঠবাড়ি মন্দির। হারিয়ে যেতে বসা এক অতীত!
এই মন্দিরটি সাতক্ষীরা জেলার কলারোয়া উপজেলার সোনা বাড়িয়া গ্রামে অবস্থিত।আনুমানিক কয়েকশ বছর পুরনো হবে এই মন্দির। মন্দির টি নিয়ে অনেক উপকথা প্রচলিত আছে। তবে পুরো ইতিহাস জানা যায় না। এটুকু জানা গেছে যে এটি রানি রাসমনির সম্পত্তি ছিল। অযত্ন অবহেলায় এটি এখন প্রায় ধ্বংসের দিকে। শোনা যায় এক সময় একটা রহস্যময় মোটা শিকল মন্দির টির তিন তলা থেকে মন্দির টির সামনে অবস্থিত পুকুরে বাধা ছিল।
3.
সংখ্যলঘু পরিবারকে উচ্ছেদের চেষ্টা রামগঞ্জে ১৪৪ ধারাঅমান্য করে রাস্তা নির্মানের অভিযোগ
মোঃ মোশারেফ হোসেন,রামগঞ্জ (লক্ষ্মীপুর) প্রতিনিধি:
লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ পৌরসভার আউগানখিল ধোপাবাড়ির সংখ্যালঘু পরিবারের সদস্যদের বাড়ি থেকে উচ্ছেদসহ পাশ্ববর্তী বাগানের শতাধিক ফলদ-বনজ গাছ কর্তন করে রাস্তা নির্মানের অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযুক্তদের অব্যাহত হুমকি-ধমকিতে বর্তমানে সংখ্যলঘু পরিবার গুলো মানবেতর জীবন যাপন করছে।
এব্যাপারে স্বপন চন্দ্র দাস জানান, পৌরসভার আউগানখিল মৌজার জে এল নং-৪৯ এমআরএসএস ১৬২, ১৬৭, ১৬৮, মাঠ খতিয়ান-২০০, ২০১, ২০২ ধোপা বাড়িতে
পূর্ব পুরুষদের ভিটে মাটিতে পরিবার পরিজন নিয়ে বসবাস করে আসছি। যা বর্তমানে আমার নামে নামজারি রয়েছে। সম্প্রতি (১৬ ডিসেম্বর) আমার বাড়ির পাশ্ববর্তী মধুপুর এলাকার প্রভাবশালী ব্যবসায়ী ও বিএনপির ডোনার আঃ মান্নান রামগঞ্জ পৌরসভার মেয়র বেলাল আহম্মেদের সহযোগীতায় ও তার ভাড়াটিয়া লোকজন দিয়ে আমার
বাড়ির শতাধিক ফলদ ও বনজ গাছ কর্তন করে ১৪৪ ধারা জারি অমান্য করে রাস্তা নির্মানের চেষ্টা চালায়। আমি রাস্তা নির্মানে বাধা দিলে আমাকে হত্যা করে লাশ ঘুম করে পেলবে বলে হুমকি প্রদান করে। এব্যপারে স্বপন চন্দ্র দাস বাদী হয়ে রামগঞ্জ থানায় একটি সাধারন ডায়েরি এন্ট্রি করেছে।
রামগঞ্জ পৌরসভা মেয়র বেলাল আহম্মেদ জানান, সংখ্যালঘু পরিবারকে উচ্ছেদ করার চেষ্টা চলছে বিষয়টি সঠিক নয়। পৌরসভার একটি রাস্তা নির্মানের স্বার্থে জায়গাটি ব্যবহার করা হচ্ছে।
http://aporadhshongbad.com/index.php/2014-03-18-16-49-57/55-2014-02-18-18-54-45/17198-2014-12-23-10-03-56
4.
চিতলমারীতে পুরোহিতের বসতভিটা দখল করে ঘর নির্মান, আহত-২
হীরা মনি সীমা, চিতলমারী: বাগেরহাটের চিতলমারীতে এক পুরোহিতের বসতভিটা দখল করে গাছপালা কেটে ঘর নির্মান করেছে একটি প্রভাবশালী চক্র। শুধু এখানে খান্ত হয়নি ওই প্রভাবশালী চক্রটি। তারা বসতভিটা দখল করে ঘর নির্মানের পর মহা উৎসবের জন্য বিরানী রান্না করে। এ সময় ওই প্রভাবশালী চক্রকে বাধা দিতে গিয়ে ব্রাক্ষ্মণ পরিবারের ২ জন আহত হয়েছে। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে গ্রামবাসি বিক্ষোভে ফেটে পড়ে এবং নব নির্মিত ২টি ঘরের মধ্যে একটি ঘর ভাংচুর করে। পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা রয়েছে।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রোববার সকাল সাড়ে ৭ টার দিকে উপজেলার ব্রক্ষ্মগাতী গ্রামের অশীতিরপর পুরোহিত অতুল ভট্টাচার্জের বসতবাড়ির জায়গার ৫০-৬০ টি বিভিন্ন ধরণের ফলন্ত গাছ কেটে আড়–য়াবর্নি গ্রামের প্রভাবলাশী খলিল মোল্লা, আনসার আলী ও কালামের নেতৃত্বে শতাধিক লোক ২ টি টিনের ঘর নির্মান করে। এ সময় তাদের বাধা দিতে গিয়ে পুরোহিতের ছেলে মিলন (৩৫) ও মনা রানী (২৬) আহত হয়। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে গ্রামবাসি বিক্ষোভে ফেটে পড়ে এবং নব নির্মিত ২টি ঘরের মধ্যে একটি ঘর ও জায়গা দখল করে দেয়া বেড়া ভাংচুর করে। এ ব্যাপারে খলিল মোল্লার ছেলে তুহিন মোল্লা জানান, ওই জায়গা পুরোহিতের পুত্রবধূর নামে পাওয়ার অফ এ্যাটর্নি থাকায় তার এক আত্মীয় ক্রয় করেছে। ক্রয়কৃত জায়গায় তারা ঘর নির্মান করেছে। এ ব্যাপারে ঘটনাস্থলে থাকা চিতলমারী থানার সেকেন্ড অফিসার এসআই সোলায়মান জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়া হয়েছে এবং অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা রয়েছে।
http://www.banglapost24.com/?p=382646
5.
![]()
মুন্সীগঞ্জে ৬ হিন্দু পরিবারের জমি দখল করে মাদক সেবন ও জুয়ার আস্তানা নির্মান
Posted By sangram Kumar On December 27, 2014 @ 3:23 pm In আজকের গুরুত্বপূর্ন সংবাদ,জাতীয়,ঢাকা বিভাগ,দিনের বিশেষ নিউজ,বিশেষ খবর,ব্রেকিং নিউজ,সদ্য পাওয়া সংবাদ,সর্বশেষ খবর |
মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধিঃ মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলার লতব্দি ইউনিয়নের কাক্সাগ্রা গ্রামে জমি দখলকে কেন্দ্র করে সন্ত্রাসী আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে ৬ হিন্দু পরিবার সহ বেশ কয়েকটি পরিবার। হিন্দু পরিবারে জমি দখল করে বানানো হয়েছে মাদক ও জুয়ার আসর। সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে কাক্সাগ্রা গ্রামরে ৬টি হিন্দু পরিবারের জমি দখল করে ভরাট করে নির্মান করা হয়েছে দুটি টিনের ঘর সেখানে বসানো হয়েছে মাদক সেবন ও জুয়ার আস্তানা এতে করে আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে পরিবার গুলো।
জানাগেছে স্থানীয় চেয়ারম্যান হাফেজ ফজলু হকের ভাতিজা পরিচয় দান কারী আমির হোসেন উরফে পিস্তল টিক্কা নামের এক সন্ত্রাসী এলাকার সাধারণ মানুষদের বিভিন্ন ধরনের হুমকি দুমকি দিয়ে জমি দখল করে নিচ্ছে প্রানের ভয়ে প্রতিবাদ করতে পারছেনা কেউই। থানায় মামলা দিতে গেলে স্থানীয় চেয়ারম্যানের বাঁধায় থানা অবধি পৌছাতে পারেনা তারা। জমি হারানো ও পিস্তল টিক্কার হমালার স্বীকার সিদ্দিক হোসেন বলেন,যে ভাবে সন্ত্রাসী টিক্কা এলাকার সাধারণ মানুষের জমি দখল শুরু করেছে তাতে এলাকা মানুষ এখন আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে কেউ কোন রকমের প্রতিবাদ করতে পারছেনা প্রতিবাদ করলেই মেরে ফেলার হুমকি দিচ্ছে ।
হিন্দু পরিবারে শ্যামেল মন্ডল,দেবন মন্ডল.সনঞ্জীবন মন্ডল,শান্তি মন্ডল ,ইন্দ্র মন্ডল ও সালান মন্ডলের পরিবারের সদস্যরা জানান,পূর্ব পুরুষ থেকে এখানে বসবাস করে আসছে হিন্দু স¤্রদায়ের ৬টি পরিবার হঠ্যৎ করে আমির হোসেন উরফে পিস্তল টিক্কা নামের এক সন্ত্রাসী আমাদের পৈত্তিকসম্মত্তির ২০ শতাংস জমি দখল করে নিয়েছে এর প্রতিবাদ করায় বাড়ী থেকে বের হওয়া বন্ধ হয়ে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে।
স্থানীয় ্ইউনিয়ন চেয়ারম্যান ও মেম্বারদের কাছে একাধিক বার বিচার চেয়েও বিচার পাইনি। মামলা দিতে সাহস পাচ্ছেনা পরিবার গুলো। এতে করে সন্ত্রাসী টিক্কা এখন হিন্দু পরিবার গুলোকে বাড়ী ছারার হুমকি দিচ্ছে। এমন অবস্থায় চরম নিরাপত্তাহীনতা দিন কাটাচ্ছে সংখ্যালগু পরিবার গুলো।
এব্যাপারে আমির হোসেন উরফে পিস্তল টিক্কার সাথে কথা হলে তিনি বলেন,থানায় মামলা করে কোন লাব নেই আমার চাচা ইউনিয়ন চেয়ারম্যান তাই মামলা বন্ধ করে দিতে সময় লাগবেনা আর আপনার পারলে কিছু করে দেখান ।
সিরাজদিখান থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইয়ারদৌস হাসান বলেন,এঘটনায় কোন অভিযোগ পাওয়া যায়নি অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
একুশে সংবাদ ডটকম/মোঃ জাফর মিয়া/২৭.১২.১৪।
6.
জগন্নাথপুরে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের শ্বশ্মান দখল নিয়ে উত্তেজনা
জগন্নাথপুর উপজেলার পাইলগাঁও ইউনিয়নের খানপুর গ্রামের হিন্দু সম্প্রদায়ের শ্বশ্মানঘাট প্রভাবশালী ভূমিখেকো একদল চক্র জোরপূর্বক দখলে নিয়ে মাটি ভরাট কাজ চালিয়ে যাওয়া উত্তেজনা বিরাজ করছে। শ্বশ্মানটি ভূমিখেকো চক্রের কবল থেকে রক্ষা করতে হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজন প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন। সম্প্রতি পুলিশের একজন এস আই শ্বশ্মানঘাট এলাকা পরিদর্শন করে আসার পর থেকে ভূমিখেকো চক্রটি গত ৪দিন ধরে অব্যাহতভাবে শ্বশ্মানে মাটি ভরাটের ফলে নিশ্চিন্ন হয়ে যাচ্ছে ঐ এলাকার হিন্দু সম্প্রদায়ের আধিকালের স্থাপিত শ্বশ্মানটি। খানপুর এলাকার হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজন ভূমি চক্রের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করায় তাদের অব্যাহত হুমকির ফলে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন নিরীহ পরিবারের লোকজন। এদিকে হিন্দু সম্প্রদায়ের নিরীহ পরিবারের সহযোগিতায় এগিয়া আসা এলাকার সমাজ সচেতন ব্যক্তিরা ভূমি চক্রটির বিরুদ্ধে প্রতিবাদী হওয়ায় এনিয়ে এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।
এলাকাবাসী সূত্রে জানাযায়, খানপুর গ্রামে শতবছরের পুরনো ৭৫ শতাংশ ভূমির উপর এ শ্বশ্মানটি পার্শ্ববর্তী জালালপুর গ্রামের মৃত অজর আলীর পুত্র ভূমিখেকো তদরিছ আলী ও তার লোকজন দীর্ঘদিন ধরে দখল করে নিতে শ্বশ্মানের ভূমিতে থাকা বিভিন্ন প্রজাতির গাছ কেটে উজার করে নিয়ে যায়। বিষয়টি হিন্দু সম্প্রদায়ের পক্ষে চন্দন দাসসহ লোকজন প্রশাসনসহ সরকারদলীয় নেতাদের ধারস্ত হন। শ্মশ্মানটির সরেজমিন পরিদর্শনের জন্য ভূমি অফিসের সার্ভেয়ারসহ কর্মকর্তারা গেলে সেখানে গ্রামের শত শত লোকজন জড়ো হয়ে ভূমি দখল চক্রের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানায়। পুরো বিষয়টি খানপুর গ্রামের পাঞ্চায়েত কমিটির মুরব্বি ইসরাইল আলী পরিদর্শনে আসা কর্মকর্তাদের উপস্থাপন করেন এবং ৭৫ শতাংশ ভূমি তার পূর্বপুরুষরা শ্বশ্মান নির্মানের জন্য দান করেছেন বলে জানান। গত রোববার থেকে ভূমিখেকো তদরিছ আলী তার লোকজন দিয়ে শ্বশ্মানের ভূমিতে মাটি ভরাট কাজ শুরু করেছে। চন্দনদাসসহ হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজন মাটি ভরাটকাজে বাধা দিলে তাদেরকে গ্রাম ছাড়া করার হুমকি দেয়। এদিকে ভূমিখেকো তদরিছ আলী ও তার বাহিনী শ্বশ্মানের ভূমি দানকারী ইসরাইল আলীকে বুধবার সকালে গ্রামের রাস্তায় পেয়ে মারধর করতে ঘেরাও করলে ইসরাইল আলী গ্রামের সারেং মিয়ার বাড়িতে উঠে আত্মরক্ষা করেছেন বলে জানান। ইউপি সদস্য সুনু মিয়া শ্বশ্মনঘাটের ভূমি দখলের ঘটনায় জানান তদরিছ আলী ও তার লোকজন অন্যায়ভাবে মাটি ভরাট কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। খানপুর গ্রামের মুরব্বী ইসরাইল আলীকে হামলাকারীদের কবল থেকে উদ্ধারের ঘটনায় জানান, ইসরাইল আলী পুরনো শ্বশ্মানঘাটের ভূমি তার পুর্বপুরুষরা দান করার বিষয়টি প্রশাসনকে জানানোর কারনেই তাকে মারধর করতে চেয়েছিল। শতবছরের পুরনো হিন্দু সম্প্রদায়ের শ্বশ্মানটি ভূমিখেকো তদরিছ আলীর কবল থেকে রক্ষা করতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন এলাকার নিরীহ লোকজন।
http://dailyamarsylhet24.com
7.
ঘোড়াঘাটে হিন্দু পরিবারের জমি জবর দখলকারীরা ৪৮ দিনেও গ্রেফতার না হওয়ায় বাদীকে মামলা তুলে নিতে জীবন নাশের হুমকী
ঘোড়াঘাট (দিনাজপুর) প্রতিনিধি ঃ
দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটে হিন্দু পরিবারের জমি জবর দখলকারীরা মামলা হওয়ার ৪৮ দিনেও গ্রেফতার না হওয়ায় বাদীকে মামলা তুলে নিতে জীবন নাশের হুমকী দিচ্ছে। জানা যায়, ঘোড়াঘাট পৌর পাঁচপীর গ্রামের হিন্দু পরিবার নেপাল চন্দ্র ঘোড়াঘাট সাহেবগঞ্জ মৌজার ৩৪৪ নং খতিয়ানের ও ১৪ নং দাগের ১ একর ৫০ শতক জমি গত ১৩ বছর পূর্বে কবলা খরিদা মুলে ক্রয় করে বসবাস করে আসছিল। এর এক পর্যায়ে ওই জমি একই গ্রামের আতিয়ার রহমান (দুলু) ও তার লোকজন অতর্কিত হামলা করে হিন্দু পরিবারের লোকজনকে মারপিট করে অর্ধাংশ জমি জবর দখল করে টিনের বেড়া দিয়ে ঘর নির্মাণ করে। এ ব্যাপারে নেপাল চন্দ্র বাদী হয়ে গত ২৬শে নভেম্বর ১১ জনকে আসামী করে ঘোড়াঘাট থানায় মামলার দেয়ার পর ৪৮দিনেও আসামী গ্রেফতার না হওয়ায় বাদীকে মামলা তুলে নিতে আসামীরা জীবন নাশের হুমকী অব্যাহত রেখেছে। ‘এই গোপালগঞ্জের পুলিশ, মালাউনের বাচ্চা!’ শুয়োরের বাচ্চা’!
বাংলানিউজমিডিয়া.নেট ডিসেম্বর ১৮, ২০১৪(ডেস্ক নিউজ)
0 Google +0 0 0 0
নিজস্ব প্রতিবেদক: বিএনপি নেতা নাসির উদ্দিন পিন্টু ঢাকার মহানগর দায়রা জজ আদালতের হাজতখানায় এক পুলিশ কর্মকর্তাকে ‘মালাউনের বাচ্চা, শুয়োরের বাচ্চা’ বলে গালি দিয়েছেন।
বিডিআর বিদ্রোহের মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পিন্টু তার সঙ্গে সাক্ষাৎপ্রার্থীদের বাধাদান দেয়ায় পুলিশ কর্মকর্তাকে এভাবে গালি দেন।
বৃহস্পতিবার ত্রাণের টিন আত্মসাতের একটি মামলায় ঢাকার ১ নম্বর বিশেষ জজ আদালতে হাজির করানোর জন্য নারায়ণগঞ্জের কারাগার থেকে মহানগর দায়রা জজ আদালতের হাজতখানায় নিয়ে আসা হয় পিন্টুকে।
হাজতখানায় থাকার সময় আদালতের পূর্ব অনুমতি ছাড়াই এক আইনজীবী ও কয়েকজন সমর্থক পিন্টুর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে যান। এসময় বাধা দেন কোতয়ালী থানার এসআই দেবব্রত। আর তখনই ক্ষেপে ওঠেন পিন্টু। তিনি রাগত স্বরে বলেন, ‘এই গোপালগঞ্জের পুলিশ, মালাউনের বাচ্চা, শুয়োরের বাচ্চা, তোর চাকরি থাকবে না।’
শুধু গালি দিয়েই তিনি ক্ষান্ত হননি, ওই পুলিশকে মারতেও উদ্যত হন। ওই সময় কয়েকজন সাংবাদিক ও আইনজীবীও সেখানে উপস্থিত ছিলেন বলে জানা গেছে।
এসময় পিন্টুর আইনজীবী আসলাম উদ্দিন ও তৌহিদুল ইসলাম তাদের মক্কেলকে (নাসির উদ্দিন পিন্টু) নিবৃত্ত করার চেষ্টা করেন। ওই দুই আইনজীবী বিষয়টি নিয়ে আর যাতে বাড়াবাড়ি না হয় সেজন্য মীমাংসা করার অনুরোধ করেন একজন সাংবাদিককে।
পরে পিন্টুর আইনজীবী অ্যাডভোকেট আসলাম ঘটনার দায়ভার পুলিশের ওপর চাপিয়ে বলেন, ‘এমনিতেই পিন্টুর মন খারাপ। এতদিন ধরে কারাগারে। এ অবস্থায় তার সঙ্গে একটু রয়ে সয়ে সাবধানে পুলিশের আচরণ ও ব্যবহার করা উচিৎ ছিল।’
এ ঘটনার জেনে ছুটে আসেন ঢাকা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি মো. বোরহানউদ্দিন এবং আইনজীবী সমিতির কার্যকরী পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মোসলেহ উদ্দিন জসীম।
ঘটনার বিষয়ে মো. বোরহান উদ্দিন সাংবাদিকদের বলেন, ‘পিন্টুকে মেন্টাল (পাগল) বলায় ক্ষেপে গিয়ে তিনি একজন পুলিশ কর্তাকে গালি দেন।’
ঘটনাস্থলে উপস্থিত কোর্ট ইন্সপেক্টর ফরমান আলী সাংবাদিকদের বলেন, ‘ওই কর্মকর্তাকে একটি সাম্প্রদায়িক গালি দিয়েছেন পিন্টু।’
ঘটনার শিকার কোতোয়ালি থানার এসআই দেবব্রত বলেন, ‘অনুমতি ছাড়া হাজতে আইনজীবীসহ তার সমর্থকরা ঢুকতে গেলে আমি বাধা দিয়েছি। আমি কেবল আমার উপর অর্পিত দায়িত্বই পালন করেছি। কিন্তু পিন্টু আমাকে সাম্প্রদায়িকভাবে আক্রমণ করে গালি দিয়েছেন, আমাকে মারতে উদ্যত হয়েছেন।’
এদিকে পিন্টুর হয়ে পুলিশ, সাংবাদিক ও উপস্থিত আইনজীবীদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেছেন আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোসলেহ উদ্দিন জসীম। তিনি দণ্ডিত পিন্টুর বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা না নেয়ার জন্য পুলিশ কর্মকর্তাদের অনুরোধ করেছেন।
উল্লেখ্য, ত্রাণের টিন আত্মসাতের অভিযোগে ২০০৭ সালের ২৬ মার্চ ঢাকার লালবাগে বিএনপির সাবেক সাংসদ পিন্টুর বিরুদ্ধে হাজারীবাগ থানায় মামলা হয়। ওই বছরের ৮ অক্টোবর চার্জশিট দাখিলের পর বিচারের জন্য মামলাটি ঢাকার বিশেষ জজ আদালতে বদলি করা হয়।
এ পর্যন্ত মামলাটিতে আট জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সাক্ষ্য গ্রহণের দিন ধার্য থাকলেও কোনো সাক্ষী না আসায় বিচারক দলিল উদ্দিন আগামী ২৯ জানুয়ারি পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য করেছেন। -বাংলামেইল
- See more at: http://banglanewsmedia.net/?p=10973#sthash.88Dxehsp.dpuf
9.
লক্ষ্মীপুরে পৌর মেয়রের বিরুদ্ধে সংখ্যালঘু পরিবার উচ্ছেদ চেষ্টার অভিযোগআদালতের নিষেধাজ্ঞা অগ্রাহ্য
লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি১৮ ডিসেম্বর, ২০১৪ ইং
লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ পৌরসভার মেয়র ও পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বেলাল আহমেদের নেতৃত্বে সংখ্যালঘু পরিবারের ৮০টি গাছ কর্তন ও জমি থেকে উচ্ছেদের চেষ্টার অভিযোগ পাওয়া গেছে। আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে তাদের বাগান কেটে রাস্তা নির্মাণের কাজ শুরু করা হয়েছে। গতকাল বুধবার দুপুরে জেলা শহরের একটি স্থানীয় দৈনিক পত্রিকার কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে এ অভিযোগ করে ওই ভুক্তভোগী সংখ্যালঘু পরিবার।
লিখিত বক্তব্যে ভুক্তভোগী লংখ্যালঘু স্বপন চন্দ্র দাস বলেন, তিনি রামগঞ্জ পৌরসভার আউগানখীল এলাকায় পূর্ব পুরুষের ভিটে মাটিতে পরিবার-পরিজন নিয়ে বসবাস করে আসছেন। গত কয়েক মাস আগে তাদের সম্পদের উপর মধুপুর এলাকার প্রভাবশালী ব্যবসায়ী মান্নানের নজর পড়ে। সম্প্রতি পৌর মেয়রের সহযোগিতায় মান্নান ও তার ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসীরা তাদের বাগান দখল করে রাস্তা নির্মাণের চেষ্টা করে।
তিনি লক্ষ্মীপুর অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আবেদন করলে আদালত ১৪৪ ধারা জারি করে। কিন্তু আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে পৌর মেয়র বেলাল আহমেদের নেতৃত্বে আবদুল মান্নানের ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসীরা তার বাগানের বিভিন্ন বনজ ও ফলদসহ ৮০টি গাছ কেটে রাস্তা নির্মাণের কাজ শুরু করে। তাদের দেশ ছাড়ার হুমকি দেয়া হয়। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন লক্ষ্মীপুর জেলা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রীষ্টান ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক স্বপন চন্দ্র দেবনাথ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মিলন মন্ডল, মুক্তিযোদ্ধা পূনর্বাসন সোসাইটির সভাপতি সমীর দেবনাথ ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্য কৃষ্ণ গোপাল নাথ।
এ ব্যাপারে রামগঞ্জ পৌরসভার মেয়র বেলাল আহমেদ অভিযোগ অস্বীকার বলে বলেন, সংখ্যালঘু পরিবারকে উচ্ছেদের জন্য নয়, পৌরসভার একটি রাস্তা নির্মাণের স্বার্থে জায়গাটি ব্যবহার করা হচ্ছে। জমি নিয়ে বিরোধ আছে।
|




মোঃ মোশারেফ হোসেন,রামগঞ্জ (লক্ষ্মীপুর) প্রতিনিধি: 








.jpg)
.jpg)
.jpg)



