HUMAN RIGHTS ORGANIZATION MOVES FOR RELIGIOUS MINORITY COMMUNITIES OF BANGLADESH.ESTD :23 NOV 1977
Wednesday, September 30, 2015
Ms.Shymoli Rani (16) Minority Hindu girl rescued with the help of Bangladesh Minority Watch on 10.9.2015
Report and Activities -BDMW [ Bangladesh Minority Watch ]
Ms.Shymoli Rani (16) Minority Hindu girl rescued with the help of Bangladesh Minority Watch on 10.9.2015 from Hajepur-Tilagaon UP within Kulaura Upazila of Moulvibazar District She was abducted by 1) Rubel Meah (25) son of Barik Meah, 2) Zaglu Meah (23) son of Rois Meah 3) Barik Meah (50) and 4) Begum Bibi (45) wife of Rois Meah on 17.04.2015.
Shymoli Rani was forcefully converted to Islam by swearing affidavit on 19.04.2015 and the actual name of the girl was changed into "SABINA AKHTAR" by dubious and collusive means.
Shymoli Rani was forcefully converted to Islam by swearing affidavit on 19.04.2015 and the actual name of the girl was changed into "SABINA AKHTAR" by dubious and collusive means.
The Chief Judicial Magistrate of Moulavibazar released her to her parents recently on 10.09.2015 while our Advocates at Moulavibazar prayed for custody of this unfortunate minor victim. Father and mother came to our office to express gratefulness to our activists. Bangladesh Minority Watch also took video statements of victim how she was forcefully converted to Islam without her consent. She also made an affidavit before the Notary public of Bangladesh re-changing her name "Sabina Akhtar" to Shymoli Rani. She came back to her Hindu parents (Hindu fold) and she is now happy. Perpetrators are conspiring to recapture her again, threats are being given to her parents.
This is also an achievement of our Human Rights organization BDMW.
This is also an achievement of our Human Rights organization BDMW.
Monday, September 28, 2015
Monday, September 14, 2015
Monday, September 7, 2015
পিরোজপুরে শ্বশুর-পুত্রবধূ খুন
পিরোজপুরে শ্বশুর-পুত্রবধূ খুন
27.08.15 [http://pirojpurnews.com]
: পিরোজপুরে শ্বশুর ও পুত্রবধূকে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) রাতে সদর উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়নের কচুবুনিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।নিহতরা হলেন, রাজেন্দ্র নাথ হালদার ও তার পুত্রবধূ মেরী হালদার ।জানা গেছে, সদর উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়নের কচুবুনিয়া গ্রামের রাজেন্দ্র নাথ হালদারের বাড়িতে বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে সাতটার দিকে একদল লোক প্রবেশ করে আলমারি ও ড্রেসিং টেবিল ভেঙে তছনছ করে। তারা কোনো এক সময় রাজেন্দ্রকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে। এ সময় তার পুত্রবধূ মেরী বাজারে ছিলেন। বাজার থেকে বাসায় ফিরে ঘরে ঢুকে দুর্বৃত্তদের দেখে চিৎকার করেন তিনি। এ সময় দুর্বৃত্তরা তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপালে ঘটনাস্থলেই মারা যান তিনি। বাড়ির মন্দিরের রাজমিস্ত্রি বাজার থেকে ঘরে ফিরলে তাদেরকে মৃত দেখতে পান। পরে পুলিশে খবর দিলে পুলিশ রাত নয়টার দিকে ঘটনাস্থলে পৌঁছায়।
স্থানীয় গ্রাম্য ডাক্তার সুমন মিত্র জানান, সন্ধ্যার সময় মেরী তার কাছ থেকে ওষুধ নিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন।
এলাকার চৌকিদার অনিল জানান, রাত আটটার দিকে ওই বাড়ির রাজমিস্ত্রি তাকে সঙ্গে নিয়ে ওই বাড়িতে যান। পরে বাড়ির গেট খোলা দেখলে তাদের সন্দেহ হয়। পরে ঘরে ঢুকে তাদের মৃত দেখতে পান।
দুর্গাপুর ইউপি সদস্য উত্তম ঢালী জানান, ওই বাড়িতে মেরী ও তার শ্বশুর বাস করতেন।
পিরোজপুরের পুলিশ সুপার মো. ওয়ালিদ হোসেন রাত দশটায় ঘটনাস্থল থেকে জানান, প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে, এটি কোনো ডাকাতির ঘটনা নয়। জমিজমা সংক্রান্ত কোনো বিরোধের ঘটনার জের হয়ে থাকতে পারে।
Religious minority community Situation in Bangladesh -September 2015
Religious minority community Situation in Bangladesh -September 2015

এ ঘটনার খবর পেয়ে মঙ্গলবার সকালে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রেজাউল করিম।
কাগজ অনলাইন প্রতিবেদক: সাভারে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মন্দিরে হামলা চালিয়ে দুর্গা পূজার প্রতিমা ভাঙচুর করেছে ভূমিদস্যুরা। মন্দিরের জমি নিয়ে বিরোধের জের ধরে স্থানীয় একটি ভূমিদস্যু চক্র ওই হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ স্থানীয় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের।
উজ্জ্বল রায়, নড়াইল || নড়াইলের কালিয়া উপজেলার নড়াগাতি থানার ঘোষিবাড়িয়া গ্রামের একটি মন্দিরের মনসা দেবীর মূর্তি ভেঙে ফেলা হয়েছে। গতকাল রাত ১১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
জানাগেছে,প্রশাসনের চাপের মুখে স্থানীয় বাসিন্দারা বিসর্জনের ক্রীয়াকর্ম না করেই তড়িঘড়ি করে মূর্তির বাকি অংশটুকু পাশের মধুমতি নদীতে বিসর্জন দেওয়া হয়। এ ঘটনায় স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে। গত বছরও একই মন্দির থেকে মনসা দেবীর মূর্তি ভাংচুর করা হয়েছিল। । বিস্তারিত উজ্জ্বল রায়ের রিপোটে ঘোষিবাড়িয়া গ্রামের মৃত স্বপন সাহার স্ত্রী মৃদুলা সাহা বলেন,বুধবার রাতে বাড়ির পাশেই একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠান চলছিল। আমরা খাওয়া-দাওয়া সেরে শুয়ে পড়েছি। রাত ১১টার দিকে বিদ্যুৎ চলে যায়। ওই অনুষ্ঠান থেকে প্রতিবেশিরা এ পথেই বাড়ি ফিরছিলো। মন্দিরে তারা মনসা দেবীর মূর্তির মাথা কেটে ফেলা দেখে ঘুম থেকে আমাদের ডেকে তোলে। ভূবন সাহার স্ত্রী গৌরি রানী সাহা বলেন,গত বছরও ঠিক এ সময়ে দেবীর মূর্তি ভেঙে ফেলা হয়েছিল। এবারও তাই করা হলো। তিনি বলেন,মূর্তি বানানোর টাকা দেওয়া হবে এ কথা বলে পুলিশ মূর্তির বাকি অংশটুকু নদীতে ফেলে দিতে বলে। বিসর্জনের ক্রীয়াকর্ম না করেই দেবীকে বিসর্জন দিতে হলো।মাউলি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শান্ত স্বর্ণকার ক্ষোভের সঙ্গে বলেন,এহেন কর্মকান্ডের প্রতিকার চাই। নড়াগাতি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ আব্দুল জলিল বলেন,মূর্তি ভেঙে ফেলার কথা শুনেছি।থানায় অভিযোগপেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নীলফামারীতে প্রতিমা ভাংচুর
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
Published: 2015-09-01
নীলফামারীর ডিমলায় একটি সার্বজনীন দুর্গা মন্দিরে প্রতিমা ভাংচুর করেছে দুর্বৃত্তরা।
ডিমলা থানার ওসি রহুল আমিন খান জানান, সোমবার রাতের কোনো এক সময় উপজেলা সদরের রামডাঙ্গা পুরান থানা এলাকার ওই মন্দিরে চারটি প্রতিমা ভাংচুরের ঘটনা ঘটে।
এ সময় তারা ওই মন্দিরের পাশে বিষ্ণু মন্দিরের বেড়া ভাংচুর করে বলে অভিযোগ করেন মন্দির পরিচালনা কমিটির সভাপতি দ্বীজেন্দ্র নাথ রায়।

ওই গ্রামের জয়দেব চন্দ্র ও অঞ্জনা রাণী রায় বলেন, “গভীর রাতে শব্দ শুনে ঘর থেকে বের হয়ে দেখি মন্দিরে থাকা কালী, জয়া, বিজয়া প্রতিমা ভেঙে মাটিতে ফেলে রাখা হয়েছে। আর শিব ঠাকুরের প্রতিমাটি ভেঙে মন্দির থেকে বাহিরে ফেলে রেখেছে।”
ওসি রহুল আমিন বলেন, জয়দেব চন্দ্র রায়ের বাড়িতে মন্দিরটি অবস্থিত। প্রাথমকিভাবে জানতে পেরেছি জমির সীমানা নিয়ে মন্দির সংলগ্ন আজম আলীর সঙ্গে দ্বন্দ ছিল।
মামলার পর তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।
সাভারে মন্দিরে হামলা, প্রতিমা ভাঙচুর
মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০১৫ [Bhorerkagoj]
কাগজ অনলাইন প্রতিবেদক: সাভারে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মন্দিরে হামলা চালিয়ে দুর্গা পূজার প্রতিমা ভাঙচুর করেছে ভূমিদস্যুরা। মন্দিরের জমি নিয়ে বিরোধের জের ধরে স্থানীয় একটি ভূমিদস্যু চক্র ওই হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ স্থানীয় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের।
মঙ্গলবার সন্ধ্যায় সাভারের রাজফুলবাড়িয়া এলাকার কৃষ্ণনগর গ্রামের দুর্গা মন্দিরে এই হামলা চালায় ভূমিদস্যুরা।
স্থানীয়রা জানান, দুর্গা মন্দিরের পার্শ্ববর্তী প্রায় তিন বিঘা দেবোত্তর সম্পত্তি মন্দিরের রক্ষণাবেক্ষণেই ছিল। এ জমি দখলে নেওয়ার উদ্দেশে স্থানীয় ভূমিদস্যু সাবুর ছেলে হক্কার নেতৃত্বে ২৫-৩০ জনের একদল সশস্ত্র দুর্বৃত্ত সন্ধ্যায় মন্দিরে অতর্কিত হামলা চালায়। এ সময় অন্তত ৬টি প্রতিমা ভাঙচুর করে তারা।
সুশান্ত নামের স্থানীয় এক সনাতন ধর্মাবলম্বী জানান, কয়েক যুগ থেকে মন্দিরের পাশের তিন বিঘা দেবোত্তর সম্পত্তি মন্দিরের ভোগ-দখলে রয়েছে। বর্তমানে এই সম্পত্তির দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় এতে ভূমিদস্যুদের লোভ পড়েছে। তারা এটি দখলের জন্য ভুয়া কাগজপত্র এবং মালিক হাজির করেছে।
সুমি রানী নামের আরেক সনাতন ধর্মাবলম্বী বলেন, কয়েক সপ্তাহ বাদে দুর্গাপূজা। একেবারে প্রস্তুত হয়ে গিয়েছিল প্রতিমা। এই অবস্থায় প্রতিমা ভাঙচুর করায় আবার সময়মত তৈরি করা খুব কষ্টকর হয়ে যাবে।
সুমি রানী নামের আরেক সনাতন ধর্মাবলম্বী বলেন, কয়েক সপ্তাহ বাদে দুর্গাপূজা। একেবারে প্রস্তুত হয়ে গিয়েছিল প্রতিমা। এই অবস্থায় প্রতিমা ভাঙচুর করায় আবার সময়মত তৈরি করা খুব কষ্টকর হয়ে যাবে।
প্রতিমা ভাঙচুরের খবরে মন্দিরে গিয়ে ভিড় জমায় মন্দিরের প্রায় দেড় হাজার সনাতন ধর্মের অনুসারী। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে সাভার মডেল থানা পুলিশ।
এ ব্যাপারে সাভার মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এস এম কামরুজ্জামান বলেন, প্রতিমা ভাঙচুরের পর গা ঢাকা দিয়েছে ভূমিদস্যু চক্রটি। তবে তারা যেখানেই থাকুক তাদের খুঁজে বের করে আইনের আওতায় আনা হবে।
আগৈলঝাড়ার বারপাইকায় সংখ্যালঘু স্কুল ছাত্রীকে যৌণ হয়রানীর
প্রতিবাদ করায় হামলায় অন্ত:স্বত্ত্বা মহিলাসহ
একই গ্রামের ১২জন সংখ্যালঘু আহত :
গুরুতর আহতদের হাসপাতালে ভর্তি।
Published On: Fri, Sep 4th, 2015
বরিশালের আগৈলঝাড়ায় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের এক স্কুল ছাত্রীকে যৌণ হয়রানির প্রতিবাদ করার কারণে বখাটেদের হামলায় অন্ত:স্বত্ত্বা মহিলাসহ সংখ্যালঘু অধ্যূষিত ওই গ্রামের কমপক্ষে ১২জন গ্রামবাসী আহত হয়েছে। গুরুতর আহতদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। পুলিশ খবর পেয়েও ঘটনাস্থলে না যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এব্যাপারে স্কুলের পক্ষ থেকে মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে স্থানীয়সূত্রে জানা যায়।
বরিশালের আগৈলঝাড়ায় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের এক স্কুল ছাত্রীকে যৌণ হয়রানির প্রতিবাদ করার কারণে বখাটেদের হামলায় অন্ত:স্বত্ত্বা মহিলাসহ সংখ্যালঘু অধ্যূষিত ওই গ্রামের কমপক্ষে ১২জন গ্রামবাসী আহত হয়েছে। গুরুতর আহতদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। পুলিশ খবর পেয়েও ঘটনাস্থলে না যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এব্যাপারে স্কুলের পক্ষ থেকে মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে স্থানীয়সূত্রে জানা যায়।
আহত, স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানায়, উপজেলার সাহেবেরহাট বাজারের ব্যবসায়ী ও স্থানীয় বাসিন্দা সংখ্যালঘু মন্টু হালদারের বারপাইকা স্কুলের ১০ম শ্রেণী পড়ুয়া মেয়েকে বেশ কিছুদিন যাবত যৌণ হয়রানি বা উত্যক্ত করে আসছিল পশ্চিম বারপাইকা গ্রামের আলমগীর শাহ’র ছেলে নিশাত শাহ (২২)। তাকে সহয়তা করে আসছিল একই এলাকার বিএনপি ক্যাডার এবং হরতালে পেট্রল দিয়ে গাড়ি পোড়ানো মামলার আসামী আনোয়ার শাহ’র ভাই রহিম শাহ ও তার বন্ধু একই এলাকার মতি মোল্লার ছেলে মশিউর। গতকাল বৃহস্পতিবার ওই ছাত্রী স্কুলে আসার পথে তাকে যৌণ নিপীড়ণের সময় বারপাইকা স্কুলের পাশের বাড়ির গোবিন্দ সরকার এর প্রতিবাদ করে। গোবিন্দর প্রতিবাদের জের ধরে আজ শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে উল্লেখিত তিন বখাটের নেতৃত্বে ১৫-১৬ জনের একটি দল আকস্মিক গোবিন্দর বাড়িতে গিয়ে তার উপর হামলা চালায়। এসময় গোবিন্দকে বাঁচাতে এগিয়ে আসে একই এলাকার তপন বল্লভ ও তার অন্ত:স্বত্ত্বা স্ত্রী কণিকা বল্লভ। হামলাকারীরা তাদের উপর হামলা চালিয়ে রক্তাক্ত জখম করে। এলাকায় হৈচৈ শুনে হামলাকারীদের প্রতিহত করতে এসে তাদের হামলার শিকার হয়ে আহত হন ওই গ্রামের জয়ন্ত বল্লভ (২০), পলাশ বাড়ৈ (১৮), নান্টু কীর্তুনীয়া (২২), কমলেশ বাড়ৈ (২৫), পলাশ মন্ডল (২৩), ইভেন বাড়ৈ (২০), লিটন পান্ডে (২৫), বিপুল বাড়ৈ (২৩), লিটন বাড়ৈ (২০) সহ অন্তত ১২জন গ্রামবাসী। গুরুতর আহতাবস্থায় তপন বল্লভ ও তার স্ত্রী কণিকাকে উপজেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। হামলা চলাকালীন সময়ে ওসিকে বিষয়টি অবহিত করলেও থানা থেকে কোন পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়নি বলে আহতরা অভিযোগ করেন।
এদিকে বারপাইকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি রবীন্দ্র নাথ হালদার ও প্রধান শিক্ষক সুনীল কুমার বাড়ৈ জানান, এঘটনায় তারা মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। এব্যাপার রত্নপুর ইউপি চেয়ারম্যান গোলাম মোস্তফা সরদার বলেন, খবর শুনে ঘটনাস্থলে গিয়ে তিনি ঘটনার সত্যতা পেয়েছেন। আলৈঝাড়া থানার ওসি মনিরুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, আহতদের চিকিৎসা করা হচ্ছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখে এব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও তিনি জানান।
তথ্যসূত্রঃhttp://netnarayangonj.com/
সাংবাদিক,
আগৈলঝাড়া, বরিশাল।
An elderly Bangladeshi man with a baby Enter in India From
Bangladesh,Who Face oppression by Goons and extortionists
TOI Delhi 05.09.15
A little Minority girl dressing as Woman- Trying to Show up minorities are also Bangladeshi ,They Should not be treated As only Religious minority.
কমলগঞ্জ কালি মন্দিরের রাধা-কৃষ্ণের মূর্তি চুরি
Monday, September 28, 2015 thebdtimes24.com
প্রায় ২শ বছরের পুরাতন কমলগঞ্জ পৌর এলাকার পানিশালা গ্রামে অবস্থিত ওই কালি মন্দিরের তালা ভেঙ্গে রোববার দিবাগত রাতের কোন এক সময়ে সংঘবদ্ধ চোরদল কালি দেবীর স্বর্ণের স্বর্ণালংকার, ২টি রাধা-কৃষ্ণের পিতলের মূর্তি, শীবের শাথার চুড়া, পিতলের ছোট-বড় ৬টি থালা, পিতলের ঘন্টা, পিতলের ধুপদানি, পিতলের ঝান্স, দুই জোড়া করতাল ও দক্ষিদার দান বাক্সের নগদ ৭-৮শ টাকাসহ প্রায় দেড় লাখ টাকার মালামাল চুরি করে নিয়ে যায় বলে কালি মন্দিরের মালিক নিলমণি চক্রবর্তী জানান।
ঘটনার খবর পেয়ে সোমবার সকাল ৯টায় কমলগঞ্জ থানার উপ-পুলিশ পরিদর্শক ফরিদ মিয়ার নেতৃত্বে একদল পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। চুরির ঘটনায় সনাতন ধমীর্য় লোকদেরমধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।
পিরোজপুরে হিন্দুদের ওপর নির্যাতন: রাতে পাহারা দিয়ে ঘুমাতে হয় তাদের
09.09.2015 eibela.com
স্বাধীনতা আন্দোলন, প্রগতিশীল আন্দোলনসহ সব অসাম্প্রদায়িক ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনে যে অঞ্চলের মানুষের অবদান সবচেয়ে বেশি, বিশেষ করে মহান মুক্তিযুদ্ধে যে এলাকার হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর বেশি অত্যাচার হয়েছে সেই অঞ্চল পিরোজপুরের জেলার নাজিরপুরে জাতিগত সংখ্যালঘুদের ওপর নির্যাতন ও হয়রানি অব্যাহত রয়েছে। যে অঞ্চলের মানুষের ভোটে নৌকা প্রতীকধারী প্রার্থীরা যুগ যুগ ধরে নির্বাচিত হচ্ছেন সেই অঞ্চলের আওয়ামী লীগের কতিপয় নেতাকর্মীর অত্যাচার ও হয়রানিতে অসংখ্য হিন্দু পরিবার তাদের বাড়িঘর ছেড়ে ভারতে পাড়ি জমিয়েছে। এখনও যারা আছেন, তাদের ওপর নিত্য নেমে আসছে অত্যাচার আর নির্যাতনের খড়গ। হিন্দু অধ্যুষিত এলাকা হিসেবে পরিচিত নাজিরপুরে শতাধিক হিন্দু পরিবারের জমি জবরদখল ও দেশ থেকে চলে যাওয়ার হুমকিতে রাতে বাড়িতে থাকতে পারছেন না অসংখ্য হিন্দু পরিবার। সম্প্রতি পিরোজপুর ও নাজিরপুরে ৩টি সংবাদ সম্মেলনে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিরা ও একটি বেসরকারি সংস্থার কর্মকর্তরা এ অভিযোগ করেছেন।সংবাদ সম্মেলন থেকে হিন্দু সম্প্রদায়ের জানমালের নিরাপত্তা চাওয়া হয়েছে সরকারের কাছে। গত শুক্রবার বিকেলে নাজিরপুর প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে উপজেলার সদর ইউনিয়নের কাঁঠালিয়া গ্রামের ক্ষতিগ্রস্ত শতাধিক হিন্দু পরিবারের সদস্য উপস্থিত হয়ে সদর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও দলিল লেখক সমিতির উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মো. শাহাদাৎ হোসেন খানের বিরুদ্ধে অত্যাচারের অভিযোগ করেন। এ শাহাদাৎ বাহিনীর বিরুদ্ধে জমি জবরদখল ও দখলের চেষ্টাসহ মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগ করেন তারা।
এ বাহিনীর অত্যাচারে অনেকেই পিতৃভিটা ছেড়ে ইতোমধ্যে ভারতে পাড়ি দিয়েছেন। এছাড়া তাদের ভয়ে অনেকে রাতে বাড়িতে থাকতে পারছেন না বলেও এ সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়।নির্যাতিত সংখ্যালঘুদের পক্ষে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন কাঁঠালিয়া গ্রামের সুখরঞ্জন ডাকুয়ার ছেলে সুজন ডাকুয়া। এ সময়উপস্থিত ছিলেন ওই গ্রামের বাসিন্দা কৃষ্ণ দাস হালদার, গজেন্দ্র নাথ গাইন, তরুণ মলি্লক, কালু ঋষি, সুভাস গাইন, সুখরঞ্জন ডাকুয়া, পান্না বিশ্বাস, বিবেক বৈরাগী, সুমন গাইন, রামকৃষ্ণ গাইন, শঙ্কর তরুয়া, রবিন্দ্র নাথ ডাকুয়া ও অমিয় ডাকুয়াসহ শতাধিক হিন্দু পরিবারের সদস্য।লিখিত বক্তব্যে সুজন ডাকুয়া বলেন, শাহাদাৎ হোসেন খান ও তার সন্ত্রাসী বাহিনীর অত্যাচারে কাঠালিয়া গ্রামের শতাধিক সংখ্যালঘু পরিবার অতিষ্ঠ।
সে আমার মালিকানাধীন ভোগদখলীয় ৬৬ শতক সম্পত্তি বাগান-বাড়ি অবৈধভাবে দখল করার পাঁয়তারা করে আসছে। চলতি বছরের ৩০ জুলাই তার সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে অবৈধভাবে ওই সম্পত্তি দখল করে নেয়ার চেষ্টা করে এবং জাল জালিয়াতির মাধ্যমে কাগজপত্র তৈরি করে ওই সম্পত্তির মালিকানা দাবি করেন। তাছাড়া বিভিন্ন লোক দিয়ে আমার পরিবারের লোকজনদের বিরুদ্ধে ৪টি মামলা দিয়ে হয়রানি করে আসছে। বর্তমানে সে নিজে এবং তার লোকজন আমাকে বাংলাদেশ ছোড়েয় ভারতে চলে যাওয়ার জন্য হুমকি দিচ্ছে। আমি ভারতে না গেলে আমাকে জীবনে শেষ করার হুমকি দিয়েছে। তার হুমকির ভয়ে অনেকে তাদের সম্পত্তি খুব কম মূল্যে বিক্রি করে এ দেশ ছেড়ে ভারতে চলে গিয়েছে। যাদের মধ্যে নিত্যনন্দ গাইন ও মৃনাল হালদার উল্লেখযোগ্য। এছাড়া শাহাদাৎ হোসেনসহ তার সন্ত্রাসী বাহিনীর ভয়ে আমাদের গ্রামের অনেকে সংখ্যালঘু পরিবার পালিয়ে বেড়াচ্ছেন বলে সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়। অবশ্য সংবাদ সম্মেলনের এ অভিযোগ অসত্য ও বানোয়াট বলে দাবি করেন অভিযুক্ত শাহাদাৎ হোসেন খান। উপজেলার শেখমাটিয়া ইউনিয়নের রামভদ্রা গ্রামের দুই সহোদর সুব্রত চট্টোপাধ্যায় ও বাসুদেব চট্টোপাধ্যায় গত ২৬ জুলাই পিরোজপুর প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তাদের ভোগদখলীয় সম্পত্তি গ্রাস এবং তাদের ওপর হামলার অভিযোগ করেন উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি আ. মালেক বেপারীর বিরুদ্ধে। তারা সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে অভিযোগ করেন, সরকারদলীয় এ প্রভাবশালী নেতা ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে তাদের আপত্তি দেয়া প্রায় ৩৫ একর অর্পিত সম্পত্তি লিজ নিয়েছেন এবং বসতভিটা থেকে উচ্ছেদ করার জন্যও উঠেপড়ে লেগেছেন। এ বিষয়ে প্রতিবাদ করলে আওয়ামী লীগ নেতা মালেক বেপারী ক্যাডার বাহিনি দিয়ে মুক্তিযোদ্ধা সুব্রত চট্টোপাধ্যায়ের ভাই বাসুদেব চট্টোপাধ্যায়কে কুপিয়ে মারাত্মক জখম করে। এছাড়া একের পর এক মিথ্যা মামলা দিয়ে তাদেরকে তাদেরকে হয়রানি করছেন। এসব অভিযোগের ব্যাপারে উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি আ. মালেক বেপারীর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি বৈধভাবে উক্ত অর্পিত সম্পত্তি লিজ নিয়েছি এবং আমি বা আমার কোন লোক তাদের ওপর হামলা করেনি। ওই দুই ভাইর অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা।এছাড়া মানবাধিকার সংস্থা শারি এবং দলিত ও মাইনরিটি হিউম্যান রাইটস ডিফেন্ডার ফোরাম নামের দুটি সংগঠনের কর্মকর্তারা গত ১০ ফেব্রুয়ারী পিরোজপুর প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে নাজিরপুরে সংখ্যালঘুদের ওপর নির্যাতন, জমি দখল ও দেশ থেকে ভারতে চলে যাওয়ার তথ্য উপস্থাপন করেছেন। ওই সংঘঠনের কর্মকর্তারা প্রত্যন্ত এলাকা ঘুরে সংগৃহীত তথ্য ও সাম্প্রতিককালে বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় প্রকাশিত খবরের ওপর ভিত্তি করে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন শারি'র ডেপুটি কো-অর্ডিনেটর রঞ্জন বকসী নুপু। সংবাদ সম্মেলনে উত্থাপিত প্রতিবেদলে উল্লেখ করা হয় যে, জেলার নাজিরপুর উপজেলার মাটিভাঙ্গা ইউনিয়নের বানিয়ারী গ্রামে ৩২টি হিন্দু পরিবার তাদের বাড়িঘর ছেড়ে ভারতে পাড়ি জমিয়েছে। এখনও যারা আছে, তাদের ওপর নিত্য নেমে আসছে অত্যাচার আর নির্যাতনের খড়গ। ওই গ্রামের খগেন, রসিক, ক্ষিতীশ, মৃণাল ও সঞ্জিবের পরিবার এখন কোথায় আছে তার তারা কেউ বলতে পারেনি। ওই এলাকায় এখনও যারা আছেন তারা রাতের বেলায় অনেকটা পাহাড়া দিয়ে ঘুমোয়।
এইবেলা ডটকম
গৌরনদীতে ভয়ে রাত জেগে গ্রাম পাহারা দিচ্ছে সংখ্যালঘু এলাকাবাসী
20/09/2015
http://www.amardeshonline.com/
গত এক মাসে বরিশালের গৌরনদী উপজেলা বার্থী ইউনিয়নের সংখ্যালঘু হিন্দু ও খ্রীষ্টান অধ্যুষিত বাঙ্গীলা গ্রামের বেশ কয়েকটি বসতগৃহে অজ্ঞান পার্টির দুর্বৃত্তরা হানা দেয়ায় দুর্বৃত্তদের ভয়ে এখন ওই এলাকাবাসী রাত জেগে তাদের গ্রাম পাহারা দিচ্ছে। জানা গেছে, গত এক মাসে ওই গ্রামের বেশ কয়েকটি বসতগৃহের ভেতরে গভীর রাতে চেতনা নাশক বিষাক্ত পয়জন স্প্রে করে পরিবারের সবাই অচেতন করে তাদের সর্বস্ব লুট করে নিয়ে গেছে অজ্ঞান পার্টির দুর্বৃত্তরা। এ ছাড়া প্রায় প্রতিদিনই গভীর রাতে অজ্ঞান পার্টির দুর্বৃত্তের দল ওই গ্রামের কোন না কোন গৃহে হানা দিচ্ছে, ফলে গ্রামবাসীর মধ্যে চরম আতংক ছড়িয়ে পড়েছে। এ থেকে রক্ষা পেতে এলাকাবাসী গত বৃহস্পতিবার থেকে রাত জেগে তাদের গ্রাম পাহাড়া দিচ্ছেন। বাঙ্গীলা গ্রামের বাসিন্ধা ও উপজেলার রামসিদ্ধি বাজারের ব্যবসায়ী লক্ষন কুন্ড জানান, অজ্ঞান পার্টির দুর্বৃত্তরা গত ৯ আগষ্ট গভীর রাতে তার বসত ঘরের টিনের বেড়া কেটে বিষাক্ত পয়জন স্প্রে করে তাকেসহ পরিবারের সবাইকে অজ্ঞান করে নগদ ২০ হাজার টাকা, ২ভড়ি স্বর্নলংকার, ২টি মোবাইল ফোনসহ ২ লক্ষাধিক টাকার মালামাল লুট করে নিয়ে যায়। একই গ্রামের রনজিত নন্দী জানান, এর কিছু দিন পূর্বে একই পদ্ধতিতে অজ্ঞান পার্টির দুর্বৃত্তরা তার পরিবার ও পার্শ্ববতি আরো ২টি পরিবারের সদস্যদের অচেতন করে তাদের সবর্স্ব লুট করে নিয়ে যায়। এ ছাড়া ওই গ্রামের স্বপন দাস, অলিল মোল্ল¬া ও মিহির দাসের বসত ঘরের বেড়া গভীর রাতে রড দিয়ে খুলে ফেলে অজ্ঞান পার্টির দুর্বৃত্তরা। এ সময় টের পেয়ে তাদের পরিবারের লোকজন ডাকচিৎকার দিলে লোহার রড ফেলে দুর্বৃত্তের দল পালিয়ে যায়। এ রকম ধারাবাহিক ভাবে প্রায় প্রতি রাতেই ওই গ্রামের কোন না কোন বসতগৃহে দুর্বৃত্তদের হানার ঘটনা ঘটতে থাকায় ওই গ্রামবাসী চরম নিরাপত্তাহীন ও আতংকগ্রস্থ হয়ে পড়ে। বার্থী ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডের সদস্য খান নজরুল ইসলাম লাভলু জানান, তার ওয়ার্ডের আওতাধীন সংখ্যালঘু অধ্যুষিত বাঙ্গীলা গ্রামে অজ্ঞান পার্টির দৌড়াতœ বেড়ে যাওয়ায় সংখ্যালঘু পরিবারগুলোর মাঝে চরম আতংক দেখা দিয়েছে। এর ফলে এ অবস্থা থেকে এলাকাবাসীদের রক্ষায় গত বৃহস্পতিবার গ্রামজুড়ে মাইকিং করে এলাকাবাসীদের নিয়ে তিনি একটি সভা করেন। সভায় সিদ্ধান্ত হয় এলাকায় পাহারা বসানোর। এরপর প্রতি ঘর থেকে একজন করে সদস্য নিয়ে পাহাড়ার ব্যবস্থা করা হয়। পাহাড়াদার তাপস মন্ডল, শাহজালাল সরদার, উত্তম নন্দী জানান, তারা নিজেদের নিরাপত্তার জন্য রাত জেগে গ্রাম পাহাড়া দিচ্ছেন। স্থানীয় বিএনপি নেতা ও সাবেক ইউপি সদস্য আবুল কালাম খান জানান, বাঙ্গীলা গ্রামে অন্তত ৬০টি হিন্দু পরিবার রয়েছে। তাদের নিরাপত্তার জন্য ওখানে পুলিশি পাহাড়া প্রয়োজন। এ ব্যাপারে তিনি স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করেন। গৌরনদী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ আলাউদ্দিন মিলন জানান, ঘটনার পর তার উদ্যোগে কমিউনিটি পুলিশিং এর স্থানীয় কমিটির সদস্য ও এলাকাবাসীদের নিয়ে একটি সভা করে ওই গ্রামে রাতে পাহারার ব্যবস্থা করা হয়।
হিন্দু পরিবারের জমি দখলে আওয়ামীলীগ ঃ -
----------------------
ডঃ জি সি দেব এর বাড়ির দখল
সেই দম্পতির বিরুদ্ধে ধর্ম অবমাননার মামলা _ Banglamail24
নাজিরপুরে হিন্দুদের জমি দখলের চেষ্টা আওয়ামী লীগ নেতার--
সংখ্যালঘু ছাত্রী কে যৌন হয়রানী,প্রতিবাদ করায় মহিলা সহ ১২ জন সংখ্যালঘু আহত ,বাদ যায় নি অন্তঃসত্ত্বা-
রানা দাশগুপ্ত সহ তিনজনকে প্রাণনাশের হুমকি _ Last News BD
ফরিদপুরের দিকে নজর দেবেন না, রানা দাশগুপ্তকে - স্থানীয় সরকারমন্ত্রী
বিয়ানীবাজারে মনদিরের কোটি টাকার জায়গা দখল জায়গা উদধার না করলে সারা দেশে আনদোলন ঘোষনা-
প্রতিমায় আগুন, যুবলীগের মূল হোতা ধরা ছোঁয়ার বাইরে _ -
ঢাকেশ্বরী মন্দিরের সম্পত্তি বেহাত-
হেমনগর জমিদারের সাতকাহন -৪ বেহাত রাজ শ্মশ্নানঘাট, উচ্ছেদের শিকার বেহারা পল্লীর বাসিন্দারা

হেমনগর রাজবাড়ির উত্তর পাশে ছিল বেহারা পল্লী। পনেরো-বিশ ঘর বেহারা পালকি বহনে নিয়োজিত থাকতো। জমিদার কালিচন্দ্র রায় ভারতের বিহার থেকে নিঁচু জাতের এসব হিন্দুকে হেমনগরে নিয়ে আসেন। জমিদার ছাড়াও রাজপরিবারের সদস্যরা তখন পালকিতে চড়ে গন্তব্য যেতেন। রাজবধূ অথবা রাজকণ্যারা আরোহন করলে পালকি পাতলা রেশমিতে ঢাকা থাকতো। আটদশ বেহারা পালকি টানার মিছিলে সামিল হতো। সামনে থাকতো বেহারা সর্দার। তিনি গানের সুর তুলে বলতেন, হাঁই হুঁই হুঁই কে যায়রে? পালকি কাঁধে নেয়া বেহারা উত্তরে বলতো, হাঁই হুঁই হুঁই তাইরে- রাজাবাবু যায়রে।’ বেহারারা সমস্বরে আরো গাইতো, ‘প্রজারা ছব ভাগ্যবান, রাজা বাবু দয়াবান’ ভগবান ভগবান রাজা মোদের পিয়ারবান। অথবা ‘রাছপথে মহারাজ, তুমরা ছব নিকাল যা’ ইত্যাদি। এভাবে পদবি অনুযায়ী বেহারারা গানের ছিলকি গেয়ে পালকি কাঁধে গন্তব্যে যেত। সর্দারের মুখে থাকতো লম্বা গোঁফ । পালকি বহরের আগে থাকতো গাদা বন্দুক হাতে রাজপ্রহরী। তাদের হুঙ্কারে রাজপথের আশপাশে ভিড়তে পারতোনা প্রজারা। বেহারারা মাসিক বেতন ছাড়াও বখশিস পেত। বিশেষ করে রাজপরিবারের মহিলারা দরিদ্র বেহারাদের নগদ টাকায় খুশি করতো। জমিদারের বেতন আর বখশিসে পুরুষানুক্রমে ভালোই দিন কাটছিলো বেহারাদের। কিন্তু সাতচল্লিশে দেশভাগের সময় হেমনগর জমিদার পরিবারের সদস্যরা কোলকাতা চলে যায়। পেছনে রেখে যায় রাজবাড়ি, বিপুল ভূসম্পত্তি আর বেহারা পল্লীর মত অবাঙ্গালী শতঘর পাইক, বরকন্দাজ, আলাইকর, ধোপা ও শ্রমজীবি দরিদ্র জনগোষ্ঠি। জমিদার না থাকলেও এদেশের মায়া ওই শ্রমজীবিরা ছাড়তে পারেনি। কিন্তু পাকিস্তান সৃষ্টির এক বছর না যেতেই খাসজমির অজুহাতে প্রভাবশালিরা বেহারা পল্লীর সদস্যদের ভিটে ছাড়া করে। রাজবাড়ির আশপাশে সংখ্যালঘু শ্রমজীবিদের ভয়ভীতি দেখানো হয়। অনেকে দেশত্যাগ করতে বাধ্য হয়। কিন্তু বেহারা পল্লীর সর্দার দুখিয়া ভিটে ছাড়া হলেও দেশত্যাগ করেনি। বাস্তুহারা হয়ে রাজবাড়িতে আশ্রয় নেয়। একটানা তিন দশক ওরা রাজবাড়িতেই থাকছিলো। আশির দশকে রাজবাড়িতে কলেজ স্থাপিত হলে ওদেরকে দ্বিতীয় দফা উচ্ছেদ করা হয়। ওদের স্থান হয় রাজবাড়ির পশ্চিম পাশে শিমলাপাড়া মৌজার ২০ শতাংশ খাস জমিতে। সেখানেই গাদাগাদি করে টিনের ছাপড়া ঘরে সাড়ে তিন দশক ধরে বসবাস। দুখিয়া সর্দার মারা গেলে তার পুত্র নরতন সর্দারের আমল থেকে পালকি টানার কাজ বন্ধ হয়ে যায়। এখন পালকির যুগ চলে গেছে। নরতন সর্দারের চার ছেলে সুশীল সর্দার, সুনীল সর্দার, অনীল সর্দার ও অতুল সর্দার। পৈত্রিক পেশা হারিয়ে বেকার সুশীলরা দারিদ্রতার কষাঘাতে জর্জরিত। দিনমজুরি, ফুটফরমায়েশ খাটা, গ্রাম পুলিশ অথবা নৈশপ্রহরীর কাজ করে এক বেলা খেয়ে না খেয়ে ওদের দিন চলে। অর্থাভাবে বাচ্চাদের স্কুলে পাঠানো হয়না। সরকারি সাহায্যসহযোগিতাও কখনো মিলেনা। সুশীল জানায়, দীর্ঘ দিন ধরে খাস জমিতে বাস করছি। এ জমি পত্তনি চেয়ে বহুবার কাঁচারিতে ঘুরেছি। কিন্তু ঘুষের টাকা দিতে না পারায় ভাগ্যে পত্তনি জোটেনি। সব সময় ভয়ে ভয়ে থাকি। কখন না জানি আবার আমাদেরকে এ খাস জমি থেকে উচ্ছেদ করা হয়। এখান থেকে উচ্ছেদ হলে আমাদের আর যাওয়ার জায়গা থাকবেনা। সুনীল জানায়, এ সরকারের আমলে হেমনগর ইউনিয়নে দুই-দুইবার আশ্রয়ন প্রকল্প হলো। কথা ছিল আমাদের পাড়ার খাস জমিতে আশ্রয়ন প্রকল্প হবে। কিন্তু আমাদের কপাল মন্দ। এখানে না হয়ে অন্যগ্রামে হলো সেটি। -

অপরদিকে হেমনগর রাজবাড়ি থেকে দেড়শ গজ দূরের রাজশ্মশান ঘাট বেদখল হয়ে যাচ্ছে। হেমনগর জমিদার পরিবারের সদস্যদের অন্তেষ্টিক্রিয়া সম্পনের জন্য দেড় একর জমির উপর স্থাপন করা হয়েছিল এ শ্মশানঘাট। জবরদখলকারিরা এ শ্মশানঘাটের প্রায় পুরো জমি জবরদখলে নিয়েছে। পুকুর পাড়ের মাত্র দেড়দুই শতাংশ জমি এখন শ্মশানঘাট হিসাবে ব্যবহৃত হয়। শ্মশানঘাটে যাওয়ার সড়ক জুড়ে বাড়িঘর উঠায় দাহের জন্য শব নিয়ে যাওয়া দুস্কর হয়ে পড়ে জানান সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের অতুল চন্দ্র। -
See more at: http://www.gopalpurbarta24.com
Durgapuja is under crisis in Sarankhola ,Bagerhat-Hindus are afraid of Islamic terrorist groups-
নড়াইলের নড়াগাতি মনসা দেবীর মূর্তি ভাংচুর
শুক্রবার ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৫ http://www.bangladeshpress.com/
উজ্জ্বল রায়, নড়াইল || নড়াইলের কালিয়া উপজেলার নড়াগাতি থানার ঘোষিবাড়িয়া গ্রামের একটি মন্দিরের মনসা দেবীর মূর্তি ভেঙে ফেলা হয়েছে। গতকাল রাত ১১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। জানাগেছে,প্রশাসনের চাপের মুখে স্থানীয় বাসিন্দারা বিসর্জনের ক্রীয়াকর্ম না করেই তড়িঘড়ি করে মূর্তির বাকি অংশটুকু পাশের মধুমতি নদীতে বিসর্জন দেওয়া হয়। এ ঘটনায় স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে। গত বছরও একই মন্দির থেকে মনসা দেবীর মূর্তি ভাংচুর করা হয়েছিল। । বিস্তারিত উজ্জ্বল রায়ের রিপোটে ঘোষিবাড়িয়া গ্রামের মৃত স্বপন সাহার স্ত্রী মৃদুলা সাহা বলেন,বুধবার রাতে বাড়ির পাশেই একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠান চলছিল। আমরা খাওয়া-দাওয়া সেরে শুয়ে পড়েছি। রাত ১১টার দিকে বিদ্যুৎ চলে যায়। ওই অনুষ্ঠান থেকে প্রতিবেশিরা এ পথেই বাড়ি ফিরছিলো। মন্দিরে তারা মনসা দেবীর মূর্তির মাথা কেটে ফেলা দেখে ঘুম থেকে আমাদের ডেকে তোলে। ভূবন সাহার স্ত্রী গৌরি রানী সাহা বলেন,গত বছরও ঠিক এ সময়ে দেবীর মূর্তি ভেঙে ফেলা হয়েছিল। এবারও তাই করা হলো। তিনি বলেন,মূর্তি বানানোর টাকা দেওয়া হবে এ কথা বলে পুলিশ মূর্তির বাকি অংশটুকু নদীতে ফেলে দিতে বলে। বিসর্জনের ক্রীয়াকর্ম না করেই দেবীকে বিসর্জন দিতে হলো।মাউলি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শান্ত স্বর্ণকার ক্ষোভের সঙ্গে বলেন,এহেন কর্মকান্ডের প্রতিকার চাই। নড়াগাতি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ আব্দুল জলিল বলেন,মূর্তি ভেঙে ফেলার কথা শুনেছি।থানায় অভিযোগপেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ময়মনসিংহে সংখ্যালঘু পরিবারের জমি দখলের অভিযোগ!
২০১৫-০৯-২০
Daily Inqilab
২০১৫-০৯-২০
Daily Inqilab
ময়মনসিংহ আঞ্চলিক অফিস : ময়মনসিংহের তারাকান্দা উপজেলার হরিয়াগাই বাজারে একটি সংখ্যালঘু মুচি পরিবারের জমি দখলের অভিযোগ উঠেছে। এমনকি পরিবারটিকে ভিটে-মাটি থেকে উচ্ছেদ করতে মারধরের অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী মতিলাল, হীরালাল, জয়লাল রবিদাস, উষা রানী, বানী ও চম্পা রানী। তাদের অভিযোগ, ১৯৮১ সালের ২৫ নভেম্বর স্থানীয় আব্দুল গণির কাছ থেকে মতিলালের স্বর্গীয় পিতা গণেষ রবি দাস সাফ কাওলা দলিলমূলে সাড়ে ১৮ শতাংশ জমি ক্রয় করে। এরপর ১৯৯৭ সালে ক্রেতা গণেষ রবি দাস মারা যাবার পর থেকে ছেলেরা এ ভূমিস্বত্ব ভোগদখল করে ক্ষুদ্র ব্যবসা করে আসছে। কিন্তু সময়ের ব্যবধানে জমির মূল্য বেড়ে যাওয়ায় স্থানীয় প্রভাবশালী আশরাফ আলী ও সুরজ আলী গংরা ওই জমি নিজেদের দাবি করে সম্প্রতি সন্ত্রাসী কায়দায় জমিটি দখল নিয়ে নেয়। চম্পা রানী ও বানী জানায়, সম্প্রতি দখলকারীরা ওই জমিতে নির্মাণ কাজ করতে গেলে আমরা বাধা দিই। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে সন্ত্রাসীরা আমাদের ব্যাপক মারধর করে। মতিলাল জানায়, এ ঘটনায় থানায় মামলা হলে আসামীরা আদালত থেকে জামিনে এসে গত ১০ জুন আমাদের পরিবারের সদস্যদের ব্যাপক মারধর করে। এ ঘটনায় আমি দ্রæতবিচার আইনে মামলা দায়ের করলে আদালত থানাকে মামলাটি এফআইআর করার নির্দেশ দেয়। কিন্তু ওই প্রভাবশালী মহলের চাপে পুলিশ এখনও মামলা রেকর্ড করেনি। তবে সুরজ আলী বলেন, কাগজমূলে ৫ শতাংশ জমির মালিক আমরা।
গাইবান্ধায় সংখ্যালঘু পরিবারের জমি জবরদখল কোরে চাঁদা দাবির অভিযোগ। Aug 03;2015
সংঘবদ্ধ একটি চক্রের বিরুদ্ধে গাইবান্ধায় সংখ্যালঘু পরিবারের জমি জবরদখল কোরে চাঁদা দাবির অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি শালিস-বিচারসহ থানা-পুলিশ এবং আদালত পর্যন্ত গড়ালেও–এখনও সুরাহা হয়নি। অব্যাহত হুমকিসহ নানা প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করায়–জমি চাষাবাদ করতে পারছে না পরিবারটি। একারণে তিন বছর অনাবাদি পড়ে আছে চার একর ৭২ শতাংশ জমি।
সাঘাটা উপজেলার শিমুলতাইর গ্রামের বাসিন্দা রাজেন্দ্র প্রসাদ। বাবার কেনা জমি দীর্ঘদিন ধরেই চাষাবাদ করে আসছিলেন। কিন্তু হঠাৎ করেই স্থানীয় প্রভাবশালী শামসুল হক তার লোকজন নিয়ে চার একর ৭২ শতাংশ জমি জবরদখল করে। পরে জমি ফেরত পেতে চাঁদা দাবি করে এই চক্রটি। এদিকে জমি জবরদখলের ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে।
বেদখল হয়ে যাওয়া জমি ফিরে পেতে মামলা করাসহ দ্বারে-দ্বারে ঘুরছেন রাজেন্দ্র প্রসাদ। অথচ চাঁদাবাজ চক্রটির বিরুদ্ধে তেমন কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে না কেউই। দখলদার শামসুল আলম তার বাবার জমি দাবি করে অভিযোগ করেছেন, তার বিরুদ্ধে সাজানো চাঁদা দাবির মামলা দেয়া হয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জানালেন, জমি দখলের ঘটনায় দুটি মামলায় চার্জসীট দিয়েছেন তদন্তকারী কর্মকর্তা। এছাড়া মানবাধিকার কমিশনে মামলা করায় তার কাছে তদন্তের দায়িত্ব এসেছে।
তানোরে হিন্দু সম্প্রদায়ের জমি নিয়ে উত্তেজনা
21.09.15
http://dailysunshine-bd.com/
স্টাফ রিপোর্টার, তানোর: রাজশাহীর তানোরে এক হিন্দু সম্প্রদায় পরিবারের জায়গা প্রতিপক্ষের লোকজন জবর-দখল করার চেষ্টা করছে। এনিয়ে উত্তেজনা বিরাজ করছে। ঘটনাটি ঘটেছে তানোর উপজেলার কামারগাঁ ইউনিয়নের মিজাপুর হিন্দুপাড়ায়। আদালত দিলীপ কুমার মন্ডলের পক্ষে রায় দিয়েছে। তারপরও প্রতিপক্ষের লোকজন দিলীপদের জায়গা দখল করার পাইতারাসহ তাদের ভয়-ভিতি দেখাচ্ছে বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে।
রোববার সরজমিনে ঘটনা স্থলে গিয়ে জানা গেছে, রঘুনাথপুর মৌজার জেএল নং ১৮৫, খতিয়ান নং সিএস ২০১ দাগ নং হাল ৭৮, পুকুর ও পাড় ৩৫ শতক জায়গা রেকর্ড মূলে মিজাপুর হিন্দুপাড়া গ্রামের দিলীপের বাবা সত্যেন্দ্র নাথের নামে রেকর্ড রয়েছে। সেই জায়গা প্রতিপক্ষের নেতারা দখলের চেষ্টা চালাচ্ছে। এনিয়ে চলতে উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে।
দিলীপ কুমার বলেন, আমার বাবা গত ৬ বছর আগে মারা যায়। বাবা মারা যাবার পর আমরা এতিম হয়ে গেছি। আমাদের ইউনিয়নের ১ নং ওয়াডের কৃষক লীগের সভাপতি ইয়াদ আলী। সরকার দলের নেতা বলে সেসহ কয়েকজন নেতা আমাদের উপর ক্ষমতার জোরে ভয়-ভিতি দেখিয়ে আসছে। ইয়াদ আলীর পক্ষের লোক আহম্মদ আলী বাদী হয়ে হাই কোটে মামলা করেছিল। কোট আমাদের পক্ষে রায় দিযেছে। আমাদের জায়গা জোরপুর্বক তাদের দখলে নেবার চেষ্টা চালাচ্ছে। প্রতিনিয়ত বিভিন্ন ভাবে হুমকি দিচ্ছে।
আমাদের জায়গা দখল নিয়ে বড় ধরণের কিছুৃ ঘটাতে পারে তারা। বিষয়টি নিয়ে ইয়াদ আলীর সঙ্গে যোগাযোগ করে তাকে পাওয়া যায়নি। কামারগাঁ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোসলেম উদ্দীন বলেন, বিষয়টি আমি জানি। কোন ঝামেলা না হয় সে দিকে নজর দিতে হবে।
তানোর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আনোয়ার হোসেন বলেন, হিন্দু সম্প্রদায়ের লোক জনদের কেউ ভয় ভিতি দেখালে থানায় অভিযোগ করুক। প্রয়োজনিয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।
রোববার সরজমিনে ঘটনা স্থলে গিয়ে জানা গেছে, রঘুনাথপুর মৌজার জেএল নং ১৮৫, খতিয়ান নং সিএস ২০১ দাগ নং হাল ৭৮, পুকুর ও পাড় ৩৫ শতক জায়গা রেকর্ড মূলে মিজাপুর হিন্দুপাড়া গ্রামের দিলীপের বাবা সত্যেন্দ্র নাথের নামে রেকর্ড রয়েছে। সেই জায়গা প্রতিপক্ষের নেতারা দখলের চেষ্টা চালাচ্ছে। এনিয়ে চলতে উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে।
দিলীপ কুমার বলেন, আমার বাবা গত ৬ বছর আগে মারা যায়। বাবা মারা যাবার পর আমরা এতিম হয়ে গেছি। আমাদের ইউনিয়নের ১ নং ওয়াডের কৃষক লীগের সভাপতি ইয়াদ আলী। সরকার দলের নেতা বলে সেসহ কয়েকজন নেতা আমাদের উপর ক্ষমতার জোরে ভয়-ভিতি দেখিয়ে আসছে। ইয়াদ আলীর পক্ষের লোক আহম্মদ আলী বাদী হয়ে হাই কোটে মামলা করেছিল। কোট আমাদের পক্ষে রায় দিযেছে। আমাদের জায়গা জোরপুর্বক তাদের দখলে নেবার চেষ্টা চালাচ্ছে। প্রতিনিয়ত বিভিন্ন ভাবে হুমকি দিচ্ছে।
আমাদের জায়গা দখল নিয়ে বড় ধরণের কিছুৃ ঘটাতে পারে তারা। বিষয়টি নিয়ে ইয়াদ আলীর সঙ্গে যোগাযোগ করে তাকে পাওয়া যায়নি। কামারগাঁ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোসলেম উদ্দীন বলেন, বিষয়টি আমি জানি। কোন ঝামেলা না হয় সে দিকে নজর দিতে হবে।
তানোর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আনোয়ার হোসেন বলেন, হিন্দু সম্প্রদায়ের লোক জনদের কেউ ভয় ভিতি দেখালে থানায় অভিযোগ করুক। প্রয়োজনিয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।
Subscribe to:
Posts (Atom)













































