Monday, January 11, 2016

Regarding us -Nikhil Banga Nagarik Sangha


Nikhil Banga Nagarik Sangha.

An Overview About Us

Nikhil Banga Nagarik Sangha started its arduous journey on November 23, 1977 in Kolkata and with the blessings of a large number of people along with men of letters. Its initial years witnessed the presence of several people with gifted talents including globally acclaimed historian Dr. Ramesh Chandra Mazumdar, Sri Niharendu Dutta Majumdar (well-known barrister and also comrade of Netaji Subhas Chandra Bose), Sri Sri Argavansha Mahathera (Buddhist Chakma spiritual leader) and they literally glittered in the advisory board of NBNS. Apart from this NBNS was fortunate enough to have Sri Amitabha Ghosh (retired Accountant General of Bihar) and Sri Pramatha Ranjan Tagore (secretary general of Matua Sangha) as its framers. Leaders of the organization included Sri Subrata Chatterjee (engineer), Dr. Kalidas Baidya and Sri Birendranath Biswas (professor).  

The sole aim of Nikhil Banga Nagarik Sangha, ever since its inception, has been to fortify public opinion against heinous religious persecution followed by expulsion of Hindu, Buddhist and Christian people from Bangladesh (erstwhile East Pakistan) and establish their human rights. To gather and build up more public opinion, the organization got engaged with organizing protest marches, demonstrations, conferences across different districts of Bengal. Thanks to these endeavors, an assortment of human rights organizations to intensify the struggle for Bangladeshi minority population has come forth. Our organization happened to be the first in the Indian state of Bengal to launch a fiery anti-Bangladeshi infiltrators struggle and left no stone unturned to expel them from the state in large numbers. The intensity of the struggle led to an unfortunate development – on January 28, 1986, two prime activists of NBNS, namely Sri Sudhanya Mallik (age 55) and Sri Prahlad Bhomik (age 35), were shot and killed by Bangladeshi Muslim infiltrators at Rasullapur under the jurisdiction of police station of Chakdaha in the district of Nadia.


At present, all of aforesaid stalwart individuals except Sri Amitabha Ghosh have passed away. We do proudly assert ourselves as the worthy inheritor these ancestors. We are swollen with pride for them and do remember them at every hour. We look for moral support and assistance from every humane individual.   
Some Section Image about Nikhil Banga Nagarik Sangha-























 ]





Open Voice of Nikhil Banga Nagarik Sangha to all ...



Sunday, January 3, 2016

Outcry -JAN 2016 Section by Nikhil Banga Nagarik Sangha



বাকেরগঞ্জের কবাইতে সন্ত্রাসীদের কাছে জিম্মি এক সংখ্যালঘু পরিবার, তদন্তে গিয়ে হামলার শিকার মানবাধিকার সংস্থা বি.ডি.এম.ডব্লিউ এর প্রতিনিধি দল।

Saturday, January 2, 2016
বাকেরগঞ্জের উত্তর কবাই গ্রামে সন্ত্রাসীদের হাতে জিম্মি হয়ে পড়েছে একটি পরিবার। গত এক যুগের বেশি সময় ধরে হামলা, অপহরণ, ভাংচুর, অগ্নিসংযোগ, শ্লীতাহানি, মারধর, ফসলসহ নানা মালামাল চুরি করে সন্ত্রাসীরা। নারী প্রধান পরিবারটির উপর নানা অত্যাচার করে এলাকা ছাড়া করার পর কয়েক পুরুষ ধরে উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া কয়েক একর জমি দখলের চেষ্টা করছে সন্ত্রাসীরা। পুলিশী ও রাজনৈতিক প্রভাবে ক্ষমাতাবান সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে আইনের শরনাপন্ন হয়েও রক্ষা পাচ্ছে না পরিবারটি। এলাকা ছাড়া করার সন্ত্রাসীদের অব্যাহত চেষ্টায় পরিবারের সকলে প্রান হারানোর শংকায়ও রয়েছে। গতকাল বুধবার দি বিডি টাইমস টুয়েন্টিফোর ডট কম কে এমন কথা জানিয়ে কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন বিউটি রানী শীল।
সে জানায়, গ্রামের সাইফুল খা, ফিরোজ খা, নাদিম খা, ফরজ আলী হাওলাদার, বজলু খা, মতলেব মাঝি ও নজরুল মাঝিসহ আরো সন্ত্রাসীরা তাদের এলাকা ছাড়া করতে নানা অত্যাচার করছে। সর্বশেষ গত ১৯ ডিসেম্বর তার উপর হামলা করেছে। তাকে মারধরসহ শ্লীতাহানি ও অশ্লীল ভাষায় গালি দিয়েছে। এই ঘটনায় থানায় অভিযোগ করা হয়েছে। ঘটনা তদন্তে গিয়ে দারোগা সন্ত্রাসীদের সাথে খোসগল্প করে। এমনকি তাদের সাথে পূর্ব সখ্যতায় আপ্যায়িত হয়। এই জন্য থানার  ওসির কাছে তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা কথা বলেছে। ওসি তাদের কোন অভিযোগ অনুযোগ শুনতে চায়না। সন্ত্রাসীদের বিভিন্ন সময় হামলা, অপহরণ, ভাংচুর, শ্লীতাহানি, মারধর, ফসলসহ নানা মালামাল চুরির ঘটনায় বর্তমানে চারটি মামলা বিচারাধীন রয়েছে।
এরপরেও সন্ত্রাসীরা তাদের নানা অত্যাচার অব্যাহত রেখেছে। পুলিশ ও নেতারা তাদের পক্ষে থাকায় এলাকায় তাদের অন্যায়ের প্রতিবাদ করার কেউ সাহস  করেন না। যারা এগিয়ে এসেছিল তাদের নানা ধরনের হুমকি দিয়েছে। তাই সকলে পরিবারটিকে এড়িয়ে চলে। এমনকি কাউকে এই পরিবারের সাথে কোন ধরনের সম্পর্ক রাখতে দিচ্ছে না। এতে বিউটি রানী আশংকা জমির জন্য  তাদেরকে হত্যাসহ যেকোধরনের ক্ষতিসাধন করতে পারে সন্ত্রাসীবাহিনী। বর্তমানে এই আতংঙ্কে দিনাতিপাত করছে পরিবারটি।
উক্ত ঘটনার পরিপেক্ষিতে গত ২৯শে ডিসেম্বর ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন মানবাধিকার সংস্থা বি.ডি.এম.ডব্লিউ এর প্রেসিডেন্ট এড. রবিন্দ্র ঘোষ, সহকর্মী টিকে পান্ডেসহ প্রতিনিধিদল তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে থানায় গিয়ে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারটিকে অসহযোগিতার কথা জানতে চাইলে পুলিশেরর এডিশনাল পুলিশ সুপার ও বাকেরগঞ্জ থানার অন্যান্য পুলিশ কর্মকর্তা দ্বারা তিনি ও তার প্রতিনিধি দল শারিরীক নির্যাতনের শিকার হন বলে  দি বিডি টাইমস টুয়েন্টিফোরকে জানান।একই তারিখে ভিক্টিমকে মানবাধিকার প্রতিনিধি দল বরিশাল মেডিক্যাল কলেজের  ঙহব ঝঃড়ঢ় ঈৎরপবং পবহঃৎব(ওসিসি) তে ভর্তি করান। উক্ত ঘটনায় বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাজোটের কেন্দ্রীয় কমিটির ভারপ্রাপ্ত মহসচিব মানিক চন্দ্র সরকার অসহায় পরিবারটিকে সহযোগিতার আশ্বাসসহ পুলিশের এহেন আচরনের জন্য দুঃখ প্রকাশ করে সরকারের পক্ষ থেকে তদন্ত পূর্বক  ব্যবস্থা গ্রহন করার জোর দাবি জানান।

মধুপুরে দু’টি মন্দিরের প্রতিমা ভাংচুর

28.12.15

টাঙ্গাইলের মধুপুরে দুইটি মন্দিরের ৬টি প্রতিমা ভাংচুর করা হয়েছে। উপজেলার মির্জাবাড়ী ইউনিয়নের মির্জাবাড়ী (দড়িহাসিল) গ্রামের হিন্দু অধ্যুষিত মহল্লায় রোববার(২৭ ডিসেম্বর) গভীর রাতে ২টি মন্দিরে মোট ৬টি প্রতিমা রাতের আধারে ভাংচুর করেছে দুর্বৃত্তরা।
জানা যায়, মধুপুর পৌরসভা সংলগ্ন গ্রামে পাশাপাশি অবস্থিত শ্মশান কালী ও রক্ষা কালী মন্দিরের ২টি কালী, ২টি শিব ও ২টি শিতলী প্রতিমা রোববার(২৭ ডিসেম্বর) রাত আড়াইটার দিকে দুর্বৃত্তরা ওই প্রতিমাগুলো ভাংচুর করে।
এ ঘটনায় ওইদিনই গোপালপুর সার্কেলের সহকারি পুলিশ সুপার সহ পুলিশ প্রশাসন, উপজেলা চেয়ারম্যান আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. ছরোয়ার আলম খান আবু, উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. জাকির হোসেন সরকার ও সাংগঠনিক সম্পাদক হুমায়ুন কবির তালুকদার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায় সূত্রে জানায়, রাতের আঁধারে কে বা কারা প্রতিমাগুলো ভাংচুর করেছে। তারা আরও জানায়, শত বছরেও এখানে এ ধরনের কোন ঘটনা ঘটেনি। বিষয়টি রহস্যজনক.

কালকিনিতে হিন্দু বাড়িতে হামলা: আহত ২৫, ভাংচুর
02.01.16
মাদারীপুর জেলার কালকিনি পৌরসভা নির্বাচন শান্তিপর্ণ হলেও শুক্রবার দুপুরে পরাজিত কাউন্সিলর প্রার্থী ধর্মীয় সংখ্যালঘু হিন্দু পরিবারে হামলা চালিয়েছে। এ সময় ২০ জন আহত ও ৫টি বাড়ি ভাংচুরের ঘটনা ঘটেছে। পরে পুলিশ গিয়ে ৬ রাউন্ড শটগানের গুলি ছুড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রেণে আনে। আহতদের উপজেলা স্বাস্থ্য-কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। বর্তমানে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। 
পৌরসভার ৩ নাম্বার ওয়ার্ডে তোফাজ্জেল হোসেন দাদন কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছেন। তোফাজ্জেল হোসেন ব্যাপারী তার প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন। নির্বাচনে পরাজিত হয়ে তোফাজ্জেল হোসেন ব্যাপারীর সমর্থকরা পৌরসভার হিন্দু অধ্যুষিত এলাকা ঝুরগার খলিশাডুবি গ্রামের সনাতন সরকারের (মাস্টার) ঘরবাড়ি ভাংচুর ও লুটপাট করে। এ সময় বাধা দিতে গিয়ে লিটন ব্যাপারী, রিফাত, জহুরুল, পলি, তফাজ্জেল হোসেন দাদন, রফিক সরদার, মজিবুর রহামান, আমজাদ সরদার, মিজানুর রহমান, আকবর হোসেন, রানু, রানা, পঙ্কজ ম-ল, পলাশ ম-ল, দিপারানী সরকার, আশুতোষ সরকার, রতন ম-ল, নারায়ণ ম-ল, রিপা ও প্রতীম সরকার আহত হন। তাদের কালকিনি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। কালকিনি থানা ওসি (তদন্ত) ইদ্রিস আলী জানান, ঘটনাস্থলে গিয়ে গুলে ছুড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। বর্তমানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। অভিযোগ পেলে মামলা নেয়া হবে।



মামলা ‘গুরুত্বপূর্ণ’, খবর নাই বছরেও
10.01.16
Professor Anjali Devi [50] , Chittagong Nursing College,murder case.


চট্টগ্রাম নার্সিং কলেজের শিক্ষিকা অঞ্জলী রানী দেবী হত্যার বছর গড়ালেও ঘটনায় জড়িতরা গ্রেপ্তার হয়নি। আর মামলাটি ‘গুরুত্বপূর্ণ’ হিসেবে চিহ্নিত করা হলেও হত্যার রহস্য জানা যায়নি। এমন পরিস্থিতিতে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তার স্বামী ডা. রাজেন্দ্র চৌধুরী।
শনিবার বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে তিনি বলেন, “আমাদের সঙ্গে কারও কোনো বিরোধ না থাকার পরও এ হত্যাকাণ্ড হয়েছে। এ ঘটনার পর আরও হত্যাকাণ্ড হয়েছে; সেসব ঘটনায় খুনিরা ধরাও পড়েছে।
“অথচ এই হত্যার কোনো কিনারা হচ্ছে না। কী কারণে এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে অন্তত সেটা আমি জানতে চাই।”
রাজেন্দ্র বলেন, “হত্যাকাণ্ডের পর আমাকে টেলিফোনে হুমকিও দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি পুলিশকেও জানিয়েছিলাম।”
গত বছরের ১০ জানুয়ারি সকালে নগরীর পাঁচলাইশ থানার তেলিপট্টি লেইন এলাকায় অঞ্জলী রানীকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে আহত করে দুর্বত্তরা। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি।
ঘটনার পর পাঁচলাইশ থানার ওসি মহিউদ্দিন মাহমুদ জানিয়েছিলেন, হামলার পর অঞ্জলীর পাশে তার ব্যাগ ও মোবাইল ফোন পড়ে ছিল।
অঞ্জলী হত্যাকাণ্ডের দিন বিকালে অজ্ঞাতনামাদের আসামি করে পাঁচলাইশ থানায় মামলা করেন তার স্বামী ডা. রাজেন্দ্র। বর্তমানে মামলাটির তদন্ত করছে গোয়েন্দা পুলিশ।
হত্যাকাণ্ডটি ‘পরিকল্পিত’ এবং পেশাদার খুনিরা এতে অংশ নেয় বলে মনে করেন পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
চট্টগ্রাম নগর গোয়েন্দা পুলিশের উপ-কমিশনার (উত্তর) কুসুম দেওয়ান বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “মামলাটি আমরা গুরুত্বপূর্ণ মামলা হিসেবে নিয়েছি এবং এটিকে সবসময় প্রাধান্য দেওয়া হয়।”
নগরীতে উল্লেখযোগ্য সব হত্যাকাণ্ডের কারণ উদঘাটন ও আসামি গ্রেপ্তার করা হলেও এ মামলার অগ্রগতি নেই স্বীকার করে তিনি বলেন, “মামলাটিকে প্রাধান্য দিয়ে আমরা তদন্ত কাজ চালিয়ে যাচ্ছি।”
এদিকে অঞ্জলী হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে ঘটনার ছয় মাস পর ১৩ জুন রাতে মো. রেজা নামে পটিয়া জামেয়া আল ইসলামীয়া মাদ্রাসার সাবেক ভূ-সম্পত্তি কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে তাকে মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে রিমান্ডে নেয় পুলিশ। তিনি এখনও কারাবন্দি।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক কেশব চক্রবর্ত্তী বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “মামলাটি আমরা গুরুত্ব নিয়ে তদন্ত করছি এবং বিভিন্ন বিষয়ে মাথায় রেখে কাজ চালিয়ে যাচ্ছি।”
তবে এখনও হত্যাকাণ্ডের সুনির্দিষ্ট কারণ পাওয়া যায়নি বলে জানান তিনি।
গোয়েন্দা পুলিশের এক কর্মকর্তা বলেন, “পারিবারিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে পুলিশ তদন্ত করে সেখানে তেমন কিছু পায়নি। তবে নার্সিং কলেজে হিজাব আন্দোলনের বিষয়টি পুলিশ মাথায় রেখেছে।”
চট্টগ্রাম নার্সিং কলেজে হিজাব পরতে নিষেধ করার পর কলেজ কর্তৃপক্ষকে রেজা উকিল নোটিস পাঠিয়েছিলেন বলেও তিনি জানান।

চরফ্যাশনে সংখ্যালঘু পরিবারের ওপর হামলা, আহত ১৪

02.01.16

ভোলার চরফ্যাশন উপজেলায় সংখালঘু পরিবারের বাড়ি-ঘরে হামলা করে মহিলাসহ পাঁচজনকে কুপিয়ে জখম করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। আহতদের চরফ্যাশন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাতটায় এ ঘটনা ঘটে।
হাসপাতাল ও আহতদের সূত্রে জানা যায়, তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সুশান্তের সঙ্গে শুভংকরের হাতাহাতি হয়। শুভংকরের বাবা শংকর কর্মকার অভিযোগ করে বলেন, আওয়ামী লীগ নেতা ও সাবেক কাউন্সিলর সামছুদ্দিনের নেতৃত্বে, আমাদের বাড়িতে হামলা করে। হামলায় শুভংকরের মা রানু বালা কর্মকার, সিপ্রা রানী কর্মকার, শুভংকর কর্মকার, মিঠু কর্মর্কার ও মনির হোসেনকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে জখম করে। সিপ্রা রানী দাস অভিযোগ করে বলেন, তার শ্লীলতাহানি করা হয়েছে।
অপরদিকে বুধবার বিকাল পাঁচটায় আছলামপুর বদ্দারহাট বিএনপির শ্রমিক দলের সভায় আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা হামলা চালায়। এতে প্রায় নয়জন আহত হয়। আহতরা হলেন, জিয়া, কালু, মাইনুদ্দিন, সিরাজ, মফিজ, বাখের, মনির, জামাল, শাহাবুদ্দিন। প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত কোনো মামলা হয়নি।
চরফ্যাশন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল বাসার জানান, ঘটনা শুনেছি অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

রাজাপুরে সংখ্যালঘু পরিবারের জমি দখল ও হত্যার চেষ্টা অভিযোগ

01.01.16

ঝালকাঠির রাজাপুরের জালিয়াবাড়ি এলাকায় প্রফুল্ল হাওলাদার নামে এক সংখ্যালঘু পরিবারের জমি দখল, তাদের ওপর নির্যাতন ও হত্যার হুমকির অভিযোগ পাওয়া গেছে। শুক্রবার সকালে এ ঘটনা ঘটে।
প্রফুল্ল হাওলাদার জানান, শুক্রবার সকালে ১০-১৫ জনের একটি সন্ত্রাসী দল দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তাদের বসত বাড়িতে প্রবেশ করে। এসময় তারা বাড়ির গাছপালা কাটতে শুরু করে। এতে বাধা দিতে গেলে তার স্ত্রী কিরনবালাকে মারধর করে সন্ত্রাসীরা। এসময় বাড়ি ছেড়ে দিতে ও হত্যারও হুমকি দেয় তারা। খবর পেয়ে রাজাপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়। উপজেলা বিএনপির একজন প্রভাবশালী নেতার নেতৃত্বে সন্ত্রাসীরা এ কর্মকান্ড চালিয়েছে বলে তিনি আরো জানান।
এ ব্যাপারে প্রফুল্ল হাওলাদার রাজাপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

দেবোত্তর সম্পত্তি ৮০ ভাগেরও বেশি বেদখল09.01.16


* পারিবারিক মন্দির জাতীয় মন্দির ও প্রত্নতত্ত্ব নিদর্শনও দখলে * দখলের অভিযোগ মন্ত্রী সংসদ সদস্যের বিরুদ্ধেও* পুনরুদ্ধার মামলা চলছে ১০ হাজারের বেশি * হাইকোর্টের রায় উপেক্ষিতসেবিকা দেবনাথ


দেশের ৮০ ভাগেরও বেশি দেবোত্তর সম্পত্তি বেদখল হয়ে গেছে। এসব সম্পত্তি দখল করে গড়ে তোলা হয়েছে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান। নির্মাণ করা হচ্ছে ভবন ও রাস্তা। প্রশাসনের দুর্নীতিপরায়ণ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সহায়তায় প্রভাবশালী মহল দখল করে নিয়েছে কয়েক লাখ একর দেবোত্তর সম্পত্তি। দখল হওয়া ওই সম্পত্তির মধ্যে পারিবারিক মন্দির থেকে জাতীয় মন্দির ও প্রতœতত্ত্ব নিদর্শনও রয়েছে। আর অভিযুক্তদের তালিকা রয়েছেন ক্ষমতাসীন দলের মন্ত্রী, সংসদ সদস্যও। ভূমি পুনরুদ্ধারে একের পর এক মামলা চললেও ইতিবাচক কোন ফল আসেনি। দেবোত্তর সম্পত্তি রাষ্ট্রীয় সম্পদ হলেও এসব সম্পদ রক্ষায় কোন কার্যকর পদক্ষেপ নেই বলে অভিযোগ করেন সংশ্লিষ্ট মহল।

তারা বলছেন, ইজারা নেয়ার নাম করে নকল দলিল তৈরি ও ক্রয়-বিক্রয় করার মতো জটিল আইনি প্রক্রিয়ায় অজস্র প্রতœস্থান, ছোট-বড় মন্দির-মঠসহ কয়েক লাখ একর দেবোত্তর সম্পত্তি বেদখল হয়ে গেছে। কি পরিমাণ দেবোত্তর সম্পত্তি রয়েছে এবং বেদখল হয়ে গেছে এর কোন সঠিক পরিসংখ্যান নেই। তবে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন সারাদেশে প্রায় দশ লাখ একর দেবোত্তর সম্পত্তি রয়েছে। ঢাকার মধ্যেই রয়েছে প্রায় পাঁচশ একর জমি। কিন্তু ধর্মীয় কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে ৫০ একরেরও কম জমি। ওই সব সম্পত্তি নিয়ে প্রায় ১০ হাজার মামলা হয়েছে। এর     বেশির ভাগ মামলা হয়েছে বর্তমান সরেকারের আমলে।

দেবোত্তর সম্পত্তি বেদখল হয়ে যাওয়া কিছু চিত্র :

জাতীয় ঢাকেশ্বরী মন্দিরের ২০ বিঘা দেবোত্তর সম্পত্তির সিংহভাগই বেহাত হয়েছে। মন্দিরের সেবায়েত প্রদীপ কুমার চক্রবর্তী জানান, মন্দিরের ২০ বিঘা দেবোত্তর ভূমির মধ্যে মাত্র ৬ বিঘা ভূমি মন্দিরের দখলে আছে, বাকি ১৪ বিঘা বেহাত। বেহাত হওয়া ভূমি পুনরুদ্ধারে গত চার দশক ধরে তিনি ও মহানগর সার্বজনীন পূজা কমিটির নেতৃবৃন্দ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। কিন্তু কাঙ্খিত কোন ফল পাওয়া যায়নি।

হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম তীর্থস্থান লাঙ্গলবন্দের দেবোত্তর ৪৬ একর সম্পত্তির মধ্যে ৪০ একরই বেহাত হয়ে গেছে। লাঙ্গলবন্দ জনকল্যাণ সমিতির তথ্য মতে, ব্রহ্মামন্দির থেকে প্রেমতলা পর্যন্ত ৭ একর ৬৩ শতাংশ দখলে নিয়েছে জ্যোতি নামে এক কোম্পানি। এছাড়া, নূর মোহাম্মদ ৫১ শতাংশ, জনি ভেন্ডার ৪৩ শতাংশ, শাহ আলম তরফদার ৪৪ শতাংশ, আলী আকবর ১৬ শতাংশ এবং চরশ্রীরামপুর মৌজার ৬ একর ৬৫ শতাংশ দখল নিয়েছেন আরও ২১ জন। অন্যদিকে, স্থানীয় দালাল চক্রের মাধ্যমে আরও অন্তত ২০ একর জমি বেহাত হয়ে গেছে। ৪০ একরেরও বেশি সম্পত্তি দখল হওয়ায় বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় হাতে নেয়া ‘লাঙ্গলবন্দ উৎসব ও পর্যটন’ প্রকল্প আজও বাস্তবায়ন হয়নি।


ফরিদপুর জেলার কালীমাতা বিগ্রহের এক হাজার ৮৬৯ শতক জমি দখল করেছে স্বাস্থ্য বিভাগ। শিবমন্দির ভেঙে তৈরি করা হয়েছে জেলা কারাগারের সাক্ষাৎকার কক্ষ। জগন্নাথ বিগ্রহের ১ দশমিক ৩২ একর দেবোত্তর সম্পত্তি দখলে রেখেছেন  জেলা প্রশাসক। ব্রাহ্মসমাজ মন্দির ভেঙে গড়ে তোলা হয়েছে বালিকা বিদ্যালয় ও শহীদ মিনার। পারিবারিক শিবমন্দির দখল করে গড়ে তোলা হয়েছে আইন মহাবিদ্যালয়। পারিবারিক দুর্গামন্দিরের এক হাজার ৭২৫ শতক জমির ওপর গড়ে  তোলা হয়েছে সমবায় প্রশিক্ষণ কেন্দ্র।

কুমিল্লার প্রায় পাঁচশ বছরের ঐতিহ্যবাহী শ্রী শ্রী জগন্নাথ দেবের মন্দিরের তিনশ একর জমির মধ্যে বর্তমানে ১৫ একর জমি মন্দিরের দখলে আছে। এরপরও মন্দিরের ধর্মীয় কমপ্লেক্সের ভেতর দিয়ে যানবাহন চলাচলের রাস্তা নির্মাণ করার মধ্যদিয়ে দখলের পাঁয়তার চলছে। চলাচলের সব ধরনের সুবিধা থাকা সত্ত্বেও কুমিল্লা সিটি করপোরেশন পরিচালিত জাইকা প্রজেক্ট মন্দিরের ভেতর দিয়ে এই রাস্তা নির্মাণ করা বা অন্য রাস্তার সঙ্গে সংযোগকারী রাস্তা তৈরি করার নামে মন্দিরের জায়গা দখল করার চেষ্টা চালাচ্ছে বলে অভিযোগ আছে।

ঢাকার রমনা কালী মন্দির, সিদ্ধেশ্বরী মন্দির, ওয়ারী শিব মন্দির, বানিয়ানগর সীতানাথ মন্দির, টিপু সুলতান রোডে শঙ্খ নিধি বিষ্ণু মন্দিরের জায়গা বেদখল হয়ে গেছে। দেবোত্তর সম্পত্তি দখল করে নির্মাণ করা হচ্ছে ভবন, মার্কেট, কারখানা। পাবনার অনুকূল ঠাকুরের আশ্রমের জায়গায় পাগলা গারদ, পোস্তগোলা শ্মশানের জায়গায় স্টিলমিল, দেবোত্তর সম্পত্তিতে মনি-সিংহ ফরহাদ ট্রাস্ট ভবন, সেনাকল্যাণ ভবনের পাশে দেবোত্তর সম্পত্তিতে গড়ে তেলা হয়েছে ফার্নিচার মার্কেট। সংশ্লিষ্টরা বলছেন; এগুলো সারাদেশে বেদখল হয়ে যাওয়া সম্পত্তি গ্রাস এবং বেহাত হওয়ায় খণ্ড চিত্র মাত্র।


দেবোত্তর সম্পত্তি কি?

হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট সূত্রে জানা যায়; মন্দির নির্মাণ করে তাতে দেবীমূর্তি প্রতিষ্ঠা করাসহ সেখানে নিয়মিত পূজা-অর্চনা করা হয়। এসব ধর্মীয় অনুষ্ঠানাদিতে যে ব্যয় হয় তা নির্বাহের জন্য যেসব সম্পত্তি দান করা হয় তা সাধারণত দেবোত্তর সম্পত্তি নামে পরিচিত। প্রতœতত্ত্ববিদদের মতে, দেশের প্রতœতাত্ত্বিক নিদর্শন, মন্দির-মঠের বেশিরভাগই দেবোত্তর সম্পত্তি বা অর্পিত সম্পত্তি অথবা সরকারি খাস জমি।

যা বলছেন বিশিষ্টজনেরা

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দেবোত্তর সম্পত্তি বেদখল হলে প্রতিকারের জন্য সেবাইতকে আদালতে যেতে হয়। জেলা প্রশাসকরা স্ব-স্ব জেলার দেবোত্তর সম্পত্তি সংরক্ষণ ও উন্নয়ন করে থাকে। কমিটির সভাপতি ও প্রকল্পের সহকারী পরিচালকরা এখানে দায়িত্বে নিয়োজিত থাকেন। এ বিষয়ে পুলিশ ও ম্যাজিস্ট্রেট না থাকায় বেদখল হয়ে যাওয়া দেবোত্তর সম্পত্তি পুনরুদ্ধারে কোন সাহায্য পাওয়া যাচ্ছে না। তাছাড়া ট্রাস্টিরাও এ ব্যাপারে কোন সাহায্য করছে না বলেও অভিযোগ করেন।

সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে প্রধান বিচারপতি এসকে সিনহা জানান, দেবোত্তর সম্পত্তি পুনরুদ্ধারে কাজ চলছে।

সংসদ সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত  বলেন, ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের সম্পত্তি ও দেবোত্তর সম্পত্তি নিয়ে আমলাদের সঙ্গে সরকারের কামলারাও নানা চক্রান্ত ও ষড়যন্ত্রে লিপ্ত।

মঠ-মন্দির এবং দেবোত্তর সম্পত্তি রক্ষা ও পুনরুদ্ধার জাতীয় কমিটির আহ্বায়ক এবং আন্তর্জাতিক কৃষ্ণভবনামৃত সংঘ (ইস্কন) বাংলাদেশ’র সভাপতি সত্য রঞ্জন বাড়ৈ সংবাদকে বলেন, আমরা মনে করি দেবোত্তর সম্পত্তি হচ্ছে দেবতার সম্পত্তি। এ সম্পত্তির আসল মালিক হলো দেবতা। হাইকোর্টের রুল আছে যে, দেবোত্তর সম্পত্তি কোনভাবেই দখল করা যাবে না, হস্তান্তর এবং বিক্রি করা যাবে না। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত এটাই সত্য যে, আমাদের দেশে যত দেবোত্তর সম্পত্তি আছে এর ৭৫ ভাগ সম্পত্তিই বেদখল হয়ে যাচ্ছে। বেশির ভাগই অর্পিত সম্পত্তির তালিকাভুক্ত হয়ে আছে। আইন এবং আইন ভঙ্গের বিষয়টির সঙ্গে সরকারের একটি অসাধু চক্র জড়িত আছে। এজন্যই দেবোত্তর সম্পত্তি প্রতিনিয়ত বেদখল হয়ে যাচ্ছে।
দখল হয়ে যাওয়া রমনা কালী মন্দির প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আটশ বছরের পুরাতন এই মন্দিরের রেকর্ডে দেবোত্তর সম্পত্তির বদলে তা সরকারের খাস খাতিয়ানভুক্ত করা হয়েছে। গত বছর জন্মষ্টমীতে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে স্থায়ীভাবে রমনা কালী মন্দির নির্মাণের দাবি জানিয়েছিলাম। প্রধানমন্ত্রী মৌখিকভাবে আমাদের অনুমতি দিয়েছেন। কিন্তু আমলারা বিষয়টিকে গ্রাহ্য করছেন না। কুমিল্লার জগন্নাথ দেবের মন্দিরের ভেতর দিয়ে সিটি করপোরেশন পরিচালিত জাইকা প্রজেক্ট যে রাস্তা নির্মাণের কাজ করছে এর বিরুদ্ধে হাইকোর্টে রিট করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি কাজল দেবনাথ সংবাদকে বলেন, দেবোত্তর সম্পত্তি রক্ষার দায়িত্ব সরকারের। দেবোত্তর সম্পত্তি দখলমুক্ত রাখার জন্য আন্দোলন করলেও আমরা সেভাবে সমাধান পাইনি। তাই দেবোত্তর সম্পত্তির পরিমাণ ও দখল হয়ে যাওয়া সম্পত্তির পরিমাণের তালিকা করা সম্ভব হচ্ছে না।

গত বছর ২৬ আগস্ট আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন ১৪ দল নেতাদের সঙ্গে হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের এক বৈঠকে ‘সংখ্যালঘু সেল’ গঠনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। সারাদেশে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের বাড়ি-ঘর, দেবোত্তর সম্পত্তি, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান দখলের প্রতিকারে এই সেল কাজ করবে বলে জানায় ১৪ দল। সম্পত্তি দখলের কোন অভিযোগ পেলে তা তদন্তসাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সরকার ও প্রশাসনের নজরে আনা হবে। এই সেলের প্রধান করা হয় ১৪ দলের সমন্বয়ক ও স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিমকে। তবে অভিযোগ আছে যে, সেল গঠনের পদক্ষেপটি ইতিবাচক হলেও এর কাজ দৃশ্যমান নয়।
মহানগর সার্বজনীন পূজা কমিটির সভাপতি জে.এল. ভৌমিক বলেন, দেবোত্তর সম্পত্তি কোন অবস্থাতেই বিক্রি বা অধিগ্রহণ করা যায় না। বেহাত হওয়া ভূমি পুনরুদ্ধারে মামলা চলছে কিন্তু সরকার ও সমাজের ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি ছাড়া ভূমি পুনরুদ্ধার করা সম্ভব নয় বলে মনে করেন তিনি।

বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাজোটের মহাসচিব সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট গোবিন্দ প্রামাণিক জানান, পরস্পরবিরোধী বিভিন্ন আইন এবং অর্পিত সম্পত্তি আইনের মতো একটি বৈষম্যমূলক বিধান কার্যকর থাকায় পেশী শক্তি ও অর্থের প্রভাবে দেবোত্তর সম্পত্তিগুলো দখল করে নিচ্ছে একটি চক্র।


After 20 days of kidnapping a minority collage girl Sumi Rani Majumdar is not rescued ,Noakhali ,Bangladesh.


২০ দিন পরেও উদ্ধার হয়নি অপহৃত কলেজছাত্রী

প্রকাশ্যে ঘুরছে অপহরণকারীরা


০৯ জানুয়ারী ২০১৬ 
নোয়াখালী : সুবর্ণচর উপজেলায় অপহরণের শিকার কলেজছাত্রী সুমি রানী মজুমদারকে ২০ দিনেও উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ। ঘটনায় মামলা দায়েরের পর আসামিরা প্রকাশ্যে ঘোরাফেরা করলেও কাউকে গ্রেপ্তার করা হচ্ছে না বলে অভিযোগ সুমির পরিবারের। 
শনিবার দুপুর সোয়া ১২টায় নোয়াখালী প্রেসক্লাবের শহীদ উদ্দিন এস্কান্দার কচি মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে অপহৃতের পরিবারের সদস্যরা এ অভিযোগ করেন। 
সুমি রানী মজুমদার সুবর্ণচর উপজেলার পূর্ব চরবাটা ইউনিয়নের হাজীপুর গ্রামের দিনমজুর শিবানন্দ মজুমদারের মেয়ে এবং সৈকত ডিগ্রি কলেজের এইচএসসি প্রথমবর্ষের শিক্ষার্থী।
লিখিত বক্তব্যে অপহৃতের মা লিপি রানী মজুমদার বলেন, সুমি স্থানীয় সৈকত ডিগ্রি কলেজের এইচএসসি প্রথমবর্ষের ছাত্রী। কলেজে যাওয়া আসার পথে প্রতিবেশী নবীর বখাটে ছেলে সোহাগ তাকে উত্ত্যক্ত করত। এক পর্যায়ে সোহাগ সুমিকে প্রেমের প্রস্তাব দিলে সে ধর্মের ভিন্নতা দেখিয়ে তা প্রত্যাখ্যান করে। বিষয়টি সুমি তাকে ও তার বাবাকে জানালে তারা সোহাগের পরিবারকে বিষয়টি জানান। এতে সোহাগ ক্ষিপ্ত হয়ে বেপরোয়া হয়ে ওঠে এবং সুমিকে অপহরণের হুমকি দেয়।
এরই জের ধরে গত ১৯ ডিসেম্বর বৈরাগী বাজারে মাসির (খালা) বাড়ি যাওয়ার পথে স্থানীয় হেডম মার্কেট এলাকা থেকে সোহাগসহ বেশ কয়েকজন সুমিকে জোর করে সিএনজি অটোরিকশায় তুলে নিয়ে যায়। 
অপহৃতের মা আরো অভিযোগ করেন, বিষয়টি চরজব্বার থানায় জানিয়ে মামলা করতে গেলে নানা অজুহাতে মামলা নিতে চায়নি ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা। কয়েকদিন পর হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের নেতাদের সহযোগিতায় অপহরণের ১২ দিন পর পহেলা জানুয়ারি থানায় মামলা নেয়া হয়। 
কিন্তু আসামিরা প্রকাশ্যে ঘোরাফেরা করলেও তাদের গ্রেপ্তারে বা সুমিকে উদ্ধারে কোনো তৎপরতা নেই পুলিশের। আসামিরা প্রভাবশালী হওয়ায় মামলা তুলে নিতে অপহৃতের পরিবারকে প্রতিনিয়ত হুমকি-ধামকি দিয়ে আসছে। এতে পুরো পরিবার একদিকে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। অপরদিকে সুমি মৃত না জীবিত এ দুশ্চিন্তায় নির্ঘুম দিন কাটাচ্ছেন। 
সংবাদ সম্মেলনে সুমিকে উদ্ধার ও অপহরণকারীদের গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান তারা। 
চরজব্বর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) ইব্রাহিম বলেন, অপহরণের ঘটনায় এক সপ্তাহ আগে মামলা হয়েছে। মামলার আসামিরা পলাতক থাকায় তাদের গ্রেপ্তার করা যাচ্ছে না। তবে আসামিদের গ্রেপ্তার ও অপহৃত সুমিকে উদ্ধারের জন্য পুলিশ সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
বাংলামেইল২৪ডটকম



জেলে পরিবারকে ভিটেছাড়া করল আ’লীগ নেতা
১১-০১-২০১৬ 
 কক্সবাজার সদরের জালালাবাদ জলদাস পাড়ায় আওয়ামী লীগ নেতার নেতৃত্বে রাতের আঁধারে এক সংখ্যালঘু পরিবারের ওপর হামলা ও তাদের বসতভিটা দখল করা হয়েছে। এ সময় সন্ত্রাসীদের হামলায় গুরুতর আহত হয়েছেন ৪ জন। এছাড়া স্বর্ণালংকার ও টাকা লুটেরও অভিযোগ উঠেছে। খবর যুগান্তরের।

অভিযোগে জানা গেছে, দীর্ঘ ৭০/৮০ বছর ধরে নিজ দখলীয় জমিতে বসবাস করে আসছিলেন মৃত সূর্য কুমার জলদাসের ছেলে সুদর্শন জলদাস। আহত সুদর্শন জলদাস অভিযোগ করে বলেন, ইসলামাবাদ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম মেম্বারের নেতৃত্বে প্রভাবশালী চক্রটি দীর্ঘদিন ধরে তাদের ভোগদখলীয় বসতভিটা দখলে নিতে ওঠে-পড়ে লাগে। দখল ছেড়ে দিতে তাদের বিভিন্নভাবে হুমকি-ধমকি দেয়।

জানুয়ারি রাতে সাইফুলের নেতৃত্বে ২০/৩০ জনের সন্ত্রাসী দল জোরপূর্বক সুদর্শন জলদাসের বাড়িতে হামলা করে তাদের বসতভিটা দখলে নেয়। তাদের রাতের আঁধারে বাড়ি থেকে বের করে দেয়। এতে বাধা দিতে গিয়ে দখলদারদের হামলায় সুদর্শন জলদাস, তার স্ত্রী অঞ্জলি দাস, ছেলে সোহেল দাস ও ভাইয়ের বউ স্বাগতা আহত হন। আহতদের জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে সাইফুল ইসলাম বলেন, এটি তার চাচার জমি। তার সুনাম ক্ষুণ্ণ করার জন্যই এ অপপ্রচার। ঈদগাহ পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ এসআই মিনহাজ জানান, এ ঘটনায় থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন সুদর্শন জলদাস।