সাংসদ দবিরুলের ‘দখলে’ হিন্দু জমি
Published: 2015-07-30 বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
Updated by blogger 12.08.15
কয়েকটি হিন্দু পরিবারের জমি দখলের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় সরকারদলীয় সংসদ সদস্য দবিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে
ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গি উপজেলার ভারত সীমান্তবর্তী এলাকায় কয়েকটি হিন্দু পরিবারের জমি দখলের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় সরকারদলীয় সংসদ সদস্য দবিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে। জমি ফেরত চেয়ে সাংসদের লোকজনের হামলার শিকার হতে হয়েছে কয়েকজনকে।
সরেজমিনে ওই উপজেলার পাড়িয়া ইউনিয়নের সীমান্ত এলাকায় গিয়ে স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ভারত সীমান্ত লাগোয়া স্থানে ‘রনবাগ ইসলামী টি এস্টেট কোম্পানি’ নামে একটি চা-বাগান গড়ে তুলেছেন ঠাকুরগাঁও-২ আসনের সংসদ সদস্য দবিরুল ইসলাম।
১০৬ একর (প্রায় ২৬৫ বিঘা) আয়তনের চা-বাগানের ভেতরে ও আশপাশে কয়েকটি হিন্দু পরিবারের জমি রয়েছে। এর মধ্যে অকুল চন্দ্র সিং পরিবারের ২১ বিঘা, ভাকারাম সিং ও চন্দ্র সিংয়ের ২৭ বিঘা জমি, থোনারাম সিংয়ের ২৪ বিঘা, ক্ষুদনলালের ২৪ বিঘা চা-বাগান ও আবাদি জমি রয়েছে।
মূলত অকুল চন্দ্র সিংয়ের এক বিঘা জমি নিয়েই বিরোধ, যেটির অবস্থান সাংসদের জমির সঙ্গেই। স্থানীয় অধিবাসীরা জানিয়েছেন, অকুল চন্দ্রের এই জমিকে করিডোরের মতো করে ব্যবহার করে অন্য জমিগুলোতে যাওয়া যায়। এটি দখল হয়ে গেলে অন্য জমিগুলো দখল করা সহজ হয়।
ওই এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, নাগর নদীর তীরবর্তী বিরোধপূর্ণ ওই অংশটির তিন দিকেই ভারতের সীমান্ত। আর এক পাশে নাগর নদী এলাকাটিকে তৈরি করেছে একটি ব-দ্বীপে।
যে জমিটি নিয়ে বিরোধ সেখানে চা-বাগানের কর্মীদের একটি কুঁড়েঘরে চা এর চারা মজুদ করা হয়েছে। বাগানে ঢোকার মুখে সাংসদের বাংলো বাড়ি।
জমি ফেরত চেয়ে সাংসদের লোকজনের নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন অকুল চন্দ্র। সাংসদের ছেলে ও তার সহযোগীদের হামলায় আহত হয়ে ভারতে পালিয়ে গিয়ে প্রাণে বেঁচেছিলেন। পরে অবশ্য তিনি আবার নিজের বাড়িতে ফিরে আসেন।

এই জমি নিয়েই বিরোধ
“গত ১০ জুন আমার জমিতে চা গাছের চারা রোপণ করলে এমপি সাহেবের লোকজন বিকালে চারাগুলো নষ্ট করে দেয়। এরপর ১৭ জুন ওনার ছেলে মাজহারুল ইসলাম সুজন আমাদের শাসিয়ে যান।”
এর দুইদিন পরই সুজনের নেতৃত্বে টি এস্টেটের লোকেরা তার ওপর হামলা চালায় বলে জানান অকুল।
“যেখানে মারধর হয়, সেখানে একটু তো ভয় থাকেই। সেদিন রাতে পরিবার নিয়ে ভারতে পালিয়েছিলাম। পরে ফিরে আসি।”
অকুল সিংয়ের ওপর হামলার সময় আহত থোনারাম সিং বলেন, “ওইদিন এমপি সাহেবের ছেলে সুজন হামলা করে। আমার ছেলেটার পা ও পিঠে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে। আমার দুই বিঘা জমি এখনো তার দখলে।
“জমি ফেরত চাইলে আমাদের বলে, দুই বছর তারা খাবে তারপর জমি ফেরত দেবে।”
ঘটনার পর জেলার হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের নেতারা এলাকাটি পরিদর্শন করলেও এ বিষয়ে প্রকাশ্যে কেউ কথা বলতে চাননি।
ঠাকুরগাঁও জেলা পুলিশ সুপার এই বিষয়ে বলেন, “ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছিল এবং একটি প্রতিনিধি দল ওই এলাকা পরিদর্শন করে।”
পুলিশের এই কর্মকর্তা বলেন, “মূলত চা বাগান নিয়ে দবিরুল সাহেব এবং স্থানীয় কয়েকটি হিন্দু পরিবারের মধ্যে বিরোধের কারণে এ রকমের একটি ঘটনা ঘটেছে। কিছু সমস্যা তো আসলে ছিলই।”

সংসদ সদস্য দবিরুল ইসলাম
নিজের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সংসদ সদস্য দবিরুল ইসলাম।তার দাবি, সম্প্রতি জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় প্রতিপক্ষ তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে সুনাম নষ্টের চেষ্টা করছে।
তিনি বলেন, “আমি চার বছর ধরে ওই এলাকায় চা চাষ করছি। যে জমিটি নিয়ে বিরোধ, সেটিতে আমার একটি হাট তোলা রয়েছে। সেখানে শ্রমিকরা বিশ্রাম নেয়, চা গাছ রাখা হয়।তার মানে এটি চারবছর ধরেই আমার দখলে রয়েছে।
“অকুল কিছুদিন আগে বলা নেই, কওয়া নেই সে জমিতে চা গাছ লাগিয়ে যায়। এটি নিয়ে আমার বাগানের কর্মচারীদের সঙ্গে তার কিছুটা বাকবিতণ্ডা হয়। ঘটনা এটুকুই। কিন্তু স্থানীয় কিছু ব্যক্তি ও আওয়ামী লীগের একটি অংশ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে তাদের ব্যবহার করে আমার সুনাম নষ্ট করার চেষ্টা করছে।”

বিরোধপূর্ণ জমিতে গড়ে তোলা কুঁড়েঘর
হিন্ত্র সম্প্রদায়ের সঙ্গে তার কোনো বিরোধ নেই জানিয়ে দবিরুল ইসলাম বলেন, “আমার ড্রাইভার, গানম্যান দুজনই হিন্দু। আমি হিন্দু বিদ্বেষী নই। আমি ৪৫ বছর ধরে জনপ্রতিনিধি, এর আগে এরকম কোনো অভিযোগ আমার উপরে আসেনি।”
পার্বতীপুরে ১৫ পরিবারকে নির্যাতনের অভিযোগ
তারিখ: ০৯/০৮/২০১৫
পার্বতীপুর, ৮ আগস্ট ॥
পার্বতীপুর, ৮ আগস্ট ॥
পার্বতীপুরে মোমিনপুর ইউনিয়নের গোবিন্দপুরে নিম্নবর্ণের ১৫ হিন্দু পরিবার স্থানীয় ক্ষমতাসীন দলের নামধারী নেতার দাপট, অত্যাচার, নির্যাতনে টিকতে পারছে না। বসতবাড়ি ছেড়ে যাওয়ার জন্য মাস্তান বাহিনীর চাপ ও হুমকিতে তারা ভীতসন্তস্ত্র। তাদের জীবনের নিরাপত্তা নেই । জনপ্রতিনিধিরা তাদের সমস্যার কথা শোনে না। মাস্তানবাহিনীর ভয়ে তারা থানায় যেতে পারে না। এই ইউনিয়নের গোবিন্দপুর গ্রামের রামুরানী (৬০), বাসন্তিরানী (৬০), মিনারানী (৩৫), সম্পারানী (৩৫) ও মিনতি রানী (৫০) তাদের সম্প্রদায়ের পক্ষে শনিবার সকাল সাড়ে ১০টায় পার্বতীপুর প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন। তারা উপস্থিত সাংবাদিকদের জানান, ৬০-৭০ বছর আগে এলাকার গোবিন্দপুর মৌজার ৪০৪ খতিয়ান ও ৬৩৭ দাগে ৭১ শতক খাস তপসীলবর্ণিত জমিতে তারা বংশপরম্পরায় বসবাস করে আসছেন। সরকারী দলের নামধারী ওই নেতা গায়ের জোরে ইতোমধ্যেই ৪৬ শতক জায়গা দখল করে নিয়েছে। এখন ২৫ শতক জায়গায় কুঁড়েঘরে তারা কোণঠাসা অবস্থায় রয়েছে। এখান থেকেও উচ্ছেদ করতে সন্ত্রাসীবাহিনী লেলিয়ে দেয়া হয়েছে। প্রতিনিয়ত রান্নার চুলা, বাড়ির বেড়া, মুরগি ও ছাগলের খুপড়ি ভেঙে দেয়া হয়। নলকূপ পাড়ে গোসলের সময় চাটির বেড়া ফাঁক করে মহিলাদের অশ্লীল কটূক্তি করা হয়। রাতে বাড়িতে এলোপাতাড়ি ঢিল মেরে আতঙ্ক সৃষ্টি ও বিনা কারণে কোন্দল সৃষ্টি করে মারপিট করা হয়। সম্প্রতি ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শনে গিয়ে জেলা প্রশাসক স্থানীয় তহশীলদারকে এই ১৫ পরিবারের পুনর্বাসনের স্থায়ী বন্দোবস্তের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দেন। এই কাজের কোনই অগ্রগতি হয়নি বলে তারা জানান।
কেউ খোঁজ নেয় না গারো আদিবাসীদের-আদিবাসী দিবসে প্রতিবেদন
তারিখ: ০৯/০৮/২০১৫
রফিকুল ইসলাম আধার, শেরপুর ॥ উন্নয়ন-উৎকর্ষের যুগেও দিনকাল ভাল যাচ্ছে না শেরপুরের সীমান্তবর্তী গারো পাহাড়ের জনপদের আদিবাসীদের। ভাল নেই তারা। কেউ তাদের খোঁজখবর নেয় না। ভোটাধিকারের প্রশ্নে সমান অবস্থান হলেও উন্নয়ন-সুদৃষ্টির ক্ষেত্রে তফাৎ অনেক। যে কারণে পালাবদলের ধারাবাহিকতায় সরকার আসে, সরকার যায়Ñ উন্নয়ন হয় অনেক কিছুর। কিন্তু আদিবাসীদের ভাগ্যের কোন পরিবর্তন হয় না। ঠিক এমন করেই আক্ষেপের সুরে কথাগুলো বলছিলেন নালিতাবাড়ী উপজেলার খলচান্দা গ্রামের কোচ আদিবাসী ম-ল শবরন্ত কোচ (৭০)। তার মতে, অভাব-অনটন, দুঃখ-দুর্দশাই যেন আদিবাসীদের নিত্যদিনের সঙ্গী, ভাল নেই এখানকার আদিবাসীরা। বছর ঘুরে আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস এলেও তারা জানে না এ দিবসের তাৎপর্য কী?
ভারতের মেঘালয় রাজ্যের সীমান্ত ঘেঁষে দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত পাহাড়ী জনপদ শেরপুরের গারো পাহাড়। জেলার ঝিনাইগাতী, শ্রীবরদী ও নালিতাবাড়ী উপজেলায় গারো, হাজং, কোচ, বানাই, ডালু, হদি, বর্মণ ও বংশীসহ বিভিন্ন জাতি-গোত্র, নৃতাত্ত্বিক জনগোষ্ঠী মিলে প্রায় ৫০-৬০ হাজার আদিবাসী পরিবারের বসবাস। এদের মধ্যে ৭০ ভাগ আদিবাসী পরিবারের সদস্য দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাস করে। অথচ এককালে এদের সবকিছুই ছিল। ছিল গোয়াল ভরা গরু, পুকুর ভরা মাছ, গোলা ভরা ধান। কিন্তু কালের আবর্তনে সবকিছু হারিয়ে আজ তারা দিশাহারা। এখন এদের অধিকাংশেরই নেই নিজস্ব জমিজমা। এসব আদিবাসী পরিবারের সদস্য বন বিভাগের জমিতে ঘরবাড়ি নির্মাণ করে বসবাসের পাশাপাশি শ্রম বিক্রিসহ নানাভাবে পরিবারের সদস্যদের জীবন-জীবিকা নির্বাহ করে আসছে। বাকি ৩০ ভাগ আদিবাসী পরিবারের সদস্যের জমি থাকলেও বন্যহাতির তা-বে গত ১২-১৪ বছর ধরে তাদের জমিতে কোন ফসল উৎপাদন করতে পারছে না। এ কারণে অনেক আদিবাসীর জমি জোরপূর্বক দখল করে নিয়েছে স্থানীয় প্রভাবশালীরা জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে। ফলে এ জেলার আদিবাসীরা দিনমজুর আর ভূমিহীনে পরিণত হয়েছে। আদিবাসী মহিলারা ক্ষেতে-খামারে, মাঠে-ময়দানে এমনকি সংসারের সকল কাজকর্ম করে থাকে। আর পুরুষরা বাড়িতে বসে তাদের ছেলেমেয়েদের দেখাশোনা করে। তবে অতীতের তুলনায় অনেক আদিবাসী পুরুষ এখন আর ঘরে বসে থাকতে চাইছে না। বছরে দুই মাস আমন ও ইরি-বোরো মৌসুমে এ জেলার আদিবাসী নারী-পুরুষ শ্রমিক কৃষির ওপর শ্রম বিক্রি করে যা পায় তাই দিয়ে কোন রকমে পরিবারের সদস্যদের জীবন-জীবিকা নির্বাহ করে থাকে। বাকি ১০ মাস তাদের থাকতে হয় বেকার, নির্ভর করতে হয় গারো পাহাড়ের বনাঞ্চলের ওপর। আদিবাসী মহিলারা গারো পাহাড় থেকে জ্বালানি কাঠ বা লাকড়ি সংগ্রহ ও তা বাজারে বিক্রি করে থাকে। কিন্তু গারো পাহাড়ে আগের মতো এখন আর জ্বালানিকাঠ পাওয়া যায় না। যাও পাওয়া যায়, তাও আনতে দেয় না বন বিভাগের কর্মকর্তা, কর্মচারী ও অংশীদাররা। স্বাধীনতার দীর্ঘ ৪৪ বছরেও এখানে গড়ে ওঠেনি আদিবাসী শ্রমিকদের জন্য কোন কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা। বর্তমানে শেরপুরের তিন উপজেলায় আদিবাসীদের দুঃখ-কষ্টের শেষ নেই। ভাল নেই তারা। দুর্দশাগ্রস্ত অনেক আদিবাসীর বাড়িঘর গুঁড়িয়ে দিয়েছে বন্যহাতির দল। ১২-১৪ বছর ধরে পাহাড়ী এলাকার আদিবাসীরা প্রতিনিয়ত বন্যহাতির সঙ্গে যুদ্ধ করে টিকে আছে।
ভারতের মেঘালয় রাজ্যের সীমান্ত ঘেঁষে দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত পাহাড়ী জনপদ শেরপুরের গারো পাহাড়। জেলার ঝিনাইগাতী, শ্রীবরদী ও নালিতাবাড়ী উপজেলায় গারো, হাজং, কোচ, বানাই, ডালু, হদি, বর্মণ ও বংশীসহ বিভিন্ন জাতি-গোত্র, নৃতাত্ত্বিক জনগোষ্ঠী মিলে প্রায় ৫০-৬০ হাজার আদিবাসী পরিবারের বসবাস। এদের মধ্যে ৭০ ভাগ আদিবাসী পরিবারের সদস্য দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাস করে। অথচ এককালে এদের সবকিছুই ছিল। ছিল গোয়াল ভরা গরু, পুকুর ভরা মাছ, গোলা ভরা ধান। কিন্তু কালের আবর্তনে সবকিছু হারিয়ে আজ তারা দিশাহারা। এখন এদের অধিকাংশেরই নেই নিজস্ব জমিজমা। এসব আদিবাসী পরিবারের সদস্য বন বিভাগের জমিতে ঘরবাড়ি নির্মাণ করে বসবাসের পাশাপাশি শ্রম বিক্রিসহ নানাভাবে পরিবারের সদস্যদের জীবন-জীবিকা নির্বাহ করে আসছে। বাকি ৩০ ভাগ আদিবাসী পরিবারের সদস্যের জমি থাকলেও বন্যহাতির তা-বে গত ১২-১৪ বছর ধরে তাদের জমিতে কোন ফসল উৎপাদন করতে পারছে না। এ কারণে অনেক আদিবাসীর জমি জোরপূর্বক দখল করে নিয়েছে স্থানীয় প্রভাবশালীরা জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে। ফলে এ জেলার আদিবাসীরা দিনমজুর আর ভূমিহীনে পরিণত হয়েছে। আদিবাসী মহিলারা ক্ষেতে-খামারে, মাঠে-ময়দানে এমনকি সংসারের সকল কাজকর্ম করে থাকে। আর পুরুষরা বাড়িতে বসে তাদের ছেলেমেয়েদের দেখাশোনা করে। তবে অতীতের তুলনায় অনেক আদিবাসী পুরুষ এখন আর ঘরে বসে থাকতে চাইছে না। বছরে দুই মাস আমন ও ইরি-বোরো মৌসুমে এ জেলার আদিবাসী নারী-পুরুষ শ্রমিক কৃষির ওপর শ্রম বিক্রি করে যা পায় তাই দিয়ে কোন রকমে পরিবারের সদস্যদের জীবন-জীবিকা নির্বাহ করে থাকে। বাকি ১০ মাস তাদের থাকতে হয় বেকার, নির্ভর করতে হয় গারো পাহাড়ের বনাঞ্চলের ওপর। আদিবাসী মহিলারা গারো পাহাড় থেকে জ্বালানি কাঠ বা লাকড়ি সংগ্রহ ও তা বাজারে বিক্রি করে থাকে। কিন্তু গারো পাহাড়ে আগের মতো এখন আর জ্বালানিকাঠ পাওয়া যায় না। যাও পাওয়া যায়, তাও আনতে দেয় না বন বিভাগের কর্মকর্তা, কর্মচারী ও অংশীদাররা। স্বাধীনতার দীর্ঘ ৪৪ বছরেও এখানে গড়ে ওঠেনি আদিবাসী শ্রমিকদের জন্য কোন কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা। বর্তমানে শেরপুরের তিন উপজেলায় আদিবাসীদের দুঃখ-কষ্টের শেষ নেই। ভাল নেই তারা। দুর্দশাগ্রস্ত অনেক আদিবাসীর বাড়িঘর গুঁড়িয়ে দিয়েছে বন্যহাতির দল। ১২-১৪ বছর ধরে পাহাড়ী এলাকার আদিবাসীরা প্রতিনিয়ত বন্যহাতির সঙ্গে যুদ্ধ করে টিকে আছে।
এবার ব্লগারসহ ৬ জনকে হত্যার হুমকি, ব্লগার ,গণজাগরণ মঞ্চ ,প্রগতিশীল
বুদ্ধিজীবী কেও বাদ নেই।।
মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০১৫
বরিশাল: রাজধানীর পূর্ব গোড়ানে ভরদুপুরে বাসায় ঢুকে ব্লগার নিলয় নীলকে হত্যার ৪ দিনের মাথায় এবার বরিশালে তিন কবি, গণজাগরণ মঞ্চের দুই সংগঠক ও এক ব্লগারকে হত্যার হুমকি দিয়ে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেয়া হয়েছে। সোমবার রাত ৯টা ৪১ মিনিটে আনসার বিডি নামের আইডি থেকে হত্যার হুমকি দিয়ে বার্তা আপলোড করা হয়।
হুমকিপ্রাপ্তরা হলেন- কবি হেনরী স্বপন, তুহিন দাস, সৈয়দ মেহেদি হাসান, গণজাগরণ মঞ্চের সংগঠক নজরুল বিশ্বাস, প্রীতম চৌধুরী এবং ব্লগার কারু তুহিন। এ ঘটনায় মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৩টায় কোতোয়ালি মডেল থানায় নিরাপত্তা চেয়ে সাধারণ ডায়রি (জিডি) করেছেন তিন কবি।
এ ব্যাপারে তরুণ কবি সৈয়দ মেহেদি হাসান বাংলামেইলকে জানান, ‘হুমকির বিষয়টি তাদের উদ্বিগ্ন করেছে। আর যাদের হুমকি দেয়া হয়েছে তারা প্রত্যেকেই প্রগতিশীল এবং গণজাগরণ মঞ্চের কর্মকাণ্ডকে সমর্থন জানিয়ে থাকে।’
হুমকিপ্রাপ্ত কবি হেনরী স্বপন জানান, এর আগে যাদের হত্যা করা হয়েছে তারা প্রত্যেকেই তালিকাভুক্ত ছিলেন। আর বরিশাল বিভাগে এই প্রথম কাজ শুরু করেছে এবং তদের লক্ষ্যে পৌঁছবে এমন লেখা থাকায় স্বভবতই তিনি বিচলিত বলে জিডি করেছেন।
বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার (দক্ষিণ) গোলাম রউফ খান বাংলামেইলকে জানান, তারা লেখকদের সাধ্য অনুযায়ী নিরাপত্তা দেয়ার ব্যবস্থা করেন।
ঝিনাইদহে প্রতিমা ভাংচুর
13.08.2015
ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলায় একটি মন্দিরে প্রতিমা ভাংচুর করেছে দুর্বৃত্তরা।
মঙ্গলবার রাতে উপজেলার প্রতাপনগর গ্রামে একটি মন্দিরে এ ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন শৈলকুপা থানার ওসি হাশেম খান।
ওসি বলেন, দুর্বৃত্তরা মন্দিরে ঢুকে একটি কালী প্রতিমা ভাংচুর করে ফেলে রেখে যায়। সকালে আশপাশের লোকজন মন্দিরে ভাঙ্গা প্রতিমা দেখে পুলিশকে খবর দেয়।
এ ঘটনায় এখনও কেউ মামলা করেনি। তবে পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করে দেখছে বলে জানান তিনি।
সিলেটে স্কুলের
ভেতরে ঢুকে নন্দিতা দেবী নামের এক
ছাত্রীকে ছুরিকাঘাতে গুরুতর আহত করার
ঘটনা -
আতঙ্কিত
করে তুলেছে অভিভাবক মহলকে। রাস্তায় সন্তানের
দুর্ঘটনা এড়াতে নন্দিতার
মা মায়া দেবী মেয়েকে স্কুলে নিয়ে আসতেন।
আবার ছুটির পর নিয়েও যেতেন। কিন্তু এত সতর্ক
থাকার পরও পরীক্ষার হলেই
নন্দিতাকে নির্মমভাবে কুপিয়েছে বখাটেরা।
ঘটনাটি গতকাল সিলেটে ছিল আলোচনার
কেন্দ্রবিন্দুতে।
এ ঘটনার পর রোববার বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির এক
সভায় নগরীর শিবগঞ্জ সৈয়দ হাতিম আলী উচ্চ
বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণীর
ছাত্রী নন্দিতা দেবীকে ছুরিকাঘাতকারী সেই
ইভটিজার সহপাঠীকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
করে তুলেছে অভিভাবক মহলকে। রাস্তায় সন্তানের
দুর্ঘটনা এড়াতে নন্দিতার
মা মায়া দেবী মেয়েকে স্কুলে নিয়ে আসতেন।
আবার ছুটির পর নিয়েও যেতেন। কিন্তু এত সতর্ক
থাকার পরও পরীক্ষার হলেই
নন্দিতাকে নির্মমভাবে কুপিয়েছে বখাটেরা।
ঘটনাটি গতকাল সিলেটে ছিল আলোচনার
কেন্দ্রবিন্দুতে।
এ ঘটনার পর রোববার বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির এক
সভায় নগরীর শিবগঞ্জ সৈয়দ হাতিম আলী উচ্চ
বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণীর
ছাত্রী নন্দিতা দেবীকে ছুরিকাঘাতকারী সেই
ইভটিজার সহপাঠীকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
এদিকে, হামলাকারীর গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক
শাস্তির দাবিতে মণিপুরী সম্প্রদায় ও বাংলাদেশ
জাতীয় হিন্দু মহাজোট, বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু
ছাত্র মহাজোট এবং আদিবাসী ফোরামের পক্ষ
থেকে মানববন্ধনের ডাক দেয়া হয়েছে। আজ
সোমবার সকাল সাড়ে ১০টায় শহীদ মিনারে এ
কর্মসূচি পালন করা হবে।
গতকাল শনিবার রাতে মেট্রোপলিটন পুলিশের
শাহপরান (রহ.) থানায় মামলা দায়ের করেন নন্দিতার
বড় ভাই মানস সিংহ। মামলা নম্বর-০৪। মামলায়
বাবা ছেলেসহ ৩ জনের নাম উল্লেখ করে ও অজ্ঞাত
নামা ২/৩ জনকে আসামি করা হয়েছে।
মামলায় অভিযুক্তরা হলেন- শিবগঞ্জ
সোনারপাড়া নবারুণ ২১১/১ নম্বর বাসার
বাসিন্দা মিলাদ আহমদ ও তার ছেলে সাকিব
এবং মামুন (ঠিকানা-অজ্ঞাত)।
মামলার বিবরন থেকে জানা যায় ,
নন্দিতা দেবী দশম শ্রেণীর শিক্ষার্থী।
সিলেট
নগরীর শিবগঞ্জের হাতিম আলী উচ্চ বিদ্যালয়ের
শিক্ষার্থী। শিবগঞ্জ সেনপাড়ার ‘আল্পনা’ ১৭ নম্বর
বাসার গুণেন্দ্র সিংহের মেয়ে সে। শনিবার ছিল
তার ইংরেজি ২য় পত্রের পরীক্ষা। এ
কারণে পরীক্ষা শুরুর আগে বেলা দেড়টার
দিকে নন্দিতার মা মায়া দেবী নিজেই
মেয়েকে নিয়ে স্কুলে আসেন। পরীক্ষার
হলে ঢুকিয়ে দিয়ে চলে যান। বেলা দেড়টার
দিকে নন্দিতা শ্রেণীকক্ষে বসা ছিল। এমন সময় তার
সহপাঠী ও দশম শ্রেণীর ছাত্র মোশাররফ হোসেন
সাকিব ও মামুন হলে ঢুকে প্রথমে নন্দিতাকে চড়-
থাপ্পড় মারে।
নগরীর শিবগঞ্জের হাতিম আলী উচ্চ বিদ্যালয়ের
শিক্ষার্থী। শিবগঞ্জ সেনপাড়ার ‘আল্পনা’ ১৭ নম্বর
বাসার গুণেন্দ্র সিংহের মেয়ে সে। শনিবার ছিল
তার ইংরেজি ২য় পত্রের পরীক্ষা। এ
কারণে পরীক্ষা শুরুর আগে বেলা দেড়টার
দিকে নন্দিতার মা মায়া দেবী নিজেই
মেয়েকে নিয়ে স্কুলে আসেন। পরীক্ষার
হলে ঢুকিয়ে দিয়ে চলে যান। বেলা দেড়টার
দিকে নন্দিতা শ্রেণীকক্ষে বসা ছিল। এমন সময় তার
সহপাঠী ও দশম শ্রেণীর ছাত্র মোশাররফ হোসেন
সাকিব ও মামুন হলে ঢুকে প্রথমে নন্দিতাকে চড়-
থাপ্পড় মারে।
এক
পর্যায়ে সঙ্গে থাকা ছোরা দিয়ে আঘাত করে।
নন্দিতা চিৎকার শুরু করলে শিক্ষকরা এগিয়ে আসেন। এ
সময় বন্ধু সহ সাকিব পালিয়ে যায়। পরে স্কুলের
শিক্ষকরা গুরুতর আহত অবস্থায় নন্দিতাকে উদ্ধার
করে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ
হাসপাতালে ভর্তি করেন।
এদিকে নন্দিতার পারিবারিক সুত্র
জানিয়েছেন, সাকিব নন্দিতাকে উত্ত্যক্ত
করে আসছিল। স্কুলে আসা-যাওয়ার
পথে নানাভাবে উত্ত্যক্ত করতো। এ
বিষয়টি নন্দিতা তার পরিবারের
কাছে জানায়। এতে পরিবারের
সদস্যরা চিন্তিত হয়ে পড়েন। এরপর
থেকে মা মায়াদেবী নন্দিতাকে নিয়ে প্রতিদিন
স্কুলে যেতেন। ফেরার পথে নিয়েও আসতেন। সুযোগ
না পেয়ে সাকিব স্কুলের ভেতরেই ঘটনা ঘটায়
সন্ত্রাসীরা ।
নন্দিতার মা মায়াদেবী সাংবাদিকদের জানান,
শ্রেণীকক্ষের ভেতরে মেয়েটি অনিরাপদ
হবে সেটি ভাবতেও পারেন নি। তিনি বলেন,
ছুরিকাঘাতের পর থেকে নন্দিতা ভয় পেয়ে গেছে।
মাথা ও গালে বেশ আঘাত পেয়েছে বলে জানান
তিনি।
শাহপরান থানার ওসি শাখাওয়াত হোসেন জানান,
মোশারফ হোসেন সাকিব একাই নন্দিতার ওপর
হামলা করেছে বলে স্কুলের ছাত্রীরা জানিয়েছে।
সাকিব ও নন্দিতা একই ক্লাসে পড়তো। তাদের
মধ্যে ভাল সম্পর্ক ছিল। নন্দিতার সহপাঠীরা জানান,
সাকিব স্কুলে সব সময় দলবল নিয়ে আড্ডা দিতো। তার
বখাটেপনার বিষয়টি সবার জানা থাকলেও কেউ
প্রতিবাদ করতো না। এ কারণে একের পর এক
ঘটনা ঘটিয়ে সাকিব পরীক্ষার হলেই
হামলা চালালো।
শিক্ষামন্ত্রীর নির্দেশ: সিলেট নগরীর সৈয়দ হাতিম
আলী উচ্চ বিদ্যালয়ে সহপাঠীর ছুরিকাঘাতে ১০ম
শ্রেণীর ছাত্রী নন্দিতা দেবী আহত হওয়ার
ঘটনা শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদের দৃষ্টিগোচর
হয়েছে। রোববার সকালে পত্রিকায় প্রকাশিত
সংবাদটি পড়ে তিনি সিলেটের জেলা প্রশাসক ও
সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের ভারপ্রাপ্ত
কমিশনারের সঙ্গে ফোনে কথা বলেন এবং ঘটনার
সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তার ও দ্রুত
আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন। মন্ত্রী এ হামলার
ঘটনাকে অত্যন্ত ন্যক্কারজনক ও নৈতিক অবক্ষয়
বলে আখ্যায়িত করে এ ধরনের ঘটনার সঙ্গে জড়িত
বখাটেদের কঠোর হস্তে দমন ও পড়ালেখার পরিবেশ
স্বাভাবিক রাখারও নির্দেশ দেন।
পর্যায়ে সঙ্গে থাকা ছোরা দিয়ে আঘাত করে।
নন্দিতা চিৎকার শুরু করলে শিক্ষকরা এগিয়ে আসেন। এ
সময় বন্ধু সহ সাকিব পালিয়ে যায়। পরে স্কুলের
শিক্ষকরা গুরুতর আহত অবস্থায় নন্দিতাকে উদ্ধার
করে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ
হাসপাতালে ভর্তি করেন।
এদিকে নন্দিতার পারিবারিক সুত্র
জানিয়েছেন, সাকিব নন্দিতাকে উত্ত্যক্ত
করে আসছিল। স্কুলে আসা-যাওয়ার
পথে নানাভাবে উত্ত্যক্ত করতো। এ
বিষয়টি নন্দিতা তার পরিবারের
কাছে জানায়। এতে পরিবারের
সদস্যরা চিন্তিত হয়ে পড়েন। এরপর
থেকে মা মায়াদেবী নন্দিতাকে নিয়ে প্রতিদিন
স্কুলে যেতেন। ফেরার পথে নিয়েও আসতেন। সুযোগ
না পেয়ে সাকিব স্কুলের ভেতরেই ঘটনা ঘটায়
সন্ত্রাসীরা ।
নন্দিতার মা মায়াদেবী সাংবাদিকদের জানান,
শ্রেণীকক্ষের ভেতরে মেয়েটি অনিরাপদ
হবে সেটি ভাবতেও পারেন নি। তিনি বলেন,
ছুরিকাঘাতের পর থেকে নন্দিতা ভয় পেয়ে গেছে।
মাথা ও গালে বেশ আঘাত পেয়েছে বলে জানান
তিনি।
শাহপরান থানার ওসি শাখাওয়াত হোসেন জানান,
মোশারফ হোসেন সাকিব একাই নন্দিতার ওপর
হামলা করেছে বলে স্কুলের ছাত্রীরা জানিয়েছে।
সাকিব ও নন্দিতা একই ক্লাসে পড়তো। তাদের
মধ্যে ভাল সম্পর্ক ছিল। নন্দিতার সহপাঠীরা জানান,
সাকিব স্কুলে সব সময় দলবল নিয়ে আড্ডা দিতো। তার
বখাটেপনার বিষয়টি সবার জানা থাকলেও কেউ
প্রতিবাদ করতো না। এ কারণে একের পর এক
ঘটনা ঘটিয়ে সাকিব পরীক্ষার হলেই
হামলা চালালো।
শিক্ষামন্ত্রীর নির্দেশ: সিলেট নগরীর সৈয়দ হাতিম
আলী উচ্চ বিদ্যালয়ে সহপাঠীর ছুরিকাঘাতে ১০ম
শ্রেণীর ছাত্রী নন্দিতা দেবী আহত হওয়ার
ঘটনা শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদের দৃষ্টিগোচর
হয়েছে। রোববার সকালে পত্রিকায় প্রকাশিত
সংবাদটি পড়ে তিনি সিলেটের জেলা প্রশাসক ও
সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের ভারপ্রাপ্ত
কমিশনারের সঙ্গে ফোনে কথা বলেন এবং ঘটনার
সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তার ও দ্রুত
আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন। মন্ত্রী এ হামলার
ঘটনাকে অত্যন্ত ন্যক্কারজনক ও নৈতিক অবক্ষয়
বলে আখ্যায়িত করে এ ধরনের ঘটনার সঙ্গে জড়িত
বখাটেদের কঠোর হস্তে দমন ও পড়ালেখার পরিবেশ
স্বাভাবিক রাখারও নির্দেশ দেন।



No comments:
Post a Comment