1.
2.
THE VALUE OF HINDU HOUSEWIFE'S "DIGNITY & HONOR" IS 52,000/= TAKA ,DECIDED BY ISLAMIST IN BANGLADESH.
ইজ্জতের মূল্য ৫২ হাজার!
স্টাফ রিপোর্টার : দিনাজপুর জেলার বিরল উপজেলায় এক হিন্দু গৃহবধূর ইজ্জতের মূল্য নির্ধারণ মাত্র ৫২ হাজার টাকা। শুক্রবার দুপুরে থানা চত্বরে শালিসি বৈঠকে মূল্য নির্ধারণ করা হয়। এ ঘটনায় ধর্ষিতাকে তার স্বামী আইনত ত্যাগ করেন। এরপর তার ঠাঁই হয়েছে বাবার বাড়িতে। অন্যদিকে, ২০ ঘণ্টা আটক রেখে ধর্ষককেও হাজত থেকে ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ। বৈঠকে বিরল উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ফিরোজা বেগম সোনা, ইউপি সদস্য রাজা দশরথসহ আওয়ামী লীরগর কয়েকজন নেতা এবং পুলিশ উপস্থিত ছিলেন। গত বুধবার রাত ৮টার দিকে বিরল উপজেলার রাণীপুকুর ইউপির বরাহ নগর গ্রামের আব্দুস ছালামের বখাটে ছেলে মহিদুর (১৮) এক হিন্দু গৃহবধূর (২০) ঘরে ঢুকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন। এ সময় ধর্ষিতার চিৎকারে তার স্বামীসহ এলাকার লোকজন ছুটে এসে ধর্ষক মহিদুরকে আটক করে। গত বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টার দিকে এলাকার জনপ্রতিনিধিসহ একটি স্বার্থন্বেষী মহল বিষয়টি এক লাখ টাকার বিনিময়ে ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা চালায়।
এ ঘটনায় বিরল থানার এসআই আশরাফুল সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে ধর্ষক ও ধর্ষিতাকে থানায় নিয়ে আসে। তবে দীর্ঘ সময়পরও এ ব্যাপারে থানায় কোনো মামলা হয়নি। শুক্রবার দুপুরে এসআই আশরাফুলের নেতৃত্বে বিরল থানা চত্বরে একটি শালিশ বৈঠক বসানো হয়। সেখানো টাকার বিনিময়ে উক্ত প্রহসনমূলক বিচারের রায় দেয়া হয়। এদিকে, ধর্ষিতাকেও ২০ ঘণ্টা ধরে থানায় রাখা হলেও তার কাছ থেকে কোনো মামলা নেয়া হয়নি এবং তাকে কোন ডাক্তারি পরীক্ষা করানো হয়নি বলে ধর্ষিতার পক্ষ থেকে অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে বিরল থানার ওসি আব্দুল হাই সরকার জানান, বিষয়টির ব্যাপারে এসআই আশরাফুল সব জানেন। এ ব্যাপারে এসআই আশরাফুল জানান, থানায় শালিস বৈঠকের মাধ্যমে ধর্ষকের কাছ থেকে ধর্ষিতাকে নগদ ৫২ হাজার টাকা দেয়া হয়। এরপর ধর্ষককে ছেড়ে দেয়া হয়।
পুলিশ ও স্বার্থন্বেষী মহলের কারণে ধর্ষক ছাড়া পাওয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে ওই শালিস বৈঠকেই ধর্ষিতার স্বামী কুথার চন্দ্র ধর্ষিতাকে ডিফোর্স দেন। এজন্য তার কাছ থেকেও ৭০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয়া হয় ওই শালিসকারীরা। আরও অভিযোগ উঠেছে ধর্ষককে রক্ষার দায়িতে থাকা পুলিশ এবং ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দলের কতিপয় নেতা এক লাখ টাকা উৎকোচ নিয়েছে ধর্ষকের কাছে।
এ ঘটনায় বিরল থানার এসআই আশরাফুল সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে ধর্ষক ও ধর্ষিতাকে থানায় নিয়ে আসে। তবে দীর্ঘ সময়পরও এ ব্যাপারে থানায় কোনো মামলা হয়নি। শুক্রবার দুপুরে এসআই আশরাফুলের নেতৃত্বে বিরল থানা চত্বরে একটি শালিশ বৈঠক বসানো হয়। সেখানো টাকার বিনিময়ে উক্ত প্রহসনমূলক বিচারের রায় দেয়া হয়। এদিকে, ধর্ষিতাকেও ২০ ঘণ্টা ধরে থানায় রাখা হলেও তার কাছ থেকে কোনো মামলা নেয়া হয়নি এবং তাকে কোন ডাক্তারি পরীক্ষা করানো হয়নি বলে ধর্ষিতার পক্ষ থেকে অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে বিরল থানার ওসি আব্দুল হাই সরকার জানান, বিষয়টির ব্যাপারে এসআই আশরাফুল সব জানেন। এ ব্যাপারে এসআই আশরাফুল জানান, থানায় শালিস বৈঠকের মাধ্যমে ধর্ষকের কাছ থেকে ধর্ষিতাকে নগদ ৫২ হাজার টাকা দেয়া হয়। এরপর ধর্ষককে ছেড়ে দেয়া হয়।
পুলিশ ও স্বার্থন্বেষী মহলের কারণে ধর্ষক ছাড়া পাওয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে ওই শালিস বৈঠকেই ধর্ষিতার স্বামী কুথার চন্দ্র ধর্ষিতাকে ডিফোর্স দেন। এজন্য তার কাছ থেকেও ৭০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয়া হয় ওই শালিসকারীরা। আরও অভিযোগ উঠেছে ধর্ষককে রক্ষার দায়িতে থাকা পুলিশ এবং ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দলের কতিপয় নেতা এক লাখ টাকা উৎকোচ নিয়েছে ধর্ষকের কাছে।
3.
শ্রীমঙ্গল ৯ বছরের হিন্দু শিশু কন্যাকে ধর্ষণ

শ্রীমঙ্গল ॥ উপজেলার মির্জাপুর ইউনিয়নের বৌলসির বাজারের একটি মুদি দোকানের মালিক সামছু মিয়া (২৮) কর্তৃক দরিদ্র পরিবারের ৯ বছরের হিন্দু শিশু কন্যাকে দোকানের পেছনের রুমে ধর্ষনের শিকার হওয়ার পর ১২ ঘন্টা যাবৎ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ফিরোজ মাষ্টার বিনা চিকিৎসায় আটকিয়ে রাখার অভিযোগ করেছেন এলাকাবাসী।মেয়ের বাবা হত দরিদ্র সৌরভ দাস জানান, ৯ অক্টোবর বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার সময় মেয়েটি দোকনে বিস্কুট আনতে যায়। তখন পাষন্ড সামছু মেয়েটিকে পলোভন দেখিয়ে দোকানে পেছনে নিয়ে ধর্ষন করে আহত করে। আহত অবস্থায় মেয়েকে তার স্বজনরা দোকানের সামন থেকে নিয়ে আসলে ঘটনার বিবরন দেয় শিশুকন্যা। মেয়ের বাবা অভিযোগ করে বলেন দুপুর থেকে চেয়ারম্যান ফিরোজ মাষ্টার বিষয়টি সমাধান করে দেয়ার কথা বলে বিনা চিকিৎসায় আটকিয়ে রেখেছেন। মেয়েটি বর্তমানে রক্তাত অবস্থায় রয়েছে। এ ঘটনায় বিষয় জানতে চেয়ারম্যানের ০১৭১৬-২৬ ২৭ ৫০ নাম্বারে রাত সাড়ে ১২ টা পর্যন্ত বার বার ফোন দিয়ে পাওয়া যায়নি। এ ব্যাপারে শ্রীমঙ্গল থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) গোলাম সারোয়ারের সাথে রাত সাড়ে ১২ টায় যোগাযোগ করলে তিনি বিষয়টির সংবাদ পাননি বলে জানান।
4.
IN THE CASE OF BANGLADESHI MINORITY IN THE COMPARISON INDIAN MINORITY,TRUE STATEMENT BY A BANGLADESHI HINDU..
5.
6.
হিন্দু বাড়িতে আ.লীগের হামলা, নিহত ১
Sunday, October 12, 2014 || Time : 11:46:42 PM
লালমনিরহাট: মাছ ধরাকে কেন্দ্র করে লালমনিরহাটে এক সংখ্যালঘুর বাড়িতে হামলা চালিয়েছে স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা। এ সময় ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ভোলানাথ (৩৬) নামে এক কৃষককে খুন করে হামলাকারীরা। তবে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ছয় জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
রোববার সকালে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ভোলানাথের মৃত্যু হয়।
শনিবার বিকেলে কালিগঞ্জ উপজেলার চন্দ্রপুর ইউনিয়নের নওদাবাস গ্রামের সতি নদীতে মাছ ধরাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ বাধলে এ ঘটনা ঘটে।
শনিবার বিকেলে কালিগঞ্জ উপজেলার চন্দ্রপুর ইউনিয়নের নওদাবাস গ্রামের সতি নদীতে মাছ ধরাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ বাধলে এ ঘটনা ঘটে।
এলাকাবাসী জানান, শনিবার বিকেলে কালিগঞ্জ উপজেলার চন্দ্রপুর ইউনিয়নের নওদাবাস গ্রামের রামচন্দ্র রায়ের ছেলে ভোলানাথের জমিতে বাঁধ দিয়ে মাছ ধরতে যান নওদাবাস ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের নেতা খোরশ জামাল ও তার সহযোগিরা। এতে ভোলানাথ বাধা দিতে গেলে তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে জখম করেন তারা।
এ ঘটনার পর ভোলানাথের বাড়িতে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাঙচুর ও লুটপাট চালায় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা। এ সময় তারা ভোলানাথের স্ত্রী আরজু বালাসহ বাড়ির সাত সদস্যকে পিটিয়ে জখম করে।
গুরুতর অবস্থায় স্থানীয়রা ভোলানাথকে উদ্ধার করে প্রথমে কালিগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও পরে অবস্থার অবনতি হলে রাতেই রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রোববার সকালে তিনি মারা যান।
ঘটনার সঙ্গে জড়িতরা আওয়ামী লীগের সক্রিয় সদস্য বলে স্বীকার করেছেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বিজয় কুমার রায়।
এদিকে, সংখ্যালঘুর বাড়িতে হামলা লুটপাট ও হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ওই এলাকার সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
চন্দ্রপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, হত্যাকারীরা স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী। তাদের বিরুদ্ধে নানা অপকর্মের অভিযোগ রয়েছে।
এ ব্যাপারে কালীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সোহরাব হোসেন জানান, ঘটনার সঙ্গে জড়িত ছয় জনকে রোববার ভোরে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
জেলা প্রতিনিধি
গ্লোবাল নিউজ ২৪ ডটকম/শাচৌ/সাএ
শ্রীমঙ্গল ৯ বছরের হিন্দু শিশু কন্যাকে ধর্ষণ
October 10, 2014 ক্রাইম, সারা সিলেট
iশ্রীমঙ্গল ॥ উপজেলার মির্জাপুর ইউনিয়নের বৌলসির বাজারের একটি মুদি দোকানের মালিক সামছু মিয়া (২৮) কর্তৃক দরিদ্র পরিবারের ৯ বছরের হিন্দু শিশু কন্যাকে দোকানের পেছনের রুমে ধর্ষনের শিকার হওয়ার পর ১২ ঘন্টা যাবৎ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ফিরোজ মাষ্টার বিনা চিকিৎসায় আটকিয়ে রাখার অভিযোগ করেছেন এলাকাবাসী।
মেয়ের বাবা হত দরিদ্র সৌরভ দাস জানান, ৯ অক্টোবর বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার সময় মেয়েটি দোকনে বিস্কুট আনতে যায়। তখন পাষন্ড সামছু মেয়েটিকে পলোভন দেখিয়ে দোকানে পেছনে নিয়ে ধর্ষন করে আহত করে। আহত অবস্থায় মেয়েকে তার স্বজনরা দোকানের সামন থেকে নিয়ে আসলে ঘটনার বিবরন দেয় শিশুকন্যা। মেয়ের বাবা অভিযোগ করে বলেন দুপুর থেকে চেয়ারম্যান ফিরোজ মাষ্টার বিষয়টি সমাধান করে দেয়ার কথা বলে বিনা চিকিৎসায় আটকিয়ে রেখেছেন। মেয়েটি বর্তমানে রক্তাত অবস্থায় রয়েছে। এ ঘটনায় বিষয় জানতে চেয়ারম্যানের ০১৭১৬-২৬ ২৭ ৫০ নাম্বারে রাত সাড়ে ১২ টা পর্যন্ত বার বার ফোন দিয়ে পাওয়া যায়নি। এ ব্যাপারে শ্রীমঙ্গল থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) গোলাম সারোয়ারের সাথে রাত সাড়ে ১২ টায় যোগাযোগ করলে তিনি বিষয়টির সংবাদ পাননি বলে জানান।
08.
বিরলে হিন্দু গৃহবধূর ইজ্জতের মুল্য ৫২ হাজার টাকা, ধর্ষককে ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ
BY NEWS DESK · 10 OCTOBER 2014
সুবল রায়, বিরলঃ দিনাজপুরের বিরলে ধর্ষণ ঘটনা ধামাচাপা দিতে থানা চত্বরে শালিস বসিয়ে প্রকাশ্য এক হিন্দু গৃহবধূর ইজ্জতের মুল্য ৫২ হাজার টাকা নির্ধরণ করে ২০ ঘন্টা পর ধর্ষককে থানা হাজত থেকে ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ। মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ফিরোজা বেগম সোনা, ইউপি সদস্য রাজা দশরথ, আওয়ামীলীগনেতা সহ বিভিন্ন নেতৃদের শালিশীতে এঘটনায় ধর্ষিতার স্বামী বিয়ের সম্পর্ক ছিন্ন করায় ধর্ষিতা গৃহবধু পিতার বাড়ীতে আশ্রয় নিয়েছে।
জানাগেছে, গত বুধবার রাত ৮ টার দিকে উপজেলার রাণীপুকুর ইউপি’র বরাহ নগর গ্রামের আব্দুস ছালামের বখাটে পুত্র মহিদুর (১৮) একই ইউপি’র হালজায় গ্রামের এক হিন্দু গৃহবধূ (২০)’র ঘরে প্রবেশ করে ঐ গৃহবধুকে ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। এসময় ধর্ষিতার চিৎকারে ধর্ষিতার স্বামীসহ এলাকার লোকজন ছুটে এসে ধর্ষক মহিদুরকে আপত্তিকর অবস্থায় আটক করলে গত বৃহস্পতিবার বিকাল ৪ টার দিকে এলাকার জনপ্রতিনিধিসহ একটি স্বার্থন্বেষী মহল বিষয়টি ১ লক্ষ টাকার বিনিময়ে ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা চালালে ঐ সময় বিরল থানার এসআই আশরাফুলসহ সংগীয়ফোর্স পিকআপ ভ্যাননিয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে ধর্ষক ও ধর্ষিতাকে থানায় নিয়ে আসে। তবে দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হলেও এব্যপারে থানায় কোন মামলা হয়নি।
উপরুন্ত আজ শুক্রবার দুপুরে এসআই আশরাফুলের নের্তৃত্বে বিরল থানা চত্বরে একটি শালিশ বৈঠক বসানো হলে গৃহবধূ ধর্ষিতার ইজ্জতের মুল্য ৫২ হাজার টাকা নির্ধারন করে প্রায় ২০ ঘন্টা পর ধর্ষক মহিদুলকে থানা হাজত থেকে ছেড়ে দেয়া হয়। এদিকে ধর্ষিতাকেও ২০ ঘন্টা ধরে থানায় রাখা হলেও তার কাছ থেকে কোন মামলা নেয়া হয়নি এবং তাকে কোন ডাক্তারী পরীক্ষা করানো হয়নি বলে ধর্ষিতার পক্ষ থেকে অভিযোগ উঠেছে। এবিষয়ে বিরল থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুল হাই সরকারের কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি জানান, বিষয়টির ব্যাপারে এসআই আশরাফুল সব জানেন। এসআই আশরাফুল জানান, থানায় শালিস বৈঠকের মাধ্যমে ধর্ষকের পক্ষ থেকে ধর্ষিতাকে নগদ ৫২ হাজার টাকা নিয়ে দিয়ে ধর্ষককে ছেড়ে দেয়া হয়েছে। পুলিশ ও স্বার্থন্বেষী মহলের কারণে ধর্ষক ছাড়া পাওয়ায় ক্ষিপ্তহয়ে ঐ শালিস বৈঠকে সাথে সাথে ধর্ষিতার স্বামী কুথার চন্দ্র এফিডেফিটের মাধ্যমে ধর্ষিতাকে ডিফোর্স দেয়ার ঘোষণা দিলে তার কাছ থেকেও ৭০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয়া হয় এবং ঐ ধর্ষিতাকে রাঙ্গণ গ্রামের তার পিত্রালয়ে পাঠিয়ে দেয়া হয়।
এদিকে ঘটনাটিকে কেন্দ্র করে জনমনে প্রশ্ন উঠেছে পুলিশ আইন জানেনা না-কি আইনের ব্যবহার জানেনা। যদি আইন জেনে থাকে তা হলে একটি ধর্ষণ ঘটনায় আসামীকে ২০ ঘন্টা থানা হাজতে আটক রাখার পর টাকার বিনিময়ে তাকে ছেড়ে দেয়া হলো কেন? আর যদি ঘটনা মিথ্যা হয় তাহলে শালিস বৈঠকে প্রকাশ্য ঐ গৃহবধূর ইজ্জতের মুল্য ৫২ হাজার টাকা নেয়া হলো কেন? এব্যাপারে বিভিন্ন ব্যাক্তি ও সংগঠন দ্রুত ব্যবস্থা চেয়ে উর্দ্ধোত্বন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
09.
Attack by Ruling Party Men
Hindu killed, houses of two families vandalised
Our Correspondent, Lalmonirhat
One of five Hindus, injured in an attack allegedly by the ruling party men, over fishing in a water body at Nawdabash village in Kaliganj upazila of the district on Thursday, died at Rangpur Medical College Hospital on Saturday night.
The deceased is Bholanath Chandra Roy, 65, of the village. He succumbed to his injuries at the hospital at around 11:40pm. Four other injured are Bholanath's elder brother Manir Chandra Roy, 68, wife Sandhya Rani Roy, 52, son Subol Chandra Roy, 40, and daughter-in-law Kukila Rani Roy, 32.
The injured are undergoing treatment at Kaliganj Upazila Health Complex. Bholanath's son Subol filed a case with the police station concerned on Thursday, accusing eight named and 40 unnamed people on Thursday, but police recorded the case on Saturday.
The named accused are Khairuzzaman Miah, 42, Khorshed Alam, 38, Reza Islam, 40, Ariful Islam,44, Shariful Islam, 40, Jariful Islam, 37, Kandura Miah, 53, and Shahinur Islam, 40. They all are from the same village under Chandrapur union and members of the AL union unit, police, locals and party sources said.
The accused also vandalised and looted three houses of two Hindus families at the village the following day. Police yesterday arrested six of the accused while the rest are still at large.
Contacted, Officer-in-Charge (OC) Sohrab Hossain of Kaliganj Police Station said they are raiding different areas to arrest the remained accused.
The AL men swooped on Bholanath and his family members as they tried to prevent them from fishing in the water body belonging to Bholanath and another Hindu family of the village on Thursday noon.
10.
হত্যা মামলার আসামী ৪ দিনের মাথায় জামিন!হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজনের মধ্যে চরম আতঙ্ক
গোকুল রায়, লালমনিরহাট।। লালমনিরহাটের গ্রামে সাম্প্রদায়িক হামলা, নিহত ও আহতের ঘটনায় দায়েরকৃত মামলার কোন অগ্রগতি নেই। বরং গ্রেফতারের ৪ দিনের মাথায় এজহারভূক্ত একজন আসামী আদালত থেকে জামিন নেয়ার পর গোটা এলাকায় হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে আতঙ্ক বেড়েছে। জামিনে ছাড়া পেয়ে মামলা তুলে নিতে নিহত ভোলানাথের পরিবারের উপর হুমকি দিচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। হিন্দু সম্প্রদায়ের উপর এই নৃশংস হামলার ঘটনার পর একদিকে যেমন চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভূগছে কয়েক’শ হিন্দু পরিবার তেমনি এসব সংখ্যালঘু পরিবারের পাশেও এখন কেউ নেই।
উল্লেখ্য, লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলার চন্দ্রপুর গ্রামে গত ৯ অক্টোবর বৃহস্পতিবার দুপুরে প্রকাশ্য দিবালোকে গ্রামের ভোলানাথ রায় এবং মনিন্দ্রনাথ রায়ের বাড়িতে প্রায় শতাধিক দুর্বৃত্ত ধারালো নানা দেশীয় অস্ত্র ও লাঠি-সোটাসহ হামলা চালায়। দুর্র্বত্তরা বাড়ি-ঘর, আসবাবপত্রে ব্যাপক ভাংচুর, নারী-পুরুষ নির্বিশেষে অস্ত্র ও লাঠিসোটা দিয়ে নির্মমভাবে মারপিট করে নগদ অর্থ ও স্বর্ণালঙ্কার লুট করা সহ গৃহকর্তা ভোলানাথ কে ধারালো অস্ত্র এবং লোহার রড দিয়ে খুচিয়ে গুরুতর জখম করে। আহত হয় নারী পুরুষসহ ৬ জন। ঘটনার পর ওই দিন রাতে ৮ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত ৪০ জনের বিরুদ্ধে থানায় মামলা করা হলেও পুলিশ মামলা না নিয়ে ফেলে রাখে বলে অভিযোগ রয়েছে। এর ২ দিন পর গত ১১ অক্টোবর রাতে আহত বৃদ্ধ চিকিৎসাধীন অবস্থায় রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মারা গেলে পুলিশ মামলা রেকর্ড করে। পরদিন ১২ অক্টোবর রোববার ৬ জন আসামীকে পুলিশ গ্রেফতার করে। কিন্তু গ্রেফতারের ৪ দিনের মাথায় হত্যা মামলার এজহারভূক্ত ৩ নম্বর আসামী রেজাউল করিম রেজা গত ১৬ অক্টোবর বৃহস্পতিবার আদালত থেকে জামিনে ছাড়া পায়। এব্যাপারে পুলিশের রহস্যজনক ভূমিকার অভিযোগ তুলেছেন সচেতন মহল। এরপর আর কোন আসামীকে পুলিশ গ্রেফতার করতে পারেনি বলে থানা পুলিশ স্বীকার করেছে। তবে হত্যা মামলার আসামী ৪ দিনের মাথায় জামিনে মুক্ত হওয়ার বিষয়ে কালীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সোহরাব হোসেনের কাছে জানতে চাইলে তিনি এজহার ভূক্ত আসামী জামিনে মুক্ত হওয়ার বিষয়টি স্বীকার করেন এবং বিস্ময় প্রকাশ করে বলেন, ‘আমার চাকুরী জীবনে হত্যা মামলার আসামী ৪ দিনের মাথায় জামিনে মুক্ত হওয়ার ঘটনা এটিই প্রথম।’ তিনি আরও বলেন, এজহারভূক্ত আসামী জামিনে মুক্ত হবার খবরটি তিনি ওই দিন রাতে জানতে পেরে সঙ্গে সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কোর্ট ইন্সপেক্টরকে জিজ্ঞাসা করলে তিনি খোজ নিয়ে জানাবেন বলে তাকে বলেন। তিনি উল্লেখ করেন, জামিন পাওয়ার বিষয়টি সময়মত জানতে পারলে বিকল্প পদ্ধতিতে তাকে আটক করা সম্ভব হতো। জামিনের রহস্যের বিষযে তিনি কিছু না বললেও অন্য কোন আসামী গ্রেফতার হযনি বলে স্বীকার করেন।
এদিকে, কালীগঞ্জের চন্দ্রপুর গ্রামে নৃশংস সাম্প্রদায়িক হামলার পর থেকে এলাকার হিন্দু সম্প্রদায়ের পাশে এখন কেউ নেই। ঘটনার পর স্থানীয় একজন সাংসদ এবং আওয়ামীলীগের দু’এক জন নেতা ঘটনাস্থল ঘুরে আসেন বলে জানা গেছে। এছাড়া হিন্দু ও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের বিভিন্ন সংগঠন-জেলা কিংবা উপজেলা পর্যায়ের পূজা উদযাপন কমিটি, হিন্দু-বৌদ্ধ-খৃষ্টান ঐক্য পরিষদ কিংবা কোন মানবাধিকার সংগঠনও এখন পর্যন্ত তাদের পাশে দাড়ায়নি বলে ভূক্তভোগী সংখ্যালঘু পরিবারের লোকজন জানিয়েছেন।
হরতালে প্রথম ধাপে ৬ শতাধিক নেতাকর্মী গ্রেপ্তার: জামায়াতের দাবি
বৃহস্পতিবার, ৩০ অক্টোবর ২০১৪
অনলাইন ডেস্ক: মাওলানা মতিউর রহমান নিজামীর ফাঁসির রায়ের প্রতিবাদে জামায়াতের ডাকা হরতালের প্রথম ধাপে ৬ শতাধিক নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে দাবি দলটির। সেই সঙ্গে হরতাল চলাকালে নেতাকর্মীদের উপর আইনশৃঙ্খলা বাহিনী গুলি চালিয়েছে বলেও দাবি করা হয়।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় জামায়াতের পাঠানো এক বিবৃতিতে এ দাবি করেন দলের জামায়াতে ইসলামীর ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি জেনারেল ডা. শফিকুর রহমান।
বিবৃতিতে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘দেশের জনগণ স্বতঃস্ফূর্তভাবে হরতাল পালনকালে সরকার দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের ৬ শতাধিক নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে। গতকাল গভীর রাতে পুলিশ জামায়াতের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য আতাউর রহমানকে তার বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করে। আজ ফরিদপুর জেলা জামায়াতের সাবেক আমির মো. দেলোয়ার হোসাইন, রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার নির্বাচিত ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল মাজেদ মারজানসহ সারাদেশ থেকে ৬ শতাধিক নেতাকর্মীকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে।’
তিনি বলেন, ‘হারতাল চলাকালে ঢাকা, সিলেট, রাজশাহী, বরিশাল, খুলনা, বগুড়া, চট্টগ্রাম, ব্রাহ্মণবাড়ীয়া, নওগা, পাবনা, নীলফামারী, নেত্রকোনা, রংপুর, যশোর, চাপাইনবাবগঞ্জ, কুমিল্লা, চাঁদপুর, সিরাজগঞ্জ, মুন্সীগঞ্জ, নাটোর, চুয়াডাঙ্গা, ঝিনাইদহ, লক্ষ্মীপুরসহ সারাদেশে সরকার দলীয়রা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী যৌথভাবে হামলা চালায়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর গুলিতে সারাদেশে দেড় শতাধিক নেতাকর্মী আহত হয়।’
জামায়াতের এ মুখপাত্র দাবি করেন, ‘গতকাল চাঁপাইনবাবগঞ্জে জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের শান্তিপূর্ণ মিছিলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী গুলি চালিয়ে প্রায় ২৫ জনেক মারাত্মকভাবে আহত করে। আহতদের শিবগঞ্জ উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়ার কারণে ও মারাত্মকভাবে গুলিবিদ্ধ কয়েকজনকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করার জন্য উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. আব্দুর রহমান, মেডিকেল অফিসার ডা. আসিয়া ফেরদৌসী ও সিনিয়র সহকারী শরিফুল ইসলামকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে নিয়ে যায়। এ স্বৈরাচারী সরকার আহতদের চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত করে ও কর্তব্যরত ডাক্তারকে তার পেশাগত দায়িত্ব পালনে বাধা দিয়ে চরম মানবতাবিরোধী অপরাধ করেছে। এ সরকার আহতদেরকে চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত করে যে অপরাধ করেছে তার জন্য জনতার আদালতে তাদেরকে অবশ্যই জবাবদিহী করতে হবে। আমি সরকারের এ জঘন্য ভূমিকার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।’
12.
13.
খোকসায় তিন সংখ্যালঘুর বাড়িতে ডাকাতি
বুধবার, ২৯ অক্টোবর, ২০১৪
খোকসা অফিস \ কুষ্টিয়ার খোকসা উপজেলার চরবিহারীয়া গ্রামে এক রাতে তিন সংখ্যালঘুর বাড়িতে ডাকাতি হয়েছে। সক্রিয় হয়ে ওঠা ডাকাত ও সন্ত্রাসীদের হামলার আতঙ্কে সংখ্যালঘু অধ্যুষিত পাঁচটি গ্রামের মানুষ।
জানা গেছে, সোমবার দিবাগত গভীর রাতে চরবিহারীয়া গ্রামের সনাতন মন্ডলের বাড়িতে ১০/১২ জন ডাকাত হানাদিয়ে গৃহকর্তাকে ঘুম থেকে ডেকে তোলে। ডাকাতরা নিজেদের পার্টির লোক পরিচয় দিয়ে গৃহকতার দুই ছেলে সঞ্জয় মন্ডল ও সুজন মন্ডলকে ডেকে তুলতে বাধ্য করে। এক পর্যায়ে বাড়ির সবাইকে এক ঘরে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে তারা ডাকাতি শুরু করে। এ গ্রামের প্রফুল্ল মন্ডল ও সুনীল শিকদারের বাড়িতে একই ডাকাত দল হানা দিয়ে একই কৌশলে ডাকাতির ঘটনা ঘটায়। ডাকাতরা তিন বাড়ি থেকে সবর্ণালংকার, ফসল বিক্রির নগদ টাকাসহ প্রায় পাঁচ লাখ টাকার মালামাল নিয়ে যায়। প্রায় ২ ঘন্টা ধরে ডাকাতি চালিয়ে ডাকাতরা চলে গেলে ভোর ৫টার দিকে খোকসা থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। ডাকাত দলের হামলায় ক্ষতিগ্রস্থরা জানায়, মুখোশপরা ডাকাতরা ১০/১২ জন ছিল। প্রত্যেকের কাছে ধারালো অস্ত্র ছিল।
সংখ্যালঘু অধ্যুষিত উপজেলার মাসুয়া ঘাটা, চর বিহারীয়া, একতারপুর, ঈশ্বরদীসহ আশে পাশের পাঁচটি গ্রামে চাঁদাবাজী, ডাকাতি ও সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা উদ্বেগজনকভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় জনমনে আতঙ্ক ছড়িয়ে পরেছে। ডাকাতির ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মতিয়ার রহমান। তবে সন্ত্রাসীরা কেন ডাকাতি করলো তা নিয়ে তিনি চিমিত্মত। এ ঘটনায় মামলা হয়নি বলে তিনি জানান।
14.
জাতীয় পার্টি ক্ষমতায় গেলে ইসলাম শক্তিশালী হবে ॥ এরশাদ











