Saturday, October 11, 2014

Religious Minority Community in Bangladesh ; OCTOBER 2014



1.  





2.
THE VALUE OF  HINDU HOUSEWIFE'S "DIGNITY & HONOR" IS 52,000/= TAKA ,DECIDED BY ISLAMIST IN BANGLADESH.


ইজ্জতের মূল্য ৫২ হাজার!




girl-dinajpur24
girl-dinajpur24
স্টাফ রিপোর্টার : দিনাজপুর জেলার বিরল উপজেলায় এক হিন্দু গৃহবধূর ইজ্জতের মূল্য নির্ধারণ মাত্র ৫২ হাজার টাকা।  শুক্রবার দুপুরে থানা চত্বরে শালিসি বৈঠকে মূল্য নির্ধারণ করা হয়। এ ঘটনায় ধর্ষিতাকে তার স্বামী আইনত ত্যাগ করেন। এরপর তার ঠাঁই হয়েছে বাবার বাড়িতে। অন্যদিকে, ২০ ঘণ্টা আটক রেখে ধর্ষককেও হাজত থেকে ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ। বৈঠকে বিরল উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ফিরোজা বেগম সোনা, ইউপি সদস্য রাজা দশরথসহ আওয়ামী লীরগর কয়েকজন নেতা এবং পুলিশ উপস্থিত ছিলেন। গত বুধবার রাত ৮টার দিকে বিরল উপজেলার রাণীপুকুর ইউপির বরাহ নগর গ্রামের আব্দুস ছালামের বখাটে ছেলে মহিদুর (১৮) এক হিন্দু গৃহবধূর (২০) ঘরে ঢুকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন। এ সময় ধর্ষিতার চিৎকারে তার স্বামীসহ এলাকার লোকজন ছুটে এসে ধর্ষক মহিদুরকে আটক করে। গত বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টার দিকে এলাকার জনপ্রতিনিধিসহ একটি স্বার্থন্বেষী মহল বিষয়টি এক লাখ টাকার বিনিময়ে ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা চালায়।
এ ঘটনায় বিরল থানার এসআই আশরাফুল সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে ধর্ষক ও ধর্ষিতাকে থানায় নিয়ে আসে। তবে দীর্ঘ সময়পরও এ ব্যাপারে থানায় কোনো মামলা হয়নি। শুক্রবার দুপুরে এসআই আশরাফুলের নেতৃত্বে বিরল থানা চত্বরে একটি শালিশ বৈঠক বসানো হয়। সেখানো টাকার বিনিময়ে উক্ত প্রহসনমূলক বিচারের রায় দেয়া হয়। এদিকে, ধর্ষিতাকেও ২০ ঘণ্টা ধরে থানায় রাখা হলেও তার কাছ থেকে কোনো মামলা নেয়া হয়নি এবং তাকে কোন ডাক্তারি পরীক্ষা করানো হয়নি বলে ধর্ষিতার পক্ষ থেকে অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে বিরল থানার ওসি আব্দুল হাই সরকার জানান,  বিষয়টির ব্যাপারে এসআই আশরাফুল সব জানেন। এ ব্যাপারে এসআই আশরাফুল জানান, থানায় শালিস বৈঠকের মাধ্যমে ধর্ষকের কাছ থেকে ধর্ষিতাকে নগদ ৫২ হাজার টাকা দেয়া হয়। এরপর ধর্ষককে ছেড়ে দেয়া হয়।
পুলিশ ও স্বার্থন্বেষী মহলের কারণে ধর্ষক ছাড়া পাওয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে ওই শালিস বৈঠকেই ধর্ষিতার স্বামী কুথার চন্দ্র ধর্ষিতাকে ডিফোর্স দেন। এজন্য তার কাছ থেকেও ৭০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয়া হয় ওই শালিসকারীরা। আরও অভিযোগ উঠেছে ধর্ষককে রক্ষার দায়িতে থাকা পুলিশ এবং ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দলের কতিপয় নেতা এক লাখ টাকা উৎকোচ নিয়েছে ধর্ষকের কাছে।

3.

শ্রীমঙ্গল ৯ বছরের হিন্দু শিশু কন্যাকে ধর্ষণ

images
imagesশ্রীমঙ্গল ॥ উপজেলার মির্জাপুর ইউনিয়নের বৌলসির বাজারের একটি মুদি দোকানের মালিক সামছু মিয়া (২৮) কর্তৃক দরিদ্র পরিবারের ৯ বছরের হিন্দু শিশু কন্যাকে দোকানের পেছনের রুমে ধর্ষনের শিকার হওয়ার পর ১২ ঘন্টা যাবৎ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ফিরোজ মাষ্টার বিনা চিকিৎসায় আটকিয়ে রাখার অভিযোগ করেছেন এলাকাবাসী।
মেয়ের বাবা হত দরিদ্র সৌরভ দাস জানান, ৯ অক্টোবর বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার সময় মেয়েটি দোকনে বিস্কুট আনতে যায়। তখন পাষন্ড সামছু মেয়েটিকে পলোভন দেখিয়ে দোকানে পেছনে নিয়ে ধর্ষন করে আহত করে। আহত অবস্থায় মেয়েকে তার স্বজনরা দোকানের সামন থেকে নিয়ে আসলে ঘটনার বিবরন দেয় শিশুকন্যা। মেয়ের বাবা অভিযোগ করে বলেন দুপুর থেকে চেয়ারম্যান ফিরোজ মাষ্টার বিষয়টি সমাধান করে দেয়ার কথা বলে বিনা চিকিৎসায় আটকিয়ে রেখেছেন। মেয়েটি বর্তমানে রক্তাত অবস্থায় রয়েছে। এ ঘটনায় বিষয় জানতে চেয়ারম্যানের ০১৭১৬-২৬ ২৭ ৫০ নাম্বারে রাত সাড়ে ১২ টা পর্যন্ত বার বার ফোন দিয়ে পাওয়া যায়নি। এ ব্যাপারে শ্রীমঙ্গল থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) গোলাম সারোয়ারের সাথে রাত সাড়ে ১২ টায় যোগাযোগ করলে তিনি বিষয়টির সংবাদ পাননি বলে জানান।
4.
 IN THE CASE OF BANGLADESHI MINORITY IN THE COMPARISON INDIAN MINORITY,TRUE STATEMENT BY A  BANGLADESHI HINDU..



5.




6.

হিন্দু বাড়িতে আ.লীগের হামলা, নিহত ১

Sunday, October 12, 2014 || Time : 11:46:42 PM
হিন্দু বাড়িতে আ.লীগের হামলা, নিহত ১
লালমনিরহাট: মাছ ধরাকে কেন্দ্র করে লালমনিরহাটে এক সংখ্যালঘুর বাড়িতে হামলা চালিয়েছে স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা। এ সময় ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ভোলানাথ (৩৬) নামে এক কৃষককে খুন করে হামলাকারীরা। তবে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ছয় জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
রোববার সকালে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ভোলানাথের মৃত্যু হয়।
শনিবার বিকেলে কালিগঞ্জ উপজেলার চন্দ্রপুর ইউনিয়নের নওদাবাস গ্রামের সতি নদীতে মাছ ধরাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ বাধলে এ ঘটনা ঘটে।
এলাকাবাসী জানান, শনিবার বিকেলে কালিগঞ্জ উপজেলার চন্দ্রপুর ইউনিয়নের নওদাবাস গ্রামের রামচন্দ্র রায়ের ছেলে ভোলানাথের জমিতে বাঁধ দিয়ে মাছ ধরতে যান নওদাবাস ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের নেতা খোরশ জামাল ও তার সহযোগিরা। এতে ভোলানাথ বাধা দিতে গেলে তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে জখম করেন তারা।
এ ঘটনার পর ভোলানাথের বাড়িতে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাঙচুর ও লুটপাট চালায় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা। এ সময় তারা ভোলানাথের স্ত্রী আরজু বালাসহ বাড়ির সাত সদস্যকে পিটিয়ে জখম করে।
গুরুতর অবস্থায় স্থানীয়রা ভোলানাথকে উদ্ধার করে প্রথমে কালিগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও পরে অবস্থার অবনতি হলে রাতেই রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রোববার সকালে তিনি মারা যান।
ঘটনার সঙ্গে জড়িতরা আওয়ামী লীগের সক্রিয় সদস্য বলে স্বীকার করেছেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বিজয় কুমার রায়।
এদিকে, সংখ্যালঘুর বাড়িতে হামলা লুটপাট ও হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ওই এলাকার সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
চন্দ্রপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, হত্যাকারীরা স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী। তাদের বিরুদ্ধে নানা অপকর্মের অভিযোগ রয়েছে।
এ ব্যাপারে কালীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সোহরাব হোসেন জানান, ঘটনার সঙ্গে জড়িত ছয় জনকে রোববার ভোরে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

জেলা প্রতিনিধি
গ্লোবাল নিউজ ২৪ ডটকম/শাচৌ/সাএ





07.
শ্রীমঙ্গল ৯ বছরের হিন্দু শিশু কন্যাকে ধর্ষণ
October 10, 2014 ক্রাইম, সারা সিলেট 

iশ্রীমঙ্গল ॥
 উপজেলার মির্জাপুর ইউনিয়নের বৌলসির বাজারের একটি মুদি দোকানের মালিক সামছু মিয়া (২৮) কর্তৃক দরিদ্র পরিবারের ৯ বছরের হিন্দু শিশু কন্যাকে দোকানের পেছনের রুমে ধর্ষনের শিকার হওয়ার পর ১২ ঘন্টা যাবৎ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ফিরোজ মাষ্টার বিনা চিকিৎসায় আটকিয়ে রাখার অভিযোগ করেছেন এলাকাবাসী।
মেয়ের বাবা হত দরিদ্র সৌরভ দাস জানান, ৯ অক্টোবর বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার সময় মেয়েটি দোকনে বিস্কুট আনতে যায়। তখন পাষন্ড সামছু মেয়েটিকে পলোভন দেখিয়ে দোকানে পেছনে নিয়ে ধর্ষন করে আহত করে। আহত অবস্থায় মেয়েকে তার স্বজনরা দোকানের সামন থেকে নিয়ে আসলে ঘটনার বিবরন দেয় শিশুকন্যা। মেয়ের বাবা অভিযোগ করে বলেন দুপুর থেকে চেয়ারম্যান ফিরোজ মাষ্টার বিষয়টি সমাধান করে দেয়ার কথা বলে বিনা চিকিৎসায় আটকিয়ে রেখেছেন। মেয়েটি বর্তমানে রক্তাত অবস্থায় রয়েছে। এ ঘটনায় বিষয় জানতে চেয়ারম্যানের ০১৭১৬-২৬ ২৭ ৫০ নাম্বারে রাত সাড়ে ১২ টা পর্যন্ত বার বার ফোন দিয়ে পাওয়া যায়নি। এ ব্যাপারে শ্রীমঙ্গল থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) গোলাম সারোয়ারের সাথে রাত সাড়ে ১২ টায় যোগাযোগ করলে তিনি বিষয়টির সংবাদ পাননি বলে জানান।

08.

বিরলে হিন্দু গৃহবধূর ইজ্জতের মুল্য ৫২ হাজার টাকা, ধর্ষককে ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ

BY  · 10 OCTOBER 2014

Birol Thana
সুবল রায়, বিরলঃ দিনাজপুরের বিরলে ধর্ষণ ঘটনা ধামাচাপা দিতে থানা চত্বরে শালিস বসিয়ে প্রকাশ্য এক হিন্দু গৃহবধূর ইজ্জতের মুল্য ৫২ হাজার টাকা নির্ধরণ করে ২০ ঘন্টা পর ধর্ষককে থানা হাজত থেকে ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ। মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ফিরোজা বেগম সোনা, ইউপি সদস্য রাজা দশরথ, আওয়ামীলীগনেতা সহ বিভিন্ন নেতৃদের শালিশীতে এঘটনায় ধর্ষিতার স্বামী বিয়ের সম্পর্ক ছিন্ন করায় ধর্ষিতা গৃহবধু পিতার বাড়ীতে আশ্রয় নিয়েছে।
জানাগেছে, গত বুধবার রাত ৮ টার দিকে উপজেলার রাণীপুকুর ইউপি’র বরাহ নগর গ্রামের আব্দুস ছালামের বখাটে পুত্র মহিদুর (১৮) একই ইউপি’র হালজায় গ্রামের এক হিন্দু গৃহবধূ (২০)’র ঘরে প্রবেশ করে ঐ গৃহবধুকে ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। এসময় ধর্ষিতার চিৎকারে ধর্ষিতার স্বামীসহ এলাকার লোকজন ছুটে এসে ধর্ষক মহিদুরকে আপত্তিকর অবস্থায় আটক করলে গত বৃহস্পতিবার বিকাল ৪ টার দিকে এলাকার জনপ্রতিনিধিসহ একটি স্বার্থন্বেষী মহল বিষয়টি ১ লক্ষ টাকার বিনিময়ে ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা চালালে ঐ সময় বিরল থানার এসআই আশরাফুলসহ সংগীয়ফোর্স পিকআপ ভ্যাননিয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে ধর্ষক ও ধর্ষিতাকে থানায় নিয়ে আসে। তবে দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হলেও এব্যপারে থানায় কোন মামলা হয়নি।
উপরুন্ত আজ শুক্রবার দুপুরে এসআই আশরাফুলের নের্তৃত্বে বিরল থানা চত্বরে একটি শালিশ বৈঠক বসানো হলে গৃহবধূ ধর্ষিতার ইজ্জতের মুল্য ৫২ হাজার টাকা নির্ধারন করে প্রায় ২০ ঘন্টা পর ধর্ষক মহিদুলকে থানা হাজত থেকে ছেড়ে দেয়া হয়। এদিকে ধর্ষিতাকেও ২০ ঘন্টা ধরে থানায় রাখা হলেও তার কাছ থেকে কোন মামলা নেয়া হয়নি এবং তাকে কোন ডাক্তারী পরীক্ষা করানো হয়নি বলে ধর্ষিতার পক্ষ থেকে অভিযোগ উঠেছে। এবিষয়ে বিরল থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুল হাই সরকারের কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি জানান, বিষয়টির ব্যাপারে এসআই আশরাফুল সব জানেন। এসআই আশরাফুল জানান, থানায় শালিস বৈঠকের মাধ্যমে ধর্ষকের পক্ষ থেকে ধর্ষিতাকে নগদ ৫২ হাজার টাকা নিয়ে দিয়ে ধর্ষককে ছেড়ে দেয়া হয়েছে। পুলিশ ও স্বার্থন্বেষী মহলের কারণে ধর্ষক ছাড়া পাওয়ায় ক্ষিপ্তহয়ে ঐ শালিস বৈঠকে সাথে সাথে ধর্ষিতার স্বামী কুথার চন্দ্র এফিডেফিটের মাধ্যমে ধর্ষিতাকে ডিফোর্স দেয়ার ঘোষণা দিলে তার কাছ থেকেও ৭০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয়া হয় এবং ঐ ধর্ষিতাকে রাঙ্গণ গ্রামের তার পিত্রালয়ে পাঠিয়ে দেয়া হয়।
এদিকে ঘটনাটিকে কেন্দ্র করে জনমনে প্রশ্ন উঠেছে পুলিশ আইন জানেনা না-কি আইনের ব্যবহার জানেনা। যদি আইন জেনে থাকে তা হলে একটি ধর্ষণ ঘটনায় আসামীকে ২০ ঘন্টা থানা হাজতে আটক রাখার পর টাকার বিনিময়ে তাকে ছেড়ে দেয়া হলো কেন? আর যদি ঘটনা মিথ্যা হয় তাহলে শালিস বৈঠকে প্রকাশ্য ঐ গৃহবধূর ইজ্জতের মুল্য ৫২ হাজার টাকা নেয়া হলো কেন? এব্যাপারে বিভিন্ন ব্যাক্তি ও সংগঠন দ্রুত ব্যবস্থা চেয়ে উর্দ্ধোত্বন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।



09. 
Attack by Ruling Party Men

Hindu killed, houses of two families vandalised

Our Correspondent, Lalmonirhat
One of five Hindus, injured in an attack allegedly by the ruling party men, over fishing in a water body at Nawdabash village in Kaliganj upazila of the district on Thursday, died at Rangpur Medical College Hospital on Saturday night.
The deceased is Bholanath Chandra Roy, 65, of the village. He succumbed to his injuries at the hospital at around 11:40pm. Four other injured are Bholanath's elder brother Manir Chandra Roy, 68, wife Sandhya Rani Roy, 52, son Subol Chandra Roy, 40, and daughter-in-law Kukila Rani Roy, 32.
The injured are undergoing treatment at Kaliganj Upazila Health Complex. Bholanath's son Subol filed a case with the police station concerned on Thursday, accusing eight named and 40 unnamed people on Thursday, but police recorded the case on Saturday.
The named accused are Khairuzzaman Miah, 42, Khorshed Alam, 38, Reza Islam, 40, Ariful Islam,44, Shariful Islam, 40, Jariful Islam, 37, Kandura Miah, 53, and Shahinur Islam, 40. They all are from the same village under Chandrapur union and members of the AL union unit, police, locals and party sources said.
The accused also vandalised and looted three houses of two Hindus families at the village the following day. Police yesterday arrested six of the accused while the rest are still at large.
Contacted, Officer-in-Charge (OC) Sohrab Hossain of Kaliganj Police Station said they are raiding different areas to arrest the remained accused.
The AL men swooped on Bholanath and his family members as they tried to prevent them from fishing in the water body belonging to Bholanath and another Hindu family of the village on Thursday noon.
10.
হত্যা মামলার আসামী ৪ দিনের মাথায় জামিন!হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজনের মধ্যে চরম আতঙ্ক
গোকুল রায়, লালমনিরহাট।। লালমনিরহাটের গ্রামে সাম্প্রদায়িক হামলা, নিহত ও আহতের ঘটনায় দায়েরকৃত মামলার কোন অগ্রগতি নেই। বরং গ্রেফতারের ৪ দিনের মাথায় এজহারভূক্ত একজন আসামী আদালত থেকে জামিন নেয়ার পর গোটা এলাকায় হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে আতঙ্ক বেড়েছে। জামিনে ছাড়া পেয়ে মামলা তুলে নিতে নিহত ভোলানাথের পরিবারের উপর হুমকি দিচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। হিন্দু সম্প্রদায়ের উপর এই নৃশংস হামলার ঘটনার পর একদিকে যেমন চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভূগছে কয়েক’শ হিন্দু পরিবার তেমনি এসব সংখ্যালঘু পরিবারের পাশেও এখন কেউ নেই।
উল্লেখ্য, লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলার চন্দ্রপুর গ্রামে গত ৯ অক্টোবর বৃহস্পতিবার দুপুরে প্রকাশ্য দিবালোকে গ্রামের ভোলানাথ রায় এবং মনিন্দ্রনাথ রায়ের বাড়িতে প্রায় শতাধিক দুর্বৃত্ত ধারালো নানা দেশীয় অস্ত্র ও লাঠি-সোটাসহ হামলা চালায়। দুর্র্বত্তরা বাড়ি-ঘর, আসবাবপত্রে ব্যাপক ভাংচুর, নারী-পুরুষ নির্বিশেষে অস্ত্র ও লাঠিসোটা দিয়ে নির্মমভাবে মারপিট করে নগদ অর্থ ও স্বর্ণালঙ্কার লুট করা সহ গৃহকর্তা ভোলানাথ কে ধারালো অস্ত্র এবং লোহার রড দিয়ে খুচিয়ে গুরুতর জখম করে। আহত হয় নারী পুরুষসহ ৬ জন। ঘটনার পর ওই দিন রাতে ৮ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত ৪০ জনের বিরুদ্ধে থানায় মামলা করা হলেও পুলিশ মামলা না নিয়ে ফেলে রাখে বলে অভিযোগ রয়েছে। এর ২ দিন পর গত ১১ অক্টোবর রাতে আহত বৃদ্ধ চিকিৎসাধীন অবস্থায় রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মারা গেলে পুলিশ মামলা রেকর্ড করে। পরদিন ১২ অক্টোবর রোববার ৬ জন আসামীকে পুলিশ গ্রেফতার করে। কিন্তু গ্রেফতারের ৪ দিনের মাথায় হত্যা মামলার এজহারভূক্ত ৩ নম্বর আসামী রেজাউল করিম রেজা গত ১৬ অক্টোবর বৃহস্পতিবার আদালত থেকে জামিনে ছাড়া পায়। এব্যাপারে পুলিশের রহস্যজনক ভূমিকার অভিযোগ তুলেছেন সচেতন মহল। এরপর আর কোন আসামীকে পুলিশ গ্রেফতার করতে পারেনি বলে থানা পুলিশ স্বীকার করেছে। তবে হত্যা মামলার আসামী ৪ দিনের মাথায় জামিনে মুক্ত হওয়ার বিষয়ে কালীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সোহরাব হোসেনের কাছে জানতে চাইলে তিনি এজহার ভূক্ত আসামী জামিনে মুক্ত হওয়ার বিষয়টি স্বীকার করেন এবং বিস্ময় প্রকাশ করে বলেন, ‘আমার চাকুরী জীবনে হত্যা মামলার আসামী ৪ দিনের মাথায় জামিনে মুক্ত হওয়ার ঘটনা এটিই প্রথম।’ তিনি আরও বলেন, এজহারভূক্ত আসামী জামিনে মুক্ত হবার খবরটি তিনি ওই দিন রাতে জানতে পেরে সঙ্গে সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কোর্ট ইন্সপেক্টরকে জিজ্ঞাসা করলে তিনি খোজ নিয়ে জানাবেন বলে তাকে বলেন। তিনি উল্লেখ করেন, জামিন পাওয়ার বিষয়টি সময়মত জানতে পারলে বিকল্প পদ্ধতিতে তাকে আটক করা সম্ভব হতো। জামিনের রহস্যের বিষযে তিনি কিছু না বললেও অন্য কোন আসামী গ্রেফতার হযনি বলে স্বীকার করেন।
এদিকে, কালীগঞ্জের চন্দ্রপুর গ্রামে নৃশংস সাম্প্রদায়িক হামলার পর থেকে এলাকার হিন্দু সম্প্রদায়ের পাশে এখন কেউ নেই। ঘটনার পর স্থানীয় একজন সাংসদ এবং আওয়ামীলীগের দু’এক জন নেতা ঘটনাস্থল ঘুরে আসেন বলে জানা গেছে। এছাড়া হিন্দু ও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের বিভিন্ন সংগঠন-জেলা কিংবা উপজেলা পর্যায়ের পূজা উদযাপন কমিটি, হিন্দু-বৌদ্ধ-খৃষ্টান ঐক্য পরিষদ কিংবা কোন মানবাধিকার সংগঠনও এখন পর্যন্ত তাদের পাশে দাড়ায়নি বলে ভূক্তভোগী সংখ্যালঘু পরিবারের লোকজন জানিয়েছেন।

11.  

হরতালে প্রথম ধাপে ৬ শতাধিক নেতাকর্মী গ্রেপ্তার: জামায়াতের দাবি

বৃহস্পতিবার, ৩০ অক্টোবর ২০১৪
মমঅনলাইন ডেস্ক: মাওলানা মতিউর রহমান নিজামীর ফাঁসির রায়ের প্রতিবাদে জামায়াতের ডাকা হরতালের প্রথম ধাপে ৬ শতাধিক নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে দাবি দলটির। সেই সঙ্গে হরতাল চলাকালে নেতাকর্মীদের উপর আইনশৃঙ্খলা বাহিনী গুলি চালিয়েছে বলেও দাবি করা হয়।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় জামায়াতের পাঠানো এক বিবৃতিতে এ দাবি করেন দলের জামায়াতে ইসলামীর ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি জেনারেল ডা. শফিকুর রহমান।
বিবৃতিতে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘দেশের জনগণ স্বতঃস্ফূর্তভাবে হরতাল পালনকালে সরকার দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের ৬ শতাধিক নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে। গতকাল গভীর রাতে পুলিশ জামায়াতের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য আতাউর রহমানকে তার বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করে। আজ ফরিদপুর জেলা জামায়াতের সাবেক আমির মো. দেলোয়ার হোসাইন, রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার নির্বাচিত ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল মাজেদ মারজানসহ সারাদেশ থেকে ৬ শতাধিক নেতাকর্মীকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে।’
তিনি বলেন, ‘হারতাল চলাকালে ঢাকা, সিলেট, রাজশাহী, বরিশাল, খুলনা, বগুড়া, চট্টগ্রাম, ব্রাহ্মণবাড়ীয়া, নওগা, পাবনা, নীলফামারী, নেত্রকোনা, রংপুর, যশোর, চাপাইনবাবগঞ্জ, কুমিল্লা, চাঁদপুর, সিরাজগঞ্জ, মুন্সীগঞ্জ, নাটোর, চুয়াডাঙ্গা, ঝিনাইদহ, লক্ষ্মীপুরসহ সারাদেশে সরকার দলীয়রা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী যৌথভাবে হামলা চালায়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর গুলিতে সারাদেশে দেড় শতাধিক নেতাকর্মী আহত হয়।’
জামায়াতের এ মুখপাত্র দাবি করেন, ‘গতকাল চাঁপাইনবাবগঞ্জে জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের শান্তিপূর্ণ মিছিলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী গুলি চালিয়ে প্রায় ২৫ জনেক মারাত্মকভাবে আহত করে। আহতদের শিবগঞ্জ উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়ার কারণে ও মারাত্মকভাবে গুলিবিদ্ধ কয়েকজনকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করার জন্য উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. আব্দুর রহমান, মেডিকেল অফিসার ডা. আসিয়া ফেরদৌসী ও সিনিয়র সহকারী শরিফুল ইসলামকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে নিয়ে যায়। এ স্বৈরাচারী সরকার আহতদের চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত করে ও কর্তব্যরত ডাক্তারকে তার পেশাগত দায়িত্ব পালনে বাধা দিয়ে চরম মানবতাবিরোধী অপরাধ করেছে। এ সরকার আহতদেরকে চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত করে যে অপরাধ করেছে তার জন্য জনতার আদালতে তাদেরকে অবশ্যই জবাবদিহী করতে হবে। আমি সরকারের এ জঘন্য ভূমিকার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।’
- See more at: http://www.bkagoj1.com/online/2014/10/30/12285.php#sthash.SbTF36Ga.dpuf

12. 

13.

খোকসায় তিন সংখ্যালঘুর বাড়িতে ডাকাতি

খোকসা অফিস \ কুষ্টিয়ার খোকসা উপজেলার চরবিহারীয়া গ্রামে এক রাতে তিন সংখ্যালঘুর বাড়িতে ডাকাতি হয়েছে। সক্রিয় হয়ে ওঠা ডাকাত ও সন্ত্রাসীদের হামলার আতঙ্কে সংখ্যালঘু অধ্যুষিত পাঁচটি গ্রামের মানুষ।
জানা গেছে, সোমবার দিবাগত গভীর রাতে চরবিহারীয়া গ্রামের সনাতন মন্ডলের বাড়িতে ১০/১২ জন ডাকাত হানাদিয়ে গৃহকর্তাকে ঘুম থেকে ডেকে তোলে। ডাকাতরা নিজেদের পার্টির লোক পরিচয় দিয়ে গৃহকতার দুই ছেলে সঞ্জয় মন্ডল ও সুজন মন্ডলকে ডেকে তুলতে বাধ্য করে। এক পর্যায়ে বাড়ির সবাইকে এক ঘরে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে তারা ডাকাতি শুরু করে। এ গ্রামের প্রফুল্ল­ মন্ডল ও সুনীল শিকদারের বাড়িতে একই ডাকাত দল হানা দিয়ে একই কৌশলে ডাকাতির ঘটনা ঘটায়। ডাকাতরা তিন বাড়ি থেকে সবর্ণালংকার, ফসল বিক্রির নগদ টাকাসহ প্রায় পাঁচ লাখ টাকার মালামাল নিয়ে যায়। প্রায় ২ ঘন্টা ধরে ডাকাতি চালিয়ে ডাকাতরা চলে গেলে ভোর ৫টার দিকে খোকসা থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। ডাকাত দলের হামলায় ক্ষতিগ্রস্থরা জানায়, মুখোশপরা ডাকাতরা ১০/১২ জন ছিল। প্রত্যেকের কাছে ধারালো অস্ত্র ছিল।
সংখ্যালঘু অধ্যুষিত উপজেলার মাসুয়া ঘাটা, চর বিহারীয়া, একতারপুর, ঈশ্বরদীসহ আশে পাশের পাঁচটি গ্রামে চাঁদাবাজী, ডাকাতি ও সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা উদ্বেগজনকভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় জনমনে আতঙ্ক ছড়িয়ে পরেছে। ডাকাতির ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মতিয়ার রহমান। তবে সন্ত্রাসীরা কেন ডাকাতি করলো তা নিয়ে তিনি চিমিত্মত। এ ঘটনায় মামলা হয়নি বলে তিনি জানান।

14.
জাতীয় পার্টি ক্ষমতায় গেলে ইসলাম শক্তিশালী হবে ॥ এরশাদ
স্টাফ রিপোর্টার ॥ জাতীয় পার্টি ক্ষমতায় গেলে ইসলাম শক্তিশালী হবে- ওলামা-মাশায়েখ মহাসম্মেলনে যোগ দিয়ে এমন ঘোষণা দিলেন পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ। এ জন্য নেতাকর্মীদের ঈমানী শক্তি নিয়ে কাজ করারও আহ্বান জানান তিনি।
এরশাদ বলেন, ঈমান শক্ত থাকলে কেউ আমাদের কিছু করতে পারবে না। মঙ্গলবার রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে ওলামা পার্টির সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ সব কথা বলেন। এ সময় সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীকে মুরতাদ ঘোষণা দেন এরশাদ।
সাবেক রাষ্ট্রপতি এরশাদ বলেন, মুসলমানরা সন্ত্রাসী বলে পশ্চিমা বিশ্ব প্রচার করছে। আমি বলি যারা মানুষের কল্যাণ করে না, অত্যাচার নির্যাতনসহ মানুষ হত্যা করে তারা কখনই মুসলমান হতে পারে না। কারণ ইসলাম সন্ত্রাস মানে না। আল্লাহ সন্ত্রাস না করেছেন। তিনি বলেন, ‘আমরা সকলে মিলে অন্যায়, অবিচার ও অত্যাচারের বিরুদ্ধে জেহাদ করব, যুদ্ধ করব। অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়ে পৃথিবীর কাছে মুসলমানদের প্রমাণ করতে হবে আমরা সন্ত্রাসী নই, জেহাদী। কারণ অন্যায়ের বিরুদ্ধে জেহাদ করা বৈধ।’
এরশাদ বলেন, ‘সমাজে আজ কী দেখি। প্রতিদিন মানুষ হত্যা। রক্তে রাজপথ ভাসছে। অন্যায়কারীদের মনে কোন দাগ লাগে না। একজন আরেকজনের জমি-বাড়ি দখল করছে। এটা কোন মুসলমানের কাজ নয়। আমরা দিন দিন ধর্ম থেকে দূরে সরে যাচ্ছি। আল্লাহকে ভুলে যাচ্ছি। পাপ, পুণ্য বিবেচনায় নেই, তা হতে পারে না।
ক্ষমতা থেকে তাদের পদত্যাগের পর দেশের মানুষের ওপর ব্যাপক অন্যায় অত্যাচার হয়েছেÑএ কথা উল্লেখ করে এরশাদ বলেন, রাসুলের পথে ফিরলে দেশে শান্তি ফিরবে। তিনি দাবি করে বলেন, আমার দ্বারা মানুষ হত্যা হবে না। মানুষ হত্যা করে কোনভাবেই ক্ষমতায় থাকা যায় না। মানুষ পরিবর্তন চাচ্ছে। পরিবর্তন আনতে হবে। মানুষের খেদমত করলে মুক্তি আসবে।
তিনি বলেন, ইসলামের প্রকৃত অনুসারী হলে জেল-জলুমসহ শত অত্যাচারেও কোন ভয় নেই। ঈমান শক্ত থাকলে কেউ কিছু করতে পারবে না। জাতীয় পার্টি ক্ষমতায় এলে ইসলাম শক্তিশালী হবে। আমরা মানুষের খেদমত করব। বিতর্কিত মন্তব্যের জন্য মন্ত্রিসভা থেকে সদ্য বহিষ্কৃত লতিফ সিদ্দিকী প্রসঙ্গে এরশাদ বলেন, ‘লতিফ সিদ্দিকী মুরতাদ। তার নাম মুখে আনার দরকার নেই।’
এরশাদ বলেন, পত্রিকায় বলা হয় আমি কী চাই। ক্ষমতা ছাড়ার পর ১৪ বছর দল করতে পারিনি। দলকে শক্তিশালী করার সুযোগ পাইনি। নানা অত্যাচার আর নির্যাতনের মধ্যে আমাকে রাজনীতি করতে হয়েছে। এটা কারও অজানা নয়। মানুষ আমাকে ভালবাসে। তাদের ভালবাসায় এখনও টিকে আছি। ভবিষ্যতে জাপাকে নিয়ে সরকার গঠন করতে চাই। তিনি বলেন, সরকারের আর চার বছর ক্ষমতা আছে। নির্বাচনের জন্য প্রস্তুতি নিতে এটা পর্যাপ্ত সময় নয়। তবুও এ সময়ের মধ্যে নির্বাচন করে ক্ষমতায় যেতে চায় জাতীয় পার্টি। যত বিপদ আসুক আল্লাহ ছাড়া আর কারও কাছে মাথানত করব না। খালেদা জিয়ার সরকারের আমলে সকল হত্যাকা-ের বিচার বিভাগীয় তদন্ত দাবি করে জাতীয় পার্টির মহাসচিব জিয়াউদ্দিন আহমেদ বাবলু বলেন, তাঁকে বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করাতে হবে। বেগম জিয়া ক্ষমতায় থাকতে মানুষ আর কৃষক হত্যা করেছে। তাঁর হাত রক্তে রঞ্জিত। অথচ তিনি অন্যদের ঘাতক বলেন। খালেদা জিয়ার শাসনামল ছিল মাথা থেকে পা পর্যন্ত রক্তে রঞ্জিত। আন্দোলনের নামে সাম্প্রতিক সময়ে বোমা মেরে মানুষ হত্যা করেছে বিএনপি।
বাবলু বলেন, এখনও খুন, গুম ও মানুষ হত্যা চলছে। সকল অন্যায় অত্যাচার থেকে মানুষ মুক্তি চায়। দুই নেত্রীর শাসনের অবসান চাই।
অনুষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আসা ওলামা-মাশায়েখরা, ইসলামী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার দাবি জানিয়ে বলেন, ইসলামী শাসন ছাড়া দেশে শান্তি ফিরবে না। রাষ্ট্রধর্ম ইসলামের বিকল্প বলে কিছু নেই। মহাসম্মেলনে মিলাদের কথা বলে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকার মাদ্রাসা থেকে শিশুদের আনা হয়। ধোলাইপাড় আততাবলীগ ক্যাডেট মাদ্রাসা থেকে ৫-৮ বছরের প্রায় শতাধিক শিশুকে মিলাদের কথা বলে আনার কথা জানান নিজেরাই। অথচ রাজনৈতিক কর্মকা-ে শিশুদের ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন- এমএ হান্নান, আবু হোসেন বাবলা, এসএম ফয়সাল চিশতি, রেজাউল ইসলাম ভূঁইয়া, বদিউল আলম সরকার, নওয়াব আলী ভূঁইয়া, শফিউদ্দিন প্রমুখ।

15. 
নোয়াখালীতে হিন্দু বাড়িতে হামলা, ভাংচুর ॥ হত্যার হুমকি
বখাটে আটকের জের
নিজস্ব সংবাদদাতা, নোয়াখালী, ২৮ অক্টোবর ॥ নোয়াখালী শহরের সোনাপুরে বখাটে আটকের জের ধরে হিন্দুবাড়িতে হামলা চালিয়ে বসতঘর ভাংচুর ও কুপিয়ে তছনছ করেছে সন্ত্রাসীরা। এ সময় বখাটেরা পরিবারের সবাইকে মেরে ফেলার হুমকি দেয়। মঙ্গলবার নোয়াখালী পৌরসভার সোনাপুরের শ্রীপুর গ্রামের মহাশ্মশান এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে সুধারাম থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। এ ঘটনায় হামলার শিকার নিখিল কর্মকার বাদী হয়ে দুজনের নাম উল্লেখ করে এবং কয়েকজনকে অজ্ঞাত আসামি করে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে। তবে এ ঘটনায় পুলিশ এখনও কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি।
হামলার শিকার ক্ষতিগ্রস্ত নিখিল কর্মকার ও তার স্ত্রী পুষ্পরাণী কর্মকার বলেন, সোমবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে করিমপুর গ্রামের আমির হোসেন ওরফে প-িত মোহরারের বখাটে ছেলে মাদকসেবী শাওন (২২) তাদের বসতঘরের বারান্দায় ঢুকে পড়ে। বিষয়টি বুঝতে পেরে মেয়ে সোনালী কর্মকার আমাদের দরজা খুলতে বলে। আমরা দরজা খুলতেই বখাটে শাওন পালানোর চেষ্টা করে। পরবর্তীতে বাড়ির অন্যান্য লোকজন তাকে ধাওয়া করলে সে পার্শ্ববর্তী একটি পুকুরে পড়ে যায়। সেখান থেকে তাকে তুলে স্থানীয় কিছু লোকজনের উপস্থিতিতে বখাটের বাবাকে ফোনে বিষয়টি জানানো হয়। তার বাবার অনুরোধে এবং উপযুক্ত বিচার করার আশ্বাসে মঙ্গলবার ভোরের দিকে তাকে ছেড়ে দেয়া হয়।
এক পর্যায়ে সকাল সাড়ে ছয়টার দিকে বখাটে শাওন আরও দুজনকে সঙ্গে নিয়ে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রসহ নিখিলের বসতঘরে হামলা চালায়। এলোপাতাড়ি কুপিয়ে ঘর-দরজা তছনছ করে, অকথ্য ভাষায় গালমন্দ এবং সবাইকে হত্যা করার হুমকি দেয়। ভয়ে পেছনের দরজা দিয়ে তার মেয়ে ও স্ত্রী পার্শ্ববর্তী মহাশ্মশানে গিয়ে আশ্রয় নেয়। তাদের চিৎকারে আশপাশ থেকে লোকজন এসে জড়ো হলে শাওন ও তার সঙ্গীরা পালিয়ে যায়। খবর পেয়ে সুধারাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নেতৃত্বে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। THE DAILY JANAKANTHA

16. FORCEFULLY HINDU TEMPLE OCCUPIED 

তাড়াশের উত্তরাঞ্চলের মন্দিরের জায়গা দখল করায় হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজনের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া


তাড়াশ প্রতিনিধি : তাড়াশের উত্তর সীমান্তবর্তী উষাইকোল কাটাগাড়ি বাজারে জয়কালি দূর্গা মন্দিরের জায়গা দখল করে প্রভাবশালী ব্যাক্তিরা ঘর তোলার পায়তারা করছে। মন্দিরের সামনের জায়গা দখলের ফলে পুজা অর্চনাসহ নানা কাজে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্ঠি হবে বলে মন্দির কমিটির লোকজন জানিয়েছে। সরেজমিনে ও গ্রামবাসি সূত্রে জানাগেছে, তাড়াশ উপজেলার দেশীগ্রাম ইউনিয়নের উষাইকোল কাটাগাড়ি বাজারের পশ্চিম পাশের্^ সরকারী খাস জায়গার উপর জয়মাতা দুর্গা মন্দির অবস্থিত। দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকার হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজন পুজা অর্চনাসহ ধর্মীয় বিভিন্ন অনুষ্ঠান মন্দির প্রালঙ্গে করে আসছে। তাছাড়া প্রতিবছর হরি সভা ও নিয়মিত ভাবে মন্দিরের হয়। গতকাল মঙ্গলবার সকালে মন্দিরের সামনের ফাকা জায়গায় উষাইকোল গ্রামের প্রভাবশালী গলক চন্দ্র শিং এর ছেলে গিরিস চন্দ্র শিং ও কানু শিং এর ছেলে মনো শিং প্রভাব খাটিয়ে মন্দির কমিটির লোকজনের নিষেধজ্ঞা অমান্য করে জোর করে ঘর তোলার জন্য খুটি পুতে রেখেছে। মন্দিরের জায়গায় জোর করে দখল করায় এলাকার হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজনের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্ঠি হয়েছে। এব্যাপারে তাড়াশ পুজা উদযাপন কমিটির সাধারন সম্পাদক তপন কুমার গোস্বামী বলেন মন্দিরের জায়গায় কাউকে ঘর তুলতে দেওয়া হবে। মন্দিরের বিভিন্ন পুজা অর্চনা করার জন্যই সামনে ফাকা জায়হা রাখা হয়েছে। ওই জায়গায় জনসাধারনের জন্য উন্মত থাকবে। তিনি আরও বলেন বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করে সমাধান করা হবে।
http://www.dailyjugerkatha.com/%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A7%9C%E0%A6%BE%E0%A6%B6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%89%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%9E%E0%A7%8D%E0%A6%9A%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AE%E0%A6%A8%E0%A7%8D/
17. ATTACK UPON HINDU WOMAN IN NAOGAON DIST.
নওগাঁয় সংখ্যালঘু পরিবারে ফের হামলা দুই মহিলাকে মারপিট





18.                                                                                                                      ONLY STATEMENT NO ACTION!!
সংখ্যালঘু নির্যাতনকারীরা যে দলেরই হোক তাদের ছাড়া হবে না

ঢাকা মহানগর ১৪ দলের সভায় নাসিম
বিশেষ প্রতিনিধি ॥ আওয়ামী লীগের সভাপতিম-লীর সদস্য ও কেন্দ্রীয় ১৪ দলের মুখপাত্র মোহাম্মদ নাসিম সংখ্যালঘু নির্যাতনকারীরা যে দলেরই হোক, তাদের দ্রুত গ্রেফতার করতে আইনশৃঙ্খলাবাহিনীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, শুধু জামায়াত-বিএনপি নয়, সংখ্যালঘুদের ওপর আক্রমণের সঙ্গে আরও কেউ জড়িত থাকলে তাদেরও গ্রেফতার করতে হবে। অপরাধী যেই হোক তাদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় এনে কঠিন সাজা দিতে হবে।
বুধবার বঙ্গবন্ধু এ্যাভিনিউস্থ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ঢাকা মহানগর ১৪ দলের এক যৌথসভায় তিনি এ দাবি জানান। সারাদেশের বিভিন্ন স্থানে সংখ্যালঘু নির্যাতনের প্রতিবাদে কেন্দ্রীয় ১৪ দলের সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিলকে সফল করার জন্যই এই যৌথসভার আয়োজন করা হয়। আজ বৃহস্পতিবার বিকেল ৩ টায় বঙ্গবন্ধু এভিনিউস্থ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে এই সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হবে।
ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও মহানগর ১৪ দলের সমন্বয়ক মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বীরবিক্রমের সভাপতিত্বে সভায় আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আ ফ ম বাহউদ্দিন নাছিম, আইন প্রতিমন্ত্রী এ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম, আওয়ামী লীগের উপদফতর সম্পাদক এ্যাডভোকেট মৃণাল কান্তি দাস, জাসদ নেতা মীর হোসেন আক্তার, সাম্যবাদী দলের হারুন চৌধুরী, মহানগর আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি শেখ বজলুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
মোহাম্মদ নাসিম বলেন, সংখ্যালঘুদের ওপর আক্রমণের মাধ্যমে মানুষের যে নিরাপত্তা নেই, এটাই বিএনপি-জামায়াত প্রমাণ করতে চায়। সবদিকে সজাগ ও ঐক্যবদ্ধ থেকে এগুলোকে কঠোরভাবে দমন করতে হবে। জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই আমাদের প্রধান কাজ। সকল নৈরাজ্যকে রাজনৈতিকভাবেও মোকাবেলা করা হবে। তিনি বলেন, দু’বছর আগে সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচনের যে চ্যালেঞ্জ আওয়ামী লীগ নিয়েছিল তাতে সফলতা অর্জিত হয়েছে। তবে তৃতীয় দফায় সরকার গঠনের আগে দলীয় নেতাকর্মীদের আরও বেশি সতর্ক হতে হবে।
তিনি বলেন, আমরা পুনর্বার নির্বাচিত হয়েছি। বিগত সরকারের সময় কিছু ক্ষেত্রে সমস্যা ও ভুল ছিল। আগামীতে এসব ভুল করা যাবে না। জনগণ দূরবীন দিয়ে আমাদের কর্মকান্ড দেখবে। আমাদের সাবধান থাকতে হবে, যেন আমাদের কাউকে নিয়ে কোন প্রশ্ন করতে না পারে। তিনি বলেন, পরাজিত শক্তি কোন দিনও পরাজয় মেনে নেবে না। আমাদের শক্তি সেই শক্তির বিরুদ্ধে লড়াই করবে। রাজনৈতিকভাবেই আমরা সেই শক্তিকে মোকাবেলা করব। সংখ্যালঘুদের পাশে দাঁড়াতে দলীয় নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি খালেদা জিয়াকে উদ্দেশ করে বলেন, অনেক করেছেন। দয়া করে এখন শান্ত হন। পাঁচ বছরে অনেক চেষ্টা করেছেন পারেননি, আগামীতেও পারবেন না। কারণ আওয়ামী লীগ জনগণের দল। তাই আপনাকে বলছি, মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাস করলে সুস্থির হন, আমাদের সহযোগিতা করুন। আমরাও আপনাদের সহযোগিতা করব।



19.সংখ্যালঘুদের ওপর হামলাকারীরা দুষ্কৃতকারী
ওদের কোন রাজনৈতিক পরিচয় নেই : আইন কমিশন চেয়ারম্যান ॥ প্রয়োজনে শক্তি প্রয়োগ করে ওদের রুখতে হবে : ড. মিজান
স্টাফ রিপোর্টার ॥ আইন কমিশনের চেয়ারম্যান সাবেক প্রধান বিচারপতি এবিএম খায়রুল হক বলেছেন, সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর যারা হামলা করেছে তারা দুষ্কৃতকারী। তাদের কোন রাজনৈতিক পরিচয় আছে বলে আমি মনে করি না। হামলার পেছনে সেই সমস্ত অপরাধের বিচারের সম্মুখীন করা উচিত। সংখ্যালঘুদের বাড়িতে যে হামলা-অগ্নিসংযোগ হয়েছে, তা কোনভাবেই কাম্য নয়। নির্বাচনের আগে ও পরে সংখ্যালঘু সম্প্রদায় যেভাবে নিগৃহীত ও নির্যাতিত হচ্ছে তা দুঃখজনক। আমি এমন এক দেশে বাস করি, যেখানে আমার প্রতিবেশীর কোনো সুরক্ষা নেই। দেশের জ্যেষ্ঠ নাগরিক হিসাবে, মুসলমান হিসেবে আমি লজ্জিত। অন্যদিকে জাতীয় মানবাধিকার কশিমনের চেয়ারম্যান ড: মিজানুর রহমান বলেছেন, নির্বাচনপরবর্তী সহিংসতা বন্ধে প্রয়োজনে শক্তি প্রয়োগ করে অপশক্তিকে রুখতে হবে। আমাদের যে এত আশ্বস্ত করা হলো ,তাতে আশানুরূপ কোন কর্ম দক্ষতার প্রমাণ নেই। এ ক্ষেত্রে সরকার যেন ব্যর্থ হয়েছে বলে মনে হয়েছে। এ ব্যর্থতা যেন প্রলম্বিত না হয। বুধবার বিচার প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে আইন কমিশন আয়োজিত ‘বৈষম্য বিলোপ আইন প্রণয়ন বিষয়ে আইন কমিশনের সুপারিশ’ বিষয়ক মতবিনিময় অনুষ্ঠানে তাঁরা এ কথা বলেন।
সাবেক প্রধান বিচারপতি এবিএম খায়রুল হক আরও বলেন, ‘গণতন্ত্রকে বাধাগ্রস্ত করতে নয়, গণতন্ত্রকে প্রবহমান রাখতে ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিল করে রায় দেয়া হয়েছিল। রায়টি পূর্ণাঙ্গ পড়লে এর মর্মার্থ বুঝতে পারবেন। ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিল করতে হয়েছে, কারণ আমাদের সংবিধান তিন মাসের জন্য জনগণের শাসন থাকবে না এটি সমর্থন করে না। জনগণের ইচ্ছায় দেশ পরিচালিত হবে। জনগণের সার্বভৌমত্ব একদিনের জন্য স্থগিত রাখা যায় না। মার্কিন প্রেসিডেন্ট জনএফ কেনেডিকে যখন হত্যা করা হয়, তখন ভাইস প্রেসিডেন্ট জনসন একটা প্লেনে ছিলেন। তাঁকে ওই প্লেনে ওয়ারলেসের মাধ্যমে শপথ পড়ানো হয়। শপথের জন্য তাঁকে আধাঘণ্টাও সময় দেয়া হয়নি।সংবিধানে বলা হয়েছে, জনগণই দেশের একমাত্র মালিক। জনগণের ইচ্ছা অনুসারেই দেশ পরিচালিত হবে। জনগণের সার্বভৌমত্ব এক দিনের জন্যও স্থগিত রাখা যায় না। রায় দেয়ার আগে আমরা এ্যামিকাস কিউরিদেরও বক্তব্য শুনেছিলাম। কিন্তু তত্ত্বাবধায়ক সরকারের এই তিন মাস কি হবে সে বিষয়ে তাঁরা কোন সমাধান দিতে পারেননি।
মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখেন জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান ড. মিজানুর রহমান, আইন কমিশনের সদস্য অধ্যাপক ড. এম শাহ আলম, প্রধান গবেষণা কর্মকর্তা ফউজুল আজিম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক হাফিজ রহমান কার্জন, নাগরিক উদ্যোগের জাকির হোসেন, জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের জাহিদ হোসেন, ব্যারিষ্টার লুবনা, মুকুল রঞ্জন সিকদার, আফসানা, অধ্যাপিকা ফারজিনা ইসলাম রেজাউল করিম প্রমুখ। সচিব মোঃ আশরাফুল ইসলাম মতবিনিময় সভা পরিচালনা করেন।
সভাপতির বক্তৃতায় সাবেক বিচারপতি একেএম খায়রুল হক আরও বলেন,আইন করাটা দুরূহ ব্যাপার। আইন কমিশনে লোকবল অভাব রয়েছে। এক গবেষণা কর্মকর্তা। কয়েকজনকে আনার চেষ্টা করছি। সে রকম উত্তর আসছে না। গবেষক না থাকলে গবেষণা কিভাবে চালিয়ে যাব। সে কারনে দেরি হচ্ছে। তিনি বলেন দেশে প্রচুর আইন আছে ইমপ্লিমেন্ট হচ্ছে না। আইন তৈরী হয় সত্যিকার অর্থে ইংল্যান্ডে । বাঙালীদের কাছে কাব্যগ্রন্থ ভাল আসে ,আইন আসে না। কোন আইন কাউকে উদ্দেশ্য করে নয়, এই আইন সকল গোষ্ঠীর। এক আইনে মধ্যে চলে আসবে। আমরা কাউকে দলিত বলব না। মানুষের জন্য মানুষ। আইন করে কমিশন মনে করে দিতে চায় না। তুমি সুইপার দলিত। অচ্ছুত। জাত পাত নয। সকল প্রকার বৈষম্যের বিরুদ্ধে আইন করা হবে। কেউ যেন পার্টিকুলার আইডেন্টিফায়েড না হয়। নিম্ন শ্রেণীর হিন্দু দলিত ,আদিবাসী বলেন ,কাউকেই আইডেন্টিফাইড করতে চাই না। যে বৈষম্য করবে তাকেই শাস্তি পেতে হবে।
আইন কমিশনের চেয়ারম্যান বলেন, প্রাথমিকভাবে ১৫টি ধারণার সংজ্ঞা দেয়া হয়েছে। এটাই শেষ নয়। সাজেশন আসলে নেয়া হবে। আমরা ৮ প্রকার বৈষম্য সনাক্ত করতে পেরেছি। অনেকেই সাক্ষ্য দিতে আসে না। বড়লোকদের সাক্ষী পাওয়া যায়,কিন্তু গরিবদের কোন সাক্ষী পাওয়া যায় না। ধনী দরিদ্র , গ্রাম আরবান বৈষম্য দূর করা আমাদের লক্ষ্য নয়। আমরা বদ্ধ জলাশয়ে বাস করতে রাজি নই। সময়ের সঙ্গে আইনও চেঞ্চ হচ্ছে। পলিটিক্স ও আইনের শেষ কথা বলে কিছু নেই।
জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান ড. মিজানুর রহমান বলেছেন, নির্বাচনপরবর্তী সহিংসতা বন্ধে প্রয়োজনে শক্তি প্রয়োগ করে অপশক্তিকে রুখতে হবে। বাংলাদেশকে আমাদের রক্ষা করতে হবে। অসাম্প্রদায়িক চেতনাকে সমন্বিত রাখতে হবে। তিনি বলেন, নির্বাচন ও পরবর্তী সময়ে সহিংসতা নিয়ে সরকারের পক্ষ থেকে আশ্বস্ত করার পরও সবার নাকের ডগায় এক প্রিসাইডিং অফিসারকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে আমাদের আশ্বস্ত করা হলো, নির্বাচনকালীন যাতে কোন ধরনের সহিংসতা না হয়, সে জন্য মাঠে পর্যাপ্তসংখ্যক আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য নিয়োজিত। কিন্ত নির্বাচনের আগের দিন দেখলাম একজন প্রিজাইডিং অফিসারকে দুর্বততরা সকালের নাকের ডগায় পিটিয়ে কুপিয়ে হত্যা করল। ভোট শেষ হবার সঙ্গে সঙ্গে কিভাবে সংখ্যালঘুদের বাড়িতে অগ্নিসংযোগ ,লুটতরাজ করা হলো, তাও দেখলাম। ঝাঁপ দিয়ে শীতের মধ্যেও অতিরিক্ত সময় পানিতে থাকতে দেখলাম। গণমাধ্যমের কল্যাণে দেখেছি ,অনেক মানুষ অন্য দেশে পাড়ি দেয়ার জন্য প্র¯ুÍতি নিয়েছেন। অনুনয় বিনয় করে তাদের রাখা হয়েছে।
অধ্যাপক মিজানুর রহমান আরও বলেন, আমাদের যে এত আশ্বস্ত করা হলো, তাতে আশানুরূপ কোন কর্মদক্ষতার প্রমাণ নেই। এ ক্ষেত্রেও সরকার যেন ব্যর্থ হয়েছে বলে মনে হয়েছে। এ ব্যর্থতা যেন প্রলম্বিত না হয়, এ ব্যর্থতা প্রলম্বিত হওয়া মানে হচ্ছে সংখ্যালঘুদের ওপর নির্যাতন,লুটতরাজ প্রলম্বিত হওয়া। ব্যর্থতার অর্থ হতে পারে আমাদের দেশের ওপর বিরাট একটি জনগোষ্ঠীর আস্থা ওঠে যাওয়া। প্রলম্বিত হওয়ার আরেকটি অর্থ হতে পারে, মুক্তিযুদ্ধের চেতনার যে বাংলাদেশ সে অস্তিত্বই বিপন্ন হয়ে যেতে পারে। বাংলাদেশের প্রতিটি নাগরিকের পূর্ণ নিরাপত্তা রাষ্ট্র ও সরকারক্ েনিশ্চিত করতে হবে। সরকার অবিলম্বে এ ব্যাপারে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
20.
রংপুরে এক দরিদ্র সংখ্যালঘু হিন্দু পরিবারের শেষ অবলম্বন একটি মুদি দোকানে আগুন দিয়ে 
পুড়িয়ে দিয়েছে দুস্কৃতিকারীরা। রংপুরের গংগাচড়া উপজেলার শেষ অংশ খলেয়া ইউনিয়নের 
পল্লী গ্রাম আলদাদপুরে গত শনিবার বিকেলে এ ঘটনা ঘটে।

 


21. 

মনোহরগঞ্জে সংখ্যালঘুর বাড়িতে লুটপাট 

মনোহরগঞ্জে সংখ্যালঘুর বাড়িতে লুটপাট

অক্টোবর ২৫
১৭:০১২০১৪

কারেক্ট নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম : কুমিল্লার মনোহরগঞ্জে এক সংখ্যালঘুর বাড়িতে হামলা চালিয়ে লুটপাট ও প্রায় ২০টি কাঁঠ গাছ কর্তন করেছে সন্ত্রাসীরা। এ ঘটনায় কর্তনকৃত ওই গাছ নিয়ে যাওয়ার সময় এনায়েত মিয়া নামে এক সন্ত্রাসীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শনিবার ওই সন্ত্রাসীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের শেষে তাকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলা ঝলম দক্ষিণ ইউনিয়নের সাতপুকুরিয়া গ্রামের হিন্দু পাড়ায়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, উপজেলার সাতপুকুরিয়া গ্রামের হিন্দু পাড়ার সংখ্যালঘুদের উপর দীর্ঘদিন থেকে অত্যাচার চালিয়ে যাচ্ছিল ওই এলাকার চিহিৃত সন্ত্রাসী এনায়েত মিয়া, মফিজুর রহমান, হিরন মিয়াসহ তাদের লোকজন। শুক্রবার বিকেলে ফের ওই সন্ত্রাসীরা হিন্দু পাড়ার নিরোধ আর্চায্যের বাড়িতে হামলা চালিয়ে তার ঘরের মালামাল লুট করতে থাকে। এ সময় সন্ত্রাসীরা আধুনিক করাত দিয়ে ওই সংখ্যালঘুর বাড়ির সীমানায় থাকা অন্তত ২০টি কাঁঠ গাছ কর্তন করে পিকআপ যোগে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। পরে খবর পেয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে গাছ নিয়ে যাওয়ার সময় এনায়েত মিয়াকে কর্তনকৃত গাছের গুড়িসহ গ্রেপ্তার করে। এদিকে রাতে এ ঘটনায় জড়িত ওই সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে নিরোধ আর্চায্য বাদি হয়ে থানায় মামলা দায়ের করেছেন।
এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে মনোহরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আবদুল হাই সরকার বলেন, এ ঘটনায় জড়িত হাতে-নাতে গ্রেপ্তার সন্ত্রাসী এনায়েত মিয়াকে শনিবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। তিনি বলেন, এ ঘটনায় অপর অভিযুক্ত সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
http://correctnews24.com/%E0%A6%AE%E0%A6%A8%E0%A7%8B%E0%A6%B9%E0%A6%B0%E0%A6%97%E0%A6%9E%E0%A7%8D%E0%A6%9C%E0%A7%87-%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%96%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%98%E0%A7%81%E0%A6%B0-%E0%A6%AC%E0%A6%BE/
22. DESTRUCTION BY FANATIC ISLAMIST DURING DWIALI KALIPUJA 2014
শ্রী শ্রী শ্যামাপূজা চলাকালীন সময় ময়মনসিংহ শহরের ২০ নং ওয়ার্ডের কেওয়াটখালীতে জয় সংঘ কালীমন্দিরের অভ্যন্তরে একটি সশস্ত্র দুর্বৃত্ত দল গত ২৬ অক্টোবর রোববার রাত ১১ টার পর হঠাৎ করে পূজা প্যান্ডেলের আসবাবপত্রে ব্যাপক ভাংচুর চালায়।



23.                                                                                                

যশোরের চৌগাছা পৌর এলাকায় বসবাসরত আদিবাসী সম্প্রদায়ের প্রায় দু’শতাধিক পরিবারের জন্য ব্যবহৃত একমাত্র শ্মশান অরক্ষিত অবস্থায় পড়ে আছে। চৌগাছা ডাকবংলোর উত্তর পাশে প্রায় এক একর জমির উপর আধিবাসীদের এই সমাধিস্থল।




24. ATTACK UPON MINORITY IN BANGLADESH WITH ARMS

ময়মনসিংহে মন্দির ও বাড়িতে হামলা

ময়মনসিংহ অফিস | আপডেট: প্রিন্ট সংস্করণ

ময়মনসিংহ শহরের কেওয়াটখালী পাওয়ার হাউস সড়কের মন্দির ও পার্শ্ববর্তী দুটি বাড়িতে সশস্ত্র হামলা চালিয়েছে দুর্বৃত্তরা। গত রোববার রাতের এ ঘটনায় নারীসহ ছয়জন আহত হন। গুরুতর আহত দুজনকে হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শ্যামাপূজা উপলক্ষে হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা পাওয়ার হাউস সড়কের মন্দিরটিতে ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা পালন করছিলেন। সেখানে হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা ছাড়াও অন্য সম্প্রদায়ের লোকজনও অনুষ্ঠান উপভোগ করেন। মন্দিরের মাইকে রেকর্ড করা গান বাজানো হচ্ছিল। রাত সাড়ে ১১টার দিকে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে মাইকের গান হঠাৎ বন্ধ হয়ে যায়। এ সময় মন্দিরের সামনে দাঁড়িয়ে থাকা রবিন, রাকিব, শান্ত, আজিম ও অনিসহ ১০-১৫ জনের একটি দল পূজার জন্য আনা প্লাস্টিকের চেয়ার ছুড়তে শুরু করে। হিন্দু ও মুসলিম সম্প্রদায়ের কয়েকজন এতে বাধা দিলে হামলাকারীরা দ্রুত রামদা নিয়ে এসে মন্দিরের পাশের দুটি বাড়ির টিনের বেড়া কোপাতে শুরু করে। তাতে বাধা দিলে হামলাকারীরা জীবন বর্মণ (২২) ও হাফিজুর রহমান নামের দুজনকে কুপিয়ে জখম করে। এ ছাড়া সীমা রানী বর্মণ ((৩০), মঞ্জু রানী বর্মণ (৬০), পুষ্প রানী বর্মণ (৫০) ও সুধা রানী বর্মণ (৬০) হামলায় আহত হন। জখম হওয়া জীবন বর্মণ ও হাফিজুর রহমানকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
ময়মনসিংহ কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফজলুল করিম বলেন, এ ঘটনায় মন্দির কমিটির সভাপতি অনিল চন্দ্র বর্মণ বাদী হয়ে আটজনের নাম উল্লেখ করে থানায় মামলা করেছেন। পুলিশ ও র্যা ব ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।





25.WITH FALSE ALLEGATION ADIVASI BOY WAS PATHETICALLY TORTURED :

মিথ্যে অপবাদে বেধড়ক পিটুনিতে রক্তাক্ত ক্ষত নিয়ে শেরপুরের সীমান্তবর্তী নালিতাবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বেডে যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছে হৃদয় দাওয়া (১৬) নামে এক আদিবাসী কিশোর। তার পায়ের তলায়, হাটুতে, বুকে, পিঠে রক্তাক্ত ক্ষত। হাটা-চলার ক্ষমতা না থাকায় হাসপাতালের বেডেই ডুকড়ে কাঁদছে হৃদয়। অন্যদিকে ওই আলোচিত ঘটনার ৬ দিন পরও মামলা নেয়নি থানা পুলিশ। বরং উল্টো ওই কিশোরের পরিবার ও আত্মীয়-স্বজনকে দেওয়া হচ্ছে ভারতে পাঠানোসহ প্রাণনাশের হুমকি। এ নিয়ে এলাকায় ব্যাপক তোলপাড় চলছে।
জানা যায়, নালিতাবাড়ী উপজেলার রামচন্দ্রকুড়া ইউনিয়নের মায়াঘাসি গ্রামের আদিবাসী ক্ষুদ্র কৃষক পরিত সাংমার একমাত্র সন্তান হৃদয় দাওয়া। প্রায় ৩ বছর পূর্বে স্থানীয় হাইস্কুলে ষষ্ঠ শ্রেণী পর্যন্ত পড়াশোনা চুকিয়ে ফেলে পিতার সংসারে কৃষিকাজে সহায়তা করে আসছিল। ওই অবস্থায় প্রায় ৬ মাস পূর্বে স্থানীয় প্রভাবশালী হোসেন আলীর স্কুলপড়ুয়া মেয়ের সাথে সম্পর্ক গড়ার অভিযোগ তুলে এলাকায় শালিস বসায় তারা। শালিসে হৃদয় দোষী সাব্যস্ত না হলেও সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেওয়া হয় এলাকা ছাড়ার। সংখ্যালঘু বলে অগত্যা এলাকায় আর করার কি? অপরিণত বয়সে বাধ্য হয়ে ঢাকায় পাড়ি জমায় হৃদয়। এক পর্যায়ে রাজমিস্ত্রী শ্রমিকের কাজে জড়িয়ে পড়ে জীবিকা নির্বাহের তাগিদে। গর্ভধারিনী মাতা মেহগী দাওয়ার অসুস্থ্যতার সংবাদ শুনে ২০ অক্টোবর সোমবার দু’দিনের জন্য ঢাকা থেকে বাড়ি ফেরে হৃদয়। পরদিন মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে স্থানীয় মায়াঘাসি বাজারে জনৈক এরশাদ আলীর চায়ের ষ্টলে অবস্থানকালে পূর্বে শালিসে দেওয়া সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করে এলাকার যাওয়ার অপরাধে প্রভাবশালী হোসেন আলীর আত্মীয় শাজাহান আলী ও কোরবান আলীসহ কয়েকজন ওই চায়ের দোকানে গিয়ে হৃদয়কে বেধড়ক মারপিট শুরু করে। উপস্থিত লোকজনের প্রতিরোধে এ দফায় প্রাণে রক্ষা পায় হৃদয়। কিন্তু বেলা দেড়টার দিকে হোসেন আলীর নেতৃত্বে তার লোকজন লাঠিসোটা নিয়ে হামলে পড়ে হৃদয়ের পৈত্রিক বসতবাড়িতে। প্রাণরক্ষায় হৃদয় দৌড়ে আশ্রয় নেয় পার্শ্ববর্তী বিশগিরিপাড়ার চৌকিদার গিয়াস উদ্দিন গেসুর বাড়িসংলগ্ন ধানক্ষেতে। কিন্তু খুঁজতে খুঁজতে সেখানেই হৃদয়কে পেয়ে বসে পাষন্ড হোসেন আলীর দল। ধানক্ষেতেই তাকে উপুর্যপরি পিটিয়ে রক্তাক্ত করে।
হৃদয়ের আর্তচিৎকারে গেসু চৌকিদারের বাড়ির লোকজন এগিয়ে গেলে তাদেরকেও মারপিট করে তারা। এখানেই শেষ নয়, পাষন্ডের দল হৃদয়কে টেনে-হিঁচড়ে পুনরায় মায়াঘাসি বাজারে নিয়ে একটি সাইনবোর্ডের খুটির সাথে রশি দিয়ে পিঠমোড়া দিয়ে বেঁধে রাখে। ওই অবস্থায় জড়ো হতে থাকে আশেপাশের উৎসুক জনতা। কিন্তু কেন তাকে আটক করা হয়েছে, কেনইবা তার ওই অবস্থা?Ñ এমন প্রশ্নের জবাব মেলে ‘সন্ত্রাসী, ভন্ড ও ছিনতাইকারী’ অপবাদ ছুড়ে। কিন্তু কোথায়, কখন সন্ত্রাসী বা ছিনতাইকারী ঘটনায় হৃদয় জড়িতÑ এমন কোনো ব্যাখ্যাই পাওয়া যাচ্ছিল না পাষন্ড হোসেন আলীর লোকজনের তরফ থেকে। এক পর্যায়ে খবর পৌছায় পুলিশের কানে। ঘটনাস্থলে পুলিশ পৌঁছার খবর শুনে হৃদয়কে খুটির বাঁধনমুক্ত করে দেয় পাষন্ডের দল। কিন্তু রক্তাক্ত ক্ষত নিয়ে নিশ্চল পড়ে থাকলে আত্মীয়-স্বজন এগিয়ে গিয়ে হৃদয়কে উদ্ধার করে স্থানীয় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে।
অন্যদিকে ওইদিনই ঘটনার বিষয়ে নালিতাবাড়ী থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন উপজেলা ট্রাইবাল ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক লরেন্স দ্রং। কিন্তু এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত থানায় মামলা রেকর্ড হয়নি কিংবা গ্রেফতার হয়নি হামলাকারী দলের কোন সদস্য। এ নিয়ে এলাকার আদিবাসী সম্প্রদায়ের মাঝে তীব্র ক্ষোভ ও আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে। এ ব্যাপারে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা একেএম আমিনুল জানান, ঘটনাটি অধর্তব্য অপরাধের আওতায় হওয়ায় আইনগত ব্যবস্থা নিতে আদালতের অনুমতি চাওয়া হয়েছে।


26.
ORGANIZATIONAL REACTION IN BANGLADESH :DEMAND 
OF ZERO TOLERANCE 

জিরো টলারেন্স ঘোষণা কার্যকর চাই
সংখ্যালঘুদের বাড়িতে অগ্নিসংযোগের প্রতিবাদে মানববন্ধন
জনকণ্ঠ ডেস্ক ॥ সংখ্যালঘুদের বাড়িঘরে অগ্নিসংযোগ, হামলা, ভাংচুর ও হরতাল অবরোধের নামে বোমা মেরে মানুষ হত্যার প্রতিবাদে দেশব্যাপী মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করেছে বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন। এসব সমাবেশে স্থানীয় নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন। বক্তারা সবার নিরাপত্তা বিধানে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে যথাযত কার্যকর ভূমিকা নিতে বলেন। খবর স্টাফ রিপোর্টার ও নিজস্ব সংবাদদাতাদের পাঠানোÑ
চট্টগ্রাম ॥ সংখ্যালঘুদের রক্ষা ও সন্ত্রাস নৈরাজ্যের বিরুদ্ধে সরকারের জিরো টলারেন্স ঘোষণার কার্যকরিতা দেখতে চাই। সংখ্যালঘুরা জিরোতে যাওয়ার পর ওই পদক্ষেপ চাই না। নির্বাচনের পর বিএনপির ছত্রছায়ায় দেশের বিভিন্ন স্থানে জামায়াত-শিবির যা করছে তা বর্বরতা। এ বর্বরতাকে রাজনীতি বলা যায় না। নির্বাচিত বর্তমান সরকার যদি সহিংসতা ও নৃসংশতা বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে না পারে তাহলে তারাও ইতিহাসের আস্তাকুঁড়ে নিক্ষিপ্ত হবে। দেশের বিভিন্ন স্থানে সংখ্যালঘু এলাকায় হামলার প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার চট্টগ্রামে আয়োজিত এক মানববন্ধন কর্মসূচীতে উপরোক্ত কথাগুলো বলেন বক্তারা। ‘জেগে ওঠো বাংলাদেশ’ নামের একটি সংগঠনের ব্যানারে নগরীর চেরাগী পাহাড় এলাকায় অনুষ্ঠিত হয় এ কর্মসূচী। এতে যোগ দেন চট্টগ্রামের বিশিষ্ট নাগরিক এবং সামাজিক সাংস্কৃতিক ও প্রগতিশীল ছাত্র সংগঠনগুলোর নেতাকর্মী ও সমর্থকরা। সেখান থেকে একটি মিছিল বের হয়, যা গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে শহীদ মিনারে গিয়ে শেষ হয়। কর্মসূচীর বক্তব্যে সাংবাদিক আবুল মোমেন বলেন, সংখ্যালঘু এলাকায় হামলাকারীরা ইসলাম, গণতন্ত্র ও দেশের শত্রু। এরা ১৯৭১ সালে পাকিস্তানের পক্ষাবলম্বন করে যে নারকীয় তা-ব চালিয়েছিল এখনও তা করছে। তাদের সঙ্গে যে এখনও পাকিস্তানের সম্পর্ক অটুট রয়েছে তা প্রমাণ হয়েছে যুদ্ধাপরাধী কাদের মোল্লার ফাঁসির রায় কার্যকর হওয়ার পর পাকিস্তানের প্রতিক্রিয়ার মধ্য দিয়ে। এ অপশক্তিকে দমন করতে না পারলে বর্তমান সরকারও ইতিহাসের আস্তাকুঁড়ে নিক্ষিপ্ত হবে। বিশিষ্ট মুক্তিযুদ্ধ গবেষক ডা. মাহফুজুর রহমান বলেন, প্রতিবারই নির্বাচনের পর এমন সহিংসতা হয়ে থাকে সংখ্যালঘু এলাকায়। এবারও তাই হচ্ছে। আমরা জানতে চাই, সংখ্যালঘুদের রক্ষায় নির্বাচিত এমপিরা কি করছেন। তারা যদি পাশে না দাঁড়ান তাহলে আমরা এমপিদের বাড়ি ঘেরাও করব। চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমান বলেন, সংখ্যালঘুপাড়া এলাকায় যে নৃসংশতা চলছে তা একাত্তরের বর্বরতার সঙ্গে তুলনীয়। একজন মা তার সন্তানের জীবন ভিক্ষা চাইছেÑ এরচেয়ে বর্বরতা আর কি হতে পারে। এটি কোনভাবেই রাজনীতি নয়। প্রকৌশলী দেলোয়ার মজুমদার বলেন, সরকার জিরো টলারেন্স ঘোষণা করেছে। কিন্তু এর কোন কার্যকরিতা আমরা দেখতে পাচ্ছি না। তিনি প্রশ্ন রাখেনÑ সংখ্যালঘুরা জিরোতে নেমে এলেই কি সরকারের এ জিরো টলারেন্স ঘোষণা কার্যকর হবে?
জেগে উঠো বাংলাদেশের সংগঠক সাংবাদিক হাসান ফেরদৌসের সভাপতিত্বে সাম্প্রদায়িকতা বিরোধী তরুণ উদ্যোগের আহ্বায়ক শরীফ চৌহনের সঞ্চালনায় এতে আরও বক্তব্য রাখেন নারী নেত্রী নুরজাহান খান, চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি মোস্তাক আহমেদ, ওয়ার্ড কাউন্সিলর রেহানা কবির রানু প্রমুখ।
খুলনা ॥ দেশের বিভিন্ন স্থানে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর হামলা, অত্যাচার-নির্যাতন, লুটপাট ও মন্দির ভাংচুরের ঘটনার প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টায় খুলনা মহানগীরর পিকচার প্যালেস মোড়ে মানববন্ধন কর্মসূচী অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ এবং বাংলাদেশ হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রীস্টান ঐক্যপরিষদ খুলনা মহানগর ও জেলা শাখা যৌথভাবে এ কর্মসূচীর আয়োজন করে। মানববন্ধন চলাকালে খুলনা মহানগর পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি শ্যামল হালদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে বক্তৃতা করেন বিজয় কুমার ঘোষ, অমিয় সরকার গোরা, প্রশান্ত কু-ু, রতন মিত্র, সংহতি জানান বেসরকারী সংস্থা রূপান্তরের নির্বাহী পরিচালক স্বপন গুহ, সুন্দরবন একাডেমীর নির্বাহী পরিচালক অধ্যাপক আনোয়ারুল কাদির, খুলনা সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মাহবুব আলম সোহাগ প্রমুখ। সমাবেশে বক্তারা, সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর বর্বরোচিত হামলার তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানিয়ে অবিলম্বে ঘটনার সঙ্গে জড়িত দুষ্কৃতকারীদের গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
বগুড়া ॥ বগুড়ায় মানববন্ধন ও সমাবেশ হয়েছে। সাম্প্রদায়িকতা বিরোধী নাগরিক সমাজ এই মানববন্ধন ও সমাবেশের আয়োজন করে। বৃহস্পতিবার শহরের সাতমাথায় মানববন্ধন শুরু হয়। প্রায় ঘণ্টাব্যাপী এই মানববন্ধনে বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক সাংস্কৃতিক ও পেশাজীবী সংগঠনের নেতাকর্মীরাসহ সাধারণ মানুষ অংশ নেন। এ সময় বক্তব্য রাখেন, রাগেবুল আহসান রিপু, জিন্নাতুল ইসলাম, প্রদীপ ভট্টাচার্য শংকর, তৌফিক হাসান ময়না, আমিনুল ফরিদ, এবিএম জিয়াউল হক বাবলা, আমির খসরু, জেএম রউফ, আমিনুল ইসলাম ডাবলু, নওশিন মোস্তারি সাথি, মাশরাফি হিরো, কৃষ্ণ কমল, শুকুমার, আমিনুর রহমান, পূর্ণিমা রানী সরকার নিভা প্রমুখ। বক্তারা সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা- নির্যাতনের তীব্র প্রতিবাদ এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেফতার করে দ্রুত আইনের আওতায় নিয়ে আসার দাবি জানান। সেই সঙ্গে বক্তার মৌলবাদী জামায়াত-শিবিরের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ও সাম্প্রদায়িক সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় সবাইকে ঐকবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানা।
দিনাজপুর ॥ দিনাজপুরে সংখ্যালঘু নির্যাতনের প্রতিবাদে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে। প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ড. গহর রিজভী ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় আসতে পারেননি। বিজিবি নগদ অর্থ, শীতবস্ত্র ও শুকনো খাবার দিয়েছে।
সংখ্যালঘু নির্যাতনের প্রতিবাদে দোষীদের শাস্তি দাবি করে বৃহস্পতিবার বেরা ১১টায় দিনাজপুর প্রেসক্লাবের সামনের সড়কে কর্মজীবী নারী, মনুষ্যত্বের আহ্বান ও হিউম্যান রাইটস ল’ ইয়ার্স গ্রুপ নামক ৩টি সংগঠন মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশের আয়োজন করা হয়। বক্তব্য রাখেন কর্মজীবী নারীর নেত্রী নুরুন নাহার, মাসুদা বেগম মুক্তা, এ্যাডভোকেট সিরাজুম মুনিরা, এ্যাডভোকেট খুরশিদা পারভিন জলি, হামিদুন নাহার, মৌসুমী ফেরদৌসী, মনুষ্যত্বের আহ্বানের চিত্ত ঘোষ, কান্তলাল সাহা, পরিমল চক্রবর্তী তপন, অমিত পাল, বিমল কুমার এবং হিউম্যান রাইটস ল’ ইয়ার্স গ্রুপের এ্যাডভোকেট সামসুর রহমান (পারভেজ), এ্যাডভোকেট মাজহারুল ইসলাম, এ্যাডভোকেট অনিমেষ চন্দ্র রায়, এ্যাডভোকেট আবুল কালাম আজাদ, সলিমুল্লাহ সেলিম, এ্যাডভোকেট দেলোয়ার হোসেন প্রমুখ।
দিনাজপুর জেলা মুক্তিযোদ্ধা সমবায় সমিতির প্রধান উপদেষ্টা ও সাবেক জেলা কমান্ডার মকছেদ আলী মঙ্গলিয়া কর্ণাইয়ের ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়ে দোষীদের অবিলম্বে গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছেন।
ময়মনসিংহ ॥ পৈশাচিক হামলাকারীদের অবিলম্বে গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক বিচার দাবিতে মানববন্ধন ও সমাবেশে হয়েছে ময়মনসিংহে। পেশাজীবী সমন্বয় পরিষদের উদ্যোগে বৃহস্পতিবার দুপুরে শহরের শহীদ ফিরোজ জাহাঙ্গীর চত্বরে আয়োজিত এই মানববন্ধন ও সমাবেশে যোগ দেয় নানা শ্রেণীর পেশার মানুষ। এক ঘণ্টা এই মানববন্ধন শেষে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তারা বলেন, রাজনৈতিক দলগুলো পরস্পরকে দোষারোপ করায় হামলাকারীরা ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে যাচ্ছে। স্বাধীনতাবিরোধী একটি চক্র টার্গেট করে সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা ও নির্যাতন চালিয়ে দেশত্যাগে বাধ্য করছে বলে সমাবেশে অভিযোগ করেন পেশাজীবী নেতৃবৃন্দ। সমাবেশে বক্তব্য রাখেন এ্যাডভোকেট আনিসুর রহমান, অধ্যক্ষ রিয়াজুল ইসলাম, এ্যাডভোকেট বিকাশ রায়, ফয়েজুর রহমান ফকির, ফেরদৌস আরা মাহমুদা হেলেনা, ইঞ্জিনিয়ার নুরুল আমিন কালাম, ডা. মতিউর রহমান ভুইয়া, মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আব্দুর রব ও এ্যাডভোকেট মোয়াজ্জেম হোসেন বাবুল।
রাজবাড়ী ॥ বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজবাড়ী জেলার গোয়ালন্দ উপজেলা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে এক বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন কর্মসূচী পালিত হয়। দৌলতদিয়া- খুলনা মহাসড়কের গোয়ালন্দ বাজার বাসস্ট্যান্ডে ঘণ্টাব্যাপী এই মানববন্ধন শেষে এক বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। মিছিলটি বাসস্ট্যান্ড থেকে শুরু হয়ে উপজেলা পরিষদে গিয়ে শেষ হয়। মিছিলে আওয়ামী লীগ ছাড়াও বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠন অংশ নেয়। এখানে বক্তব্য রাখেন হাসান ঈমাম চৌধুরী, নুরুল ইসলাম ম-ল, মোঃ নুরুজ্জামান মিয়া। এ ছাড়া একই দাবিতে বেলা ১১টায় হরিসভা মন্দির কমিটির উদ্যোগে রাজবাড়ী প্রেসক্লাব চত্বরে অনুরূপ মানববন্ধন কর্মসূচী পালিত হয়। জেলা আওয়ামী লীগ, বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট, মুক্তিযোদ্ধা সংসদসহ বিভিন্ন সমাজিক সংগঠন এতে অংশ নেয়। এখানে বক্তব্য রাখেন, অশোক কুমার বাগচী, শিবুপদ বিশ্বাস, জয়দেব কর্মকার, গণেশ মিত্র, প্রফুল্ল কুমার প্রমুখ। বক্তরা সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর নির্যাতন ও হামলাকারীদের গ্রেফতার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
পটুয়াখালী ॥ বৃহস্পতিবার স্থানীয় প্রেসক্লাবের সামনে পটুয়াখালী পৌর আওয়ামী লীগের উদ্যোগে মানববন্ধন কর্মসূচী পালিত হয়। মানববন্ধন কর্মসূচীতে আওয়ামী লীগ, অঙ্গ- সংগঠনের নেতাকর্মী ও শহরের বিভিন্ন স্থরের মানুষ অংশগ্রহণ করেন। মানববন্ধন কর্মসূচীতে বক্তব্য রাখেন কাজী আলমগীর, শৌমেন্দ লাল চন্দ, শাহ্ জালাল খান প্রমুখ। সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তারা সংখ্যালঘু নির্যাতন-হত্যা-বাড়িঘরে হামলা-অগ্নিসংযোগের সঙ্গে জড়িতদের অবিলম্বে গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন।
নওগাঁ ॥ বৃহস্পতিবার নওগাঁয় মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করেছে সাম্প্রদায়িকতা বিরোধী নাগরিক মঞ্চ নওগাঁ জেলা কমিটি। বেলা ১১টায় স্থানীয় ব্রিজ মোড় ‘স্বাধীনতা ভাস্কর্য’ সামনে প্রধান সড়কে এই মানববন্ধন রচনা করা হয়। সাম্প্রদায়িকতা বিরোধী নাগরিক মঞ্চ নওগাঁ জেলা কমিটির মুখপাত্র শ্যামল দাসের নেতৃত্বে মানববন্ধন কর্মসূচীতে বক্তব্য রাখেন, নওগাঁ পৌরসভার মেয়র নজমুল হক সনি, জয়নাল আবেদীন মুকুল, চিত্তরঞ্জন সাহা, রতন কুমার সাহা রঘু, জয়ন্ত বর্মণ, শংকর রঞ্জন সাহা, অসিত কুমার সাহা, অম্লান সাহা, বাদল চৌধুরী প্রমুখ। বক্তাগণ বলেন, বাংলাদেশে নির্বাচন মানেই নির্যাতন। আর এই নির্যাতনের শিকার হয় এদেশের সংখ্যালঘুরা।
টাঙ্গাইল ॥ বৃহস্পতিবার সকালে টাঙ্গাইলে মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করেছে সচেতন যুবসমাজ। টাঙ্গাইল শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে মানববন্ধন কর্মসূচীতে বিভিন্ন পেশার যুবক-যুবতীরা অংশ নেন। এ সময় রাজনীতির নামে সংখ্যালঘুদের বাড়িঘরে হামলা বন্ধ এবং মানুষ পুড়িয়ে মারার রাজনীতি বন্ধ করার আহ্বান জানানো হয়।
খাগড়াছড়িতে মানববন্ধন ও প্রতিবাদী সমাবেশ হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকেলে জেলাশহরের শাপলা চত্বরে অনুষ্ঠিত এই কর্মসূচী থেকে ‘সংখ্যালঘুদের জানমালের নিরাপত্তা বিধান এবং সহিংসতা সৃষ্টিকারীদের দৃষ্টান্তমূলক বিচার’ দাবি করেন।

27. WIDOW HINDU WOMAN FORCEFULLY TORTURED
কলাপাড়ায় বিধবার
শ্লীলতাহানি, মামলা
করে বিপাকে
নিজস্ব সংবাদদাতা, কলাপাড়া, ৯ জানুয়ারি ॥ সংখ্যালঘু বিধবা রাণী দাসকে কুপ্রস্তাবে রাজি করতে না পেরে ঘর থেকে টেনেহিঁচড়ে বাইরে এনে বেধড়ক মারধর করা হয়েছে। ন্যক্কারজনকভাবে তার শ্লীলতাহানি ঘটানো হয়েছে। বর্তমানে অসহায় এ মহিলা কলাপাড়া হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। রবিবার রাতে কলাপাড়া পৌরশহরের নাচনাপাড়া এলাকায় বঙ্গবন্ধু কলোনির এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার দুপুরে রাণী দাস কলাপাড়া থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। এর পর থেকে একমাত্র ছেলে কৃষ্ণ দাসকে নিয়ে চরম নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছেন। পুলিশ তাৎক্ষণিক অভিযুক্ত তিনজনকে আটক করেছে। এরা হচ্ছে শৈলেন বেপারী, বাবুল মিস্ত্রি ও মূল হোতা ইউপি মেম্বর সোবাহান বিশ্বাসের ছেলে রিপন বিশ্বাস।
রাণী জানান, দীর্ঘদিন তাকে কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছিল একই এলাকার ইউপি মেম্বার আব্দুস সোবাহান বিশ্বাস। এতে রাজি না হয়ে বিভিন্নভাবে ভিটি থেকে উচ্ছেদের ষড়যন্ত্র করে আসছিল মেম্বারসহ ওই এলাকার কল্যাণ বেপারী, শৈলেন বেপারীসহ একটি চক্র। অবশেষে রবিবার রাতে ঘর থেকে টেনেহিঁচড়ে বের করে রড, লাঠি দিয়ে বেধড়ক মারধর করা হয়েছে। বিবস্ত্র করে শ্লীলতাহানি ঘটানো হয়েছে। ওই রাতে রক্তাক্ত জখম অবস্থায় রাণীকে কলাপাড়া হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বৃহস্পতিবার দুপুরে কলাপাড়া প্রেসক্লাবে গিয়ে সাংবাদিকদের রাণী জানান, সে নিতান্ত গরিব মানুষ। একটি খাবার হোটেলে রান্নার কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করছেন। বর্তমানে তার এবং একমাত্র ছেলের জীবন বিপন্নের আশঙ্কার কথাও তিনি ব্যক্ত করেন। চিকিৎসক আব্দুল মতিন জানান, রাণী এখন অনেকটা সুস্থ। তবে তার বাম চোখের নিচে ঘুষির আঘাতে কাল দাগ হয়ে গেছে। কলাপাড়া থানার ওসি কেএম তারিকুল ইসলাম জানান, থানায় অবগত করার সঙ্গে সঙ্গে তিনজনকে আটক করা হয়েছে।
28. DIWALI PUJA DESTRUCTION IN BANGLADESH
বানারীপাড়া (বরিশাল) কালী মূর্তি ভাংচুর আতংক
শুক্রবার রাতে দুর্বৃত্তরা বানারীপাড়ার সীমান্তবর্তী ঝালকাঠী সদর উপজেলার বড় একসারাপাড়া গ্রামের মতিলাল দাসের বাড়ির কালী মন্দিরে মূর্তি ভাংচুর করার ঘটনায় সংখ্যালঘু পরিবারের মাঝে ভীতির সৃষ্টি হয়েছে। এ বিষয়ে অশোক লাল দাস জানান, বৃহস্পতিবার রাতে কালি মন্দিরে শ্যামা (কালি) পূজা করেন এবং শুক্রবার সন্ধ্যায় কিন্তু মন্দিরে তারা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও আরতি প্রতিযোগিতা শেষে নিজ নিজ ঘরে চলে যায়। ওই রাতে দুর্বৃত্তরা তাদের মন্দিরে প্রবেশ করে কালির মাথা ও হাত ভেঙে ফেলে পালিয়ে যায়।
পর দিন সকালে ওই বাড়ির রাধারানী দাস মন্দিরে প্রণাম দিতে গিয়ে কালির মাথা ও হাত ভাঙা দেখতে পায়। এ ঘটনায় এলাকার সংখ্যালঘু পরিবারের মাঝে ভীতির সৃষ্টি হয়েছে। শনিবার সকালে খবর পেয়ে ঝালকাঠী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফেরদৌসী বেগম, ওসি শীলমনি ও ইউপি চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম লিটন খান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এ সময় তারা দুর্বৃত্তদের গ্রেফতারপূর্বক শাস্তির আশ্বাস দেন।



29.HINDU PROPERTY AFFECTED

ভালুকা (ময়মনসিংহ): ভালুকা উপজেলার নিঝুরী গ্রামে সোমবার বিকালে এক সংখ্যালঘু পরিবারের দোকানে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাংচুর করেছে সন্ত্রাসীরা। ওই সময় বাধা দিতে এসে দোকান মালিকসহ ২জন গুরুতর আহত হয়েছে।
জানা যায়, ঘটনার সময় ওই এলাকার সুরুজ, ফিরোজ, সোরহাব এর নেতৃত্বে নিঝুরী বাজারে শ্রী জ্যোতিষ চন্দ্র দের দোকানে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাংচুর করে। এ সময় সন্ত্রাসীরা জ্যোতিষ চন্দ্র কে পিটিয়ে গুরুতর আহত করে। তার স্ত্রী কানন বালা দেবী স্বামীকে বাঁচাতে এলে তাকেও মারধর করে। আহত দুজনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে ভালুকা ও পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এ ঘটনায় আহতের ছেলে শ্রী উজ্জল চন্দ্র বাদী হয়ে ৩জনের নাম উলে¬খ করে ভালুকা মডেল থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছে।
ভালুকা মডেল থানার এস.আই জিন্নাহ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।