মঠবাড়িয়া প্রতিদিন: রাজাপুরের কাঠিপাড়া গণহত্যা দিবস -গুলি করে হত্যা করা হয় শত শত নারী-পুরুষকে * ২০১০ সালে কবর খুঁড়ে অর্ধশত কঙ্কাল উদ্ধার করা হয় * কেউ পায়নি স্বীকৃতি : নির্মিত হয়নি বধ্যভূমি...
HUMAN RIGHTS ORGANIZATION MOVES FOR RELIGIOUS MINORITY COMMUNITIES OF BANGLADESH.ESTD :23 NOV 1977
Tuesday, May 19, 2015
Monday, May 18, 2015
ক্ষমতাসীনরাও সংখ্যালঘু নির্যাতনে সম্পৃক্ত
POST 15.05.15
ঢাকা: বিএনপি-জামায়াতের পাশাপাশি ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ-ছাত্রলীগও হিন্দুদের ওপর নির্যাতনে সম্পৃক্ত বলে দাবি করেছেন হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকদের নিয়ে গঠিত সংগঠন অনুভব বহুমুখী সমবায় সমিতি লিমিটেডের উপদেষ্টা ও পুলিশের সাবেক ডিআইজি সত্য রঞ্জন বাড়ৈ।
শুক্রবার দুপুরে রাজধানীর ইনস্টিটিউশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স মিলনায়তনে সংগঠনটির সপ্তদশ বার্ষিক সাধারণ সভায় সত্যরঞ্জন এসব কথা বলেন।
তিনি আরো বলেন, ‘বিগত বছরগুলোতে দেখা গেছে দিনদিন সংখ্যালঘুরা কমে যাচ্ছে। আগে দেখা যেত জামায়াত-বিএনপিই সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা করতো। কিন্তু এখন দেখছি চট্টগ্রাম, গাজীপুরসহ একাধিক স্থানের ঘটনায় আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগও সম্পৃক্ত রয়েছে।’
তিনি অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি নৌ-মন্ত্রী শাজাহান খানকে উদ্দেশ করে বলেন, ‘সব চেয়ে দুঃখের ঘটনা হিন্দুদের অর্থিক দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে তাদের বাড়িতে রাত্রী যাপন করছেন। তাদের বাধ্য করা হচ্ছে। এসবের কারণে তারা অপমানিত হয়ে দেশ ছেড়ে চলে যাচ্ছেন। দয়া করে মাননীয় মন্ত্রী আপনারা এ বিষয়টির দিকে নজর দিন।’
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে শাহাজান খান বলেন, ‘বিএনপি সালাহ উদ্দিনকে নিয়ে মিথ্যাচার করেছে। তারা এখনো করছে। মোদি জয়ী হওয়ার পর তারা মিষ্টি খেয়েছিল। কিন্তু তাদের সে উদ্দেশ্য সফল হয়নি। তখন মোদি এক চিঠিতে বলেছেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে বাংলাদেশের পাশাপাশি ভারতের জনগণও রক্ত দিয়েছে। বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্ক রক্তের বাঁধনের সম্পর্ক।’
তিনি বলেন, ‘আমার উদ্দেশ্য ছিল খালেদাকে অফিস থেকে বাড়িতে ফিরিয়ে দেয়া। আমরা সফল হয়েছি। খুন-ধর্ষণ যদি পাপ হয় তাহলে পাকিদের বিচার দরকার। আমরা এই পাপীদের বিচার করবো। শেখ হাসিনা পাপীদের বিচার করেছেন। তাই দেশ এখন পাপমুক্ত হয়েছে। দেশ এগিয়ে গেছে।’
তিনি বলেন, ‘আমার ওপর একাধিকবার বোমা হামলা করেছে। কিন্তু পিছু হটিনি। কোনো সন্ত্রাস ও অন্যায়ের কাছে মথা নত করিনি, করবো না।’
মন্ত্রী বলেন, ‘আমরা জাতিগত দিক থেকে বাংলাদেশি। আমরা জয় বাংলা বলে বাংলাদেশ স্বাধীন বলেছি। কিন্তু স্বাধীনতার পর সেই স্লোগান হয়ে গেছে বাংলাদেশ জিন্দাবাদ। আমরা এক কাতারে বসে স্বাধীনতা অর্জন করেছি।’
হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘কে বলেছে আপনার সংখ্যালঘু? আপনারা সংখ্যার দিক থেকে লঘু হলেও যারা আল-বদর, রাজাকার তারাই সংখ্যা লঘু, আপনারা নন।’
বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, ‘২০১২ সালে ৫৫ জন ড্রাইভারকে হত্যা করা হয়েছে। ২০১৫ সালে ৩৭ জন ড্রাইভারকে পুড়িয়ে হত্যা করা হয়েছে। আপনি কি মনে করেন এরা সবাই হিন্দু? এরা সবাই আওয়ামী লীগ? এরা বাংলাদেশের নাগরিক।’
সংগঠনের সভাপতি শ্রী হীরালাল বালার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন- ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী শ্রী বীরেন শিকদার, শ্যামলী পরিবহনের এম ডি শ্রী রমেশ চন্দ্র ঘোষ প্রমুখ।
বাংলামেইল২৪ডটকম/ এসএস/ এনএফ
Friday, May 1, 2015
Religious Minority Community in Bangladesh;MAY 2015
1.
2.
রাজবাড়ীতে মন্দিরে হামলা, ভেঙ্গে ফেলা হল প্রতিমা।
রাজবাড়ি সদর উপজেলার এক কালীমন্দিরে হামলা চালিয়ে ভেঙ্গে দেয়া হয়েছে দেবী শীতলার
মুর্তি। গত ২৯শে এপ্রিল রাতে আজুগাড়া সার্বজনিন কালী মন্দিরে ঘটনাটি ঘটে।
মন্দিরের সাধারন সম্পাদক অরবিন্দ দাসের বরাতে জানা গেছে, রাতের বেলা তার ভাই মন্দিরের পাশ দিয়ে বাড়ি ফেরার পথে দেবী শীতলার মুর্তি ভাঙ্গা অবস্থায় দেখতে পান। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর তাৎক্ষনিকভাবে এ ঘটনায় কে বা কারা জড়িত থাকতে পারে এ বিষয়ে কোন প্রকার ধারনা পাওয়া নি।
এদিকে রাজবাড়ি থানার পুলিশ সুপার, সহকারি সুপার ও অসি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
এ পর্যন্ত মুর্তি ভাংচুরের ঘটনায় কোন মামলা দায়ের করা হয়নি।
3.
POST :19.05.15
লালমনিরহাট জেলার আদিতমারী উপজেলার সারপুকুর ইউনিয়নের দাসপাড়া (মাঝিপাড়া) গ্রামে শনিবার রাতে অতর্কিত হামলা চালিয়ে মন্দির, মন্দিরের লক্ষ্মী-নারায়ন মুর্তিসহ বেশ কয়েকটি হিন্দু বাড়ি ভাঙচুর করেছে চিহ্নিত দুর্বৃত্তরা।
হিন্দুরা মাদ্রাসার ছাত্র ও মাদ্রাসা শিক্ষার বিরুদ্ধে অশ্লিল ভাষায় কটূক্তি করেছে এই বানোয়াট অভিযোগে হিন্দু গ্রামের উপর হামলা চালানো হয়েছিল বলে স্থানীয় হিন্দুরা দাবি করছে।

তবে হিন্দুদের পক্ষে অভিযোগ করা হয়েছে, লক্ষ্মী-নারায়ন মুর্তি রাস্তা দিয়ে নিয়ে আসার সময়। স্থানীয় কদমতলা হাফিজিয়া মাদ্রাসার কয়েকজন ছাত্র হিন্দুদের দেব-দেবী নিয়ে অকথ্য ও নোংরা ভাষায় গালাগাল করে।
এসময় হিন্দুদের কয়েকজন এর প্রতিবাদ জানায়। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ওই মাদ্রাসার ছাত্ররা স্থানীয কিছু উগ্রপন্থী লোকজনের সঙ্গে সমবেত হয়ে লাঠি সোডা নিয়ে ওই হিন্দু গ্রামে অতর্কিত হামলা চালায় বলে তারা জানান।
হামলার শিকার জিতিন্দ্র নাথ দাস, সেমা চরণ দাস, অতুল চন্দ্র দাস, পরেশ চন্দ্র দাস, ভানু চন্দ্র দাস, বালি চন্দ্র দাস ও কার্তিক চন্দ্র দাস জানান, প্রায় ২০০/২৫০ মাদ্রাসা ছাত্র ও তাদের সমর্থিত উগ্রপন্থী লোকজন তাদের উপর হামলা চালায়।
এসময় তারা মন্দির, মন্দিরের মূর্তি ও তাদের বাড়ি ঘরে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করে। হামলা থেকে রক্ষা পেতে স্থানীয় ১০০টি পরিবারের হিন্দুরা সবাই বাড়ি ঘর ছেড়ে নিরাপদে আশ্রয় নেয় বলে তারা জানান।
পরে পুলিশ ও স্থানীয জনপ্রতিনিধিদের সহযোগিতায় বাড়িতে ফিরে এলেও আমরা এখনো নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি, এমনটি জানালেন তারা। স্থানীয় উগ্রপন্থী হিসেবে পরিচিত সাবেক ইউপি সদস্য নবু ইসলাম হামলাকারীদের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন এবং আমাদের শাসিয়েছেন আমরা যেন মূর্তি পূজা ছেড়ে দেই, হিন্দুদের অভিযোগ।
জিতিন চন্দ্র দাস অভিযোগ করে বলেন, মাদ্রাসার ছাত্ররা তাদের স্পষ্ট জানিয়েছে, এলাকায় বাস করতে হলে মূর্তি পূজা ছেড়ে দিতে হবে। কারণ মাটির মূর্তি কখনোই কথা বলে না আর এসব মূর্তি দেখলে মুসলমানদের পাপ হয়। আমরা যদি গ্রামে মূর্তি পূজা করি তাহলে আমাদের গ্রাম থেকে উচ্ছেদের হুমকিও দিয়েছিল হামলাকারীরা।

সামান্য কিছু মুসলমান ছাড়া সকলেই একত্রিত হয়েছে এবং তারা পুনরায় হামলা করতে পারে। আমরা খুবই সাধারণ হিন্দু জনগোষ্ঠী, আমরা গরীব মাছ শিকার করে বেঁচে থাকি। কিন্তু আামাদের পক্ষে বেঁচে থাকা দুরুহ। আমরা এখন নিরাপত্তাহীনতায় দিনযাপন করছি। জানি না আমাদের ভাগ্যের পরিণতি কি হয়, এমনটি কেঁদে কেঁদে জানালেন কার্তিক চন্দ্র দাসের স্ত্রী পার্বতী রানী দাস।
গত ইউপি নির্বাচনে আমরা হিন্দুরা হামলাকারীদের নেতৃত্ব দানকারী সাবেক ইউপি সদস্য নবু ইসলামকে ভোট দেইনি। আর এজন্যই তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে ওই সকল মাদ্রাসা ছাত্রদের নেতৃত্ব দিয়ে এ হামলা চালিয়েছেন। সুকৌশলে আমাদের উপর প্রতিশোধ নিলেন উনি, এমনটি অভিযোগ করলে স্থানীয় পরেশ চন্দ্র দাস।
তবে অভিযুক্ত সাবেক ইউপি সদস্য নবু ইসলাম তার উপর সকল অভিযোগ মিথ্যা ভিত্তিহীন দাবি করে বলেন, সৃষ্ট ঘটনার জন্য মাদ্রাসা ছাত্র ও হিন্দুরা দায়ী। তিনি শুধু চেষ্টা করেছিলেন সৃষ্ট ঝামেলা থামাতে।
সারপুকুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মনসুর আলী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন বিষয়টি মীমাংসার জন্য স্থানীয়ভাবে চেষ্টা চলছে।
লালমনিরহাট জেলা প্রশাসক হাবিবুর রহমান জানান, প্রশাসন সংখ্যালঘুদের উপর হামলার ব্যাপারে খুবই সজাগ এবং প্রশাসন কখনই এ ধরনের ঘটনাকে প্রশ্রয় দেয় না। ওই হিন্দু গ্রামে হামলাকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জেলা প্রশাসক জানান।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে লালমনিরহাট পুলিশ সুপার টিএম মোজাহিদুল ইসলাম জানান, ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং পুলিশ হামলাকারীদের চিহ্নিত ও গ্রেফতারে চেষ্টা চালাচ্ছে। হামলাকারী যেই হোক পুলিশ তাকে আইনের আওতায় আনবেই বলে জানালেন পুলিশ সুপার।
স্থানীয় হিন্দুরা সৃষ্ট ঘটনায় রোববার সকালে আদিতমারী থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেছেন বলে পুলিশ জানিয়েছেন।
SOURCE : নিউজনেক্সটবিডি ডটকম/প্রতিনিধি/এসজি/জাই
5.
সোমবার, ১৮ মে ২০১৫ ২৩:১৩

5.
সোমবার, ১৮ মে ২০১৫ ২৩:১৩
মোর্শেদের সহযোগীদের হুমকি
অজানা আতঙ্ক পালপাড়ায়

বগুড়া: সন্ত্রাসী বাহিনীর প্রধান মোর্শেদ গ্রেপ্তার হওয়ার পর এলাকায় কিছুটা স্বস্তি ফিরে এলেও অজানা আতঙ্কে ভুগছেন শাজাহানপুরের পালপাড়ার বাসিন্দারা। মোর্শেদ গ্রেপ্তারের পর তার সহযোগী হানজেলা ও সাজ্জাদকে গ্রেপ্তার দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও থানা ঘেরাও করার কারণেই তাদের মধ্যে এ আতঙ্ক বিরাজ করছে। মোবাইল ফোনে বিভিন্ন ভাবে হুমকি দিচ্ছে মোর্শেদ বাহিনীর লোকজন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আড়িয়া পালপাড়ার কয়েকজন বাসিন্দা জানান, শাজাহানপুর থানা পুলিশের গড়িমসির কারণেই মোর্শেদকে গ্রেপ্তার করতে সময় লেগেছে। দীর্ঘদিনের অত্যাচার নির্যাতনের পর গত ২৯ এপ্রিল রাতে বাড়িঘরে হামলার পর থানায় মামলা নিলেও পুলিশ ছিল অনেকটাই নিষ্ক্রিয়। এ কারণে বাধ্য হয়ে নিজেদের স্ত্রী-সন্তানের নিরাপত্তার জন্য সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের পুরুষ সদস্যরা রাত জেগে লাঠি হাতে পালাক্রমে গ্রাম পাহারা দেয়া শুরু করে। বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে গ্রামপাহারা দেয়ার ছবিসহ সংবাদ প্রকাশ হলে নড়ে চড়ে বসে পুলিশ প্রশাসন। গত রোববার বগুড়ার পুলিশ সুপার পালপড়া পরিদর্শনে যান। তিনি সংখ্যা লঘু সম্প্রদায়ের লোকজনের সঙ্গে কথা বলেন। পরে সন্ত্রাসী মোর্শেদকে গ্রেপ্তারে কঠোর নির্দেশ দেন। এরপর রাতেই গ্রেপ্তার হয় মোর্শেদ।
ভুক্তভোগীরা আক্ষেপ করে বলেন, পুলিশ সুপার নির্দেশ না দিলে আদৌ মোর্শেদ গ্রেপ্তার হতো কিনা তা নিয়ে সন্দিহান ছিল তারা।
স্থানীয়সূত্রমতে, চাঁদা দিতে অপারগতা প্রকাশ করায় গত ২৯ এপ্রিল গভীর রাতে পালপাড়ায় হামালা চালায় মোর্শেদ বাহিনী। ওই রাতে অজয় চন্দ্রপালের বাড়িতে গিয়ে চাঁদা দাবি করে সে। ভয়ে অজয় চন্দ্র পাল ঘরের দরজা না খোলায় তারা মাটির তৈরি হাড়ি-পাতিল ভাঙচুর করে। একই সময় সন্ত্রাসীরা বরুন, বাচ্চু, স্বপন, বিশ্বনাথসহ অনেকের বাড়িতে চাঁদা না পেয়ে ঘরের বাইরে থেকে দরজা লাগিয়ে মাটির তৈরি সামগ্রী ভাঙচুর করে।
কে এই মোর্শেদ: শাজাহানপুর উপজেলার পালাপাড়ার পার্শ্ববর্তী গ্রাম রহিমাবাদ দক্ষিণপাড়ার দিলবর রহমানের ছেলে মোর্শেদ(৩৫)। পুলিশের তালিকায় মাদক সম্রাট ও চাঁদাবাজ। ১৫/২০ জনের বাহিনী তার। মোর্শেদের নামে থানায় হত্যাসহ একাধিক মামলা রয়েছে। কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সরাসরি জড়িত না থাকলেও সবসময় ক্ষমতাসীন দলের কতিপয় নেতার ছত্রছায়ায় সে তার কর্মকাণ্ড চালায়। গত বছর মাদক ব্যবসার অধিপত্য নিয়ে তার সহাযোগী মশিউরের এক হাত কেটে নেয় প্রতিপক্ষরা।
২০০৩ সাল থেকে মোর্শেদ বাহনী পালপাড়া গ্রাম থেকে নিয়মিত চাঁদায় শুরু করে। চাঁদা না দিলে পালদের স্ত্রী, কন্যাদের তুলে নিয়ে যাওয়ার হুমকি দিত। তার ভয়ে অনেকে হয়েছে নিরুদ্দেশ। আবার অনেকে আশ্রয় নিয়েছে ভারতে।
নির্যাতিত পরিবার: বছর খানেক আগে মায়ারানী নামের এক অসহায় বিধবার মাথা গোঁজার একমাত্র ঘর ভাঙচুর ও গাছ-পালা কেটে ফেলে। বসতভিটা থেকে উচ্ছেদেরও হুমকি দেয়। ৬-৭ মাস আগে গভীর রাতে পালপাড়ার অধিকাংশ বাড়ির মাটির তৈরি হাড়ি-পাতিল ভাঙচুর করে। কালা চন্দ্র নামের এক প্রতিবন্ধী যুবক ছাড়াও দীপক, বিদ্যুৎসহ বেশ কয়েক জনকে মারপিট করে মোবাইল ও টাকা কেড়ে নেয় তারা। শুধু তাই নয় বাড়ির বউ-ঝি পর্যন্ত নিরাপদ ছিল না মোর্শেদের অত্যাচার-নির্যাতন থেকে। গোপাল নামের এক ব্যক্তির স্কুল পড়ুয়া মেয়েকে জোর করে ভয়-ভীতি দেখিয়ে তুলে নিয়ে গিয়ে বেশ কয়েক দিন আটকে রাখে। তার অত্যাচারে গোপাল, ডাবলু ছাড়াও বেশ কয়েকটি পরিবার এখন ভারতসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে আশ্রয় নিয়েছে।
পুলিশের বক্তব্য: শাজাহানপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল মান্নান জানান, হিন্দু পরিবারের ওপর নির্যাতনের ঘটনা দীর্ঘদিনের। এর আগে কখনো তারা পুলিশকে অবগত করে নাই। ২৯ এপ্রিলের রাতের ঘটনার পর পালপাড়ায় রাতে পুলিশি টহলের ব্যবস্থা করা হয়। ইতোমধ্যে সন্ত্রাসী মোর্শেদ ও তার দুই সহযোগীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এর আগে এলাকাবাসীকে সাহস দিতে ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তা ও জনপ্রতিনিধিরা সভা সমাবেশ করেছে।
ওসি আব্দুল মান্নান আরো বলেন, লয়া মিয়া হত্যা মামলাসহ একাধিক মামলার আসামি মোর্শেদ। সে মাদক সম্রাট এবং সন্ত্রাসী হিসেবে পুলিশের তালিকাভূক্ত। তবে সন্ত্রাসীর ভয়ে কেউ ভারতে আর কেউ বা নিরুদ্দেশ হয়েছেন কি না? এমন প্রশ্নের জবাবে ওসি বলেন, এমন ঘটনা শুনেছি। তবে এসব অনেক আগের ঘটনা।
6.
6.
SOURCE :MATHBARIA PROTIDIN
Subscribe to:
Posts (Atom)








