Wednesday, December 16, 2015

RISE ONCE MORE ,DECEMBER ,16, 2015

RISE ONCE MORE ,DECEMBER ,16, 2015
প্রকৃত স্বাধীনতার প্রয়াসে পুনরায় জাগ্রত হও-- RISE ONCE MORE FOR TRUE FREEDOM..




Outcry -December Section by Nikhil Banga Nagarik Sangha

Outcry-Dec 2015

Religious Minority Communities in the land of Bangladesh.December 2015



কুষ্টিয়ায় মন্দিরে হামলা, প্রতিমা ভাংচুর

16.12.15

কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে শিবমন্দিরে প্রতিমা ভাঙচুর করা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।কুষ্টিয়ার কুমারখালীর চাপড়া ইউনিয়নের ভাড়ুলিয়া গ্রামে শিবমন্দিরে ভাঙচুরের এই ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। গতকাল মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে মন্দিরের ভেতরে ঢুকে তিনটি প্রতিমা ভাঙচুর করে দুর্বৃত্তরা। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, বেশ কিছুদিন ধরেই ভাড়ুলিয়া গ্রামের আলিমুদ্দিনের সঙ্গে একই গ্রামের দিজেন সরকারের বিরোধ চলছিল। ঘটনার দিন জমির মাপজোক করার সময় কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে আলিমুদ্দিন তাঁর লোকজন নিয়ে দিজেনদের পাড়ার শিবমন্দিরে ঢুকে লক্ষ্মীনারায়ণের প্রতিমা ভাঙচুর করে। এ সময় আরো দুটি প্রতিমাও উপড়ে ফেলে দেওয়া হয়। আলিমুদ্দিনের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। তবে নাম প্রকাশ না করার শর্তে তাঁর পক্ষের একজন জমির মালিকানা দাবি করে বলেন, প্রায় ২৫ থেকে ৩০ বছর ধরে ওই জমি নিয়ে বিরোধ চলে আসছে। জমি মাপার সময় একটু ঝামেলা হয়েছে। কিন্তু তাঁদের পক্ষ থেকে মন্দিরে হামলার অভিযোগ সঠিক নয়। তৃতীয় পক্ষের কেউ মন্দিরে হামলা চালিয়ে থাকতে পারে। কুমারখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মহিবুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ সেখানে যাওয়ার আগেই পালিয়ে যান আলিমুদ্দিন ও তাঁর লোকজন। পুলিশ প্রতিমা ভাঙচুরকারীদের গ্রেফতার করার চেষ্টা করছে। [ এইবেলা]

"পলাশে কালী মন্দিরের প্রতিমা ভাংচুর"

১৫ ডিসেম্বর ২০১৫

 
নরসিংদীর পলাশে একটি কালী মন্দিরে প্রতিমা ভাংচুর করেছে দুর্বত্তরা। একই সঙ্গে ওই মন্দিরের জিনিসপত্র ভাংচুর করা হয়েছে বলে অভিযোগ। সোমবার ভোরে উপজেলার ডাঙ্গা জয়কালী মন্দিরে এই ঘটনা ঘটে।
এই ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে স্থানীয় লোকজন। আর এলাকা ঘুরে এলাকায় বসবাসকারী হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রায় ৫ হাজার মানুষের মধ্যে আতংক দেখা গেছে।
স্থানীয়রা জানায়, ওই এলাকার জমিদার উদ্ভব চন্দ্র সাহা প্রায় দেড়শ বছর আগে এই জয়কালী মন্দির প্রতিষ্ঠা করেন। 
বর্তমানে এই মন্দিরে গ্রামের প্রায় ৫ হাজার হিন্দু ধর্মালম্বীরা মন্দিরে বার্ষিক উৎসব ছাড়াও দৈনিক পূজা অর্চণা করে। যার ধারাবাহিকতায় গত বৃহস্পতিবার রাতে মন্দিরের বার্ষিক কালীপূজা অনুষ্ঠিত হয়।
বার্ষিক কালীপূজার পর গত শনিবার সকালে স্থানীয় লোকজন মন্দিরের বাইরে রাখা কালী প্রতিমা ভাংচুর করা অবস্থায় দেখতে পায়। পরদিন সকালে অন্য জায়গায় সরিয়ে ফেলা হলেও ওই কালী প্রতিমাটি আবার ভাংচুর করে দুর্বত্তরা। সর্বশেষ সোমবার সকালে মন্দিরের মূল কালীপ্রতিমা ভাংচুর করা হয়। এসময় মন্দিরের ভিতরে থাকা পূজা অর্চণার জিনিসপত্র ও আসবাবপত্র লুটের ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ করেছে মন্দির কর্তৃপক্ষ।
গতকাল দুপুরে সরেজমিনে ডাঙ্গা জয়কালী মন্দিরে গিয়ে দেখা গেছে, প্রাচীণ মন্দিরটি ঘিরে মানুষের ভীড়। চোখে-মুখে উৎকন্ঠা নিয়ে তাঁরা মন্দিরের ভাংচুর হওয়া প্রতিমা দেখছে। মন্দিরের ভিতর বেদিতে লুটাচ্ছে ভাংচুর হওয়া প্রতিমা। আর ভিতরে পূজায় ব্যবহৃত বিভিন্ন সামগ্রী লন্ডভন্ড।
ভাংচুরের ব্যাপারে মন্দিরের তত্বাবধায়ক দিলীপ কুমার সাহাদাস বলেন, গত বৃহস্পতিবার ভোরে পাঞ্জাবি আর পাগড়ী পরিহিত তিনজনকে মন্দির থেকে বেরিয়ে যেতে দেখেছে স্থানীয়রা। প্রথমে ঘটনাটি কেউ আমরা গুরুত্ব না দিলেও সর্বশেষ আজ সোমবার ভোরে প্রধান মন্দিরের কালী প্রতিমা ভাংচুর করায় তা ছোট করে দেখার সুযোগ নেই। ফলে আমরা বিষয়টি প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের অবহিত করেছি।

বিষয়টি নিয়ে মন্দিরের সামনে কথা হয় ডাঙ্গা ইউনিয়ন মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার মফিজ উদ্দিন আহমেদের সাথে। তিনি বলেন, ‘মৌলবাদীরা ধর্মীয় উসকানীর জন্য পরিকল্পিতভাবে হিন্দু সম্প্রদায়ের মন্দিরে হামলা ও ভাংচুর করা হয়েছে। আমরা এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি।’
এদিকে খবর পেয়ে আজ দুপুরে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সৈয়দ মোহাম্মদ ইকবাল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমরা ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে বিচারের দাবি জানাচ্ছি।’
পলাশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম আজাদ এনটিভি অনলাইনকে বলেন, ‘খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে গ্রেপ্তারের প্রচেষ্টা চলছে।’





দুই সংখ্যালঘু হিন্দু পরিবার ঘরছাড়া

 ১৬-১২-২০১৫




পটুয়াখালীঃ বাংলাদেশের পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া উপজেলার আলীপুর গ্রামের ২টি হিন্দু পরিবারের ১২ জন সদস্য এলাকার প্রভাবশালী ইউসুফ মুসুল্লীর হুমকিতে এখন বাড়ি ছাড়া৷ ইউসুফ মুসুল্লী ২টি হিন্দু পরিবারের একটি পরিবারের কর্তাকে গত ৮ই ডিসেম্বর অপহরণ করে, অপহরণ মামলা করতে গেলে কলাপাড়া থানার পুলিশের ভারপ্রপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মামলা প্রত্যাখ্যান করেন৷ ইউসুফ মুসুল্লী জমি দখলের লোভে পরিবার দুটিকে তাদের নিজ ভূমি থেকে উচ্ছেদ করেছে৷ পরিবারের একজন, জিতেন্দ্র নাথ বেপারি ইউসুফ মুসুল্লীর বিরুদ্ধে দেওয়ানি মামলা করলে আদালত অভিযুক্তদের তলব করেন৷ এরপর থেকেই অভিযুক্তরা পরিবার দুটিকে মৃত্যুর হুমকি দিচ্ছে৷ কলাপাড়া থানার ওসি মোহাম্মদ আজিজুর রহমান বলেন, জগদীশ এবং তার পরিবারের সদস্যরা আমার নিকট আসে এবং একটি মৌখিক অভিযোগ করেন৷ আমি তাদেরকে লিখিত অভিযোগ করতে বললে তারা পরে আর আসেনি। পরিবার দুটির সদস্যরা পটুয়াখালি জেলার জেলাপ্রশাসক অমিতাভ সরকারের সাথে তাঁর অফিসে দেখা করেন এবং একটি মৌখিক অভিযোগ করেন৷ জেলাপ্রশাসক অমিতাভ সরকার জানান অভিযোগ পেয়ে তিনি কলাপাড়া উপজেলার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে দ্রুত বিষয়টির সঠিক তদন্ত ও আইনগত ব্যাবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন৷ পরিবার দুটি আতঙ্কে বাড়ি ছেড়ে এখন কলাপাড়া উপজেলা শহরে দিন কাটাচ্ছে৷ source-এইবেলা 

সংখ্যালঘু পরিবারের কলেজ ছাত্রী অ্যাসিড দগ্ধ

15.12.15
ঢাকা: ঢাকার থামরাইয়ে মল্লিকা চক্রবর্তী (১৯) নামে এক কলেজ ছাত্রী ওপর অ্যাসিড নিক্ষেপ করেছে সন্ত্রাসীরা। সোমবার রাত ১০টার দিকে থামরাইয়ের তোপের বাড়ি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। তিনি মানিকগঞ্জ সরকারি দেবেন্দ্র কলেজের ইতিহাস বিভাগের ছাত্রী। মল্লিকার বাবা স্বপন কুমার চক্রবর্তী জানান, তার মেয়ে ঘর থেকে বাথরুমে যাওয়ার উদ্দেশে বের হলে আগে থেকে ওঁত পেতে থাকা অজ্ঞাত একব্যক্তি বোরখা পড়া অবস্থায় মল্লিকের মুখে অ্যাসিড ছুড়ে দ্রুত পালিয়ে যায়। তার মুখ ও শরীরের বিভিন্ন অংশ ঝলসে যায়। কারো সঙ্গে মল্লিকার বিরোধ নেই, তবুও কেন এই ঘটনা ঘটলো তা জানেন না মল্লিকার বাবা স্বপন কুমার। পরে রাত পৌনে ১২টার দিকে গুরুতর আহত অবস্থায় মল্লিকাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেওয়া হয়। ঢামেক পুলিশ ক্যাম্পের সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) সেন্টু চন্দ্র দাস জানান, ঢামেক বার্ন ইউনিটে মল্লিকার চিকিৎসা চলছে। এইবেলা/ এস এস ওয়াই 


ARJUN CHANDRA BISWAS (46) Hindu School Head 

Master of Monash Government Primary School at 

Barhatta Upazila was brutally murdered by local 

Muslims.

Date of Incident -02.12.15




Bangladesh Minority Watch visited spot on 11.12.15 where

ARJUN CHANDRA BISWAS (46)

 Hindu School Head Master of Monash Government Primary School at Barhatta Upazila was brutally murdered by local Muslims namely 1) Mohammad Kalachand (32) son of Mohammad Shamsudddin, 2) Mohammad Emdadul Hoque Hira @ Abu 3) Md. Z.A. Fuhad Khan @ Babul (47), 4) Mohammad Bhasani (38) of Netrakona District. His hands and legs were cut by those perpetrators due to his religious identity. This brutal incident of murder of Arjun took place on 02.12.2015 at about 09.45.

Ms.Maya Rani Sarkar - wife of Arjun Chandra Biswas lodged first information report (FIR) at Barhatta police station on 03.12.2015 and a case No.01 dated 03.12.2015 under section 143/341/30 2/34 of Penal code was started against above four perpetrators. Police arrested three perpetrators out of four persons in this connection. Fact finding by BDMW will follow.
Bangladesh Minority Watch is very much concerned about brutal murder of this Minority Hindu School Teacher he and we demand exemplary punishment of the perpetrators responsible for murder.
Investigation and Reported By 
Bangladesh Minority Watch [BDMW]


রাজাকারপুত্রের দখলে শহীদ বুদ্ধিজীবী ড.   জিসি দেব’র বাড়ি  14.12.15







স্বাধীনতার ৪৪ বছর পরও দখলমুক্ত হয়নি বিশ্ব বরেণ্য মানবতাবাদী দার্শনিক শহীদ বুদ্ধিজীবী ড. জিসি দেব’র পৈতৃক বাড়িটি। স্বাধীনতা পুরস্কার ২০০৮ (মরণোত্তর) পদকে তাঁকে ভূষিত করে জাতি আংশিক দায়মুক্ত হলেও তাঁর বাড়িটি দখলমুক্ত করা হয়নি এখনও।
ড. জিসি দেব’র পদক প্রাপ্তি বিয়ানীবাজারবাসীকে যতটা গর্বিত করেছে ততটা হতাশ করেছে তাঁর পৈতৃক বাড়িটি দখলমুক্ত না হওয়ায়। স্থানীয় সুশীল সমাজের মতে- অনতিবিলম্বে বাড়িটি দখলমুক্ত করে ড. জিসি দেব জাদুঘর প্রতিষ্ঠা করা হোক। 
প্রতি বছর স্বাধীনতা দিবস এবং বিজয় দিবস এলে নানা আলোচনায় বাড়িটি উদ্ধারের কথা উঠলেও পরবর্তীতে ঝিমিয়ে পড়ে সকল কার্যক্রম। ইতোমধ্যে ড. জিসি দেব’র স্মৃতি রক্ষা আন্দোলনের নাম করে প্রতিষ্ঠা পেয়েছে নাম সবর্স্ব বিভিন্ন সংগঠনের। কাগজে কলমে এসব সংগঠনের নাম থাকলেও কাজের ক্ষেত্রে দৃশ্যমান কিছুই দেখা যায় না।
সরেজমিনে দেখা যায়, বিয়ানীবাজার উপজেলার ১১ নং লাউতা ইউনিয়নাধীন লাউতা গ্রামে ড. জিসি দেব’র পৈতিক বাড়ির সিংহভাগ দখলদারদের দখলে। দখলদাররা সেখানে বসতবাড়ি নির্মাণ করে বসবাস করছে দীর্ঘদিন থেকে।
জানা যায়, স্বাধীনতার পরবর্তী সময় স্থানীয় বাহাদুরপুর গ্রামের বাসিন্দা রইজ্জুদ আলী ওরফে রইয়া রাজাকার প্রথমে বাড়ির কিছু অংশ দখল করে পরবর্তীতে বাড়ির অন্যান্য অংশও ধীরে ধীরে বেদখল হয়ে যায়। বর্তমানে 'রইয়া রাজাকারের' পুত্র ছমিক উদ্দিন দখলকৃত অংশে পাকা ঘর নির্মাণ করে বসবাস করছেন। অন্য অংশে ফনওই মালাকার ও গৌরাঙ্গচন্দ্র ঘর নির্মাণ করে দীর্ঘদিন ধরে বসত করছেন।
বাড়িটি দখলমুক্ত করে ড. জিসি দেব’র স্মৃতি রক্ষার্থে সেখানে জাদুঘর অথবা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার দাবী বিগত কয়েক বছর ধরে চলে আসলেও তা এখনো আলোর মুখ দেখেনি। সরকারের সদিচ্ছা ও আন্তরিকতা থাকলে অদূর ভবিষ্যতে আলোর মুখ দেখবে এমনই আশা বাড়ি উদ্ধার আন্দোলনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ও স্থানীয় সুশীল সমাজের।
বাড়িটির ভূমির মোট পরিমাণ ২.৪৭ শতক। চলমান জরিপে ১. ৪৭ শতক স্থানীয় জিসি দেব স্মৃতি সংসদ এর নামে রেকর্ড করা হয়েছে এবং ভূমির ১ একর ভিপি খতিয়ান ভূক্ত রয়েছে। অভিভাবকহীন হিসাবে পড়ে থাকার কারণে এটি ভূমিদস্যু মহল কাগজে কলমে লিজ দেখিয়ে ঘর নির্মাণ করে চিরতরে দখলের পায়তারা করে চলেছেন ছমিক উদ্দিন। দখলকারী পরিবারের অভিভাবক একজন স্বাধীনতা বিরোধী হওয়ার পর কিভাবে এই অনুমতি পায় তা এলাকাবাসীকে হতবাক করে দিয়েছে।
১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ কালোরাতে পাকহানাদার বাহিনীর আক্রমণে নির্মমভাবে নিহত হয়েছিলেন যিনি স্বাধীনতার ৪৩ বছর পরও সেই ড. জিসি দেব’র সম্পত্তি দখলমুক্ত না হওয়ায় জনমনে দেখা দিয়েছে নানা কৌতুহল। বাড়িটি উদ্ধার করতে দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয়ভাবে আন্দোলন চলে আসলেও এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান কোন পদক্ষেপ নেয়নি প্রশাসন।
কেবল তাই নয় ৭ কাঠা জমির উপর ঢাকায় ড. জিসি দেব এর আরেকটি বাড়ি রয়েছে যা বর্তমানে সম্পূর্ণ বেদখলে। ড. জিসি দেব বাড়িটি হাউজ বিল্ডিং ফাইন্যান্স কর্পোরেশন থেকে লোন নিয়ে কিনেছিলেন। বাড়ির অর্ধেক অংশ পালিত পুত্র ও পালিত কন্যার নামে এবং অর্ধেক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নামে উইল করে যান। বাড়িটি দখলমুক্ত করতে আদালতে মামলা রয়েছে বলে জানা যায়।
স্বাধীনতা পদকে ভূষিত ড. জিসি দেব’র সম্পত্তি দখল প্রসঙ্গে অভিমত ব্যক্ত করতে গিয়ে কবি ফজলুল হক বলেন, ‘স্বাধীনতার ৪৪ বছর পরও ড. জিসি দেব’র বাড়িটি দখলমুক্ত না হওয়া মানে সমগ্র দেশ এবং জাতির ব্যর্থতা।
স্বাধীনতা পদক সম্মাননা আরো অনেক আগে দেয়া উচিত ছিল বলে মন্তব্য করে কবি ফজলুল হক বলেন, স্বাধীনতার স্বপক্ষের সরকার ক্ষমতায় অতএব এখনই দলখলমুক্ত করার উপযুক্ত সময়। কেবল পদক দেয়ার মধ্যে দিয়ে রাষ্ট্র দায়মুক্ত হলে চলবেনা তাঁর সম্পূর্ণ সম্পত্তি দখলমুক্ত করতে হবে।’
‘ড. জিসি দেব স্মৃতি পরিষদ’ বিয়ানীবাজারের আহবায়ক ও সিলেট মাধ্যমিক উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান অধ্যাপক একেএম গোলাম কিবরিয়া এ প্রতিবেদকের সাথে আলাপকালে বলেন ‘দেরিতে হলেও বর্তমান সরকার ড. দেবকে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ সম্মাননা পদক প্রদানের মধ্যে দিয়ে যেভাবে প্রমাণ করেছে বাঙালি গুণীজনের সমাদর জানে। ঠিক একইভাবে তাঁর সকল সম্পত্তি দখলমুক্ত করে দেয়া এই সরকারের উচিত।’ তিনি স্থানীয় সংগঠনগুলোর সমন্বয়ের অভাব স্বীকার করে বলেন, ‘আমরা চাচ্ছি আমাদের সংগঠনে আরো গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের স্থান দিয়ে সংগঠনটিকে ঢেলে সাজাতে।’
লাউতা ইউনিয়নে ড. জিসি দেব স্মৃতি সংসদের সভাপতি লাউতা ইউপি চেয়ারম্যান এম, এ জলিল বলেন, ড. দেবমাদের অহংকার, আমরা আশা করি অবিলম্বে তাঁর বাড়িটি দখলমুক্ত করতে কর্তৃপক্ষ যথার্থ উদ্যোগ গ্রহণ করবে।
এ প্রতিবেদকের সঙ্গে মুঠোফোনে আলাপকালে সিলেটের অতিরিক্ত জেলা প্রশানক (সার্বিক) বিয়ানীবাজার উপজেলার সাবেক নির্বাহী কর্মকর্তা মো. শহিদুল ইসলাম চৌধুরী বলেন- ‘ড. জিসি দেব’র পৈতৃক ভিটায় আমি নিজে সরেজমিন গিয়েছি; সেখানে ড. দেব’র মূল ভিটেয় কেউ বসবাস করছেনা, ভিটের পাশে ফাঁকা কিছু জায়গায় স্থানীয় দারিদ্র্য কয়েকটি পরিবার বসবাস করছে। জাতীয় পর্যায়ে তথা সরকার যদি ঐখানে জাদুঘর স্থাপন করার উদ্যোগ নেয় তাহলে নোটিশ দিলে অবৈধ বসবাসকারী চলে যাবে বলে আমি বিশ্বাস করি।’
প্রসঙ্গত, পঞ্চখণ্ড তথা বিয়ানীবাজারের কৃতি সন্তান আধুনিক মানবতাবাদী দর্শনের পথিকৃৎ ড. গোবিন্দ চন্দ্র দেব (ড. জিসি দেব) ১৯০৭ খ্রিষ্টাব্দের ১ ফেব্রুয়ারি বিয়ানীবাজার উপজেলার লাউতা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
গ্রামের বালক বিদ্যালয় দিয়ে তাঁর প্রাথমিক শিক্ষা জীবন শুরু হয়। তারপর মধ্য স্কুল যা পরবর্তী লাউতা উচ্চ বিদ্যালয়ে রূপ নেয়। অতঃপর ১৯২৫ খ্রিষ্টাব্দে পঞ্চখণ্ড হরগোবিন্দ উচ্চ বিদ্যালয় থেকে সংস্কৃত ও অংকে লেটারসহ প্রথম বিভাগে ম্যাট্রিকুলেশন পরীক্ষায় উর্ত্তার্ণ হন।
১৯৩১ খ্রিষ্টাব্দে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় হতে দর্শন শাস্ত্রে প্রথম স্থান অর্জন করে এম. এ ডিগ্রী লাভ করেন। এরপর তিনি কলকাতা রিপন কলেজে (বর্তমানে স্যার সুরেন্দনাথ কলেজ) দর্শন ও ন্যায়শাস্ত্রের শিক্ষক হিসেবে পেশা জীবন শুরু করেন।
১৯৪৪ সালে কোলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডক্টরেট ডিগ্রী লাভ করেন। ১৯৪৭ এর ভারত বিভাগের পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে দর্শন বিভাগের প্রভাষক হিসেবে যোগদান দেন। এবং মৃত্যুপূর্ব পর্যন্ত দর্শন বিভাগের বিভাগীয় প্রধানের দায়িত্ব পালন করেছেন। একই সাথে জগন্নাথ হলের প্রভোষ্ট ছিলেন। এছাড়াও তিনি দেশে বিদেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষকতা করেছেন।
দর্শনের পথিকৃৎ ড. দেব এর মানবতাবাদী কর্মকাণ্ডে উৎফুল হয়ে ১৯৬৭ সালে যুক্তরাষ্ট্রে প্রতিষ্ঠা করা হয় ‘দি গোবিন্দ সেবা ফাউন্ডেশন ওয়াল্ড ফর ব্রাদার হুড’। এবং ১৯৮০ খ্রি. ফাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগের দেব সেন্টার ফর ফিলসফিক্যাল স্টাডিজ প্রতিষ্ঠা করা হয়।
১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের কালরাতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিববাড়ীর নিজ বাসভবনে নির্মমভাবে এই জ্ঞান প্রদীপকে হত্যা করে।

ইসকন মন্দিরে বোমা ও গুলি, আহত ২


বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলীয় জেলা দিনাজপুরে একটি ইসকন মন্দিরে বোমা বিস্ফোরণ ও গুলি বর্ষণের ঘটনা ঘটেছে।
পুলিশ জানিয়েছে, এই হামলার ঘটনায় দু’জন আহত হয়েছেন।
তবে হামলাকারী সন্দেহে একজনকে আটক করা হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, কাহারোল উপজেলায় হিন্দু ধর্মের অবতার কৃষ্ণের ভক্তদের একটি মন্দিরে বৃহস্পতিবার রাত ৮টার কিছু পরে হামলার ঘটনাটি ঘটে। সে সময় মন্দিরটিতে ধর্মসভা চলছিল।
অজ্ঞাত পরিচয় ব্যক্তিরা সেখানে প্রথমে গুলি বর্ষণ করে এবং এরপর হাতবোমার বিস্ফোরণ ঘটায়।
পুলিশ জানিয়েছে, হামলার ঘটনায় দু’জন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন এবং পরে হামলাকারী সন্দেহে একজনকে হাতবোমা সহ আটক করা হয়েছে।
দিনাজপুরে একটি উপজেলা ইসকন সভাপতির ওপর সম্প্রতি গুলিবর্ষণ করা হয়েছিল।
আর মাত্র কয়েকদিন আগে কাহারোলেই কান্তজিউ’র মন্দির প্রাঙ্গণে যাত্রা প্যান্ডেলে বোমা বিস্ফোরণে পাঁচজন আহত হন।
দিনাজপুর শহরে সম্প্রতি একজন ইতালীয় যাজকের ওপর হামলা হলেও তিনি প্রাণে বেঁচে যান।


কালিহাতীতে কালীমন্দিরে আগুন
23.12.15
কালিহাতীর কোকডহরা ইউনিয়নের মহিষজোড়া কালীমন্দিরে সোমবার রাতে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। মন্দির পরিচালনা কমিটির সদস্য পূর্ণচন্দ্র দে জানান, সোমবার রাত আনুমানিক নয়টার দিকে কে বা কারা মন্দিরের ভেতরে রাখা লাকড়িতে পেট্রোল, কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয়। তিনি আরও বলনে, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টের লক্ষ্যে কেউ পরকিল্পতিভাবে এ ঘটনা ঘটিয়ে থাকতে পারে।

স্থানীয় লোকজন দেখার পর আগুন নিয়ন্ত্রনে আনেন। খবর পেয়ে পুলিশের র্ঊধ্বতন র্কমর্কতাগণ, ইউপি সদস্য শফিকুল হক সহ অন্যান্য গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ রাতেই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। কালিহাতী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন মহিষজোড়া কালী মন্দিরে সোমবার রাতে কে বা কারা আগুন ধরিয়ে দেয়। কিন্তু মন্দিরের কোন ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। বর্তমানে স্থানীয় হিন্দু সমাজের মধ্যে ক্ষোভ ও আতংক বিরাজ করছে। স্থানীয় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের বাসিন্দারা এ ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত খুজে বের  করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।

উল্লাপাড়ায় মন্দিরে ভাংচুর, আটক ২
২১ ডিসেম্বর ২০১৫
উল্লাপাড়ায় কালিমন্দিরে দুর্বৃত্তদের ভাংচুর করা প্রতিমা- সমকাল
উল্লাপাড়া (সিরাজগঞ্জ) সংবাদদাতা
সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় একটি কালিমন্দিরে হামলা চালিয়ে প্রতিমা ভাঙচুর করেছে দুর্বৃত্তরা। রোববার রাতে উপজেলার দুর্গানগর ইউনিয়নের বামনগ্রাম কালিমন্দিরে এ ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় মাহবুবুল ইসলাম শামীম ও রবিউল ইসলাম নামের দু'জনকে আটক করেছে পুলিশ। তারা বামনগ্রামের বাসিন্দা।
 
মন্দির পরিচালনা কমিটির সভাপতি অরুণ বাগচী জানান, প্রায় ৩শ' বছরের পুরনো এ মন্দিরে রোববার রাতের কোনো এক সময় দুর্বৃত্তরা হামলা চালায়। তারা মন্দিরের কালি ও হরির প্রতিমা ভাংচুর করে পালিয়ে যায়।
 
সকালে গ্রামবাসী মন্দিরের এ অবস্থা দেখে পুলিশে খবর দেয়। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সন্দ্বীপ কুমার সরকার ও উল্লাপাড়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দেওয়ান কউশিক আহমেদ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
 
ওসি দেওয়ান কউশিক আহমেদ জানান, মন্দিরে হামলা-ভাংচুরের ঘটনায় মামলা হয়েছে। আটক দু'জনকে থানায় জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

দেশের সব হিন্দু সংগঠন নিষিদ্ধের দাবি ওলামা 

লীগের

 

Thursday, December 3, 2015

Unrest Dharna Stage by Nikhil Banga Nagarik Sangha at Jantar Mantar ,Delhi demanding Refugee status in India and Security of Bangladesh Minorities in Bangladesh.




Bangladesh Refugee Unrest Rally and
 Stage Dharna at Jantar Mantar, New Delhi ,India
[Section Image ]
[Memorandum to the respected PMO India and Un resident Coordinator included ]

Date -26.11.15


NIKHIL BANGA NAGARIK SANGHA


Demands :

            1.
           To annul enemy property (vested) (both anti-humane and international                          code) in Bangladesh and return possession to true  inheritors…                    
2. 
To provide independence and security to millions of religious minority Hindus, Buddhists and Christians living in Bangladesh…………
3. 
To render security measures to progressive, secular Muslims across Bangladesh…………..
4. 
To repel infiltrating Bangladeshi Muslims into India with honor………….
5. 
To review unbalanced India-Bangladesh river water sharing treaty for Indian peasants and refugees…..
6.
To provide refugee status to minority Hindus, Buddhists and Christians expelled from Bangladesh and living in India...




























Contact - Mail-nbns23111977@gmail.com/nbns1977@gmail.com
Mob-9088760114
Read and Share our monthly minority news [BD] "Mayer Dak" Free Online in this blog.