HUMAN RIGHTS ORGANIZATION MOVES FOR RELIGIOUS MINORITY COMMUNITIES OF BANGLADESH.ESTD :23 NOV 1977
Monday, December 28, 2015
Wednesday, December 16, 2015
Outcry -December Section by Nikhil Banga Nagarik Sangha
Outcry-Dec 2015
Religious Minority Communities in the land of Bangladesh.December 2015
কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে শিবমন্দিরে প্রতিমা ভাঙচুর করা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।কুষ্টিয়ার কুমারখালীর চাপড়া ইউনিয়নের ভাড়ুলিয়া গ্রামে শিবমন্দিরে ভাঙচুরের এই ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। গতকাল মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে মন্দিরের ভেতরে ঢুকে তিনটি প্রতিমা ভাঙচুর করে দুর্বৃত্তরা। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, বেশ কিছুদিন ধরেই ভাড়ুলিয়া গ্রামের আলিমুদ্দিনের সঙ্গে একই গ্রামের দিজেন সরকারের বিরোধ চলছিল। ঘটনার দিন জমির মাপজোক করার সময় কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে আলিমুদ্দিন তাঁর লোকজন নিয়ে দিজেনদের পাড়ার শিবমন্দিরে ঢুকে লক্ষ্মীনারায়ণের প্রতিমা ভাঙচুর করে। এ সময় আরো দুটি প্রতিমাও উপড়ে ফেলে দেওয়া হয়। আলিমুদ্দিনের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। তবে নাম প্রকাশ না করার শর্তে তাঁর পক্ষের একজন জমির মালিকানা দাবি করে বলেন, প্রায় ২৫ থেকে ৩০ বছর ধরে ওই জমি নিয়ে বিরোধ চলে আসছে। জমি মাপার সময় একটু ঝামেলা হয়েছে। কিন্তু তাঁদের পক্ষ থেকে মন্দিরে হামলার অভিযোগ সঠিক নয়। তৃতীয় পক্ষের কেউ মন্দিরে হামলা চালিয়ে থাকতে পারে। কুমারখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মহিবুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ সেখানে যাওয়ার আগেই পালিয়ে যান আলিমুদ্দিন ও তাঁর লোকজন। পুলিশ প্রতিমা ভাঙচুরকারীদের গ্রেফতার করার চেষ্টা করছে। [ এইবেলা]
"পলাশে কালী মন্দিরের প্রতিমা ভাংচুর"
১৫ ডিসেম্বর ২০১৫
নরসিংদীর পলাশে একটি কালী মন্দিরে প্রতিমা ভাংচুর করেছে দুর্বত্তরা। একই সঙ্গে ওই মন্দিরের জিনিসপত্র ভাংচুর করা হয়েছে বলে অভিযোগ। সোমবার ভোরে উপজেলার ডাঙ্গা জয়কালী মন্দিরে এই ঘটনা ঘটে।
এই ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে স্থানীয় লোকজন। আর এলাকা ঘুরে এলাকায় বসবাসকারী হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রায় ৫ হাজার মানুষের মধ্যে আতংক দেখা গেছে।
স্থানীয়রা জানায়, ওই এলাকার জমিদার উদ্ভব চন্দ্র সাহা প্রায় দেড়শ বছর আগে এই জয়কালী মন্দির প্রতিষ্ঠা করেন। বর্তমানে এই মন্দিরে গ্রামের প্রায় ৫ হাজার হিন্দু ধর্মালম্বীরা মন্দিরে বার্ষিক উৎসব ছাড়াও দৈনিক পূজা অর্চণা করে। যার ধারাবাহিকতায় গত বৃহস্পতিবার রাতে মন্দিরের বার্ষিক কালীপূজা অনুষ্ঠিত হয়।
বার্ষিক কালীপূজার পর গত শনিবার সকালে স্থানীয় লোকজন মন্দিরের বাইরে রাখা কালী প্রতিমা ভাংচুর করা অবস্থায় দেখতে পায়। পরদিন সকালে অন্য জায়গায় সরিয়ে ফেলা হলেও ওই কালী প্রতিমাটি আবার ভাংচুর করে দুর্বত্তরা। সর্বশেষ সোমবার সকালে মন্দিরের মূল কালীপ্রতিমা ভাংচুর করা হয়। এসময় মন্দিরের ভিতরে থাকা পূজা অর্চণার জিনিসপত্র ও আসবাবপত্র লুটের ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ করেছে মন্দির কর্তৃপক্ষ।
গতকাল দুপুরে সরেজমিনে ডাঙ্গা জয়কালী মন্দিরে গিয়ে দেখা গেছে, প্রাচীণ মন্দিরটি ঘিরে মানুষের ভীড়। চোখে-মুখে উৎকন্ঠা নিয়ে তাঁরা মন্দিরের ভাংচুর হওয়া প্রতিমা দেখছে। মন্দিরের ভিতর বেদিতে লুটাচ্ছে ভাংচুর হওয়া প্রতিমা। আর ভিতরে পূজায় ব্যবহৃত বিভিন্ন সামগ্রী লন্ডভন্ড।
ভাংচুরের ব্যাপারে মন্দিরের তত্বাবধায়ক দিলীপ কুমার সাহাদাস বলেন, গত বৃহস্পতিবার ভোরে পাঞ্জাবি আর পাগড়ী পরিহিত তিনজনকে মন্দির থেকে বেরিয়ে যেতে দেখেছে স্থানীয়রা। প্রথমে ঘটনাটি কেউ আমরা গুরুত্ব না দিলেও সর্বশেষ আজ সোমবার ভোরে প্রধান মন্দিরের কালী প্রতিমা ভাংচুর করায় তা ছোট করে দেখার সুযোগ নেই। ফলে আমরা বিষয়টি প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের অবহিত করেছি।
বিষয়টি নিয়ে মন্দিরের সামনে কথা হয় ডাঙ্গা ইউনিয়ন মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার মফিজ উদ্দিন আহমেদের সাথে। তিনি বলেন, ‘মৌলবাদীরা ধর্মীয় উসকানীর জন্য পরিকল্পিতভাবে হিন্দু সম্প্রদায়ের মন্দিরে হামলা ও ভাংচুর করা হয়েছে। আমরা এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি।’
এদিকে খবর পেয়ে আজ দুপুরে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সৈয়দ মোহাম্মদ ইকবাল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমরা ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে বিচারের দাবি জানাচ্ছি।’
পলাশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম আজাদ এনটিভি অনলাইনকে বলেন, ‘খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে গ্রেপ্তারের প্রচেষ্টা চলছে।’
সংখ্যালঘু পরিবারের কলেজ ছাত্রী অ্যাসিড দগ্ধ
15.12.15
ঢাকা: ঢাকার থামরাইয়ে মল্লিকা চক্রবর্তী (১৯) নামে এক কলেজ ছাত্রী ওপর অ্যাসিড নিক্ষেপ করেছে সন্ত্রাসীরা। সোমবার রাত ১০টার দিকে থামরাইয়ের তোপের বাড়ি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। তিনি মানিকগঞ্জ সরকারি দেবেন্দ্র কলেজের ইতিহাস বিভাগের ছাত্রী। মল্লিকার বাবা স্বপন কুমার চক্রবর্তী জানান, তার মেয়ে ঘর থেকে বাথরুমে যাওয়ার উদ্দেশে বের হলে আগে থেকে ওঁত পেতে থাকা অজ্ঞাত একব্যক্তি বোরখা পড়া অবস্থায় মল্লিকের মুখে অ্যাসিড ছুড়ে দ্রুত পালিয়ে যায়। তার মুখ ও শরীরের বিভিন্ন অংশ ঝলসে যায়। কারো সঙ্গে মল্লিকার বিরোধ নেই, তবুও কেন এই ঘটনা ঘটলো তা জানেন না মল্লিকার বাবা স্বপন কুমার। পরে রাত পৌনে ১২টার দিকে গুরুতর আহত অবস্থায় মল্লিকাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেওয়া হয়। ঢামেক পুলিশ ক্যাম্পের সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) সেন্টু চন্দ্র দাস জানান, ঢামেক বার্ন ইউনিটে মল্লিকার চিকিৎসা চলছে। এইবেলা/ এস এস ওয়াই
ARJUN CHANDRA BISWAS (46) Hindu School Head
Master of Monash Government Primary School at
Barhatta Upazila was brutally murdered by local
Muslims.
Date of Incident -02.12.15
কালিহাতীর কোকডহরা ইউনিয়নের মহিষজোড়া কালীমন্দিরে সোমবার রাতে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। মন্দির পরিচালনা কমিটির সদস্য পূর্ণচন্দ্র দে জানান, সোমবার রাত আনুমানিক নয়টার দিকে কে বা কারা মন্দিরের ভেতরে রাখা লাকড়িতে পেট্রোল, কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয়। তিনি আরও বলনে, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টের লক্ষ্যে কেউ পরকিল্পতিভাবে এ ঘটনা ঘটিয়ে থাকতে পারে।
স্থানীয় লোকজন দেখার পর আগুন নিয়ন্ত্রনে আনেন। খবর পেয়ে পুলিশের র্ঊধ্বতন র্কমর্কতাগণ, ইউপি সদস্য শফিকুল হক সহ অন্যান্য গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ রাতেই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। কালিহাতী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন মহিষজোড়া কালী মন্দিরে সোমবার রাতে কে বা কারা আগুন ধরিয়ে দেয়। কিন্তু মন্দিরের কোন ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। বর্তমানে স্থানীয় হিন্দু সমাজের মধ্যে ক্ষোভ ও আতংক বিরাজ করছে। স্থানীয় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের বাসিন্দারা এ ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত খুজে বের করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।
উল্লাপাড়ায় মন্দিরে ভাংচুর, আটক ২
২১ ডিসেম্বর ২০১৫
20 Dec, 2015
Religious Minority Communities in the land of Bangladesh.December 2015
কুষ্টিয়ায় মন্দিরে হামলা, প্রতিমা ভাংচুর
16.12.15
"পলাশে কালী মন্দিরের প্রতিমা ভাংচুর"
১৫ ডিসেম্বর ২০১৫
নরসিংদীর পলাশে একটি কালী মন্দিরে প্রতিমা ভাংচুর করেছে দুর্বত্তরা। একই সঙ্গে ওই মন্দিরের জিনিসপত্র ভাংচুর করা হয়েছে বলে অভিযোগ। সোমবার ভোরে উপজেলার ডাঙ্গা জয়কালী মন্দিরে এই ঘটনা ঘটে।
এই ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে স্থানীয় লোকজন। আর এলাকা ঘুরে এলাকায় বসবাসকারী হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রায় ৫ হাজার মানুষের মধ্যে আতংক দেখা গেছে।
স্থানীয়রা জানায়, ওই এলাকার জমিদার উদ্ভব চন্দ্র সাহা প্রায় দেড়শ বছর আগে এই জয়কালী মন্দির প্রতিষ্ঠা করেন। বর্তমানে এই মন্দিরে গ্রামের প্রায় ৫ হাজার হিন্দু ধর্মালম্বীরা মন্দিরে বার্ষিক উৎসব ছাড়াও দৈনিক পূজা অর্চণা করে। যার ধারাবাহিকতায় গত বৃহস্পতিবার রাতে মন্দিরের বার্ষিক কালীপূজা অনুষ্ঠিত হয়।
বার্ষিক কালীপূজার পর গত শনিবার সকালে স্থানীয় লোকজন মন্দিরের বাইরে রাখা কালী প্রতিমা ভাংচুর করা অবস্থায় দেখতে পায়। পরদিন সকালে অন্য জায়গায় সরিয়ে ফেলা হলেও ওই কালী প্রতিমাটি আবার ভাংচুর করে দুর্বত্তরা। সর্বশেষ সোমবার সকালে মন্দিরের মূল কালীপ্রতিমা ভাংচুর করা হয়। এসময় মন্দিরের ভিতরে থাকা পূজা অর্চণার জিনিসপত্র ও আসবাবপত্র লুটের ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ করেছে মন্দির কর্তৃপক্ষ।
গতকাল দুপুরে সরেজমিনে ডাঙ্গা জয়কালী মন্দিরে গিয়ে দেখা গেছে, প্রাচীণ মন্দিরটি ঘিরে মানুষের ভীড়। চোখে-মুখে উৎকন্ঠা নিয়ে তাঁরা মন্দিরের ভাংচুর হওয়া প্রতিমা দেখছে। মন্দিরের ভিতর বেদিতে লুটাচ্ছে ভাংচুর হওয়া প্রতিমা। আর ভিতরে পূজায় ব্যবহৃত বিভিন্ন সামগ্রী লন্ডভন্ড।
ভাংচুরের ব্যাপারে মন্দিরের তত্বাবধায়ক দিলীপ কুমার সাহাদাস বলেন, গত বৃহস্পতিবার ভোরে পাঞ্জাবি আর পাগড়ী পরিহিত তিনজনকে মন্দির থেকে বেরিয়ে যেতে দেখেছে স্থানীয়রা। প্রথমে ঘটনাটি কেউ আমরা গুরুত্ব না দিলেও সর্বশেষ আজ সোমবার ভোরে প্রধান মন্দিরের কালী প্রতিমা ভাংচুর করায় তা ছোট করে দেখার সুযোগ নেই। ফলে আমরা বিষয়টি প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের অবহিত করেছি।
বিষয়টি নিয়ে মন্দিরের সামনে কথা হয় ডাঙ্গা ইউনিয়ন মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার মফিজ উদ্দিন আহমেদের সাথে। তিনি বলেন, ‘মৌলবাদীরা ধর্মীয় উসকানীর জন্য পরিকল্পিতভাবে হিন্দু সম্প্রদায়ের মন্দিরে হামলা ও ভাংচুর করা হয়েছে। আমরা এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি।’
এদিকে খবর পেয়ে আজ দুপুরে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সৈয়দ মোহাম্মদ ইকবাল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমরা ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে বিচারের দাবি জানাচ্ছি।’
পলাশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম আজাদ এনটিভি অনলাইনকে বলেন, ‘খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে গ্রেপ্তারের প্রচেষ্টা চলছে।’
দুই সংখ্যালঘু হিন্দু পরিবার ঘরছাড়া
১৬-১২-২০১৫
পটুয়াখালীঃ বাংলাদেশের পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া উপজেলার আলীপুর গ্রামের ২টি হিন্দু পরিবারের ১২ জন সদস্য এলাকার প্রভাবশালী ইউসুফ মুসুল্লীর হুমকিতে এখন বাড়ি ছাড়া৷ ইউসুফ মুসুল্লী ২টি হিন্দু পরিবারের একটি পরিবারের কর্তাকে গত ৮ই ডিসেম্বর অপহরণ করে, অপহরণ মামলা করতে গেলে কলাপাড়া থানার পুলিশের ভারপ্রপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মামলা প্রত্যাখ্যান করেন৷ ইউসুফ মুসুল্লী জমি দখলের লোভে পরিবার দুটিকে তাদের নিজ ভূমি থেকে উচ্ছেদ করেছে৷ পরিবারের একজন, জিতেন্দ্র নাথ বেপারি ইউসুফ মুসুল্লীর বিরুদ্ধে দেওয়ানি মামলা করলে আদালত অভিযুক্তদের তলব করেন৷ এরপর থেকেই অভিযুক্তরা পরিবার দুটিকে মৃত্যুর হুমকি দিচ্ছে৷ কলাপাড়া থানার ওসি মোহাম্মদ আজিজুর রহমান বলেন, জগদীশ এবং তার পরিবারের সদস্যরা আমার নিকট আসে এবং একটি মৌখিক অভিযোগ করেন৷ আমি তাদেরকে লিখিত অভিযোগ করতে বললে তারা পরে আর আসেনি। পরিবার দুটির সদস্যরা পটুয়াখালি জেলার জেলাপ্রশাসক অমিতাভ সরকারের সাথে তাঁর অফিসে দেখা করেন এবং একটি মৌখিক অভিযোগ করেন৷ জেলাপ্রশাসক অমিতাভ সরকার জানান অভিযোগ পেয়ে তিনি কলাপাড়া উপজেলার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে দ্রুত বিষয়টির সঠিক তদন্ত ও আইনগত ব্যাবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন৷ পরিবার দুটি আতঙ্কে বাড়ি ছেড়ে এখন কলাপাড়া উপজেলা শহরে দিন কাটাচ্ছে৷ source-এইবেলা
15.12.15
ঢাকা: ঢাকার থামরাইয়ে মল্লিকা চক্রবর্তী (১৯) নামে এক কলেজ ছাত্রী ওপর অ্যাসিড নিক্ষেপ করেছে সন্ত্রাসীরা। সোমবার রাত ১০টার দিকে থামরাইয়ের তোপের বাড়ি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। তিনি মানিকগঞ্জ সরকারি দেবেন্দ্র কলেজের ইতিহাস বিভাগের ছাত্রী। মল্লিকার বাবা স্বপন কুমার চক্রবর্তী জানান, তার মেয়ে ঘর থেকে বাথরুমে যাওয়ার উদ্দেশে বের হলে আগে থেকে ওঁত পেতে থাকা অজ্ঞাত একব্যক্তি বোরখা পড়া অবস্থায় মল্লিকের মুখে অ্যাসিড ছুড়ে দ্রুত পালিয়ে যায়। তার মুখ ও শরীরের বিভিন্ন অংশ ঝলসে যায়। কারো সঙ্গে মল্লিকার বিরোধ নেই, তবুও কেন এই ঘটনা ঘটলো তা জানেন না মল্লিকার বাবা স্বপন কুমার। পরে রাত পৌনে ১২টার দিকে গুরুতর আহত অবস্থায় মল্লিকাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেওয়া হয়। ঢামেক পুলিশ ক্যাম্পের সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) সেন্টু চন্দ্র দাস জানান, ঢামেক বার্ন ইউনিটে মল্লিকার চিকিৎসা চলছে। এইবেলা/ এস এস ওয়াই
ARJUN CHANDRA BISWAS (46) Hindu School Head
Master of Monash Government Primary School at
Barhatta Upazila was brutally murdered by local
Muslims.
Date of Incident -02.12.15
Bangladesh Minority Watch visited spot on 11.12.15 where
ARJUN CHANDRA BISWAS (46)
Hindu School Head Master of Monash Government Primary School at Barhatta Upazila was brutally murdered by local Muslims namely 1) Mohammad Kalachand (32) son of Mohammad Shamsudddin, 2) Mohammad Emdadul Hoque Hira @ Abu 3) Md. Z.A. Fuhad Khan @ Babul (47), 4) Mohammad Bhasani (38) of Netrakona District. His hands and legs were cut by those perpetrators due to his religious identity. This brutal incident of murder of Arjun took place on 02.12.2015 at about 09.45.
Ms.Maya Rani Sarkar - wife of Arjun Chandra Biswas lodged first information report (FIR) at Barhatta police station on 03.12.2015 and a case No.01 dated 03.12.2015 under section 143/341/30 2/34 of Penal code was started against above four perpetrators. Police arrested three perpetrators out of four persons in this connection. Fact finding by BDMW will follow.
Bangladesh Minority Watch is very much concerned about brutal murder of this Minority Hindu School Teacher he and we demand exemplary punishment of the perpetrators responsible for murder.
Investigation and Reported By
Bangladesh Minority Watch [BDMW]
রাজাকারপুত্রের দখলে শহীদ বুদ্ধিজীবী ড. জিসি দেব’র বাড়ি 14.12.15
স্বাধীনতার ৪৪ বছর পরও দখলমুক্ত হয়নি বিশ্ব বরেণ্য মানবতাবাদী দার্শনিক শহীদ বুদ্ধিজীবী ড. জিসি দেব’র পৈতৃক বাড়িটি। স্বাধীনতা পুরস্কার ২০০৮ (মরণোত্তর) পদকে তাঁকে ভূষিত করে জাতি আংশিক দায়মুক্ত হলেও তাঁর বাড়িটি দখলমুক্ত করা হয়নি এখনও।
ড. জিসি দেব’র পদক প্রাপ্তি বিয়ানীবাজারবাসীকে যতটা গর্বিত করেছে ততটা হতাশ করেছে তাঁর পৈতৃক বাড়িটি দখলমুক্ত না হওয়ায়। স্থানীয় সুশীল সমাজের মতে- অনতিবিলম্বে বাড়িটি দখলমুক্ত করে ড. জিসি দেব জাদুঘর প্রতিষ্ঠা করা হোক।
প্রতি বছর স্বাধীনতা দিবস এবং বিজয় দিবস এলে নানা আলোচনায় বাড়িটি উদ্ধারের কথা উঠলেও পরবর্তীতে ঝিমিয়ে পড়ে সকল কার্যক্রম। ইতোমধ্যে ড. জিসি দেব’র স্মৃতি রক্ষা আন্দোলনের নাম করে প্রতিষ্ঠা পেয়েছে নাম সবর্স্ব বিভিন্ন সংগঠনের। কাগজে কলমে এসব সংগঠনের নাম থাকলেও কাজের ক্ষেত্রে দৃশ্যমান কিছুই দেখা যায় না।
সরেজমিনে দেখা যায়, বিয়ানীবাজার উপজেলার ১১ নং লাউতা ইউনিয়নাধীন লাউতা গ্রামে ড. জিসি দেব’র পৈতিক বাড়ির সিংহভাগ দখলদারদের দখলে। দখলদাররা সেখানে বসতবাড়ি নির্মাণ করে বসবাস করছে দীর্ঘদিন থেকে।
জানা যায়, স্বাধীনতার পরবর্তী সময় স্থানীয় বাহাদুরপুর গ্রামের বাসিন্দা রইজ্জুদ আলী ওরফে রইয়া রাজাকার প্রথমে বাড়ির কিছু অংশ দখল করে পরবর্তীতে বাড়ির অন্যান্য অংশও ধীরে ধীরে বেদখল হয়ে যায়। বর্তমানে 'রইয়া রাজাকারের' পুত্র ছমিক উদ্দিন দখলকৃত অংশে পাকা ঘর নির্মাণ করে বসবাস করছেন। অন্য অংশে ফনওই মালাকার ও গৌরাঙ্গচন্দ্র ঘর নির্মাণ করে দীর্ঘদিন ধরে বসত করছেন।
বাড়িটি দখলমুক্ত করে ড. জিসি দেব’র স্মৃতি রক্ষার্থে সেখানে জাদুঘর অথবা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার দাবী বিগত কয়েক বছর ধরে চলে আসলেও তা এখনো আলোর মুখ দেখেনি। সরকারের সদিচ্ছা ও আন্তরিকতা থাকলে অদূর ভবিষ্যতে আলোর মুখ দেখবে এমনই আশা বাড়ি উদ্ধার আন্দোলনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ও স্থানীয় সুশীল সমাজের।
বাড়িটির ভূমির মোট পরিমাণ ২.৪৭ শতক। চলমান জরিপে ১. ৪৭ শতক স্থানীয় জিসি দেব স্মৃতি সংসদ এর নামে রেকর্ড করা হয়েছে এবং ভূমির ১ একর ভিপি খতিয়ান ভূক্ত রয়েছে। অভিভাবকহীন হিসাবে পড়ে থাকার কারণে এটি ভূমিদস্যু মহল কাগজে কলমে লিজ দেখিয়ে ঘর নির্মাণ করে চিরতরে দখলের পায়তারা করে চলেছেন ছমিক উদ্দিন। দখলকারী পরিবারের অভিভাবক একজন স্বাধীনতা বিরোধী হওয়ার পর কিভাবে এই অনুমতি পায় তা এলাকাবাসীকে হতবাক করে দিয়েছে।
১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ কালোরাতে পাকহানাদার বাহিনীর আক্রমণে নির্মমভাবে নিহত হয়েছিলেন যিনি স্বাধীনতার ৪৩ বছর পরও সেই ড. জিসি দেব’র সম্পত্তি দখলমুক্ত না হওয়ায় জনমনে দেখা দিয়েছে নানা কৌতুহল। বাড়িটি উদ্ধার করতে দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয়ভাবে আন্দোলন চলে আসলেও এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান কোন পদক্ষেপ নেয়নি প্রশাসন।
কেবল তাই নয় ৭ কাঠা জমির উপর ঢাকায় ড. জিসি দেব এর আরেকটি বাড়ি রয়েছে যা বর্তমানে সম্পূর্ণ বেদখলে। ড. জিসি দেব বাড়িটি হাউজ বিল্ডিং ফাইন্যান্স কর্পোরেশন থেকে লোন নিয়ে কিনেছিলেন। বাড়ির অর্ধেক অংশ পালিত পুত্র ও পালিত কন্যার নামে এবং অর্ধেক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নামে উইল করে যান। বাড়িটি দখলমুক্ত করতে আদালতে মামলা রয়েছে বলে জানা যায়।
স্বাধীনতা পদকে ভূষিত ড. জিসি দেব’র সম্পত্তি দখল প্রসঙ্গে অভিমত ব্যক্ত করতে গিয়ে কবি ফজলুল হক বলেন, ‘স্বাধীনতার ৪৪ বছর পরও ড. জিসি দেব’র বাড়িটি দখলমুক্ত না হওয়া মানে সমগ্র দেশ এবং জাতির ব্যর্থতা।
স্বাধীনতা পদক সম্মাননা আরো অনেক আগে দেয়া উচিত ছিল বলে মন্তব্য করে কবি ফজলুল হক বলেন, স্বাধীনতার স্বপক্ষের সরকার ক্ষমতায় অতএব এখনই দলখলমুক্ত করার উপযুক্ত সময়। কেবল পদক দেয়ার মধ্যে দিয়ে রাষ্ট্র দায়মুক্ত হলে চলবেনা তাঁর সম্পূর্ণ সম্পত্তি দখলমুক্ত করতে হবে।’
‘ড. জিসি দেব স্মৃতি পরিষদ’ বিয়ানীবাজারের আহবায়ক ও সিলেট মাধ্যমিক উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান অধ্যাপক একেএম গোলাম কিবরিয়া এ প্রতিবেদকের সাথে আলাপকালে বলেন ‘দেরিতে হলেও বর্তমান সরকার ড. দেবকে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ সম্মাননা পদক প্রদানের মধ্যে দিয়ে যেভাবে প্রমাণ করেছে বাঙালি গুণীজনের সমাদর জানে। ঠিক একইভাবে তাঁর সকল সম্পত্তি দখলমুক্ত করে দেয়া এই সরকারের উচিত।’ তিনি স্থানীয় সংগঠনগুলোর সমন্বয়ের অভাব স্বীকার করে বলেন, ‘আমরা চাচ্ছি আমাদের সংগঠনে আরো গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের স্থান দিয়ে সংগঠনটিকে ঢেলে সাজাতে।’
লাউতা ইউনিয়নে ড. জিসি দেব স্মৃতি সংসদের সভাপতি লাউতা ইউপি চেয়ারম্যান এম, এ জলিল বলেন, ড. দেব আমাদের অহংকার, আমরা আশা করি অবিলম্বে তাঁর বাড়িটি দখলমুক্ত করতে কর্তৃপক্ষ যথার্থ উদ্যোগ গ্রহণ করবে।
এ প্রতিবেদকের সঙ্গে মুঠোফোনে আলাপকালে সিলেটের অতিরিক্ত জেলা প্রশানক (সার্বিক) বিয়ানীবাজার উপজেলার সাবেক নির্বাহী কর্মকর্তা মো. শহিদুল ইসলাম চৌধুরী বলেন- ‘ড. জিসি দেব’র পৈতৃক ভিটায় আমি নিজে সরেজমিন গিয়েছি; সেখানে ড. দেব’র মূল ভিটেয় কেউ বসবাস করছেনা, ভিটের পাশে ফাঁকা কিছু জায়গায় স্থানীয় দারিদ্র্য কয়েকটি পরিবার বসবাস করছে। জাতীয় পর্যায়ে তথা সরকার যদি ঐখানে জাদুঘর স্থাপন করার উদ্যোগ নেয় তাহলে নোটিশ দিলে অবৈধ বসবাসকারী চলে যাবে বলে আমি বিশ্বাস করি।’
প্রসঙ্গত, পঞ্চখণ্ড তথা বিয়ানীবাজারের কৃতি সন্তান আধুনিক মানবতাবাদী দর্শনের পথিকৃৎ ড. গোবিন্দ চন্দ্র দেব (ড. জিসি দেব) ১৯০৭ খ্রিষ্টাব্দের ১ ফেব্রুয়ারি বিয়ানীবাজার উপজেলার লাউতা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
গ্রামের বালক বিদ্যালয় দিয়ে তাঁর প্রাথমিক শিক্ষা জীবন শুরু হয়। তারপর মধ্য স্কুল যা পরবর্তী লাউতা উচ্চ বিদ্যালয়ে রূপ নেয়। অতঃপর ১৯২৫ খ্রিষ্টাব্দে পঞ্চখণ্ড হরগোবিন্দ উচ্চ বিদ্যালয় থেকে সংস্কৃত ও অংকে লেটারসহ প্রথম বিভাগে ম্যাট্রিকুলেশন পরীক্ষায় উর্ত্তার্ণ হন।
১৯৩১ খ্রিষ্টাব্দে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় হতে দর্শন শাস্ত্রে প্রথম স্থান অর্জন করে এম. এ ডিগ্রী লাভ করেন। এরপর তিনি কলকাতা রিপন কলেজে (বর্তমানে স্যার সুরেন্দনাথ কলেজ) দর্শন ও ন্যায়শাস্ত্রের শিক্ষক হিসেবে পেশা জীবন শুরু করেন।
১৯৪৪ সালে কোলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডক্টরেট ডিগ্রী লাভ করেন। ১৯৪৭ এর ভারত বিভাগের পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে দর্শন বিভাগের প্রভাষক হিসেবে যোগদান দেন। এবং মৃত্যুপূর্ব পর্যন্ত দর্শন বিভাগের বিভাগীয় প্রধানের দায়িত্ব পালন করেছেন। একই সাথে জগন্নাথ হলের প্রভোষ্ট ছিলেন। এছাড়াও তিনি দেশে বিদেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষকতা করেছেন।
দর্শনের পথিকৃৎ ড. দেব এর মানবতাবাদী কর্মকাণ্ডে উৎফুল হয়ে ১৯৬৭ সালে যুক্তরাষ্ট্রে প্রতিষ্ঠা করা হয় ‘দি গোবিন্দ সেবা ফাউন্ডেশন ওয়াল্ড ফর ব্রাদার হুড’। এবং ১৯৮০ খ্রি. ফাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগের দেব সেন্টার ফর ফিলসফিক্যাল স্টাডিজ প্রতিষ্ঠা করা হয়।
১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের কালরাতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিববাড়ীর নিজ বাসভবনে নির্মমভাবে এই জ্ঞান প্রদীপকে হত্যা করে।
ইসকন মন্দিরে বোমা ও গুলি, আহত ২
বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলীয় জেলা দিনাজপুরে একটি ইসকন মন্দিরে বোমা বিস্ফোরণ ও গুলি বর্ষণের ঘটনা ঘটেছে।
পুলিশ জানিয়েছে, এই হামলার ঘটনায় দু’জন আহত হয়েছেন।
তবে হামলাকারী সন্দেহে একজনকে আটক করা হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, কাহারোল উপজেলায় হিন্দু ধর্মের অবতার কৃষ্ণের ভক্তদের একটি মন্দিরে বৃহস্পতিবার রাত ৮টার কিছু পরে হামলার ঘটনাটি ঘটে। সে সময় মন্দিরটিতে ধর্মসভা চলছিল।
অজ্ঞাত পরিচয় ব্যক্তিরা সেখানে প্রথমে গুলি বর্ষণ করে এবং এরপর হাতবোমার বিস্ফোরণ ঘটায়।
পুলিশ জানিয়েছে, হামলার ঘটনায় দু’জন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন এবং পরে হামলাকারী সন্দেহে একজনকে হাতবোমা সহ আটক করা হয়েছে।
দিনাজপুরে একটি উপজেলা ইসকন সভাপতির ওপর সম্প্রতি গুলিবর্ষণ করা হয়েছিল।
আর মাত্র কয়েকদিন আগে কাহারোলেই কান্তজিউ’র মন্দির প্রাঙ্গণে যাত্রা প্যান্ডেলে বোমা বিস্ফোরণে পাঁচজন আহত হন।
দিনাজপুর শহরে সম্প্রতি একজন ইতালীয় যাজকের ওপর হামলা হলেও তিনি প্রাণে বেঁচে যান।
কালিহাতীতে কালীমন্দিরে আগুন
23.12.15কালিহাতীর কোকডহরা ইউনিয়নের মহিষজোড়া কালীমন্দিরে সোমবার রাতে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। মন্দির পরিচালনা কমিটির সদস্য পূর্ণচন্দ্র দে জানান, সোমবার রাত আনুমানিক নয়টার দিকে কে বা কারা মন্দিরের ভেতরে রাখা লাকড়িতে পেট্রোল, কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয়। তিনি আরও বলনে, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টের লক্ষ্যে কেউ পরকিল্পতিভাবে এ ঘটনা ঘটিয়ে থাকতে পারে।
স্থানীয় লোকজন দেখার পর আগুন নিয়ন্ত্রনে আনেন। খবর পেয়ে পুলিশের র্ঊধ্বতন র্কমর্কতাগণ, ইউপি সদস্য শফিকুল হক সহ অন্যান্য গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ রাতেই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। কালিহাতী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন মহিষজোড়া কালী মন্দিরে সোমবার রাতে কে বা কারা আগুন ধরিয়ে দেয়। কিন্তু মন্দিরের কোন ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। বর্তমানে স্থানীয় হিন্দু সমাজের মধ্যে ক্ষোভ ও আতংক বিরাজ করছে। স্থানীয় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের বাসিন্দারা এ ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত খুজে বের করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।
উল্লাপাড়ায় মন্দিরে ভাংচুর, আটক ২
২১ ডিসেম্বর ২০১৫

উল্লাপাড়া (সিরাজগঞ্জ) সংবাদদাতা
সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় একটি কালিমন্দিরে হামলা চালিয়ে প্রতিমা ভাঙচুর করেছে দুর্বৃত্তরা। রোববার রাতে উপজেলার দুর্গানগর ইউনিয়নের বামনগ্রাম কালিমন্দিরে এ ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় মাহবুবুল ইসলাম শামীম ও রবিউল ইসলাম নামের দু'জনকে আটক করেছে পুলিশ। তারা বামনগ্রামের বাসিন্দা।
মন্দির পরিচালনা কমিটির সভাপতি অরুণ বাগচী জানান, প্রায় ৩শ' বছরের পুরনো এ মন্দিরে রোববার রাতের কোনো এক সময় দুর্বৃত্তরা হামলা চালায়। তারা মন্দিরের কালি ও হরির প্রতিমা ভাংচুর করে পালিয়ে যায়।
সকালে গ্রামবাসী মন্দিরের এ অবস্থা দেখে পুলিশে খবর দেয়। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সন্দ্বীপ কুমার সরকার ও উল্লাপাড়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দেওয়ান কউশিক আহমেদ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
ওসি দেওয়ান কউশিক আহমেদ জানান, মন্দিরে হামলা-ভাংচুরের ঘটনায় মামলা হয়েছে। আটক দু'জনকে থানায় জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
দেশের সব হিন্দু সংগঠন নিষিদ্ধের দাবি ওলামা
লীগের
20 Dec, 2015
বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদসহ দেশের সব হিন্দু সংগঠন নিষিদ্ধ ঘোষণা ও সুরঞ্জিত সেনগুপ্তকে আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদ থেকে বহিষ্কারসহ ১০ দফা দাবি জানিয়েছে আওয়ামী ওলামা লীগসহ সমমনা ১৩টি ইসলামি সংগঠন।
শনিবার জাতীয় প্রেস কাবের সামনে অনুষ্ঠিত এক মানববন্ধন থেকে এ দাবি জানানো হয়। ওলামা লীগের সভাপতি মাওলানা মুহম্মদ আখতার হুসাইন বুখারীর সভাপতিত্বে এতে বক্তৃতা করেন : ওলামা লীগের সাধারণ সম্পাদক কাজী মাওলানা মুহম্মদ আবুল হাসান শেখ শরীয়তপুরী, সম্মিলিত ইসলামী গবেষণা পরিষদের সভাপতি হাফেজ মাওলানা মুহম্মদ আব্দুস সাত্তার, বঙ্গবন্ধু ওলামা ফাউন্ডেশনের সভাপতি মুফতি মাসুম বিল্লাহ নাফেয়ীসহ ১৩টি ইসলামিক দলের নেতৃবৃন্দ।
বক্তারা আসন্ন পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী সা: সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় যথাযথভাবে পালনসহ ১০ দফা দাবি তুলে ধরেন। এর মধ্যে রয়েছে সব শ্রেণীর পাঠ্যপুস্তকে হজরত মুহাম্মদ সা:-এর জীবনী বাধ্যতামূলক, দেশব্যাপী মুসলমানদের উৎসব ভাতা প্রদান; ব্লগে, ওয়েবসাইটে, ইন্টারনেটে ইসলাম অবমাননাকর লেখা পোস্ট করলে পুলিশকে বাদি হয়ে মামলা ও সর্বোচ্চ শাস্তি প্রদান, হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদ নিষিদ্ধ ঘোষণা, সুরঞ্জিত সেনগুপ্তকে অসাম্প্রদায়িক আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদ থেকে বহিষ্কার, আইএসের তৎপরতা বন্ধ; জাগো হিন্দু পরিষদ, ইস্কন, হিন্দু বীর যুবসংঘ, বঙ্গসেনা, বঙ্গভূমি আন্দোলন, হিন্দু মহাজোট, বেদান্ত সাংস্কৃতিক মঞ্চ, সনাতন মৈত্রী সংঘ, আর্য সমাজের কর্মকা- বন্ধ ঘোষণার দাবি।
Thursday, December 3, 2015
Unrest Dharna Stage by Nikhil Banga Nagarik Sangha at Jantar Mantar ,Delhi demanding Refugee status in India and Security of Bangladesh Minorities in Bangladesh.
Bangladesh Refugee Unrest Rally and
Stage Dharna at Jantar Mantar, New Delhi ,India
[Section Image ]
[Memorandum to the respected PMO India and Un resident Coordinator included ]
Date -26.11.15
NIKHIL BANGA NAGARIK SANGHA
Demands :
1.
To annul enemy property (vested) (both anti-humane and international code) in Bangladesh and return possession to true inheritors…
2.
To provide independence and security to millions of religious minority Hindus, Buddhists and Christians living in Bangladesh…………
3.
To render security measures to progressive, secular Muslims across Bangladesh…………..
4.
To repel infiltrating Bangladeshi Muslims into India with honor………….
5.
To review unbalanced India-Bangladesh river water sharing treaty for Indian peasants and refugees…..
6.
To provide refugee status to minority Hindus, Buddhists and Christians expelled from Bangladesh and living in India...
Contact - Mail-nbns23111977@gmail.com/nbns1977@gmail.com
Mob-9088760114
Read and Share our monthly minority news [BD] "Mayer Dak" Free Online in this blog.
Sunday, November 22, 2015
Tuesday, November 17, 2015
"সংখ্যালঘু নির্যাতনের দিনাজপুর প্রেক্ষিত"-[Courtesy-eibela.com]
A Description of Religious Minority's condition,Historical
view,Reduction of Hindu Populations with time in Dist.
Dinajpur,Bangladesh.
Source and Published by Eibela.com
সংখ্যালঘু নির্যাতনের দিনাজপুর : প্রেক্ষিত-১

প্রিয় বালা বিশ্বাস: ২০১৪ সালের জানুয়ারী মাসে দেশের জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সারা দেশেই জামায়াত-বিএনপি জোট তান্ডবলীলা চালিয়েছিল। দেশের সংখ্যালঘু অধ্যুষিত এলাকাগুলোতে চালায় নারকীয় নির্যাতন। এদের হাত থেকে রেহাই পায়নি সংখ্যালঘু আবাল, বৃদ্ধ, বনিতা কেউ-ই। এ সময় দেশের উত্তরাঞ্চলের জেলা দিনাজপুরে চলে চরম অত্যাচার। মানবাধিকার সংগঠণ শারি’র হিউম্যান রাইটস মিডিয়া ডিফেন্ডার আজহারুল আজাদ জুয়েলের মাধ্যমে তুলে আনা হয় সেসকল কাহিনী। এই কাহিনীতে উঠে আসে সংখ্যালঘু নির্যাতনের চরম বিষয়। শারি’র নির্বাহী পরিচালক প্রিয় বালা বিশ্বাস সেসকল কাহিনী ধারাবাহিকভাবে পাঠকদের সামনে তুলে ধরছেন।
প্রাচীন দিনাজপুর ছিল বিশাল এক জনপদ। বংলাদেশের পঞ্চগড়, ঠাকুরগাঁও, বগুড়া, নওগাঁ, রংপুর, ভারতের মালদহ, পুর্ণিয়া, জলপাইগুড়ি, বালুরঘাট, উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুরের কোনটা পুরোপুরি, কোনটার অংশ বিশেষ বিভিন্ন সময়ে বিভিন্নভাবে প্রাচীন দিনাজপুর জেলার অংশ ছিল। কখনো সংযোজন, কখনো বিয়োজনোর কারণে এই জেলার আয়তন বিভিন্ন সময় হ্রাস- বৃদ্ধি পায়।
১৮৩১ সাল থেকে ১৮৭০ সালের মধ্যে বগুড়া ও মালদহ জেলা সৃষ্টি হলে দিনাজপুরের আয়তন কমতে থাকে। ১৮০৮ সালে হ্যামিল্টন বুকাননের বিবরণ অনুযায়ী দিনাজপর জেলার আয়তন ছিল ৫৩৭৪ বর্গমাইল। বগুড়া ও মালদহ জেলা সৃষ্টির কারণে আয়তন কমে আসে ৩৯৪৬ বর্গমাইলে। ১৮৬৩ সালে রেভিনিউ সার্ভেয়ার মেজর শেরউইলের বিবরণীতে আয়তন দাঁড়ায় ৪৫৮৩ বর্গমাইল, ১৮৭২ সালের প্রথম আদম শুমারীর কমিশনার মি. বেভারলীর রিপোর্ট অনুযায়ী ৪১৪২ বর্গমাইল, ১৯০৪ সালে ৩৯৪৬ বর্গমাইল, পাকিস্তান সৃষ্টির পর ২৭৩৯ বর্গমাইল।
সেই বিশাল দিনাজপুর পর্যায়ক্রমে ছোট হতে হতে অনেক ছোট হয়েছে। বর্তমানে এর আয়তন মাত্র ১৪৯৪ বর্গমাইল (৩৪৩৭.৯৮ বর্গ কিলোমিটার)। কিন্তু ঐতিহ্যের গৌরব তাতে ম্লান হয়নাই। দিনাজপুর জেলায় হিন্দু, মুসলিম,বৌদ্ধ, খৃষ্টান সব ধর্মের ঐতিহ্যই বিদ্যমান। এখানে এশিয়ার সেরা টেরাকোটা খচিত কান্তজীউ মন্দির হয়েছে, অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়াই করে শহীদ হওয়া চেহেলগাজীদের নান্দনিক মাজার রয়েছে, বৌদ্ধ ধর্মের শিক্ষা সভ্যতার নিদর্শন নবাবগঞ্জ বিহার (সীতাকোট) রয়েছে, বাংলাদেশে খৃষ্ট ধর্মের অন্যতম প্রচারক উইলিয়াম কেরীর স্মৃতি নিদর্শন রয়েছে। সবকিছু মিলিয়ে দিনাজপুর জেলা সকল ধর্মের মিলনক্ষেত্র হিসেবে ঐতিহ্যের ধারক হয়ে রয়েছে। সব ধর্ম বুকে ধারণ করেছে দিনাজপুর। কিন্তু এর জন্য অতীতে সহিংসতা হওয়ার কোন নিদর্শন পাওয়া যায়নি।
এখন সহিংসতা হচ্ছে। এক তরফা সহিংসতা। হিন্দুরা আক্রান্ত হচ্ছে, কিন্তু প্রতিরোধ হচ্ছেনা। এক তরফা মার খেয়ে নির্যাতিত হতে হতে একসময় মনের দুঃখে, বিড়ম্বনা, অপমানের বোঝা নিয়ে দেশ ছেড়ে চলে যাচ্ছে।
পৃথিবীর সবখানে লোক বাড়ে, কিন্তু বাংলাদেশে এর ব্যতিক্রম। সংখ্যালঘুরা এখানে কমছে। বাংলাদেশে ১৯৫১ সালে হিন্দু ধর্মবলম্বীদের সংখ্যা ছিল ২৩.১ ভাগ। কিন্তু সংখ্যা কমতে কমতে এখন ৯ ভাগে নেমে এসেছে। আদম শুমারীর তথ্য থেকে দেখা যায় এই দেশে ১৯৬১ সালে ১৯.৬ ভাগ, ১৯৭৪ সালে ১৪.৬ ভাগ, ১৯৮১ সালে ১৩.৩ ভাগ, ১৯৯১ সালে ১১.৭ ভাগ এবং ২০০১ সালে ১০.৪ ভাগ হিন্দু জনগোষ্ঠী ছিল। বর্তমানে আছে মাত্র ৯ ভাগ।
এবার একটু আলোচনা করা যাক দিনাজপুর জেলায় হিন্দু ও মুসলিম জনসংখ্যার তুলনামূলক অবস্থান নিয়ে। ১৮৭২ সালে তৎকালীন দিনাজপুর জেলায় প্রথম আদম শুমারী অনুষ্ঠিত হয়। তখন এই জেলার থানা ছিল ১৭টি। থানাগুলি হলো রাজারামপুর, কোতয়ালী, ঘোড়াঘাট (রানাীগঞ্জ), কালিয়াগঞ্জ, হেমতাবাদ, বংশীহারী, গঙ্গারামপুর, পোরসা, পতœীতলা, পতিরাম, চিন্তামন, হাবড়া, নওয়াবগঞ্জ, বীরগঞ্জ, ঠাকুরগাঁও, পীরগঞ্জ ও রানীশংকৈল। ঐ শুমারী অনুযায়ী তখন দিনাজপুর জেলায় লোক সংখ্যা ছিল ১৫ লাখ ১ হাজার ৯২৪ জন। এর মধ্যে হিন্দু ৭ লাখ ২ হাজার ২৩৫ জন, মুসলিম ৭ লাখ ৯৩ হাজার ২৩৫ জন। শতকরা হারে হিন্দু ৪৬.৮ ভাগ এবং মুসলমান ৫২.৮ ভাগ। বাকি ১.৮৪ ভাগ মানুষ ছিলেন অন্য ধর্মবলম্বী।
১৯১১ সালের আদম শুমারী রিপোর্ট অনুযায়ী দিনাজপুর জেলায় লোক সংখ্যা ছিল ১৬ লাখ ৮৭ হাজার ৬৪৯ জন। এর মধ্যে হিন্দু ৭ লাখ ৫৯ হাজার ৩০৯ জন, মুসলিম ৮ লাখ ২৪ হাজার ৩১৫ জন। শতকরা হারে হিন্দু ৪৪.৯ ভাগ এবং মুসলমান ৪৮.৮ ভাগ। ঐ শুমারীতে ১ লাখ ২ হাজার ৩১ জন জড়বাদী (০৬ ভাগ) এবং খৃষ্টান ও জৈন ধর্মাবলম্বী লোকের সংখ্যা ১৯৬৪ জন উল্লেখ করা হয়।
দেখা যাচ্ছে যে, ১৮৭২ সালে হিন্দু ও মুসলিম জনসংখ্যা যা ছিল ১৯১১ সালের আদম শুমারী অনুযায়ী সংখ্যায় তা বাড়লেও শতকরা হারে কমে যায়। ১৮৭২ সালে শতকরা হিন্দু ৪৬.৮ ভাগ এবং মুসলমান ৫২.৮ ভাগ ছিল। কিন্তু ১৯১১ সালে হিন্দু ৪৪.৯ ভাগ এবং মুসলমান ৪৮.৮ ভাগে নেমে আসে। এর কারণ হিসেবে ঐতিহাসিকগণ উল্লেখ করেন যে, ‘সাঁওতাল,ওঁড়াও, মুন্ডাসহ বিপুল সংখ্যক আদিবাসী জনগোষ্ঠী ভারত বর্ষের বিভিন্ন অঞ্চল হতে দিনাজপুর অঞ্চলে এসে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করায় এ অবস্থার ¯ৃষ্টি হয়।’-- ইছামুদ্দিন সরকার, ‘পরিবর্তনের ¯্রােতে আদিবাসী সম্প্রদায়ের বিভাগোত্তর দিনাজপুর’- দিনাজপুর:ইতিহাস ও ঐতিহ্য- শরীফউদ্দিন আহমেদ সম্পাদিত।
‘মুসলিম আমলে দিনাজপর জেলায় মুসলিম- হিন্দুর অনুপাত ছিল ৭:৩। বুকানন যখন দিনাপুরে আসেন (১৮০৭) তখন মোট ৩০ লক্ষ জনসংখ্যার ২১ লক্ষ ছিল মুসলমান এবং হিন্দু ৯ লক্ষ (আদিবাসীসহ)। পরবর্তী এক শতকে সে সংখ্যার পরিবর্তন হয়ে মুসলিম- হিন্দু জনসংখ্যার অনুপাত দাঁড়ায় ১০.৯। এই বিপুল পরিবর্তনের কারণ ৩টি;
১. কামরুপ অঞ্চল থেকে উপজাতিদের অধিক আগমন।
২. মুঘল ও ইংরেজ শাসনামলে ভাগ্যাম্বেষণে অধিক সংখ্যক চাকুরীজীবী বর্ণ হিন্দুদের আগমন।
৩. মুসলমান জনসংখ্যার হ্রাস।
আদিবাসীদের ব্যাপকহারে দিনাজপরে অভিবাসন গ্রহণ, মুসলিম জনগোষ্ঠীর জন্মহার হ্রাস, অসাস্থ্যকার পরিবেশ জনিত মৃত্যুহার বৃদ্ধি ইত্যাদি কারণে একদিকে দিনাজপুর জেলায় মুসলিম হার কমতে থাকে অপরদিকে আদিবাসী সহ হিন্দু জনসংখ্যা বাড়তে থাকে। অনুপাত অনুযায়ী এই দুই ধর্মের লোক প্রায় সমান সমান হয়ে যায়। ১৯৪৭ সালে ভারতীয় উপমহাদেশ ভেঙ্গে যখন দুইটি নতুন রাষ্ট্রের জœম হয় তখন দিনাজপুর জেলায় হিন্দু ও মুসলিম জনসংখ্যার অনুপাত ছিল যথাক্রমে ৪৯.৮ ভাগ এবং ৫০.২ ভাগ।
পাকিস্তান সৃষ্টির পুর্বে দিনাজপুরে ৩টি মহকুমা যথাক্রমে দিনাজপুর সদর, বালুরঘাট ও ঠাকুরগাঁও মহকুমা ছিল। তিন মহকুমায় থানা ছিল ৩০টি । এখানে সেই সময়ের থানা ভিত্তিক মুসলিম ও অমুসলিম জনগোষ্ঠীর সংখ্যা এবং মহকুমা ও জেলা ভিত্তিক শতকরা হার তুলে ধরা হলো:
দেখা যাচ্ছে যে বৃটিশ শাসনের সময় বিভিন্ন কারণে বিভিন্ন প্রেক্ষাপটে দিনাজপুর জেলায় হিন্দু ও মুসলিম জনসংখ্যার আনুপাতিক হার অনেক কম-বেশি হলেও পাকিস্তান সৃষ্টির মুহুর্তে অনুপাত ছিল প্রায় সমান সমান। কিন্তু পাকিস্তান সৃষ্টির পর অনেক হিন্দু নতু রাজনৈতিক প্রেক্ষিত তৈরী হওয়ায় ভারতে চলে যায়। দুইটি নতুন রাষ্ট্র যে রাজনীতির সূত্র ধরে তৈরী হয় সেটা ছিল ধর্ম। অর্থাৎ সাম্প্রদায়িক রাজনীতির প্রেক্ষিত ধরে ভারত ও পাকিস্তান সৃষ্টি হয়। এ কারণে অনেকের মধ্যে এই ধারণা প্রতীয়মান হয় যে পাকিস্তান হলো মুসলমানদের রাষ্ট্র আর ইন্ডিয়া হলো হিন্দুদের রাষ্ট্র। এই সাম্প্রদায়িক ধারনা থেকে দিনাজপুর সহ বাংলাদেশের অনেক হিন্দু তখন ভারতে চলে যায় আবার অনেক মুসলিম ভারত থেকে বাংলাদেশে আসেন। তবে দিনাজপুরের হিন্দুদের ভারত যাওয়ার ঘটনা সবচেয়ে বেশি ছিল ১৯৫৪ সালে। তখন পাকিস্তান সরকার পাসপোর্ট চালুর সিদ্ধান্ত নেয়। হিন্দুদের ধারনা হয় পাসপোর্ট চালু হলে তাদের ইন্ডিয়া যাওয়া বন্ধ হয়ে যাবে। ফলে তারা আত্মীয়-স্বজন হতে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়বে। এরকম ভয় থেকে দলে দলে হিন্দুরা ভারেতে যেতে থাকে। এরপর একটা স্থিতি অবস্থা ছিল। কিন্তু মুক্তিযুদ্ধের সময় পাক হানদাররা সাম্প্রদায়িক মনোভাব নিয়ে হিন্দুদের উপর ব্যাপক নির্যাতন চালায়। আবার বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পরেও বিভিন্ন সময়ে অনুষ্ঠিত জাতীয় নির্বাচনে হিন্দুরা নির্যাতিত হয়। যুদ্ধপরাধীদের বিচার ও ফাঁসির ঘটনাকে সামনে রেখেও হিন্দু সম্প্রদায়ের উপর নীপিড়ন চলে। নীপিড়িত হিন্দুদের অনেকে ভারতে চলে যায়।
বর্তমানে বৃহত্তর দিনাজপুর জেলায় ২৩ থানা নিয়ে গঠিত। এর মধ্যে ঠাকুরগাঁও জেলায় ৫ থানা এবং পঞ্চগড় জেলায় ৫ উপজেলা বা থানা রয়েছে। শুধু দিনাজপুর জেলায় রয়েছে ১৩ থানা বা উপজেলা। এই ১৩ উপজেলা হলো দিনাজপুর সদর, বিরল, বোচাগঞ্জ, বিরামপুর, বীরগঞ্জ, চিরিরবন্দর, ফুলবাড়ী, হাকিমপুর, কাহারোল, খানসামা, নবাবগঞ্জ, পার্বতীপুর ও ঘোড়াঘাট।
বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৯১, ২০০১ এবং ২০১১ সালে আদমশুমারী অনুষ্ঠিত হয়। ৩টি আদম শুমারীতে দেখা যায় বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পরেও দিনাজপুর জেলায় হিন্দু জনগোষ্ঠীর অনুপাত ক্রমান্বয়ে কমেছে।
১৯৯১ সালে দিনাজপুরের ১৩ থানায় হিন্দু জনসংখ্যা ছিল মোট জনসংখ্যার ২০.৫১ ভাগ। ২০০১ সালে তা কমে হয়েছে ১৯.৭৫ ভাগ এবং ২০১১ সালে হয়েছে ১৯.৫১। এই সময়ে বৌদ্ধ ধর্মের লোকদের সংখ্যাও ক্রমান্বয়ে কমে গেছে।
১৯৯১ সালে দিনাজপুরের ১৩ থানায় বৌদ্ধ জনসংখ্যা ছিল ০.১২ভাগ। ২০০১ সালে হয়েছে ০.০৪ ভাগ, ২০১১ সালে ০.০২ ভাগ। পক্ষান্তরে একই সময়কালে দিনাজপুর জেলায় মুসলিম ও খৃষ্টান জনসংখ্যা আনুপাতিক হারে বেড়েছে। ১৯৯১ সালে দিনাজপুর জেলায় মোট জনসংখ্যার ৭৬.৩৪ ভাগ ছিল মুসলিম। ক্রমান্বয়ে তা বেড়ে হয়েছে ২০০১ সালে ৭৭.৮৩ ভাগ এবং ২০১১ সালে ৭৮.০৩ ভাগ। খৃষ্টানদের ক্ষেত্রে দেখা যায় তারা ১৯৯১ সালে ছিলেন মোট জনসংখ্যার ০.৮০ ভাগ। আনুপাতিক হারে তাদের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ২০০১ সালে ১.০৬ ভাগ এবং ২০১১ সালে ১.২৫ ভাগ।
সংখ্যালঘু নির্যাতনের দিনাজপুর প্রেক্ষিত-২

প্রিয় বালা বিশ্বাস : বাংলাদেশ পরিসংখ্যান বিভাগ থেকে সংগ্রহ করা ১৯৯১, ২০০১ ও ২০১১ সালের আদম শুমারীর দিনাজপুর জেলার তথ্য নীচে তুলে ধরা হলো;

.JPG)
সাম্প্রদায়িকতা মুক্ত প্রাচীন দিনাজপুর
http://eibela.com/article/%E0%A6%95%E0%A6%B2%E0%A6%82%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%9C%E0%A6%9E%E0%A7%8D%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%87-%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%AA%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%A4-%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%9C%E0%A6%AA%E0%A7%81%E0%A6%B0
view,Reduction of Hindu Populations with time in Dist.
Dinajpur,Bangladesh.
Source and Published by Eibela.com
সংখ্যালঘু নির্যাতনের দিনাজপুর : প্রেক্ষিত-১
প্রিয় বালা বিশ্বাস: ২০১৪ সালের জানুয়ারী মাসে দেশের জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সারা দেশেই জামায়াত-বিএনপি জোট তান্ডবলীলা চালিয়েছিল। দেশের সংখ্যালঘু অধ্যুষিত এলাকাগুলোতে চালায় নারকীয় নির্যাতন। এদের হাত থেকে রেহাই পায়নি সংখ্যালঘু আবাল, বৃদ্ধ, বনিতা কেউ-ই। এ সময় দেশের উত্তরাঞ্চলের জেলা দিনাজপুরে চলে চরম অত্যাচার। মানবাধিকার সংগঠণ শারি’র হিউম্যান রাইটস মিডিয়া ডিফেন্ডার আজহারুল আজাদ জুয়েলের মাধ্যমে তুলে আনা হয় সেসকল কাহিনী। এই কাহিনীতে উঠে আসে সংখ্যালঘু নির্যাতনের চরম বিষয়। শারি’র নির্বাহী পরিচালক প্রিয় বালা বিশ্বাস সেসকল কাহিনী ধারাবাহিকভাবে পাঠকদের সামনে তুলে ধরছেন।
একদা দিনাজপুর
প্রাচীন দিনাজপুর ছিল বিশাল এক জনপদ। বংলাদেশের পঞ্চগড়, ঠাকুরগাঁও, বগুড়া, নওগাঁ, রংপুর, ভারতের মালদহ, পুর্ণিয়া, জলপাইগুড়ি, বালুরঘাট, উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুরের কোনটা পুরোপুরি, কোনটার অংশ বিশেষ বিভিন্ন সময়ে বিভিন্নভাবে প্রাচীন দিনাজপুর জেলার অংশ ছিল। কখনো সংযোজন, কখনো বিয়োজনোর কারণে এই জেলার আয়তন বিভিন্ন সময় হ্রাস- বৃদ্ধি পায়।
১৮৩১ সাল থেকে ১৮৭০ সালের মধ্যে বগুড়া ও মালদহ জেলা সৃষ্টি হলে দিনাজপুরের আয়তন কমতে থাকে। ১৮০৮ সালে হ্যামিল্টন বুকাননের বিবরণ অনুযায়ী দিনাজপর জেলার আয়তন ছিল ৫৩৭৪ বর্গমাইল। বগুড়া ও মালদহ জেলা সৃষ্টির কারণে আয়তন কমে আসে ৩৯৪৬ বর্গমাইলে। ১৮৬৩ সালে রেভিনিউ সার্ভেয়ার মেজর শেরউইলের বিবরণীতে আয়তন দাঁড়ায় ৪৫৮৩ বর্গমাইল, ১৮৭২ সালের প্রথম আদম শুমারীর কমিশনার মি. বেভারলীর রিপোর্ট অনুযায়ী ৪১৪২ বর্গমাইল, ১৯০৪ সালে ৩৯৪৬ বর্গমাইল, পাকিস্তান সৃষ্টির পর ২৭৩৯ বর্গমাইল।
সেই বিশাল দিনাজপুর পর্যায়ক্রমে ছোট হতে হতে অনেক ছোট হয়েছে। বর্তমানে এর আয়তন মাত্র ১৪৯৪ বর্গমাইল (৩৪৩৭.৯৮ বর্গ কিলোমিটার)। কিন্তু ঐতিহ্যের গৌরব তাতে ম্লান হয়নাই। দিনাজপুর জেলায় হিন্দু, মুসলিম,বৌদ্ধ, খৃষ্টান সব ধর্মের ঐতিহ্যই বিদ্যমান। এখানে এশিয়ার সেরা টেরাকোটা খচিত কান্তজীউ মন্দির হয়েছে, অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়াই করে শহীদ হওয়া চেহেলগাজীদের নান্দনিক মাজার রয়েছে, বৌদ্ধ ধর্মের শিক্ষা সভ্যতার নিদর্শন নবাবগঞ্জ বিহার (সীতাকোট) রয়েছে, বাংলাদেশে খৃষ্ট ধর্মের অন্যতম প্রচারক উইলিয়াম কেরীর স্মৃতি নিদর্শন রয়েছে। সবকিছু মিলিয়ে দিনাজপুর জেলা সকল ধর্মের মিলনক্ষেত্র হিসেবে ঐতিহ্যের ধারক হয়ে রয়েছে। সব ধর্ম বুকে ধারণ করেছে দিনাজপুর। কিন্তু এর জন্য অতীতে সহিংসতা হওয়ার কোন নিদর্শন পাওয়া যায়নি।
এখন সহিংসতা হচ্ছে। এক তরফা সহিংসতা। হিন্দুরা আক্রান্ত হচ্ছে, কিন্তু প্রতিরোধ হচ্ছেনা। এক তরফা মার খেয়ে নির্যাতিত হতে হতে একসময় মনের দুঃখে, বিড়ম্বনা, অপমানের বোঝা নিয়ে দেশ ছেড়ে চলে যাচ্ছে।
পৃথিবীর সবখানে লোক বাড়ে, কিন্তু বাংলাদেশে এর ব্যতিক্রম। সংখ্যালঘুরা এখানে কমছে। বাংলাদেশে ১৯৫১ সালে হিন্দু ধর্মবলম্বীদের সংখ্যা ছিল ২৩.১ ভাগ। কিন্তু সংখ্যা কমতে কমতে এখন ৯ ভাগে নেমে এসেছে। আদম শুমারীর তথ্য থেকে দেখা যায় এই দেশে ১৯৬১ সালে ১৯.৬ ভাগ, ১৯৭৪ সালে ১৪.৬ ভাগ, ১৯৮১ সালে ১৩.৩ ভাগ, ১৯৯১ সালে ১১.৭ ভাগ এবং ২০০১ সালে ১০.৪ ভাগ হিন্দু জনগোষ্ঠী ছিল। বর্তমানে আছে মাত্র ৯ ভাগ।
এবার একটু আলোচনা করা যাক দিনাজপুর জেলায় হিন্দু ও মুসলিম জনসংখ্যার তুলনামূলক অবস্থান নিয়ে। ১৮৭২ সালে তৎকালীন দিনাজপুর জেলায় প্রথম আদম শুমারী অনুষ্ঠিত হয়। তখন এই জেলার থানা ছিল ১৭টি। থানাগুলি হলো রাজারামপুর, কোতয়ালী, ঘোড়াঘাট (রানাীগঞ্জ), কালিয়াগঞ্জ, হেমতাবাদ, বংশীহারী, গঙ্গারামপুর, পোরসা, পতœীতলা, পতিরাম, চিন্তামন, হাবড়া, নওয়াবগঞ্জ, বীরগঞ্জ, ঠাকুরগাঁও, পীরগঞ্জ ও রানীশংকৈল। ঐ শুমারী অনুযায়ী তখন দিনাজপুর জেলায় লোক সংখ্যা ছিল ১৫ লাখ ১ হাজার ৯২৪ জন। এর মধ্যে হিন্দু ৭ লাখ ২ হাজার ২৩৫ জন, মুসলিম ৭ লাখ ৯৩ হাজার ২৩৫ জন। শতকরা হারে হিন্দু ৪৬.৮ ভাগ এবং মুসলমান ৫২.৮ ভাগ। বাকি ১.৮৪ ভাগ মানুষ ছিলেন অন্য ধর্মবলম্বী।
১৯১১ সালের আদম শুমারী রিপোর্ট অনুযায়ী দিনাজপুর জেলায় লোক সংখ্যা ছিল ১৬ লাখ ৮৭ হাজার ৬৪৯ জন। এর মধ্যে হিন্দু ৭ লাখ ৫৯ হাজার ৩০৯ জন, মুসলিম ৮ লাখ ২৪ হাজার ৩১৫ জন। শতকরা হারে হিন্দু ৪৪.৯ ভাগ এবং মুসলমান ৪৮.৮ ভাগ। ঐ শুমারীতে ১ লাখ ২ হাজার ৩১ জন জড়বাদী (০৬ ভাগ) এবং খৃষ্টান ও জৈন ধর্মাবলম্বী লোকের সংখ্যা ১৯৬৪ জন উল্লেখ করা হয়।
দেখা যাচ্ছে যে, ১৮৭২ সালে হিন্দু ও মুসলিম জনসংখ্যা যা ছিল ১৯১১ সালের আদম শুমারী অনুযায়ী সংখ্যায় তা বাড়লেও শতকরা হারে কমে যায়। ১৮৭২ সালে শতকরা হিন্দু ৪৬.৮ ভাগ এবং মুসলমান ৫২.৮ ভাগ ছিল। কিন্তু ১৯১১ সালে হিন্দু ৪৪.৯ ভাগ এবং মুসলমান ৪৮.৮ ভাগে নেমে আসে। এর কারণ হিসেবে ঐতিহাসিকগণ উল্লেখ করেন যে, ‘সাঁওতাল,ওঁড়াও, মুন্ডাসহ বিপুল সংখ্যক আদিবাসী জনগোষ্ঠী ভারত বর্ষের বিভিন্ন অঞ্চল হতে দিনাজপুর অঞ্চলে এসে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করায় এ অবস্থার ¯ৃষ্টি হয়।’-- ইছামুদ্দিন সরকার, ‘পরিবর্তনের ¯্রােতে আদিবাসী সম্প্রদায়ের বিভাগোত্তর দিনাজপুর’- দিনাজপুর:ইতিহাস ও ঐতিহ্য- শরীফউদ্দিন আহমেদ সম্পাদিত।
‘মুসলিম আমলে দিনাজপর জেলায় মুসলিম- হিন্দুর অনুপাত ছিল ৭:৩। বুকানন যখন দিনাপুরে আসেন (১৮০৭) তখন মোট ৩০ লক্ষ জনসংখ্যার ২১ লক্ষ ছিল মুসলমান এবং হিন্দু ৯ লক্ষ (আদিবাসীসহ)। পরবর্তী এক শতকে সে সংখ্যার পরিবর্তন হয়ে মুসলিম- হিন্দু জনসংখ্যার অনুপাত দাঁড়ায় ১০.৯। এই বিপুল পরিবর্তনের কারণ ৩টি;
১. কামরুপ অঞ্চল থেকে উপজাতিদের অধিক আগমন।
২. মুঘল ও ইংরেজ শাসনামলে ভাগ্যাম্বেষণে অধিক সংখ্যক চাকুরীজীবী বর্ণ হিন্দুদের আগমন।
৩. মুসলমান জনসংখ্যার হ্রাস।
আদিবাসীদের ব্যাপকহারে দিনাজপরে অভিবাসন গ্রহণ, মুসলিম জনগোষ্ঠীর জন্মহার হ্রাস, অসাস্থ্যকার পরিবেশ জনিত মৃত্যুহার বৃদ্ধি ইত্যাদি কারণে একদিকে দিনাজপুর জেলায় মুসলিম হার কমতে থাকে অপরদিকে আদিবাসী সহ হিন্দু জনসংখ্যা বাড়তে থাকে। অনুপাত অনুযায়ী এই দুই ধর্মের লোক প্রায় সমান সমান হয়ে যায়। ১৯৪৭ সালে ভারতীয় উপমহাদেশ ভেঙ্গে যখন দুইটি নতুন রাষ্ট্রের জœম হয় তখন দিনাজপুর জেলায় হিন্দু ও মুসলিম জনসংখ্যার অনুপাত ছিল যথাক্রমে ৪৯.৮ ভাগ এবং ৫০.২ ভাগ।
পাকিস্তান সৃষ্টির পুর্বে দিনাজপুরে ৩টি মহকুমা যথাক্রমে দিনাজপুর সদর, বালুরঘাট ও ঠাকুরগাঁও মহকুমা ছিল। তিন মহকুমায় থানা ছিল ৩০টি । এখানে সেই সময়ের থানা ভিত্তিক মুসলিম ও অমুসলিম জনগোষ্ঠীর সংখ্যা এবং মহকুমা ও জেলা ভিত্তিক শতকরা হার তুলে ধরা হলো:
দেখা যাচ্ছে যে বৃটিশ শাসনের সময় বিভিন্ন কারণে বিভিন্ন প্রেক্ষাপটে দিনাজপুর জেলায় হিন্দু ও মুসলিম জনসংখ্যার আনুপাতিক হার অনেক কম-বেশি হলেও পাকিস্তান সৃষ্টির মুহুর্তে অনুপাত ছিল প্রায় সমান সমান। কিন্তু পাকিস্তান সৃষ্টির পর অনেক হিন্দু নতু রাজনৈতিক প্রেক্ষিত তৈরী হওয়ায় ভারতে চলে যায়। দুইটি নতুন রাষ্ট্র যে রাজনীতির সূত্র ধরে তৈরী হয় সেটা ছিল ধর্ম। অর্থাৎ সাম্প্রদায়িক রাজনীতির প্রেক্ষিত ধরে ভারত ও পাকিস্তান সৃষ্টি হয়। এ কারণে অনেকের মধ্যে এই ধারণা প্রতীয়মান হয় যে পাকিস্তান হলো মুসলমানদের রাষ্ট্র আর ইন্ডিয়া হলো হিন্দুদের রাষ্ট্র। এই সাম্প্রদায়িক ধারনা থেকে দিনাজপুর সহ বাংলাদেশের অনেক হিন্দু তখন ভারতে চলে যায় আবার অনেক মুসলিম ভারত থেকে বাংলাদেশে আসেন। তবে দিনাজপুরের হিন্দুদের ভারত যাওয়ার ঘটনা সবচেয়ে বেশি ছিল ১৯৫৪ সালে। তখন পাকিস্তান সরকার পাসপোর্ট চালুর সিদ্ধান্ত নেয়। হিন্দুদের ধারনা হয় পাসপোর্ট চালু হলে তাদের ইন্ডিয়া যাওয়া বন্ধ হয়ে যাবে। ফলে তারা আত্মীয়-স্বজন হতে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়বে। এরকম ভয় থেকে দলে দলে হিন্দুরা ভারেতে যেতে থাকে। এরপর একটা স্থিতি অবস্থা ছিল। কিন্তু মুক্তিযুদ্ধের সময় পাক হানদাররা সাম্প্রদায়িক মনোভাব নিয়ে হিন্দুদের উপর ব্যাপক নির্যাতন চালায়। আবার বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পরেও বিভিন্ন সময়ে অনুষ্ঠিত জাতীয় নির্বাচনে হিন্দুরা নির্যাতিত হয়। যুদ্ধপরাধীদের বিচার ও ফাঁসির ঘটনাকে সামনে রেখেও হিন্দু সম্প্রদায়ের উপর নীপিড়ন চলে। নীপিড়িত হিন্দুদের অনেকে ভারতে চলে যায়।
বর্তমানে বৃহত্তর দিনাজপুর জেলায় ২৩ থানা নিয়ে গঠিত। এর মধ্যে ঠাকুরগাঁও জেলায় ৫ থানা এবং পঞ্চগড় জেলায় ৫ উপজেলা বা থানা রয়েছে। শুধু দিনাজপুর জেলায় রয়েছে ১৩ থানা বা উপজেলা। এই ১৩ উপজেলা হলো দিনাজপুর সদর, বিরল, বোচাগঞ্জ, বিরামপুর, বীরগঞ্জ, চিরিরবন্দর, ফুলবাড়ী, হাকিমপুর, কাহারোল, খানসামা, নবাবগঞ্জ, পার্বতীপুর ও ঘোড়াঘাট।
বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৯১, ২০০১ এবং ২০১১ সালে আদমশুমারী অনুষ্ঠিত হয়। ৩টি আদম শুমারীতে দেখা যায় বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পরেও দিনাজপুর জেলায় হিন্দু জনগোষ্ঠীর অনুপাত ক্রমান্বয়ে কমেছে।
১৯৯১ সালে দিনাজপুরের ১৩ থানায় হিন্দু জনসংখ্যা ছিল মোট জনসংখ্যার ২০.৫১ ভাগ। ২০০১ সালে তা কমে হয়েছে ১৯.৭৫ ভাগ এবং ২০১১ সালে হয়েছে ১৯.৫১। এই সময়ে বৌদ্ধ ধর্মের লোকদের সংখ্যাও ক্রমান্বয়ে কমে গেছে।
১৯৯১ সালে দিনাজপুরের ১৩ থানায় বৌদ্ধ জনসংখ্যা ছিল ০.১২ভাগ। ২০০১ সালে হয়েছে ০.০৪ ভাগ, ২০১১ সালে ০.০২ ভাগ। পক্ষান্তরে একই সময়কালে দিনাজপুর জেলায় মুসলিম ও খৃষ্টান জনসংখ্যা আনুপাতিক হারে বেড়েছে। ১৯৯১ সালে দিনাজপুর জেলায় মোট জনসংখ্যার ৭৬.৩৪ ভাগ ছিল মুসলিম। ক্রমান্বয়ে তা বেড়ে হয়েছে ২০০১ সালে ৭৭.৮৩ ভাগ এবং ২০১১ সালে ৭৮.০৩ ভাগ। খৃষ্টানদের ক্ষেত্রে দেখা যায় তারা ১৯৯১ সালে ছিলেন মোট জনসংখ্যার ০.৮০ ভাগ। আনুপাতিক হারে তাদের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ২০০১ সালে ১.০৬ ভাগ এবং ২০১১ সালে ১.২৫ ভাগ।
সংখ্যালঘু নির্যাতনের দিনাজপুর প্রেক্ষিত-২
প্রিয় বালা বিশ্বাস : বাংলাদেশ পরিসংখ্যান বিভাগ থেকে সংগ্রহ করা ১৯৯১, ২০০১ ও ২০১১ সালের আদম শুমারীর দিনাজপুর জেলার তথ্য নীচে তুলে ধরা হলো;
সাম্প্রদায়িকতা মুক্ত প্রাচীন দিনাজপুর
বাংলার ইতিহাসে একটি প্রাচীন, বৃহৎ ও গৌরবে দৃপ্ত জেলা দিনাজপুর । হিন্দু, মুসলিম,বৌদ্ধ, খৃষ্টান সহ সকল ধর্মের তীর্থ ভূমি এই দিনাজপুর জনপদ ।

এই জনপদ প্রাচীনতম সময়ে সনাতন ধর্মের লীলাক্ষেত্র ছিল। পরে প্রভাব ছড়িয়েছে বৌদ্ধ ধর্ম। পাল শাসনামলে বৌদ্ধ ধর্মের বিস্তার হয়েছিল তার প্রমাণ বর্তমান নওগাঁর সোমপুর বিহার বা পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহার এবং বর্তমান দিনাজপুরের প্রাচীন নিদর্শন নবাবগঞ্জ বৌদ্ধবিহার (সীতাকোট নামে পরিচিত)। বর্তমান নওগাঁর বিরাট অংশ একসময় দিনাজপুরের অন্তর্ভুক্ত ছিল (বিশেষ করে পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহার এলাকা)। কালের চক্রে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী জনগোষ্ঠীর সংখ্যা এখন শুধু দিনাজপুর থেকেই নয়, বাংলাদেশ সহ পুরো ভারত উপমহাদেশ থেকেই হারিয়ে যেতে বসেছে! তবে বৌদ্ধ সভ্যতার যে মননশীলতা তার প্রভাব এখনো বাঙ্গালী চরিত্রে বিদ্যমান।
বৌদ্ধরা শান্তিপ্রিয় এবং নিরামিষভোজী। জীবে দয়া করার মহত্ব তাদের ধর্মীয় দর্শনে। মানুষের দুঃখ, কষ্ট, ক্লেষ দুর করতেই মহামতি গৌতম বুদ্ধ বৌদ্ধ ধর্মের উদ্ভব ঘটিয়েছেন। সম্রাট অশোকের শাসনামলে এই ধর্ম দিনাজপুর অঞ্চলের তৎকালীন জনপদকে আলোকিত করেছিল। সোমপুর বিহার ও নবাবগঞ্জ বিহার সেই আলোকবার্তাই আমাদেরকে জানান দেয়।
এখন দিনাজপুর জেলায় বৌদ্ধরা প্রায় শুন্যের কোটায়। এখন এখানে আছেন হিন্দু ও মুসলিম জনগোষ্ঠী। আছেন স্বল্প সংখ্যক খৃষ্টান। বৌদ্ধ ধর্মের পর দিনাজপুর জনপদ সনাতন ধর্মের একক আধিপত্যে বিস্তৃত হয়। কয়েকশ বছর ধরে সনাতন আধিপত্যের মাঝখানে আসে ইসলাম।
সেন শাসনামলে বাংলার শেষ স্বাধীন নরপতি লক্ষণ সেনের রাজধানী ছিল বর্তমান ভারতে মালদহ জেলার গৌড়ে। গৌড় তখন লক্ষণাবতী নামেও পরিচিত ছিল। বৃটিশ শাসনামলে বর্তমান ভারতের আওতাধীন মালদহ, দক্ষিণ দিনাজপুর, উত্তর দিনাজপুর, ও বালুরঘাট এবং বর্তমান বাংলাদেশের পঞ্চগড় ও ঠাকুরগাঁও জেলার পুরো অংশসহ নওগাঁ, বগুড়া, রংপুরের কিছু অংশ দিনাজপুরের অন্তর্ভুক্ত ছিল।সম্রাট আকবরের শাসনামলের শেষ দিকে ১৬০০ খৃষ্টাব্দে রাজস্ব আদায়ের সুবিধার জন্য ৬টি সরকারের সমন্বয়ে দিনাজপুর জমিদারী প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯৬৫ সালে বৃটিশরা দিনাজপুরকে জেলায় রুপান্তর করে। তখন এই জেলায় ১২৪টি পরগণা ছিল। এ সময় জেলার আয়তন ছিল ২১১৯ বর্গ মাইল। এরপর আরো কয়েক দফা ভাঙ্গা-গড়া চলে দিনাজপুরের। ১৮০৮ সালে হ্যামিলটন বুকানন দিনাজপুর জেলার একটি আয়তন চিত্র তুলে ধরেন। ঐ চিত্রে দিনাজপুরের আয়তন ছিল ৫৩৭৪ বর্গমাইল। তখন দিনাজপুরের ২২টি থানা ছিল। থানাগুলির নাম:গঞ্জ,
বৌদ্ধরা শান্তিপ্রিয় এবং নিরামিষভোজী। জীবে দয়া করার মহত্ব তাদের ধর্মীয় দর্শনে। মানুষের দুঃখ, কষ্ট, ক্লেষ দুর করতেই মহামতি গৌতম বুদ্ধ বৌদ্ধ ধর্মের উদ্ভব ঘটিয়েছেন। সম্রাট অশোকের শাসনামলে এই ধর্ম দিনাজপুর অঞ্চলের তৎকালীন জনপদকে আলোকিত করেছিল। সোমপুর বিহার ও নবাবগঞ্জ বিহার সেই আলোকবার্তাই আমাদেরকে জানান দেয়।
এখন দিনাজপুর জেলায় বৌদ্ধরা প্রায় শুন্যের কোটায়। এখন এখানে আছেন হিন্দু ও মুসলিম জনগোষ্ঠী। আছেন স্বল্প সংখ্যক খৃষ্টান। বৌদ্ধ ধর্মের পর দিনাজপুর জনপদ সনাতন ধর্মের একক আধিপত্যে বিস্তৃত হয়। কয়েকশ বছর ধরে সনাতন আধিপত্যের মাঝখানে আসে ইসলাম।
সেন শাসনামলে বাংলার শেষ স্বাধীন নরপতি লক্ষণ সেনের রাজধানী ছিল বর্তমান ভারতে মালদহ জেলার গৌড়ে। গৌড় তখন লক্ষণাবতী নামেও পরিচিত ছিল। বৃটিশ শাসনামলে বর্তমান ভারতের আওতাধীন মালদহ, দক্ষিণ দিনাজপুর, উত্তর দিনাজপুর, ও বালুরঘাট এবং বর্তমান বাংলাদেশের পঞ্চগড় ও ঠাকুরগাঁও জেলার পুরো অংশসহ নওগাঁ, বগুড়া, রংপুরের কিছু অংশ দিনাজপুরের অন্তর্ভুক্ত ছিল।সম্রাট আকবরের শাসনামলের শেষ দিকে ১৬০০ খৃষ্টাব্দে রাজস্ব আদায়ের সুবিধার জন্য ৬টি সরকারের সমন্বয়ে দিনাজপুর জমিদারী প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯৬৫ সালে বৃটিশরা দিনাজপুরকে জেলায় রুপান্তর করে। তখন এই জেলায় ১২৪টি পরগণা ছিল। এ সময় জেলার আয়তন ছিল ২১১৯ বর্গ মাইল। এরপর আরো কয়েক দফা ভাঙ্গা-গড়া চলে দিনাজপুরের। ১৮০৮ সালে হ্যামিলটন বুকানন দিনাজপুর জেলার একটি আয়তন চিত্র তুলে ধরেন। ঐ চিত্রে দিনাজপুরের আয়তন ছিল ৫৩৭৪ বর্গমাইল। তখন দিনাজপুরের ২২টি থানা ছিল। থানাগুলির নাম:গঞ্জ,
* রাজারামপুর,
* বীরগঞ্জ,
* বীরগঞ্জ,
* ঠাকুর
গাঁও,
* রানীশংকৈল,
* পীরগঞ্জ,
* হেমতাবাদ,
* কালিয়াগঞ্জ,
* বংশীহারি,
* জগদল,
* হেমতাবাদ,
* মালদহ,
* পোরসা,
* গঙ্গারামপুর,
* পতিরাম,
* পত্নীতলা,
* বদলগাছি,
* লালবাজার,
* চিন্তামন,
* হাবড়া,
* ক্ষেতলাল ও
* কোতয়ালী।
এরপর বিভিন্ন সময়ে দিনাজপুর অঞ্চলের আরো ভাঙ্গাগড়া হয়েছে। রাজনীতির নানান প্রেক্ষাপটে দিনাজপুর ভেঙ্গে বালুরঘাট, জলপাইগুড়ি, ঠাকুরগাঁও, পঞ্চগড় জেলা হয়েছে। ১৯৪৭ সালে দিনাজপুরের বিশাল জনপদ ভারত- পাকিস্তানের মধ্যে ভাগ হয়েছে। ভারতীয় দিনাজপুর উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুর নামে ঐ দেশে পরিচিতি পেয়েছে। বাংরাদেশের দিনাজপুর ভেঙ্গে ঠাকুরগাঁও, পঞ্চগড় নামে নতুন ২টি জেলা হয়েছে। বর্তমান যে দিনাজপুর রয়েছে বাংলাদেশের অন্যান্য জেলার তুলনায় এখনো সেটা অনেক বড়ই। এই যে বিশাল আয়তনের দিনাজপুর। এতবড় জনপদের অতীত ইতিহাসে কখনো সাম্প্রদায়িক সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে বলে জানা যায়না। কিন্তু বাংলাদেশের সাম্প্রতিক রাজনীতির ইতিহাসে গৌরবোজ্জল সেই অতীত এখন কলংকের জঞ্জালে নিপতিত।
* রানীশংকৈল,
* পীরগঞ্জ,
* হেমতাবাদ,
* কালিয়াগঞ্জ,
* বংশীহারি,
* জগদল,
* হেমতাবাদ,
* মালদহ,
* পোরসা,
* গঙ্গারামপুর,
* পতিরাম,
* পত্নীতলা,
* বদলগাছি,
* লালবাজার,
* চিন্তামন,
* হাবড়া,
* ক্ষেতলাল ও
* কোতয়ালী।
এরপর বিভিন্ন সময়ে দিনাজপুর অঞ্চলের আরো ভাঙ্গাগড়া হয়েছে। রাজনীতির নানান প্রেক্ষাপটে দিনাজপুর ভেঙ্গে বালুরঘাট, জলপাইগুড়ি, ঠাকুরগাঁও, পঞ্চগড় জেলা হয়েছে। ১৯৪৭ সালে দিনাজপুরের বিশাল জনপদ ভারত- পাকিস্তানের মধ্যে ভাগ হয়েছে। ভারতীয় দিনাজপুর উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুর নামে ঐ দেশে পরিচিতি পেয়েছে। বাংরাদেশের দিনাজপুর ভেঙ্গে ঠাকুরগাঁও, পঞ্চগড় নামে নতুন ২টি জেলা হয়েছে। বর্তমান যে দিনাজপুর রয়েছে বাংলাদেশের অন্যান্য জেলার তুলনায় এখনো সেটা অনেক বড়ই। এই যে বিশাল আয়তনের দিনাজপুর। এতবড় জনপদের অতীত ইতিহাসে কখনো সাম্প্রদায়িক সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে বলে জানা যায়না। কিন্তু বাংলাদেশের সাম্প্রতিক রাজনীতির ইতিহাসে গৌরবোজ্জল সেই অতীত এখন কলংকের জঞ্জালে নিপতিত।
For Part 3 Visit the following link-
Subscribe to:
Posts (Atom)

































