Thursday, June 23, 2016

All India Hindu Adhiveshan 2016-Dharma Sevak

All India Hindu Adhiveshan 2016-Dharma Sevak





Bangladeshi Hindus need independent land in Bangladesh ! – Mr. Subhash Chakravarti.

Restoration of the Hindu power in Kashmir, North East, Bangladesh, Nepal and Sri Lanka is the vital precondition of Hindu Rashtra.

Day 3 of 5th Akhil Bharatiya Hindhu Adhiveshan at Shri Ramnath Temple, Ponda, Goa

Bangladeshi Hindus need independent

 land in Bangladesh ! 


Give the status of refugees to Hindus coming to India from Bangladesh !

 Mr. Subhash Chakravarti.

Subhas Chakroborty
3rd Day ABHA

Enter a captionSubhas Chakroborti of Nikhil banga Nagarak Samiti speaking on Press Conference held on the 3rd Day of 5th Akhil Bharatiya Hindu Adhiveshan 2016.
‘Hindus in Bangladesh are facing a lot of atrocities since the formation of the East Pakistan. When Bharat later liberated it as independent Bangladesh in 1971, there was only an increase in atrocities on Hindus. As a result, crores of Hindus are shifting to Bharat for taking shelter. For these Hindus, who form an inseparable constituent of undivided Bharat, the Bharatiya Government should form an independent ‘Home Land’ in Bangladesh’, demanded Mr. Subhash Chakravarti, Secretary of ‘Nikhil Bang Nagarik Sangh’, an organisation fighting against the problems faced by Hindus in Bangladesh. He was addressing a press conference organised at the venue of the Convention on 21st June 2016.
On this occasion, those attending the press conference also included Mr. Niranjan Ojha (President of ‘Forum of Nepalese Media’, Nepal), Mr Maravanpulavu Sachithananthan from Sri Lanka, Mr. Rahul Kaul (National Coordinator of ‘Youth for Panun Kashmir’) and Mr. Chetan Rajhans (Spokesperson of Sanatan Sanstha).
Mr. Subhash Chakravarti further said, “The Bharatiya Government should make efforts to stop the atrocities committed on Hindus in Bangladesh such as rapes on Hindu women, usurping land, demolition of temples, killing of Hindu priests etc. and ensure a place in Bangladesh for Hindus where they can lead a respectable and secure life”. Mr. Rahul Kaul said, “Hindus in entire Bharat should bring a collective pressure on the Central Government so that displaced Kashmiri Hindus can lead an honourable life in Kashmir. For this purpose, it is decided to organise Conventions for Kashmiri Hindus at 19 places in Bharat”.

Day 3 of 5th Akhil Bharatiya Hindhu Adhiveshan


press_conf700


Hindus miseries published through press conference held at the venue of Convention


All India Hindu Adhiveshan 2016-Dharma Sevak All News

5th Akhil Bharatiya Hindu Adhiveshan scheduled in Goa from June 19 to 25.[2016] The convention is being organised by Hindu Janjagriti Samiti.



Times of India -Varanasi city 14/06/16

Hindutva outfits to attend Hindu convention in Goa


VARANASI: Representatives of nine Hindutva outfits from Uttar Pradesh will take part in the 5th Akhil Bharatiya Hindu Adhiveshan scheduled in Goa from June 19 to 25. The convention is being organised by Hindu Janjagriti Samiti.


Talking to reporters here on Tuesday, the UP coordinator of HJS, Nilesh Singbal said that the convention will be attended by over 415 representatives of about 125 Hindutva organisations from 21 states and other countries like Nepal, Bangla Desh and Sri Lanka.


He said that the main objective of the convention is to build a national network of Hindutva outfits to press the demands like rehabilitation of Kashmiri Hindus, abrogation of Article 370, ban on cow slaughter and construction of Rama temple.

http://www.india.com/
14.06.16

‘Hindus continue to suffer under this Hindutva government’: Sanatan Sanstha raps Narendra Modi led BJP regime

The far-right outfit has blamed the saffron party of betraying their core agenda of Hindutva.

New Delhi, June 14: Hardline Hindu outfit Sanatan Sanstha is apparently miffed with the Narendra Modi-led Bharatiya Janata Party (BJP) regime in power. The far-right outfit has blamed the saffron party of betraying their core agenda of Hindutva. Expressing disgust against the steps taken by BJP to safeguard the interest of majoritarian community, they said, “Hindus continue to suffer despite a Hindutva government being in power.”
Substantiating its charges, Sanstha cited the growth in beef trade, the inaction taken towards the Kashmir issue, soft stand taken towards Ram Mandir agenda, and the lack of steps initiated by Ministry of Home Affairs (MHA) to curtail Bangladeshi infiltration. “We believed that this government would adhere to the agenda of Hindutva. But their performance has been disappointing. Beef export has now accelerated to 15 per cent. No concrete steps taken for rehabilitation of Pandits in Kashmir. The Ayodhya issue has also remain unsolved.”





Tuesday, June 14, 2016

Religious Minority Communities In Bangladesh.June 2016

Recent Massacre of Religious Minority Communities In Bangladesh.June 2016


মা-মেয়েকে ট্রলারে তুলে গণধর্ষণ করলো যুবলীগ নেতারা

12 june 2016
Ruling party men forcefully raped Hindu Mother and Daughter together in Baufal, Patuakhali.
সংখ্যালঘু (হিন্দু) সম্প্রদায়ের এক মা ও মেয়েকে জোর করে ট্রলারে তুলে নিয়ে নদীতে ঘুরে ঘুরে পালাক্রমে ধর্ষণ করেছে যুবলীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতাকর্মীরা।
শনিবার রাতে পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার তেঁতুলিয়া নদী এলাকায় ওই ঘটনা ঘটে। এক পর্যায়ে মা মেয়ের চিৎকারে আশপাশের জেলেরা তাদের উদ্ধার করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করে।
এ ঘটনায় রোববার দুপুরে নির্যাতিতার স্বামী পরিতোষ চন্দ্র বর্ধন বাদী হয়ে বাউফল থানায় মামলা করেছেন। পরিতোষ পেশায় একজন দর্জি।
এদিকে, মামলা দায়েরের পর পুলিশ নূর আলম নামে স্বেচ্ছাসেবকলীগের এক নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে। তিনি স্থানীয় সাংবাদিকদের কাছে নিজেকে নাজিরপুর ইউনিয়নের (রামনগর তাঁতেরকাঠী) এক নম্বর ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহ-সভাপতি হিসেবে পরিচয় দিয়েছেন।
নির্যাতনের শিকার ওই মা ও মেয়ে বাউফল উপজেলার কাছিপাড়া ইউপির উত্তর কাছিপাড়া গ্রামের বর্ধন বাড়ির বাসিন্দা।
বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজম খান ফারুকীর উপস্থিতিতে ঘটনার শিকার মা সাংবাদিকদের জানান, শনিবার (১১ জুন) বেলা সাড়ে ১০টার দিকে তিনি (৩৪) তার কলেজপড়ুয়া মেয়েকে (১৭) নিয়ে ভাড়ায় চালিত মোটরসাইকেলে একই উপজেলার কালাইয়া ইউপির শৌলা নুরজাহান গার্ডেনে ঘুরতে যান। সেখানে বিকেল পর্যন্ত মা-মেয়ে মিলে অবস্থান করেন। সন্ধ্যার দিকে একই ভাবে ভাড়ার মোটরসাইকেলে করে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দেন।
নির্যাতিতা মা আরো জানান, মোটরসাইকেল চালক তাদের বাড়ির পথে না নিয়ে পার্শ্ববর্তী তেঁতুলিয়া নদীর পাড়ে নির্জন এলাকায় নিয়ে যায়। সে সময় কোথা থেকে ৬ জন লোক সেখানে এসে মা মেয়েকে জোর করে ট্রলারে তুলে নদীর মাঝখানে নিয়ে যায়। এসময় মাকে ট্রলারের মধ্যে ও মেয়েকে ট্রলারের উপরে উঠিয়ে পালাক্রমে ধর্ষণ করে দুর্বৃত্তরা। এভাবে নির্যাতন চলতে থাকে রাত ১১টা পর্যন্ত। এসময় মা মেয়ে চিৎকার করতে থাকেন।
প্রত্যক্ষদর্শী মমিনপুর এলাকার জেলে সুমন মোল্লা সাংবাদিকদের জানান, তিনি ওই সময় কেশবপুর ইউনিয়নের তেঁতুলিয়া নদীর চর ঈশান এলাকায় মাছ ধরছিলেন। রাত আনুমানিক ১১টার দিকে তিনি একটি মেয়ের ডাক-চিৎকার শুনতে পান। তখন ২০ থেকে ২৫ জন জেলে একত্রিত হয়ে ওই ট্রলারটি ঘেরাও করে। এতে ট্রলার থেকে কয়েকজন ব্যক্তি নদীতে ঝাঁপ দিয়ে পালিয়ে যায়। এরপর তারা ওই ট্রলার থেকে মা ও মেয়েকে উদ্ধার করে। ট্রলার থেকে জেলেরা স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা নুর আলমকে আটক করে। পরে তাকে পুলিশে সোপর্দ করা হয়। 
অভিযুক্ত নূর আলম সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমি ধর্ষণ করি নাই। অন্যরা এর সঙ্গে জড়িত। আমাকে ট্রলারের মেশিন সারানোর জন্য নেয়া হয়েছিল। সোহেল (৩২), রহিম মীর (৩৫), হারুন মৃধা- এরা ঘটনার সঙ্গে জড়িত।’ জড়িতদের রাজনৈতিক পরিচয় আছে কিনা সে সম্পর্কে জানতে চাইলে নূর আলম বলেন, ‘তারা সবাই যুবলীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতাকর্মী।’ 
দলীয় সূত্রমতে, ঘটনায় জড়িত সোহেল নাজিরপুর ইউনিয়ন যুবলীগ কর্মী ওই ইউনিয়নের রামনগর তাতেরকাঠী গ্রামের আমির হোসেন হাওলাদালের ছেলে, রহিম মীর একই ইউপির ১ নম্বর ওয়ার্ডের স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আর হারুন মৃধা ওই ওয়ার্ডের যুবলীগকর্মী।
ওসি আজম খান ফারুকী বলেন, ‘খবর পেয়ে মা-মেয়েকে তেঁতুলিয়া নদীর ভরিপাশা এলাকা থেকে উদ্ধার করা হয়। ওই সময় আটক করা হয় নূর আলমকে। পাশাবিক নির্যাতনের শিকার মা ও মেয়েকে বাউফল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। পরে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। আগামীকাল সোমবার ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতে ১৬১ধারায় মা মেয়ের জবানবন্দি নেয়া হবে।’

ঝিনাইদহে ৩৬৫ মন্দিরে পূজা বন্ধ, আতঙ্কে পুরোহিতরা 
প্রকাশ: 11.06.16
Hindu monk murdered  ;Worship in 365 temple is being shutdown ,Hindu monks and peoples are in fear in Jhinaidaha Bangladesh.
ঝিনাইদহ:: ঝিনাইদহে পুরোহিত আনন্দ গোপাল গাঙ্গুলীকে গলা কেটে হত্যার পর থেকে ভয়ে আছেন বেশির ভাগ মন্দিরের পুরোহিত। জেলার ৩৬৫ টি মন্দিরে পূজা-অর্চনা প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে। যদিও পুলিশ কর্মকর্তারা বলছেন ভয়ের কিছু নেই তারা চেষ্টা করছেন নিরাপত্তা নিশ্চিত করার।
ঝিনাইদহ শহরের মহিষাভাঙা এলাকার মন্দিরগুলোতে দিনের বেশির ভাগ সময়ই থাকত পূজা-অর্চণার রেশ। ব্যস্ত থাকতেন পুরোহিতরা। পূজারিদের আনাঘোনায় মুখরিত থাকত মন্দির প্রাঙ্গন। কিন্তু গেল মঙ্গলবার পুরোহিত আনন্দ গোপাল গাঙ্গুলীকে হত্যার পর থেকে বদলে গেছে মন্দিরের স্বাভাবিক কার্যক্রম। আতঙ্কে আছেন মন্দিরের পুরোহিতরা এবং পূজা দিতেও আসছেন না বক্তরা।
ভক্তদের অনেকেই বলছে, আমরা এখন এদেশে কিভাবে থাকব, আমাদের এখন চিন্তাভাবনা ভারতে চলে যাওয়ার। মন্দিরের পুরোহিতরা বলছে, বর্তমান অবস্থায় মন্দিরে পূজা করতে ভয় পাচ্ছি। কারণ আমাদের কোনো নিরাপত্তা নাই।
নিরাপত্তার অভাবে অনেক সনাতন ধর্মালম্বী পরিবার ভিটেমাটি ছেড়ে চাইছেন ভারতে পাড়ি জামাতে। সনাতন ধর্মালম্বী পরিবারগুলো বলছে, তারা ভিটেমাটি বিক্রি না করেই ভারতে পাড়ি দিতে চাইছে। কারণ এদেশে তাদের কোনো নিরাপত্তা নাই।
তবে তাদের আতঙ্কিত না হয়ে স্বাভাবিক কাজকর্ম চালিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন জেলা পুলিশ প্রশাসন। একই সাথে নিরাপত্তা বাড়ানোর আশ্বাসও দেওয়া হয়েছে।

ঝিনাইদহের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আজবাহার আলী শেখ বলেন, আমরা সকল এলাকার হিন্দু পুরোহিত এবং যারা বৌদ্ধ ভিক্ষু রয়েছেন তাদের নাম ঠিকানা ইতোমধ্যে সংগ্রহ করেছি। সেই সাথে সাদা পোশাকধারী পুলিশ মোতায়েনসহ টহল ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। জঙ্গিসংগঠন আইএস এ হত্যার দায় স্বীকার করলেও এখন পর্যন্ত হত্যার সাথে আইএস’র সংশ্লিষ্টতা খুঁজে পায়নি পুলিশ।

পাবনায় হিন্দু আশ্রমের সেবককে কুপিয়ে হত্যা

 প্রকাশিত: ২০১৬-০৬-১০ ০৯:২৫:১৪
    আপডেট: ২০১৬-০৬-১০ ২৩:০৪:২৬
সিলেটটুডে ডেস্ক
পাবনার হেমায়েতপুরে শ্রী শ্রী ঠাকুর অনুকুল চন্দ্র সৎসঙ্গ আশ্রমের সেবক নিত্যরঞ্জন পাণ্ডেকে (৬২) কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। হত্যার ধরনের সাম্প্রতিক সময়ে ঘটা গুপ্তহত্যার সাথে মিল রয়েছে। 

শুক্রবার ভোর সাড়ে ৫টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

নিত্যরঞ্জন পাণ্ডে গোপালগঞ্জ সদরের আরুয়া কংশু এলাকার মৃত রশিক লাল পাণ্ডের ছেলে। তিনি প্রায় ৩৮ বছর এই আশ্রমের সেবক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

সদর থানার ওসি আব্দুল্লাহ আল হাসান জানান, প্রতিদিনের মতো ভোরে রাস্তায় হাঁটতে বেরিয়ে ছিলেন নিত্যরঞ্জন পাণ্ডে। পাবনা মানসিক হাসপাতালের উত্তরপাশে প্রধান গেটে পৌঁছালে দুর্বৃত্তরা পেছন থেকে তার ঘাড়ে ও মাথায় এলোপাতাড়ি কুপিয়ে পালিয়ে যায়।

এতে ঘটনাস্থলেই মারা যান নিত্যরঞ্জন পাণ্ডে। খবর পেয়ে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠিয়েছে।

তবে কারা, কী কারণে নিত্যরঞ্জনকে হত্যা করেছে, তা জানাতে পারেননি ওসি।

তিনি বলেন, হত্যার কারণ অনুসন্ধান ও জড়িতদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা হবে।

অনকুল সেবাশ্রমের সাধারণ সম্পাদক যুগল কিশোর ঘোষ জানান, নিত্যরঞ্জন খুবই নিরীহ প্রকৃতির মানুষ ছিলেন। তার কোনো শক্র ছিল না। কী কারণে তাকে হত্যা করা হল, তা তারা এখনও বুঝে উঠতে পারছেন না।

তবে সারাদেশে ধারাবাহিক হত্যাকাণ্ডের অংশ হিসেবে এই হত্যাকাণ্ড হতে পারে বলে তিনি ধারণা করছেন।

এদিকে খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন পাবনা পুলিশ সুপার আলমগীর কবিরসহ আইনশৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

সম্প্রতি নাটোরে খ্রিস্টান মুদি দোকানি ও ঝিনাইদহে হিন্দু পুরোহিতকে কুপিয়ে হত্যার রেশ না কাটতেই এ ঘটনা ঘটল।



ঝিনাইদহে পুরোহিত হত্যায় পূজা-অর্চণা বন্ধ





ঝিনাইদহে পুরোহিত হত্যায় পূজা-অর্চণা বন্ধ



ঝিনাইদহে পুরোহিত আনন্দ গোপাল গাঙ্গুলীকে গলা কেটে হত্যার পর থেকে ভয়ে আছেন বেশির ভাগ মন্দিরের পুরোহিত। জেলার ৩৬৫ টি মন্দিরে পূজা-অর্চনা প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে। যদিও পুলিশ কর্মকর্তারা বলছেন ভয়ের কিছু নেই তারা চেষ্টা করছেন নিরাপত্তা নিশ্চিত করার।
ঝিনাইদহ শহরের মহিষাভাঙা এলাকার মন্দিরগুলোতে দিনের বেশির ভাগ সময়ই থাকত পূজা-অর্চণার রেশ। ব্যস্ত থাকতেন পুরোহিতরা। পূজারিদের আনাঘোনায় মুখরিত থাকত মন্দির প্রাঙ্গন। কিন্তু গেল মঙ্গলবার পুরোহিত আনন্দ গোপাল গাঙ্গুলীকে হত্যার পর থেকে বদলে গেছে মন্দিরের স্বাভাবিক কার্যক্রম। আতঙ্কে আছেন মন্দিরের পুরোহিতরা এবং পূজা দিতেও আসছেন না বক্তরা।
ভক্তদের অনেকেই বলছে, আমরা এখন এদেশে কিভাবে থাকব, আমাদের এখন চিন্তাভাবনা ভারতে চলে যাওয়ার। মন্দিরের পুরোহিতরা বলছে, বর্তমান অবস্থায় মন্দিরে পূজা করতে ভয় পাচ্ছি। কারণ আমাদের কোনো নিরাপত্তা নাই।
নিরাপত্তার অভাবে অনেক সনাতন ধর্মালম্বী পরিবার ভিটেমাটি ছেড়ে চাইছেন ভারতে পাড়ি জামাতে। সনাতন ধর্মালম্বী পরিবারগুলো বলছে, তারা ভিটেমাটি বিক্রি না করেই ভারতে পাড়ি দিতে চাইছে। কারণ এদেশে তাদের কোনো নিরাপত্তা নাই।
তবে তাদের আতঙ্কিত না হয়ে স্বাভাবিক কাজকর্ম চালিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন জেলা পুলিশ প্রশাসন। একই সাথে নিরাপত্তা বাড়ানোর আশ্বাসও দেওয়া হয়েছে।

ঝিনাইদহের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আজবাহার আলী শেখ বলেন, আমরা সকল এলাকার হিন্দু পুরোহিত এবং যারা বৌদ্ধ ভিক্ষু রয়েছেন তাদের নাম ঠিকানা ইতোমধ্যে সংগ্রহ করেছি। সেই সাথে সাদা পোশাকধারী পুলিশ মোতায়েনসহ টহল ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। জঙ্গিসংগঠন আইএস এ হত্যার দায় স্বীকার করলেও এখন পর্যন্ত হত্যার সাথে আইএস’র সংশ্লিষ্টতা খুঁজে পায়নি পুলিশ।

বাংলাদেশে হিন্দু নিশ্চিহ্ন করন এর প্রতিবাদে সোচ্চার হন ।।