August 21, 2014
- See more at: http://dnewsbd.com/2014/08/21/%E0%A6%9D%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%87%E0%A6%A6%E0%A6%B9%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%B9%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%A3%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A7%81%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A1%E0%A7%81%E0%A6%A4-2/#sthash.7siJfX2o.dpufঝিনাইদহ: ঝিনাইদহের হরিণাকন্ডুু উপজেলার কুলবাড়ীয়া গ্রামের একটি পূজামন্ডপে আগুণ দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। গতকাল বুধবার দিবাগত রাত ১১টার দিকে কুলবাড়ীয়া সর্বজনীন পূজা মন্ডপে এ আগুণ দেয়ার ঘটনা ঘটে। তবে এতে বড় ধরণের কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, বুধবার দিবাগত রাত ১১টার দিকে দুর্বৃত্তরা বাইরে থেকে কুলবাড়ীয়া সর্বজনীন পূজামন্ডপে আগুণ দিয়ে পালিয়ে যায়। এ সময় মন্ডপের মধ্যে থাকা কিছু পূজার সামগ্রী পুড়ে যায়। এলাকাবাসী তাৎক্ষণিকভাবে আগুণ নিভিয়ে ফেলে। পূজা মন্দির কমিটির সভাপতি নিত্য গোলাপ ও সদস্য রঞ্জিত কুমার পাল জানান, রাত ৯টা পর্যন্ত তারা পূজা মন্ডপে ছিলেন। বাড়ি যাওয়ার ২ ঘণ্টা পর আনুমানিক রাত ১১টার দিকে দুর্বৃত্তরা বাইরে থেকে আগুণ ধরিয়ে দেয়। টের পেয়ে তারা আগুণ নিভিয়ে ফেলেন। এতে মন্ডপের মধ্যে থাকা কিছু পূজার সামগ্রী পুড়ে গেছে। হরিণাকুন্ডু উপজেলা নির্বাহী অফিসার আশরাফুল আমিন জানান, খবর পেয়ে সকালে তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। তবে কি কারণে কারা আগুণ দিয়েছে তা তিনি জানাতে পারেননি। তদন্ত শেষে বিষয়টি জানা যাবে বলে তিনি সাংবাদিকদের জানান। হরিণাকুন্ডু থানার ওসি এরশাদুল বারী জানান, এ ঘটনায় থানায় একটি মামলা করা হয়েছে। -
2. বি’বাড়িয়ায় মহাদেব মন্দিরের জায়গা দখল, স্থাপনা নির্মাণ
[23.08.14 DAINIK ITTEFAQ ]
মির্জাপুর (টাঙ্গাইল) সংবাদদাতা
গ্যাস সংযোগের জন্য নেয়া ২০ লাখ টাকা আদায়ের জন্য সংখ্যালঘু চার পরিবারের প্রায় দেড় কোটি টাকা মূল্যের ২৮ শতাংশ সম্পত্তি দখল করেছে একটি প্রভাবশালী মহল। সম্পত্তি উদ্ধারের জন্য স্থানীয় মেয়র, থানা পুলিশ, প্রশাসন এবং মাতব্বরদের দ্বারে দ্বারে ঘুরছে অসহায় এই চার পরিবার। দখলকারীদের অভিযোগ, গ্যাস সংযোগ দেয়ার কথা বলে প্রায় ২০ লাখ টাকা নিয়েছে এই সংখ্যালঘু পরিবারের জিতেন সরকার ও তার সহযোগীরা। টাকা আদায়ের জন্য তাদের জমির উপর টিনের চালা দেয়া হয়েছে। টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার পৌরসভার সাহাপাড়া মুসলিমপাড়ায় গতকাল শুক্রবার এ জমি দখলের ঘটনাটি ঘটেছে।
গতকাল শুক্রবার ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা গেছে, দখলবাজরা সংখ্যালঘু চার পরিবারের ইটের বাউন্ডারি ওয়ালের গেটের দরজা ভেঙ্গে টিনের চালা তৈরি করছে। গতকাল এলাকার ২০/২৫ জন মিলে তাদের ২৮ শতাংশ জমি দখল নিয়ে টিনের ঘর নির্মাণ করেছে। জমির মূল্য প্রায় দেড় কোটি টাকা বলে তিনি জানিয়েছেন। এদিকে জমি উদ্ধারের জন্য জিতেন সরকার গতকাল শুক্রবার মির্জাপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন। এ ছাড়া তারা পৌর মেয়রসহ স্থানীয় প্রশাসনকেও জানিয়েছেন বলে জানান। তারপরও প্রয়োজনীয় কোন ব্যবস্থা নেয়া হয়নি।
এ ব্যাপারে দখলদারদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে শামসুল হক, আব্দুর রহমান, লিটন, জলিল ও মিরু এবং আবতাবসহ অনেকেই এই অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, জোরপূর্বক কারও জমি দখল করা হয়নি। পাওনা ২০ লাখ টাকা আদায়ের জন্য জমির উপর টিনের চালা নির্মাণ করা হয়েছে। তারা অভিযোগ অস্বীকার করে আরও বলেন, জমির মালিক জিতেন ও তার সহযোগী মুকুল সাহাসহ একটি চক্র মির্জাপুর মুসলিমপাড়ার জলিল, মিরু, শামসুল হক, আবতাব, আব্দুর রহমান, আব্বাছ, খোকন, খলিল, ফরিদুল, আহম্মেদ, কুদ্দুছ, নইমসহ ২১ জনের নিকট থেকে গ্যাস সংযোগ দেয়ার কথা বলে ২০ লাখ টাকা নিয়েছেন। কিন্তু ২০ লাখ টাকা নিয়ে গ্যাস সংযোগ না দেয়ায় তারা পড়েছে বিপাকে। গ্রাহকদের নিকট থেকে ২০ লাখ টাকা নিয়ে জিতেন ঐ যাতে জমি বিক্রি করতে না পারে সেই জন্য ২০ লাখ টাকা আদায়ে পাওনাদাররা এই জমির উপর টিনের চালা দিয়েছে।
এ ব্যাপারে মির্জাপুর থানায় যোগাযোগ করা হলে ডিউটি অফিসার বলেন, অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনা তদন্তের জন্য এক পুলিশ অফিসারকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।
গতকাল শুক্রবার ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা গেছে, দখলবাজরা সংখ্যালঘু চার পরিবারের ইটের বাউন্ডারি ওয়ালের গেটের দরজা ভেঙ্গে টিনের চালা তৈরি করছে। গতকাল এলাকার ২০/২৫ জন মিলে তাদের ২৮ শতাংশ জমি দখল নিয়ে টিনের ঘর নির্মাণ করেছে। জমির মূল্য প্রায় দেড় কোটি টাকা বলে তিনি জানিয়েছেন। এদিকে জমি উদ্ধারের জন্য জিতেন সরকার গতকাল শুক্রবার মির্জাপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন। এ ছাড়া তারা পৌর মেয়রসহ স্থানীয় প্রশাসনকেও জানিয়েছেন বলে জানান। তারপরও প্রয়োজনীয় কোন ব্যবস্থা নেয়া হয়নি।
এ ব্যাপারে দখলদারদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে শামসুল হক, আব্দুর রহমান, লিটন, জলিল ও মিরু এবং আবতাবসহ অনেকেই এই অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, জোরপূর্বক কারও জমি দখল করা হয়নি। পাওনা ২০ লাখ টাকা আদায়ের জন্য জমির উপর টিনের চালা নির্মাণ করা হয়েছে। তারা অভিযোগ অস্বীকার করে আরও বলেন, জমির মালিক জিতেন ও তার সহযোগী মুকুল সাহাসহ একটি চক্র মির্জাপুর মুসলিমপাড়ার জলিল, মিরু, শামসুল হক, আবতাব, আব্দুর রহমান, আব্বাছ, খোকন, খলিল, ফরিদুল, আহম্মেদ, কুদ্দুছ, নইমসহ ২১ জনের নিকট থেকে গ্যাস সংযোগ দেয়ার কথা বলে ২০ লাখ টাকা নিয়েছেন। কিন্তু ২০ লাখ টাকা নিয়ে গ্যাস সংযোগ না দেয়ায় তারা পড়েছে বিপাকে। গ্রাহকদের নিকট থেকে ২০ লাখ টাকা নিয়ে জিতেন ঐ যাতে জমি বিক্রি করতে না পারে সেই জন্য ২০ লাখ টাকা আদায়ে পাওনাদাররা এই জমির উপর টিনের চালা দিয়েছে।
এ ব্যাপারে মির্জাপুর থানায় যোগাযোগ করা হলে ডিউটি অফিসার বলেন, অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনা তদন্তের জন্য এক পুলিশ অফিসারকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।
বাউফলে পাল্টাপাল্টি সংবাদ সম্মেলন
বাউফল প্রতিনিধি
প্রকাশ : ০৭ আগস্ট, ২০১৪
পটুয়াখালীর বাউফলে সংখ্যালঘুদের ওপর নির্যাতন ও তাদের জমি দখলসহ দেশ ত্যাগের হুমকির প্রতিবাদে বুধবার সকালে কেন্দ্রীয় কালিবাড়ি প্রাঙ্গণে সংবাদ সম্মেলন করেছে কয়েকটি সংখ্যালঘু পরিবার। বাউফল উপজেলা হিন্দু-বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের উদ্যোগে বেলা ১১টায় এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। অধির চন্দ্র দাসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন শংকর চন্দ্র ধূপি, নিবা রানী ধূপি, বাবুল কির্ত্তনীয়া প্রমুখ।
সংবাদ সম্মেলনের আগে সংখ্যালঘু পরিবারের সদস্যরা বাউফল থানার সামনে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করতে চাইলে পুলিশের বাধার কারণে তা সম্ভব হয়নি বলে দাবি করেন বক্তারা।
সংবাদ সম্মেলনের আগে সংখ্যালঘু পরিবারের সদস্যরা বাউফল থানার সামনে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করতে চাইলে পুলিশের বাধার কারণে তা সম্ভব হয়নি বলে দাবি করেন বক্তারা।
5.
সরাইল (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধিঃসরাইলে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের এক ব্যক্তির বসত বাড়িতে দূর্ধর্ষ ডাকাতি হয়েছে। ডাকাদের হামলায় গৃহকর্তা রাখাল ঘোষ (৪৫) সহ পরিবারের চার সদস্য আহত হয়েছে। গত রোববার ভোরে উপজেলার অরুয়াইল ইউনিয়নের ষোলাকান্দি গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে। গুরুতর আহত রাখাল ঘোষ এখন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মৃর্ত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে। আবারও হামলার ভয়ে শঙ্কায় রয়েছেন ওই বাড়ির লোকজন। ডাকাতের হামলায় আহতরা ও স্থানীয় লোকজন জানায়, গতকাল রোববার ভোরে নৌকায় করে ২৫/৩০ জনের সংঘবদ্ধ একদল ডাকাত ষোলাকান্দি গ্রামের রাখাল ঘোষের বাড়িতে প্রবেশ করে। তারা প্রথমে লাথি মেরে দরজা ভেঙ্গে বসত ঘরে ঢুকে। তাদের পড়নে ছিল শর্টপ্যান্ট, গেঞ্জী ও মাথা ছিল গামছা দিয়ে পেছানো। প্রত্যেকের হাতে ছিল ২/১টি দেশীয় অস্ত্র। দ্রুত দেশীয় অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে পরিবারের সকলকে জিম্মি করে ফেলে। নগদ টাকা স্বর্ণালঙ্কার মোবাইল সেট সহ দুই লক্ষাধিক টাকার মালামাল লুটে নেয় ডাকাতরা। চিৎকার দেওয়ার চেষ্টা করায় ডাকাতরা রামদা চাপাতি ও বল্লম দিয়ে গৃহকর্তা রাখাল ঘোষকে এলোপতাড়ি আঘাত করে। তার বুকে মাথায় ও পিঠে গুরুতর জখম হয়। জেলা সদর হাসপাতালে নেওয়ার পর অবস্থার অবনতি দেখে তড়িগড়ি করে ঢাকায় প্রেরন করা হয়। ডাকাতের পিটুনিতে আহত হয় গৃহকর্তার স্ত্রী রানী ঘোষ (৪০), শালিকা শম্পা রানী ঘোষ (২১) ও শম্পার শিশু কন্যা অর্ণব ঘোষ (১০ মাস)। সরাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ আলী আরশাদ বিকাল সাড়ে তিনটায় মুঠো ফোনে বলেন, আমি কিছুক্ষণ আগে বিষয়টি জেনেছি। ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়েছি।
6.
15.08.14 Dainik janakantha
বরিশালে সংখ্যালঘুর সম্পত্তি দখলকারীর ছোড়া গুলিতে শিশু আহত
7.
17.08.14 dainik janakantha
চাঁপাইয়ে দেবোত্তর সম্পত্তি বিক্রি ॥ দলিল বাতিলে মামলা
নিজস্ব সংবাদদাতা, পাবনা, ৩১ জুলাই ॥ গরুতে ফসল খাওয়াকে কেন্দ্র করে সংখ্যালঘু পরিবারের পিতা-পুত্রকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে আহত করা হয়েছে। শুধু তাই নয় অনতিবিলম্বে দেশ ত্যাগ না করলে গোটা পরিবারকে হত্যারও হুমকি দেয়া হয়েছে। ঈদের আগের দিন সোমবার সুজানগর উপজেলার রানীনগর ইউনিয়নের বাঘলপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে। এলাকাবাসী জানিয়েছে বাঘলপুর গ্রামের প্রাথমিক শিক্ষক আব্দুল গফুর শেখের কয়েকটি গরু“ ছাগল আকাশ উদ্দিনের ক্ষেতের ধান খেতে শুরু“ করে। প্রতিবেশী সংখ্যালঘু রণজিত কুমার সরকার এ সংবাদ আকাশ উদ্দিনকে দেয়। আকাশ উদ্দিন ধান খাওয়ানোর জন্য গফুর শেখকে গালিগালাজ করে। এর পর বিকেল ৩টায় আব্দুল গফুর শেখ ২ জামাতা, ৩ পুত্র-স্ত্রী ও কন্যাদের নিয়ে লাঠিসোটা, ফালা ও ধারালো অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে রণজিত সরকারের বাড়ির নিকটবর্তী স্থানে তার পুত্র সুজিত সরকারকে ধরে বেদম প্রহার করতে থাকে। ছেলেকে বাঁচাতে বৃদ্ধ বাবা রণজিত সরকার এগিয়ে এলে তাকেও বেদম প্রহারসহ পায়ে ফালাসহ ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করা হয়। এর পর ওই সংখ্যালঘু পরিবারকে দেশ ত্যাগের হুমকিও দেয়া হয়। অন্যথায় গোটা পরিবারকে হত্যার হুঁশিয়ারি দেয়া হয়। গুরুতর আহত বাবা-ছেলেকে পাবনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় এলাকার সংখ্যালঘু পরিবারের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। এ ব্যাপারে আমিনপুর থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে জানা গেছে।
9.
prothom alo 1.8.14
"রাজনৈতিক গোলযোগের সময় বাংলাদেশের হিন্দু এবং অন্য জাতিগত ও ধর্মীয় সংখ্যালঘুরা ক্রমবর্ধমান হারে নিপীড়ন ও শারীরিক হামলার শিকার হয়েছে। "
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের আন্তর্জাতিক ধর্মীয় স্বাধীনতাবিষয়ক বার্ষিক প্রতিবেদনে এ মন্তব্য করা হয়েছে। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী জন কেরি ওয়াশিংটনের স্থানীয় সময় গত ২৮ জুলাই দুপুরের দিকে বার্ষিক এ প্রতিবেদনটি উন্মোচন করেন।
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের গণতন্ত্র, মানবাধিকার ও শ্রম বিভাগের তৈরি করা এ প্রতিবেদনের সারসংক্ষেপে বলা হয়েছে, বাংলাদেশজুড়ে ধর্মীয় সংখ্যালঘু, বিশেষ করে হিন্দু সম্প্রদায়ের মন্দির, ঘরবাড়ি আগুন ধরানোর পাশাপাশি লুটপাটের শিকার হয়েছে। মানবাধিকার সংগঠন আইন ও সালিশ কেন্দ্রের (আসক) প্রতিবেদনকে উদ্ধৃত করে এতে বলা হয়েছে, গত বছর মন্দিরের ৪৯৫টি মূর্তি গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। এ ছাড়া হিন্দুদের ২৭৮টি বাড়ি ও ২০৮টি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে হামলা চালানো হয়েছে। একই সময়ে ১৮৮ জন আহত ও একজন প্রাণ হারান। বছরজুড়েই হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজনের ওপর এ ধরনের হামলা অব্যাহত ছিল।
স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম, মানবাধিকার সংগঠন ও হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতারা এসব হামলার জন্য শিবিরের ওপর দোষারোপ করেছেন। অবশ্য বিএনপি ও তার জোট সঙ্গী জামায়াতে ইসলামী ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা বন্ধের দাবির পাশাপাশি এসব হামলার দায় অস্বীকার করেছে।
আসককে উদ্ধৃত করে প্রতিবেদনে বলা হয়, সরকারকে মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারপ্রক্রিয়া থেকে নিবৃত্ত রাখতে ভয়ভীতি দেখানোর পন্থা হিসেবে জামায়াতের সমর্থকেরা এসব হামলা চালিয়েছে। ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের নেতারা অভিযোগ করেছেন, সরকার কখনো কখনো তাঁদের ওপর হামলাকারীদের প্রতিহত করতে ব্যর্থ হয়েছে। কোনো কোনো সময় পুলিশ অপরাধীদের গ্রেপ্তারে ব্যর্থ হয়েছে। আর আদালত কার্যকরভাবে এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নিতে পারেননি।
10.

.jpg)
.jpg)
অনলাইন ডেস্ক: বিজেপি নেতা নরেন্দ্র দামোদর দাস মোদী প্রধানমন্ত্রী হওয়ার আগেই নির্বাচনী প্রচারে অনুপ্রবেশ নিয়ে হুঙ্কার দিয়েছিলেন। পশ্চিমবঙ্গে এসে পশ্চিমবঙ্গে থেকে যাওয়া বাংলাদেশিদের লোটা কম্বল নিয়ে ফেরত পাঠানোর হুমকি দিয়েছিলেন। তার পাল্টা হিসেবে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও চ্যালেঞ্জ দিয়েছিলেন মোদীকে। তবে ক্ষমতায় এসে বিজেপি সরকার বাংলাদেশি বিতাড়নের বড় ধরণের কর্মসূচি চালু না করলেও এ ব্যাপারে সংঘ পরিবারের নেতাদের প্রবল চাপ যে রয়েছে তা বিশ্ব হিন্দু পরিষদ নেতা প্রবীণ তোগাড়িয়ার কথাতেই স্পষ্ট হয়েছে। গত শনিবার কলকাতা প্রেস ক্লাবে এক সাংবাদিক সম্মেলনে বিশ্ব হিন্দু পরিষদের প্রধান প্রবীন তোগাড়িয়া বাংলাদেশি অনুপ্রবেশ নিয়ে সোচ্চার হন। তিনি হুংকার দিয়ে বলেন, ১৯৫১ সালের পর যে সব বাংলাদেমি ভারতে এসেছেন তাদের ফেরত পাঠাতে প্রয়োজনে সামরিক অভিযান চালানো হবে। অনুপ্রবেশকারী প্রশ্নে তোগাড়িয়া রাজ্য সরকারের মনোভাব স্পষ্ট করতে বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। তিনি বলেন, মমতা নিজে বলুন, তিনি অনুপ্রবেশ কারীদের রক্ষা করছেন, আশ্রয় দিচ্ছেন বা সমর্থন করছেন কিনা। তিনি যদি বলেন, অনুপ্রবেশকারীদের প্রতি তার সমর্থন রয়েছে তাহলে তার বিরুদ্ধে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ দেশদ্রোহের মামলা করবে বলেও তিনি হুঙ্কার দেন। তবে তাকে প্রশ্ন করা হয়েছিল যে, বাংলাদেশি বিতাড়নের বিষয়ে মোদী সরকারের সমর্থন রয়েছে কিনা, তার উত্তরে তোগাড়িয়া বলেন, সেটা সরকারকে জিজ্ঞেস করুন। আমি কোনও মন্তব্য করবে না। তোগাড়িয়া বলেন, বিশ্ব হিন্দু পরিষদের সুবর্ণ জয়ন্তী উপলক্ষ্যে বিশ্ব হিন্দু কংগ্রেসের আযোজন করা হবে। তার আগে হিন্দুদের জাগরণ ঘটাতে রাম জন্মভুমি, কৃষ্ণ জন্মভ’মি, কাশী বিশ্বনাথ মন্দির, গরু হত্যা বন্ধ ও সংবিধানের ৩৭০ ধারা নিয়ে দেশ ব্যাপী প্রচার চালানো হবে।