দাকোপের কৈলাশগঞ্জ পূজা মন্ডপে অনুষ্ঠানে সন্ত্রাসী হামলা
মোঃ রুহুল আমীন, দাকোপ (খুলনা) /ই: দাকোপের কৈলাশগঞ্জ চৌমুহনী দশমীতে দুর্গাপূজার মন্ডপে এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটছে। এ ঘটনায় সন্ত্রাসীদের প্রতিবাদ করায় স্থানীয় যুবকের উপর সন্ত্রাসী হামলা। হামলায় গুরুত্বর আহত যুবক কে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি। প্রতিবাদে এলাকাবাসীর বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
স্থানীয় এলাকাবাসীর সুত্রে জানাযায়, বৃহস্পতিবার রাতে উপজেলার কৈলাশগঞ্জ চৌমুহনী ক্লাবের উদ্যোগে দূর্গাপূজার নবমী ও দশমী উপলক্ষে আয়োজিত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে, পার্শবর্তী বাজুয়া এবং লাউডোব ইউনিয়নের কতিপয় সন্ত্রাসী মাদকসেবি এবং বখাটে যূবক মহিলাদের উপর অশালীন আচরণ করে।
স্থানীয় এলাকাবাসীর সুত্রে জানাযায়, বৃহস্পতিবার রাতে উপজেলার কৈলাশগঞ্জ চৌমুহনী ক্লাবের উদ্যোগে দূর্গাপূজার নবমী ও দশমী উপলক্ষে আয়োজিত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে, পার্শবর্তী বাজুয়া এবং লাউডোব ইউনিয়নের কতিপয় সন্ত্রাসী মাদকসেবি এবং বখাটে যূবক মহিলাদের উপর অশালীন আচরণ করে।
স্থানীয়রা প্রতিবাদ করলে সন্ত্রাসীরা পূজা মন্ডপে এবং সাংস্কৃতিক মঞ্চে অতর্কিত হামলা চালায়। এসময় প্যান্ডেলে থাকা পুলিশ বাহিনী এবং পুজা কমিটির সদস্যরা তাদেরকে প্রতিহত করার চেষ্টা চালায়। বিশৃংখলার কারণে অনুষ্ঠানের সমস্ত আয়োজন পন্ড হয়ে যায়।
উক্ত সন্ত্রাসীদের প্রতিবাদ করায়, ঘটনার পরদিন সকাল ১১টায় কৈলাশগঞ্জ ইউনিয়নের ধোপাদী গ্রামের মৃত চিত্ত জোর্য়াদ্দারে পুত্র মটর সাইকেল চালক দুলাল জোয়াদ্দার (২৮) তার মটর সাইকেল নিয়ে খুটাখালী গরুর হাট সংলগ্ন শ্মশানকালী মন্দীরের সামনে এলে পূর্বৃ পরিকল্পিতভাবে গতরাতে সন্ত্রাসী বাহীনী ফেরদৌস খান মনার(২৭) নেতৃত্বে দুলালকে হত্যার উদ্যেশ্যে আক্রমন করে মারাত্মক জখম করে। তার ডাক চিৎকারে এলাকার লোকজন ছুটে এসে তাকে উদ্ধার করে প্রথমে দাকোপ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। আহত দুলাল বর্তমানে মৃত্যর সাথে পাঞ্জা লড়ছে বলে এলাকাবাসী ও ভুক্তভোগীর পরিবার সুত্রে জানাযায়।
উক্ত ঘটনাকে কেন্দ্র করে আজ শনিবার বাজুয়া এস এন ডিগ্রী কলেজে অনুষ্ঠিত আইন শৃংখলা রক্ষা কমিটির সভায় এলাকাবাসী মিছিল সমাবেশের মাধ্যমে বিক্ষোভ প্রদর্শন করে সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার পূর্বক শাস্তির দাবি জানায়।
উক্ত ঘটনাকে কেন্দ্র করে আজ শনিবার বাজুয়া এস এন ডিগ্রী কলেজে অনুষ্ঠিত আইন শৃংখলা রক্ষা কমিটির সভায় এলাকাবাসী মিছিল সমাবেশের মাধ্যমে বিক্ষোভ প্রদর্শন করে সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার পূর্বক শাস্তির দাবি জানায়।
এ বিষয়ে দাকোপ থানায় দুলালের ভাই জনার্দন বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেছে। দুলালের উপর সন্ত্রাসী হামলার প্রধান আসামী ফেরদৌস খান মনাকে দাকোপ থানা পুলিশ আটক করেছে। আটক ফেরদৌস বাজুয়া ইউপি সদস্য ফারুক খানের বড় পুত্র। এ ঘটনার বাকি আসামীরা এখনও পলাতক রয়েছে বলে থানা পুলিশ সুত্রে জানাযায়।
দক্ষিণ সুরমায় সংখ্যালঘুদের উপর হামলা : আহত ৩
২৪ অক্টোর ২০১৫ ॥ পূজা অনুষ্ঠান পন্ড করাকে কেন্দ্র করে শনিবার দুপুর ৩টায় দক্ষিণ সুরমার শিববাড়ীস্থ জৈনুপর গ্রামে সংখ্যালঘুদের উপর হামলা চালিয়ে ৩ জনকে আহত করা হয়েছে।
আহতরা হচ্ছে- গোটাটিকর কিষণপুরের বিকাশ ঘোষের ছেলে অনিক ঘোষ (২০), একই এলাকার সিদাম পালের ছেলে অয়ন পাল (১৯), একই এলাকার মৃত নিখিল ঘোষের ছেলে রাজু ঘোষ (২০)। আহতরা বর্তমানে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।
জানা যায়, গত ২২ অক্টোবর বৃহস্পতিবার দক্ষিণ সুরমার কিষণপুর রাধা মাধব জিউর মন্দির আখড়ায় হিন্দু ধর্মালম্বীদের মহানবমী পূজার দিন রাত ১২ টায় অনুষ্ঠান চলাকালে জৈনপুর গ্রাম থেকে ১০/১২ জন মুসলিম ছেলে পূজা দেখতে যায়। তখন পূজায় আগত হিন্দু মহিলাদের উত্যক্ত করতে থাকে। এসময় পূজা কমিটির সদস্যরা ঐ মসুলিম ছেলেদেরকে বলেন, আপনারা আমাদের মেহমান হয়ে এসেছেন। আপনারা এরকম করবেন না। আমাদের পূজাটা নস্ট করবেন না।
তখন জৈনপুর ফকিরপাড়া গ্রামের রইছ আলীর ছেলে মাহিন তার সঙ্গীয় রিপনসহ অন্যান্যদের সাথে নিয়ে পূজা অনুষ্ঠানের আলোকসজ্জার লাইট ভেঙ্গে নিভিয়ে দেয়। এসময় মহিলা ও ছোট ছোট বাচ্চারা এদিক ঐদিক ছুটাছুটি করতে থাকে। তখন নিরীহ ঐ হিন্দু স¤প্রদায় নিরুপায় হয়ে মোগলাবাজার থানায় খবর দেয়। খবর পেয়ে মোগলাবাজার থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে ছুটে আসে। পুলিশ দেখে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়।
এ ব্যাপারে সিতারাম সার্বজনিন পূজা কমিটির সাধারণ সম্পাদক উজ্জল চন্দ্র উত্তরপূর্বকে জানান, আমাদের নবমীর দিন যে উশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেছিল তারা আজ এটির জের ধরে আবারও আমাদের এলাকার ছেলেদের উপর হামলা চালিয়ে তাদের কাছ থেকে টাকা পয়সা লুট করে নিয়ে যায়।
আমাদের আশপাশের এলাকার মুসলিম লোকেরা আমাদেরকে সাহায্য সহযোগিতা করেছে কিন্তু জৈনপুর গ্রাম থেকে উশৃঙ্খল কয়েকজন ছেলে এসে আমাদের পূজাটাকে নষ্ট করে দিয়েছে এবং নবমীর দিনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে আজ ঐ ছেলেরাই আমাদের ছেলেদের উপর হামলা চালিয়ে টাকা পয়সা লুটে নেয়।
এ ব্যাপারে আমরা থানায় অভিযোগ দাখিল করেছি। এ ব্যাপারে দক্ষিণ সুরমা থানার সিনিয়র সহকারী পুলিশ কমিশনার ইকবাল হোসাইন জানান, খবর পেয়ে আমরা সাথে সাথে ঘটনাস্থলে আমরা পুলিশ পাঠিয়েছি। আমি এখন আহতদেরকে দেখতে ওসমানী মেডিকেলে যাচ্ছি।
আহতরা হচ্ছে- গোটাটিকর কিষণপুরের বিকাশ ঘোষের ছেলে অনিক ঘোষ (২০), একই এলাকার সিদাম পালের ছেলে অয়ন পাল (১৯), একই এলাকার মৃত নিখিল ঘোষের ছেলে রাজু ঘোষ (২০)। আহতরা বর্তমানে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।
জানা যায়, গত ২২ অক্টোবর বৃহস্পতিবার দক্ষিণ সুরমার কিষণপুর রাধা মাধব জিউর মন্দির আখড়ায় হিন্দু ধর্মালম্বীদের মহানবমী পূজার দিন রাত ১২ টায় অনুষ্ঠান চলাকালে জৈনপুর গ্রাম থেকে ১০/১২ জন মুসলিম ছেলে পূজা দেখতে যায়। তখন পূজায় আগত হিন্দু মহিলাদের উত্যক্ত করতে থাকে। এসময় পূজা কমিটির সদস্যরা ঐ মসুলিম ছেলেদেরকে বলেন, আপনারা আমাদের মেহমান হয়ে এসেছেন। আপনারা এরকম করবেন না। আমাদের পূজাটা নস্ট করবেন না।
তখন জৈনপুর ফকিরপাড়া গ্রামের রইছ আলীর ছেলে মাহিন তার সঙ্গীয় রিপনসহ অন্যান্যদের সাথে নিয়ে পূজা অনুষ্ঠানের আলোকসজ্জার লাইট ভেঙ্গে নিভিয়ে দেয়। এসময় মহিলা ও ছোট ছোট বাচ্চারা এদিক ঐদিক ছুটাছুটি করতে থাকে। তখন নিরীহ ঐ হিন্দু স¤প্রদায় নিরুপায় হয়ে মোগলাবাজার থানায় খবর দেয়। খবর পেয়ে মোগলাবাজার থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে ছুটে আসে। পুলিশ দেখে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়।
এ ব্যাপারে সিতারাম সার্বজনিন পূজা কমিটির সাধারণ সম্পাদক উজ্জল চন্দ্র উত্তরপূর্বকে জানান, আমাদের নবমীর দিন যে উশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেছিল তারা আজ এটির জের ধরে আবারও আমাদের এলাকার ছেলেদের উপর হামলা চালিয়ে তাদের কাছ থেকে টাকা পয়সা লুট করে নিয়ে যায়।
আমাদের আশপাশের এলাকার মুসলিম লোকেরা আমাদেরকে সাহায্য সহযোগিতা করেছে কিন্তু জৈনপুর গ্রাম থেকে উশৃঙ্খল কয়েকজন ছেলে এসে আমাদের পূজাটাকে নষ্ট করে দিয়েছে এবং নবমীর দিনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে আজ ঐ ছেলেরাই আমাদের ছেলেদের উপর হামলা চালিয়ে টাকা পয়সা লুটে নেয়।
এ ব্যাপারে আমরা থানায় অভিযোগ দাখিল করেছি। এ ব্যাপারে দক্ষিণ সুরমা থানার সিনিয়র সহকারী পুলিশ কমিশনার ইকবাল হোসাইন জানান, খবর পেয়ে আমরা সাথে সাথে ঘটনাস্থলে আমরা পুলিশ পাঠিয়েছি। আমি এখন আহতদেরকে দেখতে ওসমানী মেডিকেলে যাচ্ছি।






















