সাভারে কালিমন্দিরে হামলা, ভাঙচুরের অভিযোগ
14.11.15
সাভারে শুক্রবার গভীর রাতে একটি কালিমন্দিরে সন্ত্রাসী হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। সাভার পৌর আড়াপারা উত্তরপারা মন্দিরে এ হামলা চালানো হয়। মন্দির পরিচালানা কমিটি হামলার ঘটনায় সাভার মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ করেছে। জানা গেছে, শুক্রবার রাতে স্থানীয় সন্ত্রাসী রাব্বির নেতৃত্বে কয়েকজন নেশাগ্রস্ত তরুণ মন্দিরে হামলা চালায়। এ সময় বাধা দিতে গেলে উপস্থিত সবাইকে মারধর শুরু করে। এসময় আহত হয় অন্তত পাঁচজন। পরে তারা মন্দিরের ডেকোরেশন ভাঙচুর করে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন। স্থানীয়রা থানায় খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। তবে কাউকে আটক করতে পারেনি।
বিডি-প্রতিদিন/ ১৪ নভেম্বর
ভাটপাড়ায় দলিত সম্প্রদায়ের উপর হামলা ঘর ছাড়া অনেকেই
Pub -04.11.15
যশোর অভয়নগর ভাটপাড়া ভূগিলহাটে সংখ্যালঘু (ঋষি) সম্প্রদায় -এর উপর নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার পাচ দিন পরও পরিস্তিতি স্বাভাবিক হয়নি। উল্টো হামলাকারীরা নিয়মিত টহল দিয়ে এলাকা অস্থিতীশীল করে তুলছে।
গত ৩১ অক্টোবর যশোর অভয়নগর ভাটপাড়া ভূগিল হাটের হরিজন পল্লিতে হামলা চালায় একদল চিিহ্নত সন্ত্রাসী। এর আগেও এই ঋষি দলিত সম্প্রদায়ের মেয়েদের জোর পূর্বক ধরে নিয়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। সংবাদে প্রকাশ, ১৯৭১ সালের পরাজিত শক্তির কিছু ব্যাক্তি উক্ত এলাকায় সাম্প্রদায়ীক কলোহের অবতারনা করছে। হিন্দুদের পূজার্চণায় বাধাদাৃন, হোটেলে খাবার না দেওয়া, তাদের কাছে কোন পন্য বিক্রি না করা ইত্যাদি ইত্যাদি অনেক ঝামেলার সৃষ্টি করে এই সন্ত্রাসীরা। বর্তমানে দলিত (ঋষি) সম্প্রদায়ের সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, এ দেশ থেকে চলে যেতে হবে। জায়গা জমি সমস্ত মোল্যাদের লিখে দিতে হবে। এই প্রস্তাবে রাজি না হওয়াতে ক্ষিপ্ত হয়ে এই মোল্যা গোষ্ঠি দলিতদেও উপর অতর্কিতে হামলা চালায়। এতে আহত হয় ১২জন। এদের মধ্য্ ২জন নওয়াপাড়া হাসপাতালে চিকিৎসাধিন রয়েছে।
উল্লেখযোগ্য হামলাকারী আমিনুর রহমান, শাহিন মোল্যা, আনারুল মোল্যা, বাপ্পি মোল্যা, আবুল মোল্যা, কায়েম মোল্যা, মেহেদী মোল্যা, হাসেম মোল্যা সহ নাম না জানা ২৫/৩০ জনের শসস্ত্র দল গ্রামে ব্যাপক তান্ডব চালাচ্ছে বলে শোনা গেছে। এ ব্যাপারে যশোর অভয়নগর থানায় একটি এজাহার দায়ের করা হয়েছে।
The Police Commissioner of Dhaka Metropolitan Police
(DMP) threatened Adv. Rabindra Ghosh of BDMW
(14.11.15 at about 3.34 p.m.)
Report by BDMW
Human Chain of Minorities in the protest against recent massacare and threat to Adv. Rabindra Ghosh by The Police Commissioner of DMP.
The Police Commissioner of Dhaka Metropolitan Police (DMP).
MD. ASADUZZAMAN MIA- The Police Commissioner of Dhaka Metropolitan Police (DMP) threatened Adv. Rabindra Ghosh of BDMW today (14.11.15 at about 3.34 p.m.) over his Mobile Number-01711541569 to 01711172468 not to communicate with him in future for any matter relating to Human Rights abuses against minorities within his jurisdiction. Md. Asaduzzaman also advised me to communicate with United Nations for redress. I became surprised at his unbecoming manner and arrogant attitude during our telephonic discussion.
There was a long pending issues of huge land grabbing incidents of Minority Hindus - Ms.Maloti Rani Mondal, Sanjiban Sarkar and Khokan Sarkar of Khilgaon Police station at Dhaka. Land grabbers since long threatening Adv. Ghosh not to interfere or to provide legal assistance to victims with this land grabbing issues or to focus their nefarious activities. In this connection I made a general diary against those land grabbers in different police stations for redress. But police neglected to take any action against perpetrators rather false cases one after another is being lodged against Hindus rendering the Minority Hindu families to leave the country due to continuous repression and non compliance of court's court's order by the local administration. As a result the Officer in Charge of Khilgaon PS threatening me to abandon human rights works for the minorities.
I immediately also communicated with Md. Asaduzzaman Khan Kamal- Home Minister of Bangladesh and informed him over his Mobile number 0171154159 who responded and said ' " Why you are so much interested with Khilgaon cases? " I solicited an appointment with the Minister but he did not give me any specific date of appointment relating to attacks/threat on Human Rights defenders. I feel insecure myself without any protection of life.
Recently at Dhaka Human Rights Alliance Bangladesh (HRAB) on 06.11.15 hold a Human chain and protest rally against Police harassment on Human Rights defenders/minority victims in Bangladesh which enraged Police department and non co-operation is going on.
I need urgent action protection.
দিনাজপুরে কালি মন্দিরে প্রতিমা ভাংচুর
স্বর্ণলংকার লুট ও ৬টি বোমা সাদৃশ্য বস্তু উদ্ধার- আহত ৪ 12.11.15
দিনাজপুর ॥ দিনাজপুরের কাহারোলে কালি মন্দিরে দূবৃর্ত্তরা প্রবেশ করে প্রতিমা ভাংচুর, স্বর্ণলংকার লুটপাট। এ ঘটনায় ৪ জন আহত হয়েছে। দৃবৃর্ত্তরা বোমা সাদৃশ্য বস্তু ফাটিয়ে আতঙ্ক সৃষ্টি করে বীরদর্পে পালিয়ে যায়। ঘটনাস্থল হতে ৬টি বোমার সাদৃশ্য বস্তু উদ্ধার করেছে পুলিশ। 
ঘটনাটি ঘটেছে, উপজেলার কালির হাট নামক স্থানের উত্তর মহেশপুর সিংরা কালি মন্দিরে বুধবার দিবাগত রাত সাড়ে ৩টার দিকে কাহারোল উপজেলার ১নং ডাবোর ইউনিয়নের উত্তর মহেশপুর সিংরা কালি মন্দিরে।
সরেজমিনে ঘুরে দেখতে গিয়ে এলাকাবাসী, মন্দির কমিটি ও প্রত্যেক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, ঘটনার রাতে কালি মন্দির প্রাঙ্গনে স্থানীয় পালা গান চলাকালীন সময় অতর্কিত ভাবে মন্দির এলাকায় ১০/১২ জন দূবৃর্ত্তরা কালি মন্দিরে প্রবেশ করে প্রতিমার মাথা ভাংচুর করে এবং প্রতিমার সাথে থাকা প্রায় ২০ ভরি স্বর্ণ ও আনুমানিক ১০ কেজি রুপা নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার সময় দূবৃর্ত্তদের সঙ্গে থাকা রাম দা দিয়ে এলোপাতারি ভাবে আঘাত করলে এতে ৪ জন আহত হয়। এদের মধ্যে ৩ জনের অবস্থা গুরুত্বর। আহতরা হল, আষাড়– (৬৫), ধুনাই (৬০), রঞ্জিত কুমার রায় (৫০), ননী গোপাল দেবশর্মা (৪০)। ৪ জনের মধ্যে ৩ জন দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছে। এ ঘটনাটি ঘটায় এলাকায় জনসাধারনের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে।
ঘটনার পর বৃহস্পতিবার সকালে দিনাজপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ রবিউল ফয়সাল, ডি,আই,ও-ওয়ান মোঃ রবিউল ইসলাম, উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি বাবু গোপেশ চন্দ্র রায়, সাধারন সম্পাদক রাজেন্দ্র দেবনাথ, ১নং ডাবোর ইউপি চেয়ারম্যান বিশ্বজিৎ কুমার রায় ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত পুলিশ এ ঘটনায় কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারে নি এবং মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে কাহারোল থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ আব্দুল মজিদ জানিয়েছেন।

ঘটনাটি ঘটেছে, উপজেলার কালির হাট নামক স্থানের উত্তর মহেশপুর সিংরা কালি মন্দিরে বুধবার দিবাগত রাত সাড়ে ৩টার দিকে কাহারোল উপজেলার ১নং ডাবোর ইউনিয়নের উত্তর মহেশপুর সিংরা কালি মন্দিরে।
সরেজমিনে ঘুরে দেখতে গিয়ে এলাকাবাসী, মন্দির কমিটি ও প্রত্যেক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, ঘটনার রাতে কালি মন্দির প্রাঙ্গনে স্থানীয় পালা গান চলাকালীন সময় অতর্কিত ভাবে মন্দির এলাকায় ১০/১২ জন দূবৃর্ত্তরা কালি মন্দিরে প্রবেশ করে প্রতিমার মাথা ভাংচুর করে এবং প্রতিমার সাথে থাকা প্রায় ২০ ভরি স্বর্ণ ও আনুমানিক ১০ কেজি রুপা নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার সময় দূবৃর্ত্তদের সঙ্গে থাকা রাম দা দিয়ে এলোপাতারি ভাবে আঘাত করলে এতে ৪ জন আহত হয়। এদের মধ্যে ৩ জনের অবস্থা গুরুত্বর। আহতরা হল, আষাড়– (৬৫), ধুনাই (৬০), রঞ্জিত কুমার রায় (৫০), ননী গোপাল দেবশর্মা (৪০)। ৪ জনের মধ্যে ৩ জন দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছে। এ ঘটনাটি ঘটায় এলাকায় জনসাধারনের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে।
ঘটনার পর বৃহস্পতিবার সকালে দিনাজপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ রবিউল ফয়সাল, ডি,আই,ও-ওয়ান মোঃ রবিউল ইসলাম, উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি বাবু গোপেশ চন্দ্র রায়, সাধারন সম্পাদক রাজেন্দ্র দেবনাথ, ১নং ডাবোর ইউপি চেয়ারম্যান বিশ্বজিৎ কুমার রায় ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত পুলিশ এ ঘটনায় কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারে নি এবং মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে কাহারোল থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ আব্দুল মজিদ জানিয়েছেন।
নীলফামারীতে সংখ্যালঘু পরিবারের নারীকে গণধর্ষন-
Pub- Monday, November 16, 2015
একাধিক যুবক কর্তৃক গণধর্ষনের শিকার হয়েছে সংখ্যালঘু পরিবারের এক নারী। সে নীলফামারী উত্তরা ইপিজেড শিল্প প্রতিষ্ঠানের নারী শ্রমিক। বুধবার রাত ৯টার দিকে ঘটনাটি ঘটে নীলফামারীর সোনারায় ইউনিয়নের বাবুরহাট নামক স্থানে। গণধর্ষিতা ওই তরুনীকে এলাকাবাসী উদ্ধার করে সদর আধুনিক হাসপাতালে ভর্তি করেছে। এ ঘটনায় রাতেই থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে ওই তরুনী নিজে বাদী হয়ে অজ্ঞাত তিন যুবককে আসামী করে নীলফামারী থানায় মামলা দায়ের করে।
ধর্ষিত তরুনী নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলার শিমুলবাড়ি ইউনিয়নের আরাজি শিমুলবাড়ি গ্রামের দীনেশ চন্দ্র রায়ের মেয়ে। সে গত তিন মাস থেকে নীলফামারীর উত্তরা ইপিজেডের ভ্যানচুরা শিল্প প্রতিষ্ঠানে নারী শ্রমিক হিসাবে কর্মরত। এ জন্য সে নীলফামারীর সোনারায় ইউনিয়নের বাবুরহাট এলাকায় বিশ্বস্বর মাষ্টারের বাড়ির একটি রুম ভাড়া নিয়ে থাকতো।
ধর্ষিতা তরুনী সাংবাদিকদের জানায়,ঘটনার দিন সে অতিরিক্ত সময় (ওভারটাইম) কাজ করে উত্তরা ইপিজেডে অবস্থিত ব্যাগ তৈরীর শিল্পকারখানা থেকে ভাড়া বাসায় উদ্দেশ্যেই ফিরছিল। তার সাথে ইপিজেডের এ্যাভারগ্রীন শিল্পকারখানার লাইন লিডার মিলনও ছিল। পথে তিনজন বখাটে তাদের পথরোধ করে এবং মিলনকে কিলঘুষি ও ভয় দেখিয়ে ভাগিয়ে দেয়। এরপর তরুনীর মুখ চেপে জোড়পূর্বক পার্শ্ববর্তী একটি লিচুবাগানে নিয়ে গিয়ে অজ্ঞাত তিন যুবক একে একে ধর্ষনের পর পালিয়ে যায়। সে সময় তার আত্নচিৎকারে পথচারীরা এসে তাকে উদ্ধার করে। পরে এলাকাবাসীর সহায়তায় রাতেই হাসপাতালে এনে ভর্তি করে।নীলঅামারী সদর থানার ওসি শাজাহান পাশা সাংবাদিকে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, আসামীদের খুঁজে বের করে গ্রেফতারে চেষ্টা চলছে।
বাউফলে এক সংখ্যালঘু পরিবারের চার নারীকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে
জখম
Pub-11.09.15

পটুয়াখালীর বাউফলে এক সংখ্যালঘু পরিবারের চার নারীকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে জখম করা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। আজ বুধবার সকাল ৮টার দিকে উপজেলার কনকদিয়া স্যার সলিমুল্লাহ স্কুল এন্ড কলেজ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। গুরুতর আহত চারুবালা ও মলিনাকে বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে ও সাথী, প্রিয়াংকা নামে দুই নারীকে প্রাথমিক ভাবে চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
এ ঘটনায় সংখ্যালঘু পরিবারের পক্ষ থেকে বাউফল থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার কনকদিয়া গ্রামের সংখ্যালঘু পরিবার দেবুতোষ সূত্র ধরের সাথে পার্শ্ববর্তী মজিবর খাঁর সাথে দীর্ঘ দিন পর্যন্ত জমি-জমা নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। আজ বুধবার সকাল ৮টার দিকে মজিবর খাঁ ও তার লোকজন দেশিও অস্র শস্ত্রে নিয়ে ওই সংখ্যালঘুর নিজ বাড়ির সিমানা বেড়া ভাঙ্গিয়া ফেলে। এতে বাধাঁ দিতে গেলে চারুবালা সূত্রধর (৫০) কে বেধরক পিটিয়ে ও কুপিয়ে জখম করে মজিবর ও তার সাঙ্গপাঙ্গরা।
এ সময় চারুবলাকে বাচাঁতে সাথী, প্রিয়াংকা ও মলিনা সূত্রধর এগিয়ে আসলে তাদেরকের পিটিয়ে আহত করা হয়। দেবুতোষ সূত্রধর সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করেন, মজিবর খাঁ একজন প্রতারক শ্রেণির লোক। তিনি বিভিন্ন সময়ে এলাকার মানুষের সাথে প্রতারনা করে আসছে। এ বিষয়ে অভিযুক্ত মজিবর খাঁ তার বিরুদ্ধে সকল অভিযোগ অস্বিকার করেন। বাউফল থানার ওসি আজাম মাসুদুজ্জামান বলেন, অভিযোগ পেয়েছি, তদন্ত সাপেক্ষে ব্যাবস্থা নেওয়া হবে।
13 Nov 2015
সিরাজগঞ্জ পৌর এলাকার একটি শিব মন্দিরে চুরি সংগঠিত হয়েছে। এ সময় প্রতিমার বিভিন্ন অঙ্গে থাকা স্বর্ণালংকার ও রৌপ্যলংকার লুট করে নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা। শহরের ধানবান্ধি মহল্লার শিব মন্দিরে বৃহস্পতিবার গভীর রাতে এ চুরির ঘটনা ঘটে। সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হাবিবুল ইসলাম জানান, শুক্রবার সকালে ওই মন্দিরের পুজারী মন্দিরে ঢোকার সময় গেইট ও দরজার তালা ভাঙ্গা দেখেন। পরে ভীতরে ঢুকে দেখতে পান প্রতিমার অঙ্গের স্বর্ণ ও রৌপ্যলংকার চুরি হয়ে গেছে। ধারণা করা হচ্ছে গভীর রাতে মন্দিরের গেইট ও দরজার তালা ভেঙ্গে অলংকারগুলো নিয়ে গেছে দুর্বত্তরা।
হিন্দু ব্যবসায়ীর লাশ নিয়ে বিক্ষোভ
শুক্রবার, ১৩ নভেম্বর ২০১৫
বাংলামেইল২৪ডটকম
পাবনা: জুয়া খেলা ও মদ খাওয়া বন্ধের প্রতিবাদ করায় পাবনায় প্রতিপক্ষের ছুরিকাঘাতে নিহত ব্যবসায়ী শুধাংশু বসাকের (৫০) লাশ নিয়ে বিক্ষোভ করেছে হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজন।
শুক্রবার বেলা সাড়ে ১০টার দিকে পাবনা সদর হাসপাতালে ময়নাতদন্ত শেষে স্বজন ও হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজন লাশ নিয়ে বিক্ষোভ মিছিল বের করে।
মিছিলটি শহরের প্রধান সড়ক আব্দুল হামিদ রোড হয়ে দোয়েল চত্বরে গিয়ে সমাবেশে মিলিত হয়। সেখানে শুধাংশু বসাকের হত্যাকারীদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে বক্তব্য দেন স্বজনসহ হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতারা।
পাবনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল হাসান জানান, নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে দুপুর সোয়া ১২টা পর্যন্ত কোনো মামলা দায়ের করা হয়নি।
নিহত শুধাংশুর পরিবারের বরাত দিয়ে ওসি হাসান জানান, দুপুর ২টার দিকে পাবনা কেন্দ্রীয় মহাশ্মশানে শুধাংশু বসাকের শেষকৃত্য সম্পন্ন করা হয়েছে। নিহতের স্বজনরা রাতে মামলা করবেন বলে জানিয়েছেন। হত্যার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
উল্লেখ্য, জুয়া খেলা ও মদ খাওয়া বন্ধের প্রতিবাদ করায় বৃহস্পতিবার বিকেলে শহরের পৌর এলাকার রথঘর মহল্লায় স্থানীয় প্রভাবশালী শহীদ ও মঞ্জিলের নেতৃত্বে শুধাংশু বসাকের বাড়িতে গিয়ে হামলা চালানো হয়। এ সময় ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাথাড়ি কুপিয়ে হত্যার পর তারা ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।
কয়েকদিন আগে, শহরের পৌর এলাকার টাউন হল পাড়ায় হিন্দু ব্যবসায়ী অনুপ আগরওয়ালাকে দুর্বৃত্তরা কুপিয়ে হত্যা করে। এক সপ্তাহের ব্যবধানে শহরে দুই হিন্দু ব্যবসায়ীকে একইভাবে কুপিয়ে হত্যার পর হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে।
নীলফামারীতে তরুণী গণধর্ষণের শিকার, মামলা
১২ নভেম্বর, ২০১৫ ইং
নীলফামারী সদর উপজেলায় এক তরুণী গণধর্ষণের শিকার হয়েছেন। এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার দুপুরে ওই তরুনী বাদী হয়ে মামলা করেছেন। হিন্দু ধর্মালম্বী এই তরুণী জলঢাকা উপজেলার শিমুলবাড়ি গ্রামের বাসিন্দা।
জানা গেছে, জেলা সদর উপজেলার উত্তরা ইপিজেডের ভ্যানচুরা ব্যাগ তৈরির শিল্প প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ওই তরুণী একই উপজেলার সোনারায় বাবুরহাট এলাকায় একটি ভাড়া ঘরে থাকতেন। বুধবার রাত নয়টার দিকে কারখানার অতিরিক্ত কাজ শেষে ওই তরুণী পাশের কারখানায় কর্মরত মিলনের সঙ্গে ঘরে ফিরছিলেন। তারা এলাকার বাবুরহাট পৌঁছালে তিনজন বখাটে তাদের পথরোধ করে। এ সময় মিলনকে কিলঘুষি ও ভয়ভীতি দেখিয়ে তাড়িয়ে দেয় ওই তিন বখাটে। এরপর ওই তরুণীকে জোরপূর্বক একটি লিচুবাগানে নিয়ে গিয়ে ওই তিন যুবক গণধর্ষণের পর পালিয়ে যায়। তার চিৎকারে পথচারী দুই ব্যক্তি তাকে উদ্ধার করে এলাকাবাসীর সহায়তায় সদর আধুনিক হাসপাতালে ভর্তি করায়। খবর পেয়ে রাতেই থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা নীলফামারী থানার এসআই জাহাঙ্গীর আলম জানান, আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে।




No comments:
Post a Comment