Religious Minority Community in Bangladesh;JANUARY 2015
1.

ANJALI DEVI HINDU TEACHER WAS BRUTALLY MURDERED IN BANGLADESH
2.
বিনা নোটিশে অর্ধশতাধিক সংখ্যালঘু পরিবার উচ্ছেদ : ঘরে ঘরে কান্নার রোল -

শহিদুল ইসলাম উখিয়া : কোন ধরণের পূর্ব নোটিশ ছাড়াই উচ্ছেদের নামে তান্ডব চালিয়ে অর্ধশতাধিক পরিবারের সর্বস্ব তছনছ করে দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। এসময় সংখ্যালঘুদের দীর্ঘদিনের ঘর-বাড়ী ও বসতী এমনকি গবাদী পশুর খড়ের স্তুপ, গোয়ালঘর পর্যন্ত উচ্ছেদকারীদের কবল থেকে রক্ষা পায়নি। উচ্ছেদ অভিযান চলাকালে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের শত শত নারী-পুরুষ কান্নায় ভেঙ্গে পড়ে বিলাপ করতে থাকে। স্থানীয় জনৈক মেম্বারের স্বার্থ রক্ষার্থে গতকাল শনিবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত চলা এ উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেন বান্দরবান জেলার নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশ। এ উচ্ছেদ অভিযানে কনকনে এ শীতের দিনে নারী ও শিশুসহ প্রায় ৩ শতাধিক লোক খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবন যাপন করছে। গতকাল শনিবার উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনাকারী নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিষ্টেট আবু শাফায়েত মোহাম্মদ সাদেকুল ইসলাম বলেন, বান্দরবান জেলা ও দায়রা জজ আদালতের নির্দেশে সরকারী জমি থেকে জবর দখলকারীদেরকে উচ্ছেদ করা হচ্ছে। স্থানীয় সুবত বড়–য়া ২০১০ সালে কৃষি ব্যাংক অর্থ ঋণ আদালত থেকে উক্ত জবর দখলকৃত জমি সহ ২৫ একর জমি দীর্ঘ মেয়াদী লিজ নেন। কিন্তু তিনি জমিতে দখলে যেতে না পারায় আদালতে উচ্ছেদ মামলা করে। এ মামলার প্রেক্ষিতে আদালতের নির্দেশে এ উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযান চলাকালে নাইক্ষ্যংছড়ি থানার অফিসার ইনচার্জ আবুল খায়ের সহ আদালতের লোকজন ও বিপুল সংখ্যক পুলিশ আনসার উপস্থিত ছিলেন। স্থানীয় ইউপি সদস্য সুবত বড়–য়া বলেন, আদালতের নির্দেশে আমার লিজ জমি দীর্ঘদিন পর প্রশাসন কর্তৃক বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ২৬৭ নং মৌজার ঘুমধুম পাহাড়ী এলাকায় যুগ যুগ ধরে বসতী করে আসা স্থানীয় সংখ্যালঘু বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের লোকজন ক্ষোভ ও বিলাপ করে গতকাল বলেন, অন্তত সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তার ছাঁয়াদানকারী বর্তমান আওয়ামীলীগ সরকারের আমলে প্রচন্ড শীতের তীব্র যন্ত্রণায় ছোট ছোট শিশুদের নিয়ে মানবেতর জীবন কাটাতে হচ্ছে। উক্ত পাহাড়ী খাস জমিতে বসবাসকারী বিধবা কুসুম বড়–য়া, রুমা বড়–য়া, সুখী বড়–য়া, শেফালী বড়–য়া, স্বর্ণালী বড়–য়া, সন্ধ্যা বড়–য়া, রতন বড়–য়া, স্বপন বড়–য়া, আলী মিয়া, কালু বৈদ্য, আনন্দ বড়–য়াসহ অর্ধশতাধিক উচ্ছেদকৃত পরিবারের ভূমিহীন নিরীহ লোকজনের মাঝে কান্নার রোল পড়ে যায়। নারী শিশুদের বিলাপ ও আর্তচিৎকারে এলাকার বাতাস ভারী হয়ে উঠেছে। তাদের মতে স্থানীয় ঘুমধুম ইউপি সদস্য সুবত বড়–য়া ক্ষমতার প্রভাব বিস্তার করে দীর্ঘ প্রায় ৫ বছর ধরে সরকারী খাস জমি থেকে উচ্ছেদ করার ষড়যন্ত্র চালিয়ে আসছে। অবশেষে কয়েক মাস পূর্বে মেম্বার নির্বাচিত হয়ে প্রশাসনকে প্রভাবিত করে গতকাল কোন ধরণে পূর্ব নোটিশ ছাড়াই তাদের বসত বাড়ী ও সহায় সম্বল ধ্বংস করে খাস জমি থেকে উচ্ছেদ করে দখল করে নিল। স্থানীয় ক্ষতিগ্রস্থ ভূমিহীন লোকজন জানান, বসত বাড়ী ও সহায় সম্বল রক্ষার্থে স্থানীয় সংসদ সদস্য ও প্রতিমন্ত্রী বাবু বীর বাহাদুরের কাছে আবেদন করলে তিনি উচ্ছেদ করা হবে মর্মে ভূমিহীনদের যথাযথ ভাবে পুর্নবাসনের আশ্বস্থ করেছিলেন। কিন্তু র্দুভাগ্য মন্ত্রীর অজান্তে গোপনে বিনা নোটিশে স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশ হাতে নিয়ে উল্লেখিত মেম্বার সুবত বড়–য়া আমাদের সর্বস্ব কেড়ে নিয়েছে। আমরা সরকারের নিকট ভুমিহীন সংখ্যালঘু হিসেবে পুর্নবাসনের আবেদন জানাই। - See more at: http://www.coxsbazarnews.com
3.
তারা জানান, দেড়শতাধিক মূর্তি তৈরি করে রাখা হয়েছিল যার মধ্যে ৭০টি প্রতিমা ভেঙে ফেলে দুর্বৃত্তরা।
বাংলাদেশপ্রেস ডেস্ক || ড. তহিন মানিক প্রমাণ করিলো সে একজন আস্তিক পাঠা
আমি অনেক দিন আগেই ড. তুহিন মালিক সংক্রান্ত একটি লিখাতে উল্লেখ করেছিলাম '' ছাগল কিন্তু বেশীক্ষণ চুপ করে থাকতে পারেনা, একটা সময় সে ঠিকই ম্যা-ম্যা করে উঠবেই''।
আমরা সকলেই জানি পবিত্র হজ্বের পর মুসলমানদের ২য় সর্ব বৃহত জমায়েত অনুষ্ঠাত হয় এই বাংলাদেশের টঙ্গীর তুরাগ নদীর তীরে। যা বিশ্ব ইজতেমা নামেই পরিচিত। অথচ ড. তুহিন মালিক সেই বিশ্ব ইজতিমাকে ''নদীর তীরের পিকনিক'' হিসেবে আখ্যায়িত করলো ? দেশের ও বিশ্বের অনেক দেশ থেকে আগত লক্ষ লক্ষ মুসল্লিরা তুরাগ নদীর তীরে সম্পূর্ণ অরাজনৈতিক পরিচয়ে এবং সুশৃংখল ভাবে কেবল মাত্র মহান আল্লাহর ইবাদত বন্দেগির জন্যই সমবেত হয়। তিন দিন ব্যাপি এই বিশাল জমায়েতে লক্ষ লক্ষ মুসল্লিরা অস্থায়ী ভাবে নির্মিত প্যান্ডেলে ৫ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করেন এবং এর ফাঁকে ফাঁকে দেশ বিদেশের প্রখ্যাত আলেম ওলামাদের করা ধর্মিয় বয়ান শোনেন । অথচ ড. তুহিন মালিক বলছে-বিশ্ব ইজতেমা থেকে নাকি দু'পয়সারও কোন লাভ হয় না !! যেখানে তিন দিন লক্ষ লক্ষ মুসল্লি মহান আল্লার উদ্দ্যেশে একত্রে ৫ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করেন। যেখানে মহান আল্লাহ ও রাসুলের মহান বাণী প্রচার করা হয়। সেই বিশ্ব এজতেমা থেকে যদি দু'পয়সার লাভ হবেনা বলা হয়, তাহলে ভাবতে বাধ্য হবো এ যুগের অসল ফেরাউনটাকে ?
বাংলাদেশের যে দলের সরকারই ক্ষমতায় থাকে না কেন, প্রতিটি সরকারই এই আয়োজনকে সর্বাত্রক সবযোগিতা করে আসছে । দেশের রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী এবং বিরোধী দলের নেত্রী পর্যন্ত বিশ্ব ইজতেমার সমাপনি দিনের বিশেষ মোনাজাতে শরীক হন। সেখানে উপস্থিত লক্ষ লক্ষ ধর্ম প্রাণ মুসল্লিতো বটেই, টিভিতে LIVE সম্প্রচার হওয়ার ফলে এখন দেশের ও বিদেশের কোটি মুসল্লিও সেই মোনাজাতে শরীক হন। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতারা, বরেণ্য ব্যাক্তিত্বরা পর্যন্ত বিশ্ব ইজতেমার বিশেষ মোনাজাতে লক্ষ মুসল্লির সাথে এই তুরাগ নদীর তীরে শরিক হন । অথচ ড. তুহিন মালিক বলে কিনা এই বিশ্ব ইজতেমার জন্য অবরোধ স্থগিতের নাকি কোন যোক্তিকতাই নাই !! এর একটাই কারণ, তা হলো জামায়েত ইসলামি বরাবরই তবলীগ জামাতের কট্টর বিরোধী । কারণ জামায়াতে ইসলামি মৌদুদীর ইসলামে বিশ্বাসী, তাই জামায়েত ইসলামির শীর্ষ নেতারা বিশ্ব ইজতেমার মোনাজাতেও শরীক হন না।
বিশ্ব ইজতেমা সংক্রান্ত ড. তুহিন মালিকের এ ধরণের বিরুপ ও নেতীবাচক মন্তব্যই প্রমাণ করলো সে একজন আস্তিক পাঠা ।
7.পটুয়াখালীতে সংখ্যালঘু পরিবারকে বাস্তুভিটা থেকে উচ্ছেদ
1.

ANJALI DEVI HINDU TEACHER WAS BRUTALLY MURDERED IN BANGLADESH
ফিল্মি কায়দায় অঞ্জলীকে হত্যা, পথ আগলে দাঁড়ায় ৪ জন; 11 JAN 2015
বাসা থেকে বেরিয়ে পেছনে ফিরলেন অঞ্জলী দেবী। হয়তো কিছু ফেলে এসেছিলেন। কিন্তু এরই মধ্যে তার গতিরোধ করে দাঁড়ায় ওত পেতে থাকা সন্ত্রাসীরা। তারা এ সময় কয়টা বাজে বলে কথা বলার চেষ্টা করে। তাকে ঘিরে ধরে। একপর্যায়ে একজন ধারালো ছোরা দিয়ে মাথার পেছনে আঘাত করে। সঙ্গে সঙ্গে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন তিনি। এরপর মৃত্যু নিশ্চিত করতে বেশ কয়েকবার তাকে রামদা দিয়ে আঘাত করা হয়। এ সময় এক পথচারী আল্লাগো বলে চিৎকার দিলে দ্রুত হাঁটতে থাকে খুনিরা। তারপর সিগারেট ধরিয়ে সবার সামনে দিয়ে আড়াল হয়ে যায়।
চট্টগ্রামে সরকারি নার্সিং কলেজের সিনিয়র শিক্ষিকা অঞ্জলী দেবী (৫০)-কে এভাবেই ফিল্মি কায়দায় হত্যা করেছে সন্ত্রাসীরা। এ ঘটনায় চট্টগ্রাম শহরজুড়ে সৃষ্টি হয় ব্যাপক চাঞ্চল্য। তোলপাড় চলছে পুলিশ বিভাগেও। ঘটনার ১০ ঘণ্টা পেরিয়ে যাওয়ার পরও কোন খুনিকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ।
চট্টগ্রামে সরকারি নার্সিং কলেজের সিনিয়র শিক্ষিকা অঞ্জলী দেবী (৫০)-কে এভাবেই ফিল্মি কায়দায় হত্যা করেছে সন্ত্রাসীরা। এ ঘটনায় চট্টগ্রাম শহরজুড়ে সৃষ্টি হয় ব্যাপক চাঞ্চল্য। তোলপাড় চলছে পুলিশ বিভাগেও। ঘটনার ১০ ঘণ্টা পেরিয়ে যাওয়ার পরও কোন খুনিকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ।
কি কারণে তাকে হত্যা করা হয়েছে সে ব্যাপারে পারিবারিকভাবে কিছু জানা না গেলেও পুলিশ তার কর্মস্থলে অস্থিরতার ক্লু ধরে অনুসন্ধান করছে। একই সঙ্গে ভুল টার্গেটে তাকে হত্যা করা হতে পারে বলেও ধারণা তাদের। তবে যারা খুন করেছে তারা সবাই পেশাদার খুনি ও ছিনতাইয়ের সঙ্গে জড়িত বলে অনেকটা নিশ্চিত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। কেননা আঘাতের আলামত দেখে তাই মনে করছে পুলিশ বিভাগ।
নিহত অঞ্জলী দেবীর স্বামীর নাম ডা. রাজেন্দ্র লাল চৌধুরী। তিনিও পেশায় একজন শিক্ষক। তার দুই মেয়েও সরকারি মেডিক্যাল কলেজে পড়াশোনা করছেন। শহরের পাঁচলাইশ এলাকার তেলোপট্টির মোড় এলাকায় ১০ মাস হলো তিনি বাসাভাড়া নিয়েছিলেন। ওই এলাকার সাধন বণিকের বাড়ির দ্বিতীয় তলায় থাকতেন অঞ্জলী। তার গ্রামের বাড়ি গাইবান্ধায়।
নিহত অঞ্জলী দেবীর স্বামীর নাম ডা. রাজেন্দ্র লাল চৌধুরী। তিনিও পেশায় একজন শিক্ষক। তার দুই মেয়েও সরকারি মেডিক্যাল কলেজে পড়াশোনা করছেন। শহরের পাঁচলাইশ এলাকার তেলোপট্টির মোড় এলাকায় ১০ মাস হলো তিনি বাসাভাড়া নিয়েছিলেন। ওই এলাকার সাধন বণিকের বাড়ির দ্বিতীয় তলায় থাকতেন অঞ্জলী। তার গ্রামের বাড়ি গাইবান্ধায়।
হত্যাকাণ্ডের পর গতকাল দুপুর ২টায় চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে গিয়ে দেখা যায় সেখানে চলছে শোকের মাতম। তার কলেজের শ’ শ’ শিক্ষার্থী কান্নায় ভেঙে পড়ছেন। মায়ের জন্য মেয়েদের চিৎকার আশপাশের পরিবেশ ভারি করে তুলছিল। স্বামী রাজেন্দ্র লাল চৌধুরী শোকে নির্বাক হয়ে পড়েছেন। বারবারই তিনি বলছিলেন, আমাদের কোন শত্রু ছিল না। ওরা ভুল মানুষকে হত্যা করলো।
ঘটনার বিবরণ দিয়ে প্রত্যক্ষদর্শী, পারিবারিক লোকজন ও মেডিক্যাল পুলিশ জানায়, গতকাল সকাল সাড়ে ৮টায় তেলোপট্টির সেই নিজের বাসা থেকে বের হয়ে কর্মস্থল নার্সিং কলেজের দিকে যাচ্ছিলেন অঞ্জলী দেবী। এ সময় বাসার ঠিক ৩০-৪০ গজ দূরে যেতেই তিনি পেছনে ফেরেন। তার গতিরোধ করে ৪ সন্ত্রাসী দাঁড়ালে তিনি তাদের সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন।
এ সময় তাদের একজন কয়টা বাজে বলে অঞ্জলীর সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করে। ৩০ সেকেন্ড দাঁড়ানোর পরই খুনিরা ফাঁকা রাস্তায় তাকে একা পেয়ে এলোপাতাড়ি কোপাতে থাকে। প্রথমে তার মাথায় আঘাত করা হয়। এরপর ৩টি কোপ দেয়া হয় পিঠে ও ঘাড়ে।
এ সময় তাদের একজন কয়টা বাজে বলে অঞ্জলীর সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করে। ৩০ সেকেন্ড দাঁড়ানোর পরই খুনিরা ফাঁকা রাস্তায় তাকে একা পেয়ে এলোপাতাড়ি কোপাতে থাকে। প্রথমে তার মাথায় আঘাত করা হয়। এরপর ৩টি কোপ দেয়া হয় পিঠে ও ঘাড়ে।
আশপাশের লোকজন এ ঘটনা দেখে এগিয়ে আসার চেষ্টা করেন। কিন্তু সন্ত্রাসীদের হাতে অস্ত্র থাকায় তারা সাহস করেননি। এক ব্যক্তি দূর থেকে পাথর ছুড়লে সন্ত্রাসীরা দ্রুত হেঁটে পালিয়ে যায়। রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
এরপর সেখানে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হলে সাড়ে ১১টায় তার মৃত্যু হয়। ঘটনার সময় অঞ্জলী দেবীর স্বামী রাজেন্দ্র লাল বাথরুমে ছিলেন। তিনি জানান, বাড়ির দারোয়ান রণজিত তাকে প্রথমে হত্যার কথা জানান। এরপর দ্রুত তাকে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়।
স্ত্রী হত্যার বিষয়ে জানতে চাইলে ডা. রাজেন্দ্র লাল চৌধুরী মানবজমিনকে বলেন, আমি ফতেয়াবাদ এলাকায় প্রাইভেট ডাক্তারি করি। আমার স্ত্রী ২৩ বছর ধরে নার্সিং কলেজের শিক্ষক। কোন দিন কারও সঙ্গে দুই কথা হয়নি। কিন্তু কেন তাকে এভাবে নৃশংসভাবে হত্যা করা হলো তা জানি না। আমরা যে মামলা করবো তার কোন কারণও খুঁজে পাচ্ছি না। সন্ত্রাসীরা আসলেই কি অঞ্জলী দেবীকে মারতে এসেছিল! আমি এ খুনের বিচার চাই।
অঞ্জলী দেবীর দুই মেয়ে। বড় মেয়ে অর্পিতা চৌধুরী। চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে শিক্ষানবিশ চিকিৎসক হিসেবে কাজ করছেন। গতকাল ঘটনার পরপরই তার সঙ্গে কথা হলে তিনি বলেন, আমার মায়ের সঙ্গে কোন বিরোধ নেই কারোর। তিনি কলেজে কেমন শিক্ষক ছিলেন তা তার সহকর্মীরা ভাল বলতে পারবেন। কিছুদিন আগে তার কলেজে অধ্যক্ষের অপসারণ নিয়ে আন্দোলন হয়েছিল। কিন্তু আমার মা সেসব ঝামেলার বাইরে ছিলেন।
এরপর সেখানে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হলে সাড়ে ১১টায় তার মৃত্যু হয়। ঘটনার সময় অঞ্জলী দেবীর স্বামী রাজেন্দ্র লাল বাথরুমে ছিলেন। তিনি জানান, বাড়ির দারোয়ান রণজিত তাকে প্রথমে হত্যার কথা জানান। এরপর দ্রুত তাকে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়।
স্ত্রী হত্যার বিষয়ে জানতে চাইলে ডা. রাজেন্দ্র লাল চৌধুরী মানবজমিনকে বলেন, আমি ফতেয়াবাদ এলাকায় প্রাইভেট ডাক্তারি করি। আমার স্ত্রী ২৩ বছর ধরে নার্সিং কলেজের শিক্ষক। কোন দিন কারও সঙ্গে দুই কথা হয়নি। কিন্তু কেন তাকে এভাবে নৃশংসভাবে হত্যা করা হলো তা জানি না। আমরা যে মামলা করবো তার কোন কারণও খুঁজে পাচ্ছি না। সন্ত্রাসীরা আসলেই কি অঞ্জলী দেবীকে মারতে এসেছিল! আমি এ খুনের বিচার চাই।
অঞ্জলী দেবীর দুই মেয়ে। বড় মেয়ে অর্পিতা চৌধুরী। চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে শিক্ষানবিশ চিকিৎসক হিসেবে কাজ করছেন। গতকাল ঘটনার পরপরই তার সঙ্গে কথা হলে তিনি বলেন, আমার মায়ের সঙ্গে কোন বিরোধ নেই কারোর। তিনি কলেজে কেমন শিক্ষক ছিলেন তা তার সহকর্মীরা ভাল বলতে পারবেন। কিছুদিন আগে তার কলেজে অধ্যক্ষের অপসারণ নিয়ে আন্দোলন হয়েছিল। কিন্তু আমার মা সেসব ঝামেলার বাইরে ছিলেন।
একই রকম অভিমত ব্যক্ত করে ছোট মেয়ে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের শিক্ষার্থী সঙ্গীতা চৌধুরী বলেন, খবরটি শুনে মনে হলো কোন পৈশাচিক ঘটনার খবর শুনলাম। আমার মাকে এভাবে খুন করবে কে? যারা হত্যা করেছে তাদের উদ্দেশ্য কি ছিল।
চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গের সামনে খুনের ঘটনার বিচার চেয়ে আন্দোলন করছিলেন নার্সিং কলেজের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা। এ সময় তারা খুনিদের গ্রেপ্তার করার দাবি জানান। কলেজের তৃতীয় বর্ষের ছাত্রী রায়হান জান্নাত বলেন, ম্যাডামকে কেউ খুন করতে পারে তা বিশ্বাস করতে পারছি না। তাকে যেভাবে মারা হলো তা বীভৎস। চেহারা রক্তে ভেসে গেছে। মাথা প্রায় বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। এভাবে কেউ কাউকে মারতে পারে? অথচ তিনি ছিলেন আমাদের সবার প্রিয় শিক্ষক।
নার্সিং কলেজের বর্তমান অধ্যক্ষ মিনারা খানম বলেন, কলেজে তার সঙ্গে কোন দিন বিরোধ তৈরি হয়নি কারোর। তিনি ছিলেন চুপচাপ। আমরা তার ঘটনার বিচার চাচ্ছি। এ ঘটনায় সবার মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে।
নগর পুলিশ জানায়, পাঁচলাইশ থানায় এ ব্যাপারে একটি হত্যা মামলা করা হয়েছে। যেখানে মারা হয়েছে সেখানকার খুনিদের তালিকা বের করে চিহ্নিত করার কাজ চলছে। কারণ যারা খুন করেছে তারা এর আগেও অনেক হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে। নিশ্চয় কেউ ভাড়া করা খুনি দিয়ে এ ঘটনা ঘটিয়েছে।
কিছুদিন আগে নার্সিং কলেজের অধ্যক্ষ অপসারণ নিয়ে আন্দোলন হয়েছিল। সেখানে তার ভূমিকার বিষয়টি জানার চেষ্টা করছি। তা ছাড়া তার স্বামী রাজেন্দ্র লাল চৌধুরীর আরও একটি সংসার রয়েছে। সেখানকার কারোর সঙ্গে বিরোধ ছিল কিনা তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। একজনকে মারতে এসে আরেকজনকে মারার বিষয়টিও উড়িয়ে দেয়া হচ্ছে না।
এ বিষয়ে নগর পুলিশের পাঁচলাইশ জোনের সহকারী কমিশনার দীপকজ্যোতি খিসা বলেন, ঘটনাটি নৃশংস। খুনের আলামত দেখে বোঝা যাচ্ছে পূর্বপরিকল্পিত। এ ঘটনায় পরিবারের প্রত্যেক সদস্যকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। ঘটনাটি বেশ রহস্যজনক। রাতেই অভিযানে নামবে পুলিশ।
বিনা নোটিশে অর্ধশতাধিক সংখ্যালঘু পরিবার উচ্ছেদ : ঘরে ঘরে কান্নার রোল -

শহিদুল ইসলাম উখিয়া : কোন ধরণের পূর্ব নোটিশ ছাড়াই উচ্ছেদের নামে তান্ডব চালিয়ে অর্ধশতাধিক পরিবারের সর্বস্ব তছনছ করে দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। এসময় সংখ্যালঘুদের দীর্ঘদিনের ঘর-বাড়ী ও বসতী এমনকি গবাদী পশুর খড়ের স্তুপ, গোয়ালঘর পর্যন্ত উচ্ছেদকারীদের কবল থেকে রক্ষা পায়নি। উচ্ছেদ অভিযান চলাকালে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের শত শত নারী-পুরুষ কান্নায় ভেঙ্গে পড়ে বিলাপ করতে থাকে। স্থানীয় জনৈক মেম্বারের স্বার্থ রক্ষার্থে গতকাল শনিবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত চলা এ উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেন বান্দরবান জেলার নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশ। এ উচ্ছেদ অভিযানে কনকনে এ শীতের দিনে নারী ও শিশুসহ প্রায় ৩ শতাধিক লোক খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবন যাপন করছে। গতকাল শনিবার উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনাকারী নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিষ্টেট আবু শাফায়েত মোহাম্মদ সাদেকুল ইসলাম বলেন, বান্দরবান জেলা ও দায়রা জজ আদালতের নির্দেশে সরকারী জমি থেকে জবর দখলকারীদেরকে উচ্ছেদ করা হচ্ছে। স্থানীয় সুবত বড়–য়া ২০১০ সালে কৃষি ব্যাংক অর্থ ঋণ আদালত থেকে উক্ত জবর দখলকৃত জমি সহ ২৫ একর জমি দীর্ঘ মেয়াদী লিজ নেন। কিন্তু তিনি জমিতে দখলে যেতে না পারায় আদালতে উচ্ছেদ মামলা করে। এ মামলার প্রেক্ষিতে আদালতের নির্দেশে এ উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযান চলাকালে নাইক্ষ্যংছড়ি থানার অফিসার ইনচার্জ আবুল খায়ের সহ আদালতের লোকজন ও বিপুল সংখ্যক পুলিশ আনসার উপস্থিত ছিলেন। স্থানীয় ইউপি সদস্য সুবত বড়–য়া বলেন, আদালতের নির্দেশে আমার লিজ জমি দীর্ঘদিন পর প্রশাসন কর্তৃক বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ২৬৭ নং মৌজার ঘুমধুম পাহাড়ী এলাকায় যুগ যুগ ধরে বসতী করে আসা স্থানীয় সংখ্যালঘু বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের লোকজন ক্ষোভ ও বিলাপ করে গতকাল বলেন, অন্তত সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তার ছাঁয়াদানকারী বর্তমান আওয়ামীলীগ সরকারের আমলে প্রচন্ড শীতের তীব্র যন্ত্রণায় ছোট ছোট শিশুদের নিয়ে মানবেতর জীবন কাটাতে হচ্ছে। উক্ত পাহাড়ী খাস জমিতে বসবাসকারী বিধবা কুসুম বড়–য়া, রুমা বড়–য়া, সুখী বড়–য়া, শেফালী বড়–য়া, স্বর্ণালী বড়–য়া, সন্ধ্যা বড়–য়া, রতন বড়–য়া, স্বপন বড়–য়া, আলী মিয়া, কালু বৈদ্য, আনন্দ বড়–য়াসহ অর্ধশতাধিক উচ্ছেদকৃত পরিবারের ভূমিহীন নিরীহ লোকজনের মাঝে কান্নার রোল পড়ে যায়। নারী শিশুদের বিলাপ ও আর্তচিৎকারে এলাকার বাতাস ভারী হয়ে উঠেছে। তাদের মতে স্থানীয় ঘুমধুম ইউপি সদস্য সুবত বড়–য়া ক্ষমতার প্রভাব বিস্তার করে দীর্ঘ প্রায় ৫ বছর ধরে সরকারী খাস জমি থেকে উচ্ছেদ করার ষড়যন্ত্র চালিয়ে আসছে। অবশেষে কয়েক মাস পূর্বে মেম্বার নির্বাচিত হয়ে প্রশাসনকে প্রভাবিত করে গতকাল কোন ধরণে পূর্ব নোটিশ ছাড়াই তাদের বসত বাড়ী ও সহায় সম্বল ধ্বংস করে খাস জমি থেকে উচ্ছেদ করে দখল করে নিল। স্থানীয় ক্ষতিগ্রস্থ ভূমিহীন লোকজন জানান, বসত বাড়ী ও সহায় সম্বল রক্ষার্থে স্থানীয় সংসদ সদস্য ও প্রতিমন্ত্রী বাবু বীর বাহাদুরের কাছে আবেদন করলে তিনি উচ্ছেদ করা হবে মর্মে ভূমিহীনদের যথাযথ ভাবে পুর্নবাসনের আশ্বস্থ করেছিলেন। কিন্তু র্দুভাগ্য মন্ত্রীর অজান্তে গোপনে বিনা নোটিশে স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশ হাতে নিয়ে উল্লেখিত মেম্বার সুবত বড়–য়া আমাদের সর্বস্ব কেড়ে নিয়েছে। আমরা সরকারের নিকট ভুমিহীন সংখ্যালঘু হিসেবে পুর্নবাসনের আবেদন জানাই। - See more at: http://www.coxsbazarnews.com
3.
ঝিনাইদহে অবসরপ্রাপ্ত স্কুল শিক্ষকের জমি আওয়ামীলীগ নেতার দখলে

জানুয়ারী ১১, ২০১৫
মাহমুদুল ইসলাম মিলন, ঝিনাইদহ থেকে:
ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে এক অবসরপ্রাপ্ত স্কুল শিক্ষকের ৬ বিঘা জমি জোর করে দখল করে নিয়েছেন স্থানীয় আওয়ামীলীগের নেতা শফিয়ার রহমান। উপজেলার পিরোজপুর গ্রামের মাঠে দখল করা ওই জমিতে দখলকারি মশুড়ি চাষ করেছেন। জমির মালিক সংখ্যালঘু স¤প্রদায়ের রনজিৎ তরফদার নামের স্কুল শিক্ষক জমিতে যেতে পারছেন না বলে অভিযোগ করেছেন।
কালীগঞ্জ উপজেলার বারোবাজার ইউনিয়নের পিরোজপুর গ্রামের মৃত যতিন্দ্রনাথ তরফদারের পুত্র রনজিৎ তরফদার। যিনি রঘুনাথপুর রোস্তম আলী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ইংরেজির শিক্ষক ছিলেন। ইতোমধ্যে তিনি অবসরে গেছেন। পিরোজপুর গ্রামের মাঠে তার বেশ কিছু জমি রয়েছে। তার মধ্যে পিরোজপুর বটতলা থেকে গ্রামে প্রবেশদ্বারেই রয়েছে একই স্থানে ৬ বিঘা জমি। যার মধ্যে তিন বিঘা নিজে শ্রমিক দিয়ে চাষাবাদ করতেন, আর বাকি তিন বিঘা বর্গা দিতেন। পিরোজপুর গ্রামের শরিফুল ইসলাম ছিলেন বর্গা চাষি। মালিক রনজিৎ তরফদার জানান, এই জমির মধ্যে যে তিন বিঘা বর্গা দিতেন সেখান থেকে তিনি বছরে ৩০ হাজার টাকা পেতেন। বাকি তিন বিঘা নিজে চাষ করতেন।
সরেজমিনে পিরোজপুর গ্রামের মাঠে গিয়ে দেখা যায় ওই ৬ বিঘা জমিই এক ব্যক্তি চাষ করেছেন। সেখানে মশুড়ি বোনা হয়েছে। স্কুল শিক্ষক রনজিৎ তরফদার জানান, এক মাস হলো পিরোজপুর গ্রামের বাসিন্দা, বারোবাজার ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের কার্যকরি সদস্য শফিয়ার রহমান জোর করে তার জমি চাষ করেন। তিনি চাষ করার কারন জানতে চাইলে ফসল উঠার পর কিছু টাকা দেবেন বলে জানান। জমির মালিক এভাবে জমি দখল করা ঠিক হচ্ছে না বলে জানালে শফিয়ার রহমান বলেন জমিটা বিএনপি কর্মীদের দিয়ে খাওয়াচ্ছেন। এখন আমাদের দল ক্ষমতায় রয়েছেন। ফলে জমি আমাদের দখলে থাকবে। শিক্ষক রনজিৎ তরফদার বলেন, তার জমি তিনি নিজে কিছু অংশ চাষ করেন। বাকিটা কাকে বর্গ দেবেন সেটা তিনিই ঠিক করবেন। কিন্তু শফিয়ার রহমান সম্পূর্ণটা দখল করে নিয়েছেন। দখলের বিষয়টি সবাইকে জানানোর পর শফিয়ার রহমান বলছেন তিনি মৌসুম শেষে কিছু টাকা দেবেন। কিন্তু তার আশংকা এটা প্রতিবেশীদের বোঝানোর জন্য বলা হচ্ছে। আসলে তাকে কোনো পয়সা দেওয়া হবে না। জোর করেই চাষ করে খাবেন। তিনি তার ৬ বিঘা জমিই ফেরত দেবার দাবি করেছেন।
এ ব্যাপরে শফিয়ার রহমানের সাথে আলাপ করলে তিনি বলেন, জমিটি তার বাড়ির পাশে। কিন্তু রনজিৎ তরফদার দূরের এক বিএনপি কর্মীকে বর্গা দেন। তিনি নিজে বর্গা নিতে চেয়েছিলেন। কিন্তু জমির মালিক দিতে চাননি। যে কারনে তিনি চাষ করেছেন। তিনি বলেন মৌসুম শেষে জমির মালিককে টাকা দিয়ে দেবেন।এ ব্যাপারে কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মানোয়ার হোসেন মোল্লা জানান, বিষয়টি তাকে কেউ অবহিত করেননি। তবে থানায় অভিযোগ দিলে ভালো হয়। তারপরও তিনি বিষয়টির খোঁজ নেবেন বলে জানান।
কালীগঞ্জ উপজেলার বারোবাজার ইউনিয়নের পিরোজপুর গ্রামের মৃত যতিন্দ্রনাথ তরফদারের পুত্র রনজিৎ তরফদার। যিনি রঘুনাথপুর রোস্তম আলী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ইংরেজির শিক্ষক ছিলেন। ইতোমধ্যে তিনি অবসরে গেছেন। পিরোজপুর গ্রামের মাঠে তার বেশ কিছু জমি রয়েছে। তার মধ্যে পিরোজপুর বটতলা থেকে গ্রামে প্রবেশদ্বারেই রয়েছে একই স্থানে ৬ বিঘা জমি। যার মধ্যে তিন বিঘা নিজে শ্রমিক দিয়ে চাষাবাদ করতেন, আর বাকি তিন বিঘা বর্গা দিতেন। পিরোজপুর গ্রামের শরিফুল ইসলাম ছিলেন বর্গা চাষি। মালিক রনজিৎ তরফদার জানান, এই জমির মধ্যে যে তিন বিঘা বর্গা দিতেন সেখান থেকে তিনি বছরে ৩০ হাজার টাকা পেতেন। বাকি তিন বিঘা নিজে চাষ করতেন।
সরেজমিনে পিরোজপুর গ্রামের মাঠে গিয়ে দেখা যায় ওই ৬ বিঘা জমিই এক ব্যক্তি চাষ করেছেন। সেখানে মশুড়ি বোনা হয়েছে। স্কুল শিক্ষক রনজিৎ তরফদার জানান, এক মাস হলো পিরোজপুর গ্রামের বাসিন্দা, বারোবাজার ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের কার্যকরি সদস্য শফিয়ার রহমান জোর করে তার জমি চাষ করেন। তিনি চাষ করার কারন জানতে চাইলে ফসল উঠার পর কিছু টাকা দেবেন বলে জানান। জমির মালিক এভাবে জমি দখল করা ঠিক হচ্ছে না বলে জানালে শফিয়ার রহমান বলেন জমিটা বিএনপি কর্মীদের দিয়ে খাওয়াচ্ছেন। এখন আমাদের দল ক্ষমতায় রয়েছেন। ফলে জমি আমাদের দখলে থাকবে। শিক্ষক রনজিৎ তরফদার বলেন, তার জমি তিনি নিজে কিছু অংশ চাষ করেন। বাকিটা কাকে বর্গ দেবেন সেটা তিনিই ঠিক করবেন। কিন্তু শফিয়ার রহমান সম্পূর্ণটা দখল করে নিয়েছেন। দখলের বিষয়টি সবাইকে জানানোর পর শফিয়ার রহমান বলছেন তিনি মৌসুম শেষে কিছু টাকা দেবেন। কিন্তু তার আশংকা এটা প্রতিবেশীদের বোঝানোর জন্য বলা হচ্ছে। আসলে তাকে কোনো পয়সা দেওয়া হবে না। জোর করেই চাষ করে খাবেন। তিনি তার ৬ বিঘা জমিই ফেরত দেবার দাবি করেছেন।
এ ব্যাপরে শফিয়ার রহমানের সাথে আলাপ করলে তিনি বলেন, জমিটি তার বাড়ির পাশে। কিন্তু রনজিৎ তরফদার দূরের এক বিএনপি কর্মীকে বর্গা দেন। তিনি নিজে বর্গা নিতে চেয়েছিলেন। কিন্তু জমির মালিক দিতে চাননি। যে কারনে তিনি চাষ করেছেন। তিনি বলেন মৌসুম শেষে জমির মালিককে টাকা দিয়ে দেবেন।এ ব্যাপারে কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মানোয়ার হোসেন মোল্লা জানান, বিষয়টি তাকে কেউ অবহিত করেননি। তবে থানায় অভিযোগ দিলে ভালো হয়। তারপরও তিনি বিষয়টির খোঁজ নেবেন বলে জানান।
4.
ফরিদপুরে ৭০ প্রতিমা ভাঙচুর
ফরিদপুর প্রতিনিধি,ঢাকাটাইমস
- See more at: http://www.dhakatimes24.com/2015/01/13
ফরিদপুর:
জেলার সদর উপজেলায় ৭০টি সরস্বতী প্রতিমা ভেঙে ফেলেছে দুর্বৃত্তরা।
সোমবার গভীর রাতে এ ঘটনা ঘটে।স্থানীয়রা জানায়, উপজেলার পালপাড়ার সুকুমার চন্দ্র পাল ও তার ভাই প্রদীপ চন্দ্র পাল ২৫ জানুয়ারি অনুষ্ঠেয় সরস্বতী পূজা উপলক্ষে জেলার বিভিন্ন মন্দিরে সরবরাহের জন্য এসব প্রতিমা তৈরি করা হয়েছিল। মঙ্গলবার সকালে বাড়ির লোকজন প্রতিমাগুলো ভাঙা দেখতে পায়।খবর পেয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বিজয় বসাক, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান খন্দকার মোহতেশাম হোসেন বাবর, ইউএনও জহিরুল হক ও থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সৈয়দ মোহসিনুল হকসহ ঊর্দ্ধতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।


কারিগর সুকুমার চন্দ্র পাল ও প্রদীপ চন্দ্র পাল জানান, স্থানীয় কারো সাথে বিরোধ নেই। অনেক দিন ধরে ওখানেই প্রতিমা তৈরির কাজ করে আসছিল তারা।
সদর উপজেলা চেয়ারম্যান খন্দকার মোহতেশাম হোসেন বাবর বলেন, অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরির জন্য এ ঘটনা ঘটানো হয়েছে।অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বিজয় বসাক বলেন, যারা এ কাজ করেছে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
5.
এস দিলীপ রায়, বাংলাদেশপ্রেস,লালমনিরহাট || লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার বাউড়া ইউনিয়নের শফিরহাট এলাকায় এখনো কান্না থামেনি জামায়াত- বিএনপি সমর্তকদরে হামলার শিকার একটি হিন্দু পরিবারের লোকজনের। পুলিশ মামলার চার্জশিট দিলেও আতংক আর ভয় নিয়ে কাটছে ওই পরিবারটি লোকজনের। আইন ও শালিস কেন্দ্রের সার্বিক সহযোগিতায় পরিবারটি উঠে দাড়ানোর চেষ্টা করলেও হুমকী তাদের জন্য এক নিয়মিত ঘটনা হয়ে দাড়িয়েছে।
ওই পরিবারটির দায়ের করা বাঁশ কাটা মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পাটগ্রাম থানার এসআই নজরুল ইসলাম ৬ জামায়াত-বিএনপি সমর্থকের নামে চার্জশিট তাখিল করেছেন রবিবার।
”আমরা আদালতে চার্জশিট দাখিল করেছি এখন আদালত’র নির্দেশে আমরা পরবর্তী পদক্ষেপ নিবো,” এসআই নজরুল ইসলাম জানান।
পুলিশ জানিয়েছে, স্থানীয় জামায়াত নেতা আবুল হোসেনের নেতৃত্বে একদল জামায়াত-বিএনপি সমর্থকরা গতবছর ১৩ জুলাই সকালে ওই হিন্দু পরিবারটির জমি বেদখল করতে যায়। এসময় পরিবারের লোকজন বাধা দিলে তারা হিন্দু পরিবারটির চার সদস্যকে পিটিয়ে রক্তাক্ত জখম করে এবং তাদের বাড়ীতে আগুন ধরিয়ে দেয়। আহতদের প্রথমে পাটগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং পরে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ওই জামাায়াত নেতার প্রভাব রংপুর পর্যন্ত থাকায় আহত হিন্দু পরিবারের লোকজনকে চিকিৎসার আগেই রংপুর মেডিকেল কলেজ থেকে বের করে দেয়। খবর পেয়ে ১৮ জুলাই আইন ও শালিস কেন্দ্র থেকে একটি টিম ঘটনাস্থলে এসে ওই হিন্দু পরিবারটির গুরুতর আহত বৃদ্ধা পুষ্প রানী সেন, তার ছলে শ্যামল চন্দ্র সেনকে ঢাকায় নিয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি করিয়ে চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করেন। বেশ কয়েকটি চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ্য হয়ে বাড়ীতে ফেরেন তারা।
হিন্দু পরিবারটি জমি বেদখল, বাড়ীতে অগ্নি সংযোগ ও রক্তাক্ত আহত করার ঘটনায় মামলাটির চার্জশিট দিয়েছে পুলিশ আর সেটি আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। এ মামলায় কয়েকজনের বিরুদ্ধে ওয়ারেন্টও রয়েছে এবং পুলিশ তাদের গ্রেফতার অভিযান চালাচ্ছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
পুলিশের এসআই নজরুল ইসলাম জানান, প্রথম দফার হামলার পরও ওই চক্রটি থামেনি। চক্রটি পুনরায় গতবছর ২৮ সেপ্টেম্বও দিন জোড়পুর্বক ওই হিন্দু পরিবারটির বাঁশঝাড়ে এসে বিপুল পরিমানে বাঁশ কেটে নিয়ে যায়। হিন্দু পরিবারটি থানায় ৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা করলে পুলিশ সুষ্ঠ্য তদন্ত স্বাপেক্ষে চার্জশিট তৈরী করে। এর মধ্যে ওই জামায়াত নেতা আবুল হোসেন আদালতের আশ্রয় নিয়ে হিন্দু পরিবারটির বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করলে পুলিশ তদন্তে এর কোন সত্যতা পায়নি তাই মামলাটিকে মিথ্যা ঘোষনা দিঢে পুলিশ চুড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করেছে।
ওই হিন্দু পরিবারটি গৃহবধু দিপালী রানী সেন জানান, তারা ভয়ে ভয়ে দিন কাটাচ্ছেন। হামলাকারীরা প্রভাবশালী এবং েেযকোন সময় বড় ধরনের কুচক্রান্তে তাদের ফাসাতে পারে এমনকি হামলাও করতে পারে।
কমল চন্দ্র সেন জানান, আইন ও শালিস কেন্দ্র সহযোগিতা না করলে তারা তাদের বৃদ্ধা মা বাঁচাতে পারতো না। আইন ও শালিস কেন্দ্রের দেয়া আইনি সহযোগিতায় তারা হামলাকারীদের বিরুদ্ধে মামলা পরিচালনা করছেন। ”জানি না জামায়াত- বিএনপি’র এ খপ্পর থেকে আমরা কবে মুক্তি পাবো। ভয় আর আতংক নিয়ে জীবন চলা অমানবিক হয়ে উঠেছে,” এমনটি জানালেন কমল চন্দ্র সেন।
শেষ সম্বল বসতভিটা, একটি বাঁশ ঝাড় আর একটুকরো আবাদি জমি নিয়ে এই হিন্দু পরিবারটি বেঁচে আছে। সেটির উপর জামায়াত নেতার অবৈধ লোভ পরিবারটিকে ক্লান্ত শ্রান্ত করে তুলেছে। আইনি লড়াই কবে শেষ হবে আর তারা পুর্ন অধিকার নিয়ে নিজেদের সম্পদ ভোগ করবেন এটাই এখন সময়ের ব্যাপার হয়ে দাড়িয়েছে।
5.
সোমবার ১২ জানুয়ারি ২০১৫
জামায়াত-বিএনপি সমর্থকদরে হামলা
পুলিশ চার্জ দিলেও কান্না থামেনি লালমনিরহাটের এক হিন্দু পরিবারের || এস দিলীপ রায়
এস দিলীপ রায়, বাংলাদেশপ্রেস,লালমনিরহাট || লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার বাউড়া ইউনিয়নের শফিরহাট এলাকায় এখনো কান্না থামেনি জামায়াত- বিএনপি সমর্তকদরে হামলার শিকার একটি হিন্দু পরিবারের লোকজনের। পুলিশ মামলার চার্জশিট দিলেও আতংক আর ভয় নিয়ে কাটছে ওই পরিবারটি লোকজনের। আইন ও শালিস কেন্দ্রের সার্বিক সহযোগিতায় পরিবারটি উঠে দাড়ানোর চেষ্টা করলেও হুমকী তাদের জন্য এক নিয়মিত ঘটনা হয়ে দাড়িয়েছে। ওই পরিবারটির দায়ের করা বাঁশ কাটা মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পাটগ্রাম থানার এসআই নজরুল ইসলাম ৬ জামায়াত-বিএনপি সমর্থকের নামে চার্জশিট তাখিল করেছেন রবিবার।
”আমরা আদালতে চার্জশিট দাখিল করেছি এখন আদালত’র নির্দেশে আমরা পরবর্তী পদক্ষেপ নিবো,” এসআই নজরুল ইসলাম জানান।
পুলিশ জানিয়েছে, স্থানীয় জামায়াত নেতা আবুল হোসেনের নেতৃত্বে একদল জামায়াত-বিএনপি সমর্থকরা গতবছর ১৩ জুলাই সকালে ওই হিন্দু পরিবারটির জমি বেদখল করতে যায়। এসময় পরিবারের লোকজন বাধা দিলে তারা হিন্দু পরিবারটির চার সদস্যকে পিটিয়ে রক্তাক্ত জখম করে এবং তাদের বাড়ীতে আগুন ধরিয়ে দেয়। আহতদের প্রথমে পাটগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং পরে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ওই জামাায়াত নেতার প্রভাব রংপুর পর্যন্ত থাকায় আহত হিন্দু পরিবারের লোকজনকে চিকিৎসার আগেই রংপুর মেডিকেল কলেজ থেকে বের করে দেয়। খবর পেয়ে ১৮ জুলাই আইন ও শালিস কেন্দ্র থেকে একটি টিম ঘটনাস্থলে এসে ওই হিন্দু পরিবারটির গুরুতর আহত বৃদ্ধা পুষ্প রানী সেন, তার ছলে শ্যামল চন্দ্র সেনকে ঢাকায় নিয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি করিয়ে চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করেন। বেশ কয়েকটি চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ্য হয়ে বাড়ীতে ফেরেন তারা।
হিন্দু পরিবারটি জমি বেদখল, বাড়ীতে অগ্নি সংযোগ ও রক্তাক্ত আহত করার ঘটনায় মামলাটির চার্জশিট দিয়েছে পুলিশ আর সেটি আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। এ মামলায় কয়েকজনের বিরুদ্ধে ওয়ারেন্টও রয়েছে এবং পুলিশ তাদের গ্রেফতার অভিযান চালাচ্ছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
পুলিশের এসআই নজরুল ইসলাম জানান, প্রথম দফার হামলার পরও ওই চক্রটি থামেনি। চক্রটি পুনরায় গতবছর ২৮ সেপ্টেম্বও দিন জোড়পুর্বক ওই হিন্দু পরিবারটির বাঁশঝাড়ে এসে বিপুল পরিমানে বাঁশ কেটে নিয়ে যায়। হিন্দু পরিবারটি থানায় ৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা করলে পুলিশ সুষ্ঠ্য তদন্ত স্বাপেক্ষে চার্জশিট তৈরী করে। এর মধ্যে ওই জামায়াত নেতা আবুল হোসেন আদালতের আশ্রয় নিয়ে হিন্দু পরিবারটির বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করলে পুলিশ তদন্তে এর কোন সত্যতা পায়নি তাই মামলাটিকে মিথ্যা ঘোষনা দিঢে পুলিশ চুড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করেছে।
ওই হিন্দু পরিবারটি গৃহবধু দিপালী রানী সেন জানান, তারা ভয়ে ভয়ে দিন কাটাচ্ছেন। হামলাকারীরা প্রভাবশালী এবং েেযকোন সময় বড় ধরনের কুচক্রান্তে তাদের ফাসাতে পারে এমনকি হামলাও করতে পারে।
কমল চন্দ্র সেন জানান, আইন ও শালিস কেন্দ্র সহযোগিতা না করলে তারা তাদের বৃদ্ধা মা বাঁচাতে পারতো না। আইন ও শালিস কেন্দ্রের দেয়া আইনি সহযোগিতায় তারা হামলাকারীদের বিরুদ্ধে মামলা পরিচালনা করছেন। ”জানি না জামায়াত- বিএনপি’র এ খপ্পর থেকে আমরা কবে মুক্তি পাবো। ভয় আর আতংক নিয়ে জীবন চলা অমানবিক হয়ে উঠেছে,” এমনটি জানালেন কমল চন্দ্র সেন।
শেষ সম্বল বসতভিটা, একটি বাঁশ ঝাড় আর একটুকরো আবাদি জমি নিয়ে এই হিন্দু পরিবারটি বেঁচে আছে। সেটির উপর জামায়াত নেতার অবৈধ লোভ পরিবারটিকে ক্লান্ত শ্রান্ত করে তুলেছে। আইনি লড়াই কবে শেষ হবে আর তারা পুর্ন অধিকার নিয়ে নিজেদের সম্পদ ভোগ করবেন এটাই এখন সময়ের ব্যাপার হয়ে দাড়িয়েছে।
6.
Controversy on islamic religious function "iztema" in Bangladesh
বুধবার ৭ জানুয়ারি ২০১৫ তারিখে ভোর ৫ টা ১০ মিনিটে প্রকাশিত
ইজতিমাকে ''নদীর তীরের পিকনিক'' হিসেবে আখ্যায়িত ?|| কামরুজ্জামান রনি
বাংলাদেশপ্রেস ডেস্ক || ড. তহিন মানিক প্রমাণ করিলো সে একজন আস্তিক পাঠাআমি অনেক দিন আগেই ড. তুহিন মালিক সংক্রান্ত একটি লিখাতে উল্লেখ করেছিলাম '' ছাগল কিন্তু বেশীক্ষণ চুপ করে থাকতে পারেনা, একটা সময় সে ঠিকই ম্যা-ম্যা করে উঠবেই''।
আমরা সকলেই জানি পবিত্র হজ্বের পর মুসলমানদের ২য় সর্ব বৃহত জমায়েত অনুষ্ঠাত হয় এই বাংলাদেশের টঙ্গীর তুরাগ নদীর তীরে। যা বিশ্ব ইজতেমা নামেই পরিচিত। অথচ ড. তুহিন মালিক সেই বিশ্ব ইজতিমাকে ''নদীর তীরের পিকনিক'' হিসেবে আখ্যায়িত করলো ? দেশের ও বিশ্বের অনেক দেশ থেকে আগত লক্ষ লক্ষ মুসল্লিরা তুরাগ নদীর তীরে সম্পূর্ণ অরাজনৈতিক পরিচয়ে এবং সুশৃংখল ভাবে কেবল মাত্র মহান আল্লাহর ইবাদত বন্দেগির জন্যই সমবেত হয়। তিন দিন ব্যাপি এই বিশাল জমায়েতে লক্ষ লক্ষ মুসল্লিরা অস্থায়ী ভাবে নির্মিত প্যান্ডেলে ৫ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করেন এবং এর ফাঁকে ফাঁকে দেশ বিদেশের প্রখ্যাত আলেম ওলামাদের করা ধর্মিয় বয়ান শোনেন । অথচ ড. তুহিন মালিক বলছে-বিশ্ব ইজতেমা থেকে নাকি দু'পয়সারও কোন লাভ হয় না !! যেখানে তিন দিন লক্ষ লক্ষ মুসল্লি মহান আল্লার উদ্দ্যেশে একত্রে ৫ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করেন। যেখানে মহান আল্লাহ ও রাসুলের মহান বাণী প্রচার করা হয়। সেই বিশ্ব এজতেমা থেকে যদি দু'পয়সার লাভ হবেনা বলা হয়, তাহলে ভাবতে বাধ্য হবো এ যুগের অসল ফেরাউনটাকে ?
বাংলাদেশের যে দলের সরকারই ক্ষমতায় থাকে না কেন, প্রতিটি সরকারই এই আয়োজনকে সর্বাত্রক সবযোগিতা করে আসছে । দেশের রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী এবং বিরোধী দলের নেত্রী পর্যন্ত বিশ্ব ইজতেমার সমাপনি দিনের বিশেষ মোনাজাতে শরীক হন। সেখানে উপস্থিত লক্ষ লক্ষ ধর্ম প্রাণ মুসল্লিতো বটেই, টিভিতে LIVE সম্প্রচার হওয়ার ফলে এখন দেশের ও বিদেশের কোটি মুসল্লিও সেই মোনাজাতে শরীক হন। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতারা, বরেণ্য ব্যাক্তিত্বরা পর্যন্ত বিশ্ব ইজতেমার বিশেষ মোনাজাতে লক্ষ মুসল্লির সাথে এই তুরাগ নদীর তীরে শরিক হন । অথচ ড. তুহিন মালিক বলে কিনা এই বিশ্ব ইজতেমার জন্য অবরোধ স্থগিতের নাকি কোন যোক্তিকতাই নাই !! এর একটাই কারণ, তা হলো জামায়েত ইসলামি বরাবরই তবলীগ জামাতের কট্টর বিরোধী । কারণ জামায়াতে ইসলামি মৌদুদীর ইসলামে বিশ্বাসী, তাই জামায়েত ইসলামির শীর্ষ নেতারা বিশ্ব ইজতেমার মোনাজাতেও শরীক হন না।
বিশ্ব ইজতেমা সংক্রান্ত ড. তুহিন মালিকের এ ধরণের বিরুপ ও নেতীবাচক মন্তব্যই প্রমাণ করলো সে একজন আস্তিক পাঠা ।
7.পটুয়াখালীতে সংখ্যালঘু পরিবারকে বাস্তুভিটা থেকে উচ্ছেদ
সময় ও তারিখ : ১৯/০১/২০১৫ ১২:০০ এ. এম.
নিজস্ব সংবাদদাতা, পটুয়াখালী, ১৮ জানুয়ারি ॥ পটুয়াখালীর দুমকিতে এক সংখ্যালঘু পরিবারকে তাঁর পৈত্রিক বসতবাড়ি থেকে আঃ ছত্তার হাওলাদার কর্তৃক উচ্ছেদ চেষ্টার অভিযোগ পাওয়া গেছে। স্থানীয় প্রভাবশালী ধনাঢ্য ছত্তার হাওলাদার অবৈধভাবে গোপন কবলা দলিল বলে সহায়-সম্পত্তি এমনকি একমাত্র শেষ আশ্রয়স্থল পৈত্রিক ভিটা-বাড়ি জবর-দখলে তৎপর হয়ে উঠেছে। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। বর্তমানে ওই মহলটি সংখ্যালঘু পরিবারের সদস্যদের এলাকা ছাড়া করার অপচেষ্টায় লিপ্ত হয়েছে। অব্যাহত হুমকিতে সংখ্যালঘু পরিবারের ৫ সদস্য অসহায় ও ভীত-সন্ত্রস্ত এবং চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। এর প্রতিকার চেয়ে গত ১৪ জানুয়ারি উপজেলা চেয়ারম্যান মোঃ শাহজাহান সিকদার বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
জানা গেছে, দুমকি উপজেলার পাঙ্গাশিয়া ইউনিয়নের উত্তর পাঙ্গাশিয়া গ্রামের প্রভাবশালী ধনাঢ্য আঃ ছত্তার হাওলাদার অবৈধ অর্থ-বিত্ত আর সন্ত্রাসী বাহিনীর জোর খাটিয়ে একই এলাকার প্রতিবেশী মৃত আনন্দ বিশ্বাসের বড় ছেলে শ্রী মিন্টু বিশ্বাসকে বিদেশে পাঠানোর প্রলোভন দেখিয়ে নানা অপকৌশলে এলাকার সকলের অজান্তে গোপনীয়ভাবে ২০১৩ সালের ১৫ জানুয়ারি একমাত্র বসত-ভিটার ৩২ শতাংশ জমি ৪ লাখ ৫০ হাজার টাকায় রেজিস্ট্রি করে নেয়। একই সঙ্গে ৩ বছরের সময় বেঁধে দিয়ে আলাদা একটি চুক্তিপত্র করা হয়। চুক্তি অনুযায়ী কথা ছিল ৩ বছরের মধ্যে ব্যাংকের সুদহারে সমুদয় টাকা ফেরৎ সাপেক্ষে রেজিস্ট্রিকৃত জমি ফেরত দেয়া হবে। কিন্তু চক্রটি সহজ-সরল, অসহায়-গরিব, সহায়-সম্বলহীন সংখ্যালঘু পরিবারের সদস্য দিনমজুর মিন্টু বিশ্বাসকে বিদেশ না পাঠালে ২ বছরের মধ্যে চুক্তিপত্র অনুযায়ী সুদসমেত সব টাকা দিয়ে জমি ফেরত চাইতে গেলে প্রভাবশালী চক্রটি টালবাহানা শুরু করে। ইতোমধ্যেই ঐ জমিতে থাকা কয়েকটি গাছ কেটে নেয়া ছত্তার হাওলাদার ও তার সন্ত্রাসী বাহিনী। জমি থেকে পর্যাপ্ত মাটি কেটে অন্যত্র নিয়ে ভরাট এবং জমির পার্শ্ববর্তী রাস্তা দিয়ে সংখ্যালঘু পরিবারটিকে যাতায়াত বন্ধ করে দেয়।
অভিযুক্ত আঃ ছত্তার হাওলাদার ঘটনার সত্যতা পুরোপুরি অস্বীকার করে বলেন, নগদ টাকা দিয়ে জমি ক্রয় করেছি। আমি কাউকে চিনি না। রেজিস্ট্রি করা জমি কাউকে ফেরত দেয়া হবে না। হুমকি-ধমকি সম্পর্কে তিনি বলেন, তারা (মিন্টু পরিবার) আমার প্রতিবেশী। তাদের হুমকি দেয়ার প্রশ্নই ওঠে না।
ইউএনও শাব্বির আহমদ বলেন, ভুক্তভোগী পরিবার আমার কাছে এসেছিল। উভয়পক্ষকে ডেকে বিষয়টি সমাধানের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।
জানা গেছে, দুমকি উপজেলার পাঙ্গাশিয়া ইউনিয়নের উত্তর পাঙ্গাশিয়া গ্রামের প্রভাবশালী ধনাঢ্য আঃ ছত্তার হাওলাদার অবৈধ অর্থ-বিত্ত আর সন্ত্রাসী বাহিনীর জোর খাটিয়ে একই এলাকার প্রতিবেশী মৃত আনন্দ বিশ্বাসের বড় ছেলে শ্রী মিন্টু বিশ্বাসকে বিদেশে পাঠানোর প্রলোভন দেখিয়ে নানা অপকৌশলে এলাকার সকলের অজান্তে গোপনীয়ভাবে ২০১৩ সালের ১৫ জানুয়ারি একমাত্র বসত-ভিটার ৩২ শতাংশ জমি ৪ লাখ ৫০ হাজার টাকায় রেজিস্ট্রি করে নেয়। একই সঙ্গে ৩ বছরের সময় বেঁধে দিয়ে আলাদা একটি চুক্তিপত্র করা হয়। চুক্তি অনুযায়ী কথা ছিল ৩ বছরের মধ্যে ব্যাংকের সুদহারে সমুদয় টাকা ফেরৎ সাপেক্ষে রেজিস্ট্রিকৃত জমি ফেরত দেয়া হবে। কিন্তু চক্রটি সহজ-সরল, অসহায়-গরিব, সহায়-সম্বলহীন সংখ্যালঘু পরিবারের সদস্য দিনমজুর মিন্টু বিশ্বাসকে বিদেশ না পাঠালে ২ বছরের মধ্যে চুক্তিপত্র অনুযায়ী সুদসমেত সব টাকা দিয়ে জমি ফেরত চাইতে গেলে প্রভাবশালী চক্রটি টালবাহানা শুরু করে। ইতোমধ্যেই ঐ জমিতে থাকা কয়েকটি গাছ কেটে নেয়া ছত্তার হাওলাদার ও তার সন্ত্রাসী বাহিনী। জমি থেকে পর্যাপ্ত মাটি কেটে অন্যত্র নিয়ে ভরাট এবং জমির পার্শ্ববর্তী রাস্তা দিয়ে সংখ্যালঘু পরিবারটিকে যাতায়াত বন্ধ করে দেয়।
অভিযুক্ত আঃ ছত্তার হাওলাদার ঘটনার সত্যতা পুরোপুরি অস্বীকার করে বলেন, নগদ টাকা দিয়ে জমি ক্রয় করেছি। আমি কাউকে চিনি না। রেজিস্ট্রি করা জমি কাউকে ফেরত দেয়া হবে না। হুমকি-ধমকি সম্পর্কে তিনি বলেন, তারা (মিন্টু পরিবার) আমার প্রতিবেশী। তাদের হুমকি দেয়ার প্রশ্নই ওঠে না।
ইউএনও শাব্বির আহমদ বলেন, ভুক্তভোগী পরিবার আমার কাছে এসেছিল। উভয়পক্ষকে ডেকে বিষয়টি সমাধানের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।
No comments:
Post a Comment