Thursday, November 6, 2014

Religious Minority Community in Bangladesh ; NOVEMBER 2014:

Religious Minority Community in Bangladesh ; NOVEMBER 2014

1.  
BANGLADESH MINORITY HINDU FAMILY 
TORTURED BY AWAMI LEAGUE RULING PARTY MAN
আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে সংখ্যালঘু পরিবারকে উচ্ছেদের অভিযোগ




বাগেরহাট প্রতিনিধি
বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ উপজেলার সন্ন্যাসী গ্রামে একটি সংখ্যালঘু পরিবারকে স্থানীয় আওয়ামী ক্যাডাররা উচ্ছেদের জন্য উঠেপড়ে লেগেছে বলে অভিযোগ করেছেন মৃত অমূল্য কুমার সিকদারের ছেলে সমীর সিকদার।
খাউলিয়া ইউনিয়নের সন্ন্যাসীবাজারসংলগ্ন সমীর সিকদার বলেন, ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের একটি বাহিনী দীর্ঘদিন ধরে সমীর সিকদারের জমিজমা জোরপূর্বক ভোগদখলের চেষ্টা করছে। ইতিপূর্বে কিছু জমি অবৈধভাবে ওই বাহিনী নিয়েও গেছে।
খাউলিয়া ইউনিয়ন চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল খায়েরের অনুসারী ওই বাহিনী গত ২৬ অক্টোবর আবারও সমীর সিকদারের জমিদখল করতে যায়।
এ সময় বাধা দিলে আওয়ামী লীগ ক্যাডার হারুন ফরাজী ওরফে রাঙ্গা হারুন ৭-৮ জনের একটি বাহিনী নিয়ে সমীরের বৃদ্ধ মা, স্ত্রী ও ভাইসহ ৫ জনকে পিটিয়ে-কুপিয়ে জখম করে। গুরুতর আহত কনক প্রভা সিকদার (৬৫) এখনো খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
আওয়ামী ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে ওই মারপিটের ঘটনায় উল্টো সমীর সিকদার ও তার পরিবারের মহিলাসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে থানায় মামলা করেছে চেয়ারম্যানের ছত্রছায়ায় থাকা এমদাদুল মল্লিক। মামলায় সমীর সিকদারের আহত ছেলে জেএসসি পরীক্ষার্থী সৌরভ সিকদারকেও আসামি করা হয়েছে।
সমীর সিকদার তার অভিযোগে আরও জানান, কয়েক বছর পূর্বে আওয়ামী লীগ নেতা চেয়ারম্যান আবুল খায়ের সমীর সিকদারকে আটক করে জোরপূর্বক সাদা স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নিয়ে সন্ন্যাসীবাজারের কিছু জমিদখল করে নেয়। বর্তমানে ওই জমির একাংশে আওয়ামী লীগের সাইনবোর্ড লাগিয়ে অফিস হিসেবে ব্যবহার করছে ও বাকি অংশ চেয়ারম্যান ভাড়া দিয়ে খাচ্ছে।
বর্তমানে নতুন করে জমিদখলে বাধা দেওয়ায় চেয়ারম্যানও তার বাহিনীর রোষানলে পড়ে সমীর ও তার চাচা ফনীন্দ্রনাথ সিকদার। বর্তমানে ওই পরিবারটি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। সমীর সিকদার ও তার পরিবারের সদস্যরা জখম হওয়ার ঘটনায় থানায় একটি মামলা করলেও পুলিশ এ পর্যন্ত সন্তোষজনক কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি বলেও অভিযোগ রয়েছে।
- See more at: http://www.dainikamadershomoy.com/2014/11/02/175089.html#sthash.fBc4zs8g.dpuf


2.  
MINORITY HINDU FAMILY TARGETED IN BANGLADESH 

কুষ্টিয়ায় সংখ্যালঘু পরিবারকে অত্যাচারের অভিযোগ

এফএনএস (কমল কুমার হালদার; মিরপুর, কুষ্টিয়া)
30 Oct 2014   07:29:24 PM   Thursday BdST
 0 

A- A A+Print this E-mail this
কুষ্টিয়ার মিরপুরে এক সংখ্যলঘু পরিবারকে অত্যাচারের অভিযোগ উঠেছে। জানাজায়, উপজেলার কুর্শা ইউনিয়নের কুন্ঠিয়ার চর গ্রামের মৃত মঙ্গল চন্দ্র প্রামানিকের ছেলে মনোরঞ্জন প্রামানিক বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় স্থানীয় সাংবাদিকদের কাছে এ অভিযোগ করেন। মনোরঞ্জন প্রামানিক জানান, জমি জমা সংক্রান্ত কোটে মামলা মোকদ্দমার কারণে ওই গ্রামের মৃত ইউসুফ মন্ডলের ছেলে আনার আলী, আনার আলীর ছেলে বোরহান এবং মৃত হাসেম আলীর ছেলে রুকমান আলীর নেতৃত্বে ৭/৮ জনের এক দল সন্ত্রাসী দীর্ঘদিন যাবত হুমকি-ধামকীসহ শারীরিক ও মানসিক ভাবে নির্যাতন করে আসছে।
এই ঘটনার প্রতীকার চেয়ে মিরপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়রী করা হয়। যার নম্বর-৮৩৯, তারিখ ২২/০৩/২০১৪ইং। তার পর থেকেই ওই সন্ত্রাসীরা ক্ষীপ্ত হয়ে ওই পরিবারকে দেশ ত্যাগের নির্দেশ দেন। তারপর থেকেই ওই পরিবারটি বর্তমানে চরম আতঙ্কের মধ্যে রয়েছে বলে জানা গেছে। মাজিহাট পুলিশ ক্যাম্পের এএসআই শরিফুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা শিকার করে জানান, ওই সন্ত্রাসীদের অত্যাচারে সংখ্যালঘু পরিবারসহ এলাকার নিরীহ জনগণ বর্তমানে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে। তবে মিরপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ হয়েছে। এদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
- See more at: http://www.fairnews24.com/details.php?nssl=57827ddd068a17ad6dfc6690962241e5&nttl=301020146287#.VFvxdvmUeeU

3.IDOL OF GODDESS KALI DESTROYED BY ISLAMIC TERRORIST IN BANGLADESH

রাজারহাটে শ্বশান কালি মন্দিরের কালিমূর্তি সহ ৩টি মূর্তি ভাংচুর


রাজারহাট সংবাদদাতা ৥ ২৮ অক্টোবর কুড়িগ্রামের রাজারহাটে দূর্বত্তরা শ্বশান কালি মন্দিরের কালিমূর্তি সহ ৩টি মূর্তি ভাংচুর করেছে। এ ঘটনায় এলাকায় হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকদের মাঝে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে। তবে পুলিশ এ ঘটনার সাথে জড়িত কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, উপজেলার নাজিমখান ইউনিয়নের সোমনারায়ন সোনালুরকুটি শ্বশান কালি মন্দিরে দীর্ঘদিন ধরে পূজা অর্চনা চলে আসছে। ঘটনার দিন ২৮ অক্টোবর ভোরে ভক্তরা কীর্তন ও পূজা করতে গিয়ে ওই মন্দিরের পূজারী ধীরেন্দ্র নাথ রায়, সন্তোষ চন্দ্র, কমল চন্দ্র, দুলাল চন্দ্র ,সঞ্জিৎ রায়, অরজিৎ রায়, তরনী কান্ত ও অনন্ত রায় সহ অনেকে দেখে কে বা কারা কালিমূর্তি ভাংচুর করেছে। এছাড়া কালিমূর্তির সাথে থাকা জয়া- বিজয়া মূর্তি দেখতে না পেয়ে খুঁজতে থাকে। পরে তাদের পার্শ্ববর্তী বিলে ভাসমান অবস্থায় দেখতে পায়। তাদের চিৎকারে এলাকাবাসী ছুটে এসে ঘটনাটি প্রদক্ষিণ করে। ঘটনার পর থেকে এলাকার হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকদের মাঝে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।


 
4. মহানবীকে নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্যে বাড়ি-ঘর ভাঙচুর
ad-oni
শেয়ার করুন

97189_1জেলার আশুগঞ্জে মহানবীকে (সা.) নিয়ে ফেসবুকে আপত্তিকর মন্তব্য করায় বাড়িঘর ভাঙচুর করেছে এলাকাবাসী।
সোমবার রাতে দেবাশীষ দয়াময় নামে একটি ফেসবুক একাউন্টে (https://www.facebook.com/debashisdas.shuhel) এ মন্তব্য করা হয়।
অভিযুক্ত দেবাশীষ উপজেলার লালপুর গ্রামের বাসিন্দ। তিনি লালপুর এসকে দাস চৌধুরী উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেন।
উৎসঃ বাংলামেইল২৪
5.ধামরাইয়ে পুজারিকে মন্দিরে আটক : এলাকাবাসীর সহায়তায় মুক্ত

সর্বশেষ আপডেট : November 12, 2014, 7:26 pm
অ+ অ-

ধামরাই(ঢাকা)প্রতিনিধি : ধামরাইয়ে রোয়াইল এলাকায় করুনাময় মন্দিরে সংখ্যালঘু পরিবারের এক পুজারিকে পুজা অচর্না করতে দেয়নি এলাকার চিন্হিত দুবৃত্তরা।

জানাগেছে, গতকাল বুধবার সকাল ৮ টার দিকে ধামরাই উপজেলার রোয়াইল গ্রামে ২শত বছরের জমিদার আমলের পুরানো করুনাময় মন্দিরে কমল ঘোষ (৪৫) নামে এক পুর্জারি পুর্জা অচর্না করতে গেলে তাকে এলাকার চিন্হিত দুবৃত্ত জালাল উদ্দিন ,জাহেদ আলী , ফয়সাল ও সাজাহান গংরা পুজ,অর্চর্না করতে দেয়নি।

ঐ দুবৃত্তরা পুর্জারি কমল ঘোষকে মন্দিরের ভেতর হত্যা করার উদ্দেশে দরজা বন্ধ করে তালা দিয়ে প্রায় আধা ঘন্টা আটক করে রাখে। এ, ঘটনার খবর পেয়ে এলাকাবাসী মন্দিরের তালা ভেঙ্গে পুর্জারি কমল ঘোষকে উদ্দার করে। দুবৃত্তরা পুর্জারি কমল ঘোষকে খুন করার জন্য নানা ভাবে হুমকি দিচ্ছে।

এ,রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।
6. দেলদুয়ারে পুরনো মন্দিরের জমি দখলের অপচেষ্টা!
১৩ নভেম্বর, ২০১৪ ইং
দেলদুয়ার (টাঙ্গাইল) সংবাদদাতা
দেলদুয়ারে দু’শ’ বছরের পুরোনো মন্দিরের জমি দখলের অভিযোগ পাওয়া গেছে। মন্দিরের
নামে রেকর্ডকৃত ৪৫৯২ নং দাগের ২২ শতাংশ জমি রয়েছে। স্থানীয় কতিপয় প্রভাবশালী
লোক মন্দিরের ২২ শতাংশ থেকে ৪/৫ শতাংশ ইতিমধ্যে দখল করেছে। তাতে স্থানীয় কিছু
প্রভাবশালী ব্যক্তি দলীয় পরিচয়ে দলের সাইনবোর্ড টানিয়ে ঘর তোলে এবং মাটি ভরাট
করে। পরে মন্দির কর্তৃপক্ষের অভিযোগের প্রেক্ষিতে প্রশাসন তা বন্ধ করে। কিন্তু ২০০৭
সালে স্থানীয় ভূমি অফিস মন্দিরের ১৩ শতাংশসহ পরিতোষ সাহার ২৬ শতাংশ জমি
হাট-বাজারের নামে পেরিফেরি করেছে।
মন্দির কমিটির সাধারণ সম্পাদক বাসুদেব বলেন, আমাদের আবেদনের প্রেক্ষিতে জেলা
ডেপুটি কালেক্টর ইউএনও ও সহকারী কমিশনারকে (ভূমি) চিঠি দিয়েছেন। তাতে বলা
হয়েছে, মন্দিরের দাবিকৃত ১৩ শতাংশ ভূমি ভবিষ্যতে পেরিফেরি করা না হয়। কিন্তু আমরা
উক্ত ভূমির দখল নিতে পারছি না। পরিতোষ সাহা বলেন, আমার পূর্বপুরুষ মন্দিরের নামে
১৩ শতাংশ ভূমি মৌখিকভাবে দান করেছিলেন। আমি বর্তমানে রেজিস্ট্রি করে দিয়েছি।
ফাজিলহাটী ইউনিয়ন উপ-সহকারী ভূমি কর্মকর্তা শাহাদত হোসেন বলেন, ২০০৭ সালে
সংশোধনীর মাধ্যমে সম্পূর্ণ জায়গা হাট-বাজারের নামে পেরিফেরি করা হয়েছে। দেলদুয়ার
ইউএনও মো. সাইদুজ্জামান বলেন, সরকারি সম্পত্তি রক্ষা করা আমার দায়িত্ব। সমস্যা
সমাধানের জন্য মন্দির কর্তৃপক্ষকে সার্ভেয়ার এবং নায়েবকে সাথে নিয়ে টাঙ্গাইল জেলা
প্রশাসকের সাথে সাক্ষাত্ করার জন্য বলা হয়েছে।







7.


হিন্দু সেজে বিয়ে যুবক কারাগারে


তারনার মাধ্যমে মুসলমান যুবক নিজেকে হিন্দু বলে পরিচয় দিয়ে এক হিন্দু মেয়েকে বিয়ে করার অপরাধে স্ত্রীর দায়ের করা নারী ও শিশু নির্যাতন মামলায় পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে কুমিল্লা জেল হাজতে প্রেরন করেছে। থানা সূত্রে জানা যায়, কুমিল্লা জেলার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার মালাপাড়া ইউনিয়নের রামনগর গ্রামের দুধ মিয়ার ছেলে লোকমান হোসেন হাজারী প্রতারনা করে তার নাম পরিবর্তন করে শ্রী জয় চন্দ্র দাশ, পিতা মৃত সুরেস চন্দ্র দাস, মাতা সৌমতী রানী দাস, সাং- দিয়ারা উত্তর পাড়া, ডাকঘর এলাহাবাদ, থানা- দেবিদ্ধার, ধর্ম- হিন্দু এ পরিচয় দেয়। কুমিল্লার কোতয়ালী থানার আড়াইওড়া গ্রামের কামিনী চন্দ্র দাস এর মেয়ে পুতুল রানী দাসকে গত ২০১২ সালের সেপ্টেম্বর মাসের ২ তারিখ কুমিল্লা নোটারী পাবলিকের কার্যালয়ে হাজির হয়ে প্রতারনা করে পুতুলকে বিয়ে করে। এ বিষয়টি পুতুল রানী দাস জেনে ফেলায় উভয়ের মধ্যে কলহের সৃষ্টি হলে পুতুল রানী দাস বাদী হয়ে কুমিল্লা বিজ্ঞ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালে তার স্বামী লোকমান হোসেন হাজারীকে অভিযুক্ত করে একটি মামলা দায়ের করে। যার সিপি নাম্বার-৭৬২/১৪ইং, তারিখ-১৫/১০/১৪ইং। বিজ্ঞ আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে ব্রাহ্মণপাড়া থানার অফিসার ইনচার্জকে এফআইআর ভূক্ত করার নিদের্শ প্রদান করেন। এরই প্রেক্ষিতে ব্রাহ্মণপাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ মামলাটি এফআইআর করেন। মামলা নাম্বার- ৮, তারিখ ০৫/১১/১৪ইং। জি আর ২৬৬/১৪ইং ধারা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯(১)। ব্রাহ্মণপাড়া থানার এসআই আবু বকর সিদ্দিকী ও সর্ঙ্গীয় ফোর্স অভিযান চালিয়ে গত ৮ নভেম্বর বিকালে আসামীকে তার নিজ এলাকার একটি দোকানঘর থেকে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে আসে। থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) মফজল আহমেদ খান সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, গতকাল ৯ নভেম্বর রবিবার আসামীকে কোর্টের মাধ্যমে কুমিল্লা জেল হাজতে প্রেরন করা হয়েছে।


- See more at: http://www.comillarkagoj.com/details.php?n_id=39368#sthash.w1WFduXa.dpuf

8.

দুপচাঁচিয়ায় পারিবারিক মন্দির থেকে স্বর্ণ লংকার সহ ৬১ হাজার 

টাকার মালামাল চুরি



বগুড়া সংবাদ ডট কম (দুপচাঁচিয়া, বগুড়া মোঃ আবু রায়হান) : মঙ্গলবার দিবাগত রাতে দুপচাঁচিয়া উপজেলা সদরের পূর্বপাড়ায় এ্যাডভোকেট উৎপল কুমার বাগচী’র বাড়ির ভেতরে পারিবারিক মন্দির থেকে স্বর্ণলংকার সহ প্রায় ৬১ হাজার টাকার বিভিন্ন মালামাল চুরি হয়েছে।
জানা গেছে, উপজেলা সদরের পূর্বপাড়ার মৃত ফনিন্দ্র নাথ বাগচী’র পূত্র এ্যাডভোকেট উৎপল কুমার বাগচী ঘটনার দিন রাতে নবান্ন অনুষ্ঠানের খাওয়া দাওয়া সেরে পরিবারের সদস্য সহ ঘুমিয়ে পড়ে। পরেরদিন বুধবার ভোর ৫টায় তার বড় ভাই ঘুম থেকে উঠে দেখে বাড়ির পারিবারিক ঠাকুর ঘরের দরজা খোলা। এবং ঠাকুর ঘরের বিভিন্ন জিনিসপত্র এলামেলো দেখতে পায়। তার ভাই চিৎকার দিয়ে উঠলে বাড়ির সকলের ঘুম ভেঙ্গে যায়। এবং দেখে ঠাকুর ঘরের রাধা কৃষ্ণ গোপালের হাতের স্বর্ণলংকার সহ প্রায় ৬১ হাজার টাকার মালামাল কে বা কাহারা চুরি করে নিয়ে গেছে। এব্যাপারে এ্যাডভোকেট উৎপল কুমার বাগচী নিজেই বাদী হয়ে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছে। থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রিয়াজ উদ্দিন আহম্মেদ অভিযোগ প্রাপ্তির কথা স্বীকার করে জানান, তিনি অভিযোগ পেয়েই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। অপরাধীদের চিহ্ণিত করে আইনের আওতায় আনার জোর তৎপরতা অব্যহত রয়েছে। চুরির ঘটনায় পুলিশ গত বুধবার রাতে ৩জনকে আটক করেছে। আটককৃতরা হলো উপজেলার কালীতলার পূর্বপাড়ার বেল্লাল প্রামানিকের পূত্র মিঠু প্রামানিক (২৫), শরাফত খন্দকারের পূত্র হাসেন খন্দকার (৩০) ও পাশ্ববর্তী জোগাড় পাড়ার মৃত অফিজ উদ্দিনের পূত্র রহিম প্রামানিক (৩২)। পুলিশ গ্রেফতারকৃতদের বৃহস্পতিবার বগুড়া কোর্ট হাজতে প্রেরন করেছে।






9. MINORITY COMMUNTY REDUCTION IN 

BANGLADESH,PRESS CONF. BY VARIOUS 

HUMAN RIGHTS ORG. IN BANGLADESH.

দেশে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সংখ্যা কমে যাচ্ছে’

প্রকাশ তারিখ: ১৭/১১/২০১৪ ৭:১৩:৫২ অপরাহ্ন

DSC_0170
নিজস্ব প্রতিবেদক :
দেশে সংখ্যালঘু সম্প্রদায় তাদের অধিকার পাচ্ছে না এবং তারা তাদের অধিকার না পাবার কারণে দেশে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে কমে যাচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন বিশিষ্টজনরা।
সোমবার রাজধানীর ডেইলি স্টার ভবনের তৌফিক আজিজ খান সেমিনার হলে  বাংলাদেশে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মানবাধিকার অবস্থা পর্যবেক্ষণ ও নীতি নির্ধারণী পর্যায়ে বিষয়টি প্রতিফলনের উপায় খোঁজার লক্ষ্যে বাংলাদেশের সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, গণমাধ্যমের জ্যেষ্ঠ কর্মী এবং ধর্মীয়, সাংস্কৃতিক ও লিঙ্গীয় প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধিদের নিয়ে একটি জাতীয় পর্যালোচনা সভার আয়োজন করে হিউম্যান রাইটস অ্যালায়েন্স বাংলাদেশ (এইচআরএবি)।
বাংলাদেশ মাইনরিটি ওয়াচের প্রেসিডেন্ট এডভোকেট রবীন্দ্র ঘোষের সভাপতিত্বে এবং হিউম্যান রাইটস অ্যালায়েন্স বাংলাদেশের সমন্বয়কারী মোঃ আলীমূল হাসান ও কাপেং ফাউন্ডেশনের প্রকল্প সমন্বয়কারী বাবলু চাকমার পরিচালনায় অনুষ্ঠিত পর্যালোচনা সভার প্রধান অতিথি ছিলেন বিশিষ্ট কলামিস্ট সৈয়দ আবুল মকসুদ।
DSC_0172
এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে পর্যালোচনায় আলোচনা রাখেন, বাংলাদেশ হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট রানা দাস গুপ্ত, দৈনিক আমাদের অর্থনীতির এডিটর বিশিষ্ট সাংবাদিক নাইমুল ইসলাম খান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পালি এবং বুড্ডিস্ট স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. সুকমল বড়ুয়া, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিকতা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক রোবায়েত ফেরদৌস, বাংলাদেশে আদিবাসী ফোরামের সাংগঠনিক সম্পাদক শক্তি ত্রিপুরা।
কলামিস্ট আবুল মকসুদ বলেন, দেশে সংখ্যালঘুরা বারবার অবহেলিত হচ্ছে। আওয়ামী লীগ, বিএনপি কোন সরকারই সংখ্যালঘুদের অধিকারের ব্যাপারে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়নি। সরকারের অবহেলার কারণে রামু, সাতক্ষীরা, সাঁথিয়ার মত ঘটনা ঘটেছে। তিনি বলেন রাষ্ট্র ধর্ম ইসলাম রেখে সংখ্যালঘুদের অধিকার রক্ষা করা যাবে না।
তিনি বলেন, সংখ্যালঘু বলতে শুধু ধর্মীয় সংখ্যালঘু নয় হিজরা সম্প্রদায় এবং আদিবাসী সম্প্রদায়ের অধিকারের ব্যাপারে সবাইকে সচেষ্ট হবার আহবান জানান। তিনি পাহাড়ের আদিবাসীদের ভূমি অধিগ্রহণের সমালোচনা করেছেন।
রোবায়েত ফেরদৌস তার বক্তব্যে বলেন, প্রত্যেক মানুষের তার ইচ্ছার স্বাধীনতা দিতে হবে। প্রত্যেকের যৌন স্বাধীনতা দিতে হবে। এ দেশে ছেলে ছেলেকে বা মেয়ে মেয়কে বিয়ে করলে আইনগত ভাবে শাস্তি দেয়া হয়। এর পরিবর্তন করতে হবে। হিজরা সম্প্রদায়ের অধিকার রক্ষা করতে আন্দোলন করতে হবে।
দেশে প্রতিকূল পরিবেশের কারণে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সংখ্যা কমে যাচ্ছে বলেন অভিযোগ করে  রানা দাস গুপ্ত বলেন স্বাধীনতার পর এ দেশে হিন্দুদের পরিমাণ ছিল ২২ ভাগ। তা এখন ৯ ভাগে নেমে এসেছে। সংখ্যালঘুদের উপর হামলা, ধর্ষণ এবং ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের উপর হামলার কারণে তাদের সংখ্যা দিনে দিনে কমে যাচ্ছে। তিনি বলেন বর্তমান সরকার সংখ্যালঘুদের অধিকারের কথা বললেও তাদের মন্ত্রীসভায় একজনও পূর্ণ মন্ত্রী নেই। আওয়ামীলীগ বিএনপি উভয় দলের শীর্ষ পদে কোন সংখ্যালঘু নেই।
DSC_0185
সুকমল বড়ুয়াও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের উপর নির্যাতনের জন্য আওয়ামীলীগ বিএনপি উভয় সরকারকে দায়ী করেন। রামুতে হামলার জন্য সরকার দলীয় লোকদের দায়ী করেন তিনি।
পর্যালোচনা সভায় বক্তারা বিশেষভাবে হিজরা সম্প্রদায়ের অধিকারের ব্যাপারে সরকার এবং সুশীল সমাজসহ সকলকে এগিয়ে আসার আহবান জানান।
সভায় দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের অধিকার নিয়ে কাজ করা বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।এছাড়া সকল সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিরা  এছাড়া হিজরা  সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিরা অংশ গ্রহণ করেন।
DSC_0258
ব্র্যাক-এইচআরএলএস, বন্ধু সোশ্যাল ওয়েলফেয়ার সোসাইটি, লাইট হাউস, উত্তরণ, কাপেং ফাউন্ডেশন, বাংলাদেশ মাইনরিটি ওয়াচ, বাংলাদেশ সেন্টার ফর হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট, হিল উইমেন্স ফেডারেশনসহ কয়েকটি সংগঠনের জোট এই হিউম্যান রাইটস অ্যালায়েন্স বাংলাদেশ (এইচআরএবি) বাংলাদেশের সংখ্যালঘুদের অধিকার নিয়ে কাজ করে থাকে।  বিশেষ ভাবে হিজরা সম্প্রদায়কে প্রতিষ্ঠিত করতে এবং তাদের অধিকার আদায়েকে গুরুত্ব দিয়ে থাকে।


10.জমি দখল করতে মন্দিরে আগুন 

কেরানীগঞ্জ (ঢাকা) প্রতিনিধি | আপডেট: ০২:০৯, নভেম্বর ২৬, ২০১৪ | প্রিন্ট 
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে গত সোমবার রাতে ভূমিহীনদের আশ্রয় প্রকল্পের সূর্যতারা মন্দিরে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য মেহেদি ইসলাম, আল ইসলাম ও জাকির আকন্দ নামে তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ।
স্থানীয় ব্যক্তিরা জানান, রাজেন্দ্রপুরের মালোপাড়া এলাকার ওই মন্দিরে গত সোমবার রাত সাড়ে আটটার দিকে ১০-১২ জন দুর্বৃত্ত লাঠিসোঁটা নিয়ে ভূমিহীনদের আশ্রয়ণ প্রকল্পে সূর্যতারা মন্দিরে ভাঙচুর করে। এ সময় তারা মন্দিরে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয়। একপর্যায়ে সংখ্যালঘু দুটি পরিবারের ঘর ভাঙচুরের চেষ্টা করা হয়। তাঁদের চিৎকারে আশপাশের লোকজন বেরিয়ে এলে দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়।
রাজেন্দ্রপুর মালোপাড়া এলাকার বাসিন্দা সঞ্চয়া রানী বলেন, ‘সোমবার রাত সাড়ে আটটার দিকে বাসা থেকে বের হয়ে দেখি মন্দিরে আগুন জ্বলছে। এ সময় কয়েকজন লাঠিসোঁটা নিয়ে মন্দিরে ভাঙচুর করছিল।’ তিনি আরও বলেন, প্রায় তিন মাস আগে ভূমিহীনদের আশ্রয় প্রকল্পে একটি টিনশেড ঘর নির্মাণ করে সেখানে সূর্যতারা মন্দিরটি স্থাপন করা হয়।
গৌরী দাশ নামের এক নারী বলেন, ‘ওই সময় আমি ঘরে শুয়ে ছিলাম। হঠাৎ করে ১০-১২ জন দুর্বৃত্ত আমার ঘরে লাঠিসোঁটা নিয়ে এলোপাতাড়ি ভাঙচুর চালায়। চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন এলে তারা পালিয়ে যায়। এ ঘটনার পর থেকে আমরা পরিবার-পরিজন নিয়ে শঙ্কায় আছি।’
শিলা রানী বলেন, ‘আমরা ১৪-১৫টি ভূমিহীন জেলে পরিবার বাপ-দাদার আমল থেকে এখানে বসবাস করছি। স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তিরা জমি দখলের জন্য মন্দির ও বাড়িঘরে হামলা চালিয়েছে।’ পুলিশের হাতে আটক আল ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, তিনি মন্দির ভাঙচুরের ঘটনার সঙ্গে জড়িত নন।
দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার ওসিমো. জামাল উদ্দিন মীর জানান, কে বা কারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তিনজনকে আটক করা হয়েছে।



11.46 minority torture criminal released by court

চরকাউয়া হিন্দু সম্প্রদায়ের ঘর পোড়া মামলায় ৪৬ আসামিকে জামিন

নিজস্ব প্রতিবেদক | ২৬ নভেম্বর, বুধবার, ২০১৪, ১২:১৩ পূর্বাহ্ণ
LAW

বরিশালের আলোচিত ঘটনা চরকাউয়া হিন্দু সম্প্রদায়ের ঘর পোড়া মামলায় ৪৬ আসামিকে জামিন দিয়েছে আদালত। মঙ্গলবার বরিশালের মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আসামি পক্ষের আইনজীবীরা তাদের জামিন চেয়ে আবেদন করলে আদালতের বিচারক নুসরাত জাহান তাদের জামিন আবেদন মঞ্জুর করেন। জামিন প্রাপ্ত আসামিরা হল, চর আইচার বাসিন্দা আনিচ আল মামুন ওরফে আনিচ হাওলাদার, হেলাল মির ওরফে মিরা, খোকন চাপরাশি, সবুজ মেম্বর, বিউটি বেগম, শিল্পী বেগম, রিজিয়া বেগম, সিমা আক্তার, নুপুর, নুরুন্নাহার বেগম, রিয়াজ মিরা, সবুজ শরিফ, জুয়েল, মিরাজ মিরা, কবির গাজি, সুরুজ হাওলাদার, বাচ্চু হাওলাদার, পারুল ও রহিম গাজিসহ মোট ৪৬ জন। উল্লেখ্য, গত বছরের ১৪ নভেম্বর চরকাউয়া ইউনিয়নের কালীখোলা এলাকায় ব্যাডমিন্টন খেলাকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের সংঘর্শে নিহত হয় চর আইচা এলাকার সেলিম গাজির ছেলে পারভেজ গাজি। এ ঘটনায় পরদিন উত্তেজিত জনতা কালিখোলা এলাকার হিন্দু সম্প্রদায়ের মোট ১৫টি বসত ঘর পুরিয়ে দেয়। এ ঘটনায় চরকাউয়া পন্ডিত বাড়ির বাসিন্দা দেবরঞ্জন হালদার ওরফে কালীপদ বাদি হয়ে অজ্ঞাতনামা ১২০০/১৩০০ জনকে আসামি করে ১৭ নভেম্বর বন্দর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলার দির্ঘ তদন্ত শেষে গত ১৭ অক্টোবর ১০৬ জনকে অভিযুক্ত আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন বন্দর থানার ওসি রেজাউল ইসলাম।




12. HINDU FAMILY PROPERTY CAPTURED

AND ALSO THREATENED OF LIFE

ব্রাহ্মনবাড়িয়ায় হিন্দু পরিবারের জমি জবর দখল 

করে প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে বিএনপি ক্যাডাররা

সোমবার, ২৪ নভেম্বর ২০১৪
bramanbariaএস এম হৃদয় রহমান : ব্রাহ্মনবাড়িয়ার কসবা উপজেলায় বিএনপির ক্যাডাররা খারপাড়া গ্রামের মৃত সুবল কর্মকারের পুত্র কার্ত্তিক কর্মকারের জমি জবর দখল করে প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। কসবা থানায় এ ব্যাপারে মামলা করা সত্তে¡ও আসামীরা রয়েছে ধরাছোয়ার বাইরে। কার্ত্তিক কর্মকার সোমবার জাতীয় প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করে বলেন, গত ১৬ নভেম্বর স্থানীয় বিএনপি ক্যাডার কসবা উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও পৌর মেয়র মোহাম্মদ ইলিয়াস, তার ভাই জাহাঙ্গীর মিয়া এবং আব্দুল আউয়ালের নেতৃত্বে একদল সন্ত্রাসী বাড়ীঘর ভাংচুর এবং জমি জবর দখল করে আমাকেসহ আমার পরিবারকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে বাড়ী থেকে বের করে দেয়। গত ১৭ নভেম্বর এ ব্যাপারে কসবা থানায় একটি মামলা দায়ের করা হলেও আসামীরা এখনও বহাল তবিয়তে চলাফেরা করছে এবং আমাকে ও আমার পরিবারকে মেরে ফেলার হুমকি ধামকি দিয়ে যাচ্ছে।

13.
HINDU SCHOOL WORKER RAPED BY 
ISLAMIST

মদনে সংখ্যালঘু গৃহবধুকে ধর্ষনের চেষ্টামদনে সংখ্যালঘু গৃহবধুকে ধর্ষনের চেষ্টা

 (নেত্রকোনা), ২৩ নভেম্বর, এবিনিউজ : শনিবার রাতে মদন পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ডের সংখ্যালঘু 
শীলপাড়ার বাদল দাসের স্ত্রী দুই সন্তানের জননী ও জাহাঙ্গীরপুর টি আমিন পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের আয়া
 রেখা রানীদাসকে ধর্ষণের চেষ্টা চালায় এলাকার এক বখাটে যুবক। 
এ ব্যাপারে মদন থানায় একটি নারী নির্যাতনের মামলা হয়েছে।
থানা ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, শনিবার রাত ৭টায় জাহাঙ্গীরপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের আয়ার দায়িত্ব শেষ করে গৃহে প্রবেশ করতেই পূর্ব থেকে উৎপেতে থাকা জাহাঙ্গীরপুর আন্দীবাড়ির হায়উল ওই গৃহে প্রবেশ করে দরজা বন্ধ করে বাতি নিভিয়ে তাকে জোর পূর্বক ধর্ষণের চেষ্টা চালায়। 
এ সময় তার ডাক চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে আসলে লম্পট পালিয়ে যায়। এই ঘটনায় রাতেই রেখা রানী দাস বাদী হয়ে হায়উলকে আসামী করে মদন থানায় একটি মামলা করেন।
এ ব্যাপারে মদন থানার ওসি (তদন্ত) সামছুল 
আলম সিদ্দিকী জানান, এ ঘটনায় রাতেই একটি মামলা রুজু করা হয়েছে এবং আসামী গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।


14.

HINDU BOY CONVERTED TO ISLAM TO MARRY 


MUSLIM GIRL;STILL HAVE NO RIGHT OF FREEDOM;

HE IS PLACED TO JAIL. 

ভোলায় বিয়ে করে বিপাকে নবমুসলিম যুবক : অব শেষে জেলে

আইন আদালতভোলাশিরোনামসর্বশেষ সংবাদসারাদেশ | ২ অগ্রহায়ন ১৪২১ | Sunday, November 16, 2014

ভোলা প্রতিনিধি
ভোলার বোরহানউদ্দিনে হিন্দু ধর্ম ত্যাগ করে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে বিয়ে করে বিপাকে পরেছেন এক যুবক। বিয়ের পর থেকে শ্বশুড়ের পরিবারটি নবমুসলিম বিল্লালের পুঁজির টাকা হাতিয়ে নিয়ে অবশেষে মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে জেল হাজতে পাঠানোর অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি ঘটেছে বোরহানউদ্দিন উপজেলার কাচিয়া ইউনিয়নে। এ ঘটনায় স্থানীয়দের মাঝে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে।
জানা গেছে, টাঙ্গাইলের ছেলে বিশ্বনাথ সূত্রধর আবুধাবী (দুবাই) তে কর্মরত ছিলেন। এইক স্থানে ছিলেন উপজেলার কাচিয়া ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের জাহাঙ্গীর। জাহাঙ্গীর ও বিশ্বনাথ সূত্রধর একই রুমে থাকতেন। ঘটনাক্রমে বিশ্বনাথ হিন্দু ধর্ম (সনাতন) ত্যাগ করে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করার সিদ্ধান্ত নেন। তখন জাহাঙ্গীর উৎসাহ দিয়ে বিশ্বনাথ সূত্রধরকে বলেন তুই যদি মুসলমান হও তাহলে আমার বোনকে তোমার কাছে বিয়ে দেব এবং তোকে আমার এলাকায় কিছু জমি কিনতে হবে। জাহাঙ্গীরের কথামত বিশ্বনাথ ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে নবমুসলিম হয়ে কোর্টের মাধ্যমে এফিডেভিট করে বিল্লাল হোসেন নামে পরিচিত হন। বিদেশ থাকাকালীন সময় জাহাঙ্গীরের ছোট বোন রাবেয়া বেগমের সাথে প্রায় দেড় বছর আগে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে রাবেয়ার সাথে স্বামী স্ত্রীর মত মোবাইলে ফোনে যোগাযোগ চলে থাকে। কিছুদিন পর থেকে জমি ক্রয়ের জন্য জাহাঙ্গীরের পরিবারের কাছে বিল্লাল তার অর্জিত টাকা পাঠানো শুরু করে। শ্বশুর আঃ মন্নান বিল্লালের কাছ থেকে ৩ লক্ষ টাকার বিনিময় ০৩/১১/২০১৩ ইং তারিখে ২৪ শতাংশ জমি দলিল দেন। গত অক্টোবর মাসে নবমুসলিম বিল্লাল তার শ্বশুর বাড়ীতে আসেন। এলাকার স্থানীয় মুসল্লিরা মোবাইলের বিয়ে মানতে রাজী না হওয়ায় দ্বিতীয় দফা আবারোও ২১/১০/১৪ ইং তারিখে কাচিয়া এলাকার ফখরুল কাজীর মাধ্যমে ৫ লক্ষ টাকা দেন মহরে ইসলামী শরীয়া মোতাবেক বিবাহ সম্পূর্ণ হয়। বিয়ের পর থেকে মেয়ের পরিবার ছেলের কাছ থেকে নানা অজুহাতে প্রায় ৮ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেয় বলে স্থানীয়রা জানান। যখন ছেলেটির সব টাকা লুটে খাওয়া শেষ তখন শুরু করে রাবেয়ার পরিবারটি বিভিন্ন তালবাহানা। আর নবমুসলিম বিল্লাল যখনই টাকা চাইলেন তখনই তার জীবনে কাল হয়ে দাঁড়ালো। এরপর থেকে শুরু হয় যুবকটির উপর নানান নির্যাতন। এর কিছু দিন পর হঠাৎ ছেলেটিকে থানায় ডেকে নেওয়া হয়। রাতেই নারী ও শিশু নির্যাতনের অভিযোগ এনে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন রাবেয়ার পরিবার। ওই অভিযোগের ভিত্তিতে ছেলেটিকে জেল হাজতে পাঠায় পুলিশ। এ ঘটনার পর থেকে স্থানীয় এলাকাবাসী নবমুসলিম বিল্লালের অর্থ লুটপাট করে মিথ্যা অভিযোগ এনে তাকে জেল হাজতে পাঠানোর ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে সঠিক তদন্তের মাধ্যমে এ নিরিহ অসহায় নবমুসলিমকে মিথ্যা মামলা থেকে মুক্তি এবং প্রতারণা কারী দোষীদের দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি দাবি করেন। অপরদিকে বিল্লালের নামের ২৪ শতাংশ জমি শ্বশুর ও মেয়েটির বোন জামাই মিলে জালজালিয়াতি করে নিজেদের নামে নিয়ে নেয়।
এব্যাপারে মেয়ের বাবা আব্দুল মন্নানের কাছে জানতে চাইলে তিনি জামাই নবমুসলিম বিল্লালের কাছ থেকে ১ লক্ষ ৮০ হাজার টাকা জমি বাবত নিয়েছেন বলে স্বীকার করেন। জাল দলিলের ব্যাপারে তিনি সদ উত্তর দিতে পারেননি।
এ মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এস আই বাদল জানান, মামলাটির তদন্ত চলছে।




15.ABOVE 100 OF HINDU FAMILY

THREATENED FOR THE PROTEST OF

TEMPLE DESTRUCTION IN JESSORE,BD.



যশোরে মন্দির উচ্ছেদের চেষ্টা, হুমকির মুখে শতাধিক পরিবার

সর্বশেষ সংবাদসারা দেশ | ১১ অগ্রহায়ন ১৪২১ | Tuesday, November 25, 2014


মন্দির উচ্ছেদে বাধা দেয়ায় হুমকির মুখে পড়েছে যশোর শহরতলী শেখহাটি স্কুলপাড়ার সনাতন ধর্মালম্বী শতাধিক পরিবার।
জানা যায়, মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে আরএন রোডের ব্যবসায়ী মৃত রশিদ মোল্লার ছেলে মিজান মোল্লার নেতৃত্বে একদল লোক শেখহাটি স্কুলপাড়ায় প্রতিষ্ঠিত ‘যশোর সার্বজনীন পূজা মন্দির ও প্রতিমা অপসারণ ও রাজমিস্ত্রি লাগিয়ে প্রাচীর ঘিরে মন্দিরের সম্পত্তি জবর দখলের চেষ্টা করে। 
এ সময় মন্দির পরিচালনা কমিটির নেতৃত্বে কয়েকশ নারী-পুরুষ তাদের কাজে বাধা দেয়। 
এতে ওই এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনার সৃষ্টি হয়।
একপর্যায়ে বিক্ষুব্ধরা কোতয়ালি থানায় অবস্থান নেয়।
সময় সদর উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক দেবেন্দ্রনাথ ভাস্কর ওসি ইনামুল হকের সঙ্গে দেখা করে সার্বিক পরিস্থিতি তুলে ধরেন। ওসি’র নির্দেশে তাৎক্ষণক এসআই হেমায়েতের নেতৃত্বে একদল ফোর্স ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযোগের সত্যতা পান। 
পুলিশের উপস্থিতিতেও উচ্ছেদকারীরা তাদের হুমকি দেয়।
এদিকে, বিক্ষুব্ধরা বেলা ১১টার দিকে প্রেসকাবের সামনে অবস্থান নিয়ে এ ন্যাকারজনক ঘটনার প্রতিকার দাবি করেন। সেখানে বক্তব্য রাখেন সদর উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক দেবেন্দ্রনাথ ভাস্কর ও মন্দিরের প্রশাসক সুনীল ঘোষ। উপস্থিত ছিলেন নওয়াপাড়া ইউনিয়ন পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি গৌতম কর্মকার, আজীবন সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান কবির, প্রতিষ্ঠাতা সদস্য গোপাল শীল, স্বরজিৎ সরকার, গৌর ব্যানার্জী, মাধুরী সরকার, দিপালী পালসহ কয়েকশ বিক্ষুব্ধ নারী-পুরুষ।
অন্যদিকে, মঙ্গলবার জমির দাতা বেজপাড়া শ্রীধর পুকুর এলাকার পরিমল কুন্ডুর সঙ্গে বৈঠক করে পূজা উদযাপন পরিষদের নেতৃবৃন্দ। এ ব্যাপারে মন্দিরের সভাপতি দিনবন্ধু বিশ্বাস জানান, আগামী ২৪ ঘন্টার মধ্যে প্রতিকার পাওয়া না গেলে পরবর্তীতে অনশনসহ কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করবে মন্দির রক্ষা আন্দোলন কমিটি। এসব কর্মসূচিতে অসম্প্রদায়িক চেতনায় বিশ্বাসী বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দকে আমন্ত্রণ জানানো হবে বলেও জানান তিনি।
প্রদীপ ঘোষ,যশোর প্রতিনিধি, পিটিবিনিউজ২৪.কম।
সম্পাদনা : আরাফাত আলী



No comments:

Post a Comment