1.[Recent destruction of Durga Idols]
শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলার প্রতাপ নগর এলাকায় ২০ সেপ্টেম্বর শনিবার গভীর রাতে দূর্বৃত্তরা স্থানীয় মন্দিরের দুর্গা গণেশ মূর্তির মাথা ও হাত ভেঙ্গে মাটিতে
গুড়িয়ে দেয়।
গুড়িয়ে দেয়।
2.
রায়গঞ্জে মন্দিরের প্রতিমা ভাঙচুর
3.নাটোরে প্রতিমা ভাঙচুর করেছে দুর্বৃত্তরা
Submitted by reader on 14 May 2014 - 11:53am
নাটোরের লালপুর উপজেলার নওপাড়া বাজার সংলগ্ন দুর্গামন্দিরের দুইটি প্রতিমা ভাঙচুর করেছে অজ্ঞাত দুর্বৃত্তরা। এ সময় মন্দিরের সামনের একটি খড়ের চালা আগুন দিয়ে জ্বালিয়ে দেয় তারা। মঙ্গলবার রাতে এ ঘটনা ঘটে।
নওপাড়া দুর্গা মন্দির কমিটির সভাপতি সন্তোষ কুমার জানান, আমরা সকালে নওপাড়া বাজার সংলগ্ন দুর্গামন্দিরের সামনের রাস্তায় গঙ্গা ও স্বরসতির দুইটি প্রতিমা ভাঙচুর করা অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখি। প্রতিমার হাত পা ও মাথা ভেঙে ফেলা হয়েছে। এছাড়াও মন্দিরের সামনের খড়ের একটি চালা আগুন দিয়ে পোড়ানো হয়েছে।
সাধারণ সম্পাদক বিকাশ কুন্ডু বলেন, মন্দিরের সামনের অংশ বাঁশের ফটক দিয়ে আটকানো ছিল। দুর্বৃত্তরা ফটক সরিয়ে প্রতিমা দুইটি বের করে রাস্তায় নিয়ে ভেঙ্গেছে। তিনি বলেন, রাতে কারা এবং কেন প্রতিমা দুইটি ভেঙেছে তা বুঝে উঠতে পারছি না।
4.
কুমিল্লার মনোহরগঞ্জে পূজা মন্ডপে হামলা, প্রতিমা ভাংচুর
Submitted by reader on 14 May 2014 - 11:53am
নাটোরের লালপুর উপজেলার নওপাড়া বাজার সংলগ্ন দুর্গামন্দিরের দুইটি প্রতিমা ভাঙচুর করেছে অজ্ঞাত দুর্বৃত্তরা। এ সময় মন্দিরের সামনের একটি খড়ের চালা আগুন দিয়ে জ্বালিয়ে দেয় তারা। মঙ্গলবার রাতে এ ঘটনা ঘটে।
নওপাড়া দুর্গা মন্দির কমিটির সভাপতি সন্তোষ কুমার জানান, আমরা সকালে নওপাড়া বাজার সংলগ্ন দুর্গামন্দিরের সামনের রাস্তায় গঙ্গা ও স্বরসতির দুইটি প্রতিমা ভাঙচুর করা অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখি। প্রতিমার হাত পা ও মাথা ভেঙে ফেলা হয়েছে। এছাড়াও মন্দিরের সামনের খড়ের একটি চালা আগুন দিয়ে পোড়ানো হয়েছে।
সাধারণ সম্পাদক বিকাশ কুন্ডু বলেন, মন্দিরের সামনের অংশ বাঁশের ফটক দিয়ে আটকানো ছিল। দুর্বৃত্তরা ফটক সরিয়ে প্রতিমা দুইটি বের করে রাস্তায় নিয়ে ভেঙ্গেছে। তিনি বলেন, রাতে কারা এবং কেন প্রতিমা দুইটি ভেঙেছে তা বুঝে উঠতে পারছি না।
4.
কুমিল্লার মনোহরগঞ্জে পূজা মন্ডপে হামলা, প্রতিমা ভাংচুর
- প্রতিবেদক
কুমিল্লা: জেলার মনোহরগঞ্জ উপজেলায় রাতের অন্ধকারে পূজা মন্ডপে হামলা চালিয়ে ৭টি প্রতিমা ভাংচুর করেছে দূর্বৃত্তরা। শুক্রবার গভীর রাতে উপজেলার সরশপুর এলাকার মজুমদার বাড়ির দাশ পাড়া পূজা মন্ডপে এ হামলার ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় শনিবার সকালে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওই পূজা মন্ডপ পরির্দশন করে নিরাপত্তা জোরদার করেছেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গা পূজাকে সামনে রেখে ওই মন্ডপে পূজা উদযাপনের সকল প্রস্তুতি প্রায় শেষ পর্যায়ে। শুক্রবার রাত ১১টার দিকে হঠাৎ বৃষ্টি এলে ওই পূজা মন্ডপের প্রস্তুতকারীরা তাদের বাড়িতে চলে যায়। পরে রাত আনুমানিক ১টার দিকে অজ্ঞাত দুর্বৃওরা ওই পূজা মন্ডপে হামলা চালিয়ে বিভিন্ন দেব-দেবীর ৭টি প্রতিমা ভাংচুর করে। এ ঘটনার খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোস্তফা মোরশেদ, থানার ওসি আবদুল হাই সরকার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। পরে তারা হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজনকে নিরাপদে পূজা উদযাপনে সকল সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোস্তফা মোরশেদ বলেন, যারা হামলা চালিয়েছে তাদের আইনের আওয়তায় আনার চেষ্টা চলছে। ওই পূজা মন্ডপে পুজা উদযাপনে উপজেলা প্রসাশনের পক্ষ থেকে সকল সহযোগিতা করা হবে।
.
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গা পূজাকে সামনে রেখে ওই মন্ডপে পূজা উদযাপনের সকল প্রস্তুতি প্রায় শেষ পর্যায়ে। শুক্রবার রাত ১১টার দিকে হঠাৎ বৃষ্টি এলে ওই পূজা মন্ডপের প্রস্তুতকারীরা তাদের বাড়িতে চলে যায়। পরে রাত আনুমানিক ১টার দিকে অজ্ঞাত দুর্বৃওরা ওই পূজা মন্ডপে হামলা চালিয়ে বিভিন্ন দেব-দেবীর ৭টি প্রতিমা ভাংচুর করে। এ ঘটনার খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোস্তফা মোরশেদ, থানার ওসি আবদুল হাই সরকার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। পরে তারা হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজনকে নিরাপদে পূজা উদযাপনে সকল সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোস্তফা মোরশেদ বলেন, যারা হামলা চালিয়েছে তাদের আইনের আওয়তায় আনার চেষ্টা চলছে। ওই পূজা মন্ডপে পুজা উদযাপনে উপজেলা প্রসাশনের পক্ষ থেকে সকল সহযোগিতা করা হবে।
.
5.
দুর্গাপূজার প্যান্ডেলে হামলা ভাঙ্গচুর
ভোলা শহরের বিরেন্দ্র বিজয়রায় চৌধুরী বাড়ি মন্দিরে দুর্গাপূজার প্যান্ডেলে সোমবার সকালে হামলা চালিয়ে ভাঙ্গচুরের ঘটনা ঘটেছে। এ ছাড়া ফটো সাংবাদিক ছবি তুলতে গেলে তার ক্যামেরা ভাঙ্গচুরের চেষ্টাসহ তাকে হুমকি দেয়া হয়।
এ ঘটনায় ভোলা হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে চরম উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে অবস্থান নেয়।
স্থানীয়রা জানন, বিরেন্দ্র বিজয়রায় চৌধুরী বাড়ি মন্দিরের জমি নিয়ে র্দীঘ দিন ধরে সার্কুলার রোডের ইউনুস মিয়ার সাথে ৯৭ শতাংশ জমি নিয়ে বিরোধ চলে আসছিলো।
এ নিয়ে আদালতে মন্দির কর্তৃপক্ষের সাথে ইউনুস মিয়ার মামলা চলছে। বিরোধপূর্ন জমিতে আসন্ন দুর্গাপূজা উপলক্ষে মন্দির কতৃপক্ষ প্যান্ডেল নির্মান করতে গেলে প্রতিপক্ষের লোকজন হামলা চালিয়ে ভাঙ্গচুর করে।
মন্দিরের সেবাহিত বাবুল জানান, তারা গত দুই দিন পূজার প্যান্ডেলের কাজ করছিলেন। সোমবার সকালে মন্দিরের জমির দাবীদার ইউনুস মিয়ার ছেলে রাজিব এর সাথে উভয়ের মধ্যে ধাক্কা ধাক্কি হয়।
অপর দিকে খবর পেয়ে দৈনিক বাংলার কন্ঠের ফটো সাংবাদিক লক্ষন চন্দ্র দাস ছবি তুলতে গেলে তাকে ইউনুস মিয়া বাধা দেয়। তার ক্যামেরা ভাঙ্গচুর করবে বলেও হুমকি দেওয়া হয়।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ইউনুস মিয়ার ছেলে রাজিব বলেন, “যে স্থানে মন্দির রয়েছে ওই জমি নিয়ে আদালতে ষ্ট্যাটাস রয়েছে। তাই আমরা প্যান্ডেল নির্মানে বাধা দিয়েছি।”
ভোলা পূজা উৎযাপন কমিটির সাধারন সম্পাদক গৌরাঙ্গ চন্দ্র দে জানান, এ ব্যাপারে ভোলা থানায় একটি জিডি করার প্রস্তুতি চলছে। এ ঘটনা হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
এ ব্যাপারে ভোলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান জানান, বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে রয়েছে। পূজা শেষ হওয়া পর্যন্ত অস্থায়ী ক্যাম্প স্থাপনের সিদ্বান্ত ইতোমধ্যে নেয়া হয়েছে।
তিনি আরো জানান, ভাঙ্গচুরের ঘটনায় কেউ মামলা না করায় কাউকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি।
ভোলা শহরের বিরেন্দ্র বিজয়রায় চৌধুরী বাড়ি মন্দিরে দুর্গাপূজার প্যান্ডেলে সোমবার সকালে হামলা চালিয়ে ভাঙ্গচুরের ঘটনা ঘটেছে। এ ছাড়া ফটো সাংবাদিক ছবি তুলতে গেলে তার ক্যামেরা ভাঙ্গচুরের চেষ্টাসহ তাকে হুমকি দেয়া হয়।
এ ঘটনায় ভোলা হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে চরম উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে অবস্থান নেয়।
স্থানীয়রা জানন, বিরেন্দ্র বিজয়রায় চৌধুরী বাড়ি মন্দিরের জমি নিয়ে র্দীঘ দিন ধরে সার্কুলার রোডের ইউনুস মিয়ার সাথে ৯৭ শতাংশ জমি নিয়ে বিরোধ চলে আসছিলো।
এ নিয়ে আদালতে মন্দির কর্তৃপক্ষের সাথে ইউনুস মিয়ার মামলা চলছে। বিরোধপূর্ন জমিতে আসন্ন দুর্গাপূজা উপলক্ষে মন্দির কতৃপক্ষ প্যান্ডেল নির্মান করতে গেলে প্রতিপক্ষের লোকজন হামলা চালিয়ে ভাঙ্গচুর করে।
মন্দিরের সেবাহিত বাবুল জানান, তারা গত দুই দিন পূজার প্যান্ডেলের কাজ করছিলেন। সোমবার সকালে মন্দিরের জমির দাবীদার ইউনুস মিয়ার ছেলে রাজিব এর সাথে উভয়ের মধ্যে ধাক্কা ধাক্কি হয়।
অপর দিকে খবর পেয়ে দৈনিক বাংলার কন্ঠের ফটো সাংবাদিক লক্ষন চন্দ্র দাস ছবি তুলতে গেলে তাকে ইউনুস মিয়া বাধা দেয়। তার ক্যামেরা ভাঙ্গচুর করবে বলেও হুমকি দেওয়া হয়।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ইউনুস মিয়ার ছেলে রাজিব বলেন, “যে স্থানে মন্দির রয়েছে ওই জমি নিয়ে আদালতে ষ্ট্যাটাস রয়েছে। তাই আমরা প্যান্ডেল নির্মানে বাধা দিয়েছি।”
ভোলা পূজা উৎযাপন কমিটির সাধারন সম্পাদক গৌরাঙ্গ চন্দ্র দে জানান, এ ব্যাপারে ভোলা থানায় একটি জিডি করার প্রস্তুতি চলছে। এ ঘটনা হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
এ ব্যাপারে ভোলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান জানান, বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে রয়েছে। পূজা শেষ হওয়া পর্যন্ত অস্থায়ী ক্যাম্প স্থাপনের সিদ্বান্ত ইতোমধ্যে নেয়া হয়েছে।
তিনি আরো জানান, ভাঙ্গচুরের ঘটনায় কেউ মামলা না করায় কাউকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি।
6.
বাঙ্গালহালিয়ায় সাধূ কর্তৃক মসজিদের জায়গা দখল! সাম্প্রদায়িক সংঘাতের আশংকা

আজগর আলী খাঁন,রাজস্থলী-০৬ সেপ্টেম্বর ১৪ (সিটিজি টাইমস) ::
রাঙামাটির রাজস্থলী উপজেলাধীন বাঙ্গাল হালিয়া এলাকার জামে মসজিদের জায়গা জবর দখল করে মন্দির নির্মানের চেষ্ঠায় এলাকায় সাম্প্রদায়িক সংঘাতের মতো পরিস্থিতি সৃষ্টি করছেন লাল সাধু নামে এক ব্যক্তি। এমনই অভিযোগ পাওয়া গেলো স্থানীয়দের কাছ থেকে।
এই একটি ঝামেলা নিয়ে স্থানীয়ভাবে শালিসী বৈঠকে স্যা প্রমানের ভিত্তিতে পরাজিত হয়ে অঙ্গীকারনামা প্রদান করে পরে আবার তা অস্বীকারও করেন লাল সাধু নামের এই ব্যক্তি।
পরবর্তীকালে রাঙামাটি জেলার জেলা প্রশাসক মোস্তফা কামাল এর কাছে অভিযোগ জানালে তিনি বিষয়টি খতিয়ে দেখে উভয় পকে উপস্থিত করে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদানও করেন। কিন্তু বিবাদী লাল সাধু জেলা প্রশাসকের নির্দেশনা মেনে বিভিন্ন ধরনের বির্তকিত সমালোচনামূলক বক্তব্য বিভিন্ন স্থানে প্রদান করছেন বলেও অভিযোগ করেছে বাঙ্গাল হালিয়া মসজিত কমিটির নেতৃবৃন্দ।
মসজিদ কমিটি ও এলাকার স্থানীয়রা জানিয়েছে,রাজস্থলী উপজেলাধীন বাঙ্গালহালিয়া জামে মসজিদের বন্দোবস্তীকৃত জায়গা সনাতন ধর্মাবলম্বীর লাল সাধু কর্তৃক অবৈধভাবে দখল করে আছে। ১৯৮৩-৮৪ সালে বন্দোবস্তীকৃত ৪.৮০ একর, দাগ নং- ২০,২১, খতিয়ান নং- ১১৮, হোল্ডিং নং-২২৬ জায়গাটি বাঙ্গালহালিয়া জামে মসজিদের নামে অর্ন্তভুক্ত।
দীর্ঘদিন যাবৎ লাল সাধু নামে এক ব্যক্তি জোড় পূর্বক মন্দির ও আনুষাঙ্গিক ঘরবাড়ি নির্মান করে আসছে তারই পরিপ্রেক্ষিতে মসজিদ কমিটি কর্তৃক ইউনিয়ন পরিষদকে অবহিত করে শালিসী বৈঠকের আহবান করলে ইউনিয়ন পরিষদ উক্ত লাল সাধুকে পরপর ৩ বার নোটিশ ইস্যু করার পরও তিনি কোন জবাব না দিয়ে নিরব ভুমিকা পালন করে যাচ্ছেন।
পরবর্তীতে স্থানীয় ক্যাম্প কমান্ডারের নির্দেশে শালিসী নিরসন করার জন্য উভয় পক্ষ বৈঠক বসেন। এবং বৈঠকে লাল সাধু ১৫ দিনের মধ্যে উক্ত জায়গা ছেড়ে দেওয়ার জন্য মসজিদ কমিটির নিকট একটি অঙ্গীকার নামা প্রদান করেন। মসজিদ কমিটি জানায়, ইতিমধ্যে লাল সাধু অঙ্গীকার নামা অমান্য করে বিভিন্ন জায়গায় সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট করার লক্ষ্যে স্মারকলিপি প্রদান করে আসছে।
মসজিদ কমিটির সভাপতি আজিজুল হক বলতে থাকেন এতে বোঝা যায়, বাঙ্গালহালিয়া জামে মসজিদের নামীয় জায়গা অবৈধ দখল করার পায়তারা শুরু করছে। বাঙ্গালহালিয়া এলাকার বিভিন্ন সম্প্রদায়ের যেমন-হিন্দু, বৌদ্ধ, খিষ্ট্রান এমনকি সংশ্লিষ্ট মৌজার হেডম্যান ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যানগন স্বীকারোক্তি দেন যে, উক্ত জায়গাটি বাঙ্গালহালিয়া জামে মসজিদের।
পরবর্তীতে এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক উভয়কে নোটিশ মাধ্যমে উপস্থিত হওয়ার জন্য বললে উপস্থিত হওয়ার পর জেলা প্রশাসক সুনির্দিষ্ট অভিযোগ প্রমানিত হওয়ায় বাঙ্গালহালিয়া মসজিদের রেকর্ডিয় জায়গা সরকারী আমিন কানুনগো’র মাধ্যমে পরিমাপ করে মসজিদের বন্দোবস্তিকৃত ৪.৮০ একর মুলে জমি বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য জেলা প্রশাসক নির্দেশ প্রদান করেন। কিন্তু জেলা প্রশাসকের এই নির্দেশের প্রতি কোনো তোয়াক্কা করেননি লাল সাধূ। তার ব্যবহৃত মোবাইল নাম্বারে কয়েকবার যোগাযোগের চেষ্ঠা করলেও তিনি কল রিসিভ করেননি।
এদিকে আরো জানা যায়, উক্ত লাল সাধু বাহুর বল প্রয়োগ করে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টের জন্য বিভিন্নধরনের হুমকি-ধামকি দিতে থাকে। যার ফলে এলাকায় সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট হওয়ার উপক্রম হয়ে দাড়িয়েছে। যেকোনো সময় এখানে ঘটতে পারে অপ্রীতিকর ঘটনা। এব্যাপারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপকে আশু হস্তেেপর দাবি জানিয়েছে এলাকাবাসি।
7.
মানিকগঞ্জে আ’লীগ নেতার বিরুদ্ধে সংখ্যালঘু হত্যার অভিযোগ
২টি মামলা দায়ের
মানিকগঞ্জের হরিরামপুরে আওয়ামী লীগ নেতা ও চালা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শামসুল ইসলাম বিশ্বাস ওরফে শিরু মিয়ার বিরুদ্ধে সংখ্যালঘু হত্যার অভিযোগে মামলা হয়েছে। অপর দিকে গণপিটুনিতে চোর নিহতের ঘটনায় গত ১৯ আগস্ট দুই শতাধিক লোকের নামে মামলা করে পুলিশ। চালা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা ও ওই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শামসুল ইলাম বিশ্বাস ওরফে শিরু মিয়াসহ ১৮ জনের বিরুদ্ধে গত ২১ আগস্ট মানিকগঞ্জ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা করেছেন নিহত প্রসাদের মা শোভা রানী বেহারা। তবে কোনো মামলায় এখনো কেউ গ্রেফতার হয়নি। এর আগে হরিরামপুর থানা পুলিশ শোভা রানীর মামলা নেয়নি বলে তিনি অভিযোগ করেন।
শোভা রানী মামলায় উল্লেখ করেন আমার ছেলে প্রসাদ চুরি করেনি। গত ১৮ আগস্ট রাতে চেয়ারম্যান লোক দিয়ে প্রসাদকে বাড়িতে ডেকে নেন। এরপর চেয়ারম্যান ও তার লোকজন আমার ছেলেকে রড ও হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে হাত-পা ভেঙে মাথা ফাটিয়ে মগজ বের করে দেন। এতে সে নিস্তেজ হয়ে পড়লে তার দুই চোখে সুচ ঢুকিয়ে চুন দেয়। মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতালে নিলে ২০ আগস্ট প্রসাদের মৃত্যু ঘটে।
এ দিকে চেয়ারম্যান শিরু মিয়া বলেন, এলাকার লোকজন প্রসাদকে চোর হিসেবে চেনে। তার বিরুদ্ধে থানায় চুরির মামলাও আছে। সে একজন কুখ্যাত চোর। গত ১৭ তারিখে শুকদেব হালদারের বাড়িতে চুরি করতে গিয়ে জনতার ধাওয়ায় প্রসাদ পুকুরে ঝাঁপ দেয় ও গণপিটুনিতে আহত হয়। পরে আমার ফোন পেয়ে পুলিশ এসে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করে ও ১৯ তারিখে সে মারা যায়। তিনি আরো বলেন, আমি চোর মারার সাথে জড়িত নই এবং যাদের আসামি করা হয়েছে তাদের অনেকেই জড়িত না। আমি রাজনীতির স্বীকার। তিনি বলেন, দুই বছর আগে আমার মোটরসাইকেলটি প্রসাদই চুরি করেছিল কিন্তু পরে বলেন, প্রসাদ আমার মোটরসাইকেল চুরির সাথে জড়িত নয়।
শিরু চেয়ারম্যানের সম্পর্কে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জেলা আওয়ামী লীগের এক সিনিয়র নেতা বলেন,তিনি আওয়ামী লীগের কোনো দায়িত্বপূর্ণ পদে আছেন বলে আমার জানা নেই। অনেকেই বিপদে পড়ে দলের নাম ভাঙ্গায়। যেই হোক অপরাধ করলে আইন অনুযায়ী তার বিচার হবে। শুধু তাই নয়, এ ধরনের লোকদের দল থেকে বহিষ্কার করা হবে।
হরিরামপুর থানার ওসি নজরুল ইসলাম বলেন যেহেতু চেয়ারম্যানের বাড়িতে মারধরের ঘটনা ঘটেছে তাই তার উচিত ছিল পুলিশকে জানানো। এভাবে কাউকে মারা ঠিক নয়। মোটরসাইকেল চুরির ঘটনার জের ধরেই এভাবে তাকে মরতে হয়েছে বলে জানতে পেরেছি। তবে গণপিটুনিতে চোর নিহতের ঘটনায় দুই শতাধিক জনকে আসামি করে থানায় হত্যা মামলা করেছে পুলিশ।
শোভা রানী মামলায় উল্লেখ করেন আমার ছেলে প্রসাদ চুরি করেনি। গত ১৮ আগস্ট রাতে চেয়ারম্যান লোক দিয়ে প্রসাদকে বাড়িতে ডেকে নেন। এরপর চেয়ারম্যান ও তার লোকজন আমার ছেলেকে রড ও হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে হাত-পা ভেঙে মাথা ফাটিয়ে মগজ বের করে দেন। এতে সে নিস্তেজ হয়ে পড়লে তার দুই চোখে সুচ ঢুকিয়ে চুন দেয়। মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতালে নিলে ২০ আগস্ট প্রসাদের মৃত্যু ঘটে।
এ দিকে চেয়ারম্যান শিরু মিয়া বলেন, এলাকার লোকজন প্রসাদকে চোর হিসেবে চেনে। তার বিরুদ্ধে থানায় চুরির মামলাও আছে। সে একজন কুখ্যাত চোর। গত ১৭ তারিখে শুকদেব হালদারের বাড়িতে চুরি করতে গিয়ে জনতার ধাওয়ায় প্রসাদ পুকুরে ঝাঁপ দেয় ও গণপিটুনিতে আহত হয়। পরে আমার ফোন পেয়ে পুলিশ এসে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করে ও ১৯ তারিখে সে মারা যায়। তিনি আরো বলেন, আমি চোর মারার সাথে জড়িত নই এবং যাদের আসামি করা হয়েছে তাদের অনেকেই জড়িত না। আমি রাজনীতির স্বীকার। তিনি বলেন, দুই বছর আগে আমার মোটরসাইকেলটি প্রসাদই চুরি করেছিল কিন্তু পরে বলেন, প্রসাদ আমার মোটরসাইকেল চুরির সাথে জড়িত নয়।
শিরু চেয়ারম্যানের সম্পর্কে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জেলা আওয়ামী লীগের এক সিনিয়র নেতা বলেন,তিনি আওয়ামী লীগের কোনো দায়িত্বপূর্ণ পদে আছেন বলে আমার জানা নেই। অনেকেই বিপদে পড়ে দলের নাম ভাঙ্গায়। যেই হোক অপরাধ করলে আইন অনুযায়ী তার বিচার হবে। শুধু তাই নয়, এ ধরনের লোকদের দল থেকে বহিষ্কার করা হবে।
হরিরামপুর থানার ওসি নজরুল ইসলাম বলেন যেহেতু চেয়ারম্যানের বাড়িতে মারধরের ঘটনা ঘটেছে তাই তার উচিত ছিল পুলিশকে জানানো। এভাবে কাউকে মারা ঠিক নয়। মোটরসাইকেল চুরির ঘটনার জের ধরেই এভাবে তাকে মরতে হয়েছে বলে জানতে পেরেছি। তবে গণপিটুনিতে চোর নিহতের ঘটনায় দুই শতাধিক জনকে আসামি করে থানায় হত্যা মামলা করেছে পুলিশ।
dailynayadiganta
08.09.14
8.
সিরাজগঞ্জ শহরের কেন্দ্রীয় মন্দির স্রী স্রী মহাপ্রভুর আখড়া মন্দিরে দুর্ধর্ষ ডাকাতি হয়েছে গতকাল রাতে...অবিলম্বে দোষীদের ধরা হোক।।কোন রকমের বিলম্ব না করে অতি দ্রুত দোষীদের গ্রেফতার করে তার উপযুক্ত শাস্তির বাবস্থা করতে হবে।।

9.
ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার নাছিরাবার ইউনিয়নের ভদ্রকান্দা মৌলবীর ডাঙ্গী গ্রামের সংখ্যালঘু মৃত সুধন্য মন্ডলের স্ত্রী প্রর্থণা রানী মন্ডল (৫০) পুত্র দেবাশিশ মন্ডল (১৩) কে বসতবাড়ি থেকে উচ্ছেদ করে এলাকা ছাড়ার জন্য হত্যার হুমকি দিয়েছে নাসিরুদ্দিন নামে এলাকার এক প্রভাবশালী ভূমিদস্যু।
10.
যশোর রেলগেট পশ্চিম পাড়ার চিহ্নিত ভূমিদস্যু, মামলাবাজ আবুল বাশার এর বিরুদ্ধে চাঞ্চল্যকর তথ্য মিলেছে। সে সংখ্যালঘু পরিবার কে উচ্ছেদ করে তাদের বাড়ি ঘর দখল করে নিয়েছে। প্রান ভয়ে বাড়ি ও জমির মালিক সপরিবারে এলাকা ছাড়া হয়েছেন। সংখ্যা লঘু পরিবারটির প্রধানের নাম নটুবর ঘোষ।

11.
জরাজীর্ণ অবস্থায় পড়ে আছে ২০০ বছরের শীব-মন্দির
একুশে সংবাদঃ জরাজীর্ণ অবস্থায় পড়ে আছে নড়াইলে বসুপাড়ার প্রায় ২ শতাধিক বছরের শীব-মন্দির।
অনেক বছর আগে নড়াইলের বসুপাড়া, সিংগিয়ায় ছিল তালুকদারদের বসবাস। এখানে অনেক ধনী হিন্দু সম্প্রদায়েরও বসবাস ছিল। তারা সৃষ্টিকর্তাকে স্মরণ করার জন্য সেখানকার বসুপাড়া গ্রামে একটি মন্দির স্থাপন করে। তারা এই মন্দিরের নাম রাখে শীব-মন্দির। সেখানে নিয়মিত পূজা-অর্চণা দিয়ে দেবতাকে স্মরণ করত। এ মন্দিরে নানা ধরনের পুজাকে কেন্দ্র করে বসত মেলা। মেলা দেখতে দেশে বিভিন্ন স্থান থেকে হিন্দু সম্প্রদায়ের অনেক লোক ভীড় জমাতো। তখনকার আমলে এ এলাকায় বড় বড় ব্যবসায়ীরা বসবাস করত। তাদের অনুদানেই এ শীব-মন্দিরটি স্থাপিত হয়েছিল।
ধারণা করা হয় ২০০ বছর আগে এ মন্দিরে পুজা-অর্চণা দেয়া হত। কিন্তু আজ সেটি অবহেলায় পড়ে আছে একটি বাগানের ভিতর। সেখানে কেউ এখন আর পূজা-অচর্ণা দেয়না। নড়াইল-মাগুরা সড়কের পাশে বসুপাড়া গ্রামে গেলেই চোখে পড়া জরাজীর্ণ এই মন্দিরটি। উপযুক্ত পরিচর্যার অভাবে এখন সেটি ভুতুড়ে হয়ে পড়েছে। মন্দিরের উপরে দাঁড়িয়ে আছে বড় বড় দুটি গাছ। পশ্চিম পাশে বড় একটি পাকড় গাছ আর পূর্ব পাশে একটি তেঁতুল গাছ মন্দিরটিকে জড়িয়ে ধরে দাঁড়িয়ে আছে। দেখলে কেউ বুঝতে পারবে না গাছ আগে ন া মন্দির আগে।
স্থানীয়দের কাছ থেকে জানা যায়, ঐ এলাকায় প্রায় ৪০ টি হিন্দু তালুকদার পরিবার বসবাস করত। তারাই এই মন্দিরটি স্থাপন করে। তবে দেশ বিভাগের ও ১৯৪৭ সালে জমিদার প্রথা বিলুপ্তির পর তারা একে একে এলাকা ছেড়ে চলে যেতে থাকে। তারা তাদের অধিকাংশ সম্পদ নিয়ে যায়। কিছু কিছু আবার মন্দিরে দেবতাকে খুশি করার জন্য রেখে যায়। তালুকদাররা চলে যাবার সময় তাদের জমি জমা স্থানীয়দের কাছে বিক্রি করে দেয়।
এবিষয়ে আশি বছরের এক বৃদ্ধ খবিবর রহমান মোল্যা জানান, তিনি মন্দিরের গঠন, ব্যবহার সম্পর্কে কিছুই জানেন না। তিনি তার বাবার কাছ থেকেও কিছু জানতে পারেন নি। তবে তিনি অনুমান করে বলেন এটি হয়তো তাঁর দাদা/দাদি জানতে পারে। এখানে এখন কেউ পুজা-অর্চণা দেয় না কেন এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বাবা আমি বুঝতে শিখে দেখিনি এখানে কেউ পুজা-অর্চণা দিয়েছে। অপর এক বৃদ্ধ (৯০) জানান, যখন তালুকদারেরা চলে যায় তখন আমার বাবা ছোট, কিছুটা বুঝতে শিখেছে। তিনি তালুকদারদের দু-এক জনকে দেখেছেন।
আমি শীব-মন্দির সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি আমাকে বলেন, আমি দু-একজনকে দেখেছি তারা কিযেন নিয়ে মন্দিরের ভিতর ঢুকলো। ২/৩ ঘন্টা পরে মন্দিরের গেটে তালা মেরে চলে গেল। এর পর আমি তাদের আর এ এলাকায় দেখিনি। তার প্রায় এক দেড় বছর পর আমাদের এলাকার বড় বড় মাতবরেরা এসে তালা ভেঙ্গে ভিতরে কিছুই পায়না। তারা অনেক খুজা খুজি করে গেট, দরজা ভেঙ্গে রেখে চলে যায়। তার পর থেকেই মন্দিরটি এভাবে পড়ে আছে।
এলাকার যুবকেরা ভয়ে সেখানে যেতে পারে না। মন্দিরের পাশ দিয়ে একটি কাচা রাস্তা আছে। রাতে বেলা ভয়ে কেউ সেই রাস্তা দিয়ে চলাচল করতে পারে না। চলাচলের জন্য তারা তৈরী করে নিয়েছে বিকল্প একটি রাস্তা। মন্দিরের ইটের গায়ে বা দেয়ালে কোন লেখাও পাওয়া যায়নি। মন্দিরের নির্মাণ কৌশলই বলে দেয় এটি অনেক পুরানো। তবে কয়েকজন বৃদ্ধের মতে এটি ২’শ বছরেরও আগে তৈরী হয়েছিল।
এখন বসুপাড়া গ্রাম প্রায় হিন্দু শূন্য। গ্রামে অধিকাংশই মুসলিম পরিবার। কে করবে এই মন্দিরের পরিচর্যা? কে দেবে মন্দিরে দেবতার উদ্দেশ্যে পুজা-অর্চণা?
12. BROKEN IDOL OF HINDU GODDESS
চিতলমারীতে দু’গ্রুপের দ্বন্দ্বে হিন্দু সমপ্রদায়ের মূর্তি ও মন্দির ভাংচুর
13. DESTRUCTION OF HINDU'S HOUSE BY LOCAL CHAIRMAN
পূর্ব শত্রুতার জেরে নেত্রকোনার মোহনগঞ্জ উপজেলায় এক হিন্দু বাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও লুটপাট চালিয়েছে স্থানীয় এক ইউপি চেয়ারম্যান। এ অভিযোগে চেয়ারম্যান মাহবুবুল আলম খান রানাসহ দুই জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
গ্রেপ্তারকৃত অপর আসামী বিপ্লব মিয়া।জানা গেছে, শনিবার গভীর রাতে উপজেলার বড়তলি-বানিহারি ইউনিয়নের বড়তলি গ্রামে হামলার ঘটনা ঘটে। বড়তলি গ্রামের মধু সরকারের সঙ্গে চেয়ারম্যান রানার পূর্বশত্রুতা ছিল। এরই জের ধরে শনিবার রাত পৌনে ১২টার দিকে চেয়ারম্যান তার লোকজন নিয়ে মধু সরকারের বাড়ি ও দোকানে হামলা চালায়। হামলাকারীরা ৮৪ হাজার নগদ টাকা ও তিন ভরি স্বর্ণালংকার লুট করে নিয়ে যায়।এছাড়া হামলায় চার জন আহত হন। এদের মধ্যে একজনকে মোহনগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।মোহনগঞ্জ থানার ওসি রমিজুল হক জানান, হামলার সময় গ্রামের লোকজন চেয়ারম্যান ও তার সঙ্গী বিপ্লব মিয়াকে আটক করে। পরে পুলিশ গিয়ে তাদের থানায় নিয়ে আসে।এ ব্যাপারে মধু সরকার বাদী হয়ে সাত জনের নাম উল্লেখসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে থানায় মামলা করেছেন। ওই মামলায় চেয়ারম্যান রানা ও তার সহযোগী বিপ্লববে গ্রেপ্তার দেখিয়ে রোববার সকালে আদালতে পাঠানো হয়েছে বলে জানান ওসি।
14. FIRE IN THE HOUSE OF HINDU
দাগনভূঞা: ফেনীর দাগনভূঞা উপজেলার জাঙ্গালিয়া গ্রামে বুধবার দিবাগতরাতে দুর্বৃত্তের আগুনে একটি সংখ্যালঘু পরিবারের বশতঘর সম্পূর্ন ভস্মিভুত হয়েছে ।
পুলিশ ও এলাকাবাসী জানায়, গত বুধবার রাত এগারোটার দিকে দুর্বৃত্তরা উপজেলার রাজাপুর ইউনিয়নের জাঙ্গালিয়া গ্রামের কিরন ভূঁঞা বাড়ীর মানিক চন্দ্র ভৌমিকের একটি টিনের বশতঘরে দুর্বৃত্তরা অগ্নিসংযোগ করে। এতে ঘরটি সম্পূর্ন ভস্মিভুত হয়ে অন্তত পাঁচ লাখ টাকার সম্পদের ক্ষতি হয়েছে।
স্থানীয় লোকজন জানায়, অগ্নিসংযোগের সময় ঘরের মালিক বা ওই পরিবারের কোন সদস্য ঘরে ছিলনা। আগুনের বিষয়টি টের পেয়ে বাড়ীর অন্য অংশের প্রতিবেশীরা শোর চিৎকার শুরু করে। আশেপাশের লোকজন এগিয়ে এসে আগুন নেভানোর চেষ্ঠা করে। কিন্তু ততক্ষনে ঘরটি সম্পূর্ন ভস্মিভুত হয়ে যায়।
বশতঘর ভস্মিভুত হওয়ার খবর পেয়ে বৃহস্পতিবার মানিক চন্দ্র ভৌমিক পরিবার পরিজন নিয়ে বাড়ীতে আসেন।
তিনি জানান, ব্যবসার সুবাদে মানিক চন্দ্র ভৌমিক সপরিবারে নোয়াখালীর চৌমুহনীতে বসবাস করেন। ফলে ঘরে কেউ থাকেনা। বছরের বেশীর ভাগ ঘরটি খালি পড়ে থাকে। শুধুমাত্র পুজাপার্বন বা পারিবারিক অনুষ্ঠানাদিতে তারা বাড়ী এসে ঘরে বসবাস করেন। এঘটনায় তিনি মামলা করবেন।
দাগনভূঁঞা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আনোয়ারুল আজিম দুর্বৃত্তের আগুনে মানিক চন্দ্র ভৌমিকের বাড়ীর বশতঘর ভস্মিভুত হওয়ার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, বৃহস্পতিবার বিকেল পর্যন্ত এঘটনায় থানায় কোন মামলা হয়নি।
প্রতিবেদক/এমআরআর/১৮ সেপ্টেম্বর




No comments:
Post a Comment